Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

একজন আদ্যন্ত অসফল অথচ দুর্দান্ত সুখী মানুষের কথা

Oplus_131072
Dr. Sukanya Bandopadhyay

Dr. Sukanya Bandopadhyay

Medical Officer, Immuno-Hematology and Blood Bank, MCH
My Other Posts
  • June 20, 2024
  • 9:36 am
  • No Comments
বাবার কথা লিখতে আমার একদম ইচ্ছে করে না।
একজন আদ্যন্ত অসফল অথচ দুর্দান্ত সুখী মানুষের কথা লিখতে অস্বস্তি হয় বড্ড। সঙ্কোচও হয় বৈকি!
মেধায় কমতি ছিল না বাবার, নামের পাশের চারখানা ডিগ্রি — এমএসসি, বিএড, ডিএসডব্লু, এলএলবি তার উজ্জ্বল সাক্ষী। সেই মেধাকে বাস্তবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে খামতি ছিল হয়ত। কিংবা অনিচ্ছা। অথবা দুর্ভাগ্য। অসাফল্যের কারণ জানা নেই আমার। শুধু জানতাম, সেটা নিয়ে কোনো আক্ষেপ ছিল না বাবার, ছিল না আফশোস।
এখনো কত মানুষের মুখে শুনি, ‘সে কি, ওঁর কোনো পেনশন ছিল না?’
না, সারাজীবন বেসরকারি চাকরি করা মানুষটার পেনশন ছিল না কোনো। সন্তানকে জীবনের সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত করে, জমানো পুঁজি ঢেলে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু গড়ে একেবারে নিঃস্ব, রিক্ত হয়ে গিয়েছিল বাবা।
ভুল বললাম। নিঃস্ব হয়নি। আমি ছিলাম। কিন্তু উপযুক্ত সন্তানের মুখাপেক্ষী হওয়ার কথা বাবা ভাবতেই পারেনি কখনো। নিতান্ত অবিবেচকের মতো, বোকার মতো ভেবেছিল স্ব-উপার্জনের ভরসায় কাটিয়ে দেবে জীবনের বাড়তি সময়টুকু। চিরকালের বেহিসেবি মানুষটা নিজের সবচেয়ে দামি সম্পদ, স্বাস্থ্যকে হিসেবের মধ্যে রাখেইনি। ছেলেবেলার নির্ভেজাল দুধ ঘি খাওয়া শরীর যে সিগারেটের অত্যাচারে অভিমান করে ছেড়ে যাবে হাত, সেই হিসেব আর রাখা হয়নি বাবার।
ফলে, জীবনের অন্তিম লগ্নে বড় দিশাহারা হয়ে পড়েছিল লোকটা। চারপাশের ভোগবাদী দুনিয়াদারি, অসুস্থ শরীর আর মেয়ের হাততোলা হয়ে না থাকার জেদ — এই ত্রিমুখী চাপে হারিয়ে গিয়েছিল তার চিরকালীন ইউএসপি — সন্তুষ্টি।
আজও মনে পড়ে, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাবাকে, আর রক্তাভ চোখ মেলে আমার দিকে চেয়ে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি দেওয়ার মতো অসহায় গলায় বিড়বিড় করছে বাবা — ‘আমি তোকে বড্ড বিপদে ফেলে দিলাম বাপি, বড্ড বিপদে ফেলে দিলাম।’
না, বিপদে ফেলেনি আমাকে। বাবা তো! পরের দিনই সুতো কেটে উড়ে গিয়েছিল ঘুড়ি — নিরুদ্দেশে। আর ফেরেনি নতুন কোনো বোকামির ডালা নিয়ে।
মেয়ের তৎকালীন সীমাবদ্ধতাটুকু বুঝতে একটুও ভুল হয়নি আমার অবুঝ বোকা বাবাটার।
মা থাকলে এই লেখাটা পড়ে রাগ করত খুব। ভাবত, বাবাকে বোধহয় সর্বসমক্ষে ছোট করে ফেললাম আমি।
যে মানুষটার নাগালই পাই না আর, তাকে ছোট করব কী করে, মা?
জানি, তুমি বলবে —
‘মা ব্রুয়াৎ সত্যম অপ্রিয়ম’।
তবু লিখলাম। হৃদয়ের ভার লাঘব করব বলে — নিতান্ত স্বার্থপরের মতো।
তোমার জন্য কিচ্ছু করতে পারিনি বাবা। শুধু কলকাতা শহরের এই জলে জঙ্গলে ভরা অনুন্নত উপান্তে তোমার কষ্ট করে তৈরি করা বড় গর্বের বাড়িটি আঁকড়ে পড়ে রয়েছি — শত প্রলোভন, অনুরোধ, অভিযোগেও যাইনি কোত্থাও। যাবোও না। এবাড়ির ছাদের পাঁচিলে তোমার পরিশ্রমী ঘামের গন্ধ লেগে আছে কুড়ি বছর পরেও। বারান্দায়, খাবার ঘরে এখনো মায়ের আঁচলের খসখস শোনা যায় নিস্তব্ধ দুপুরে। শোবার ঘরের আলমারিতে ভাঁজ করা শার্টগুলোয় হাত বুলোলে তোমার ঈষদুষ্ণ স্পর্শ পাই আজও। আমার ড্রেসিংটেবিলে চিরুনির পাশে এখনো রয়েছে তোমার মণিবন্ধের এইচএমটি — দম দিই রোজ। তোমার হারিয়ে না ফেলা অস্তিত্ব অনুভব করি। কোথায় যাব বাবা, এ সব ছেড়ে?
কত সাজিয়েগুছিয়ে, মেরামত করিয়ে নতুনের মতো তকতকে করে রেখেছি আমার পরাজিত সম্রাটের প্রাসাদ — তুমি দেখতে পাচ্ছ নিশ্চয়।
আশীর্বাদে তোমার বিশ্বাস ছিল না কোনোদিন। নিজের শর্তে জীবন বাঁচার সন্তুষ্টিটুকু পারলে দিও তোমার বাপিকে। দিও কিন্তু।
বাবার কথা লিখতে আমার একদম ভাল লাগে না। আমি যে একজন আদ্যন্ত অসফল এবং অসুখী মানুষ।
PrevPreviousনায়ার স্যার
Nextসবই যদি মানতে পেরেছেন, তাহলে এটুকু মেনে নিতে অসুবিধে কোথায়?Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620298
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]