Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

চলে গেলেন নীলাকুরিঞ্জির মালি

cover 18 1 2026
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 19, 2026
  • 7:23 am
  • 4 Comments

আরও একটা বিষণ্ণতার খবর ভেসে এলো সেই দক্ষিণ থেকে।

নতুন বছরের শুরুতে গ্যাডগিল স্যারের চলে যাবার আঘাত সামলাতে না সামলাতেই আবারও একটা বেদনা ভরা বিদায় সংবাদ এসে আমাদের ছুঁয়ে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। চলে গেলেন প্রকৃতি পরিবেশের আরও এক নিমগ্ন নিরলস সেবক জি.রাজকুমার। খুব পরিচিত নাম নিশ্চয়ই নয় আমাদের মতো হিসেবি মানুষজনের কাছে। কিন্তু নীলগিরি পর্বতকে ভালোবেসে জড়িয়ে থাকা মানুষজন তাঁর এই অসময়ে চলে যাওয়ায় বাকরুদ্ধ, শোক বিধুর। সমস্ত রকম প্রচারের আলোকে দূরে সরিয়ে রেখে নীরবে নিভৃতে জি. রাজকুমার নীলগিরি জুড়ে ফুটে থাকা কুরিঞ্জি ফুলের সংরক্ষণে লড়াই করে গেছেন ধারাবাহিকভাবে। এই কাজে তিনি ছিলেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কোনো বাঁধাই তাকে বিন্দুমাত্র টলাতে পারেনি। তাই লোকজনের কাছে তাঁর পরিচয় ছিল “ কুরিঞ্জি রাজকুমার” হিসেবে। নীলগিরি পাহাড়ের ঢাল জুড়ে বিছিয়ে থাকা অজস্র ফুলের পুষ্পিত শোভা যে একবার প্রত্যক্ষ করেছে সে আর অন্য কিছুতেই মন বসাতে পারেনি। এমনটাই ঘটেছিল প্রয়াত রাজকুমার সাহেবের বেলাতেও।

কুরিঞ্জি ফুল। বিজ্ঞানীদের কাছে এই ফুলের পরিচিতি অবশ্য Strobilanthes kunthiana নামে। তামিলনাড়ু আর কেরালার মানুষজনের কাছে যে ফুলের নাম কুরিঞ্জি , কর্ণাটকের মানুষেরা তাকেই আদর করে ডাকে গুরিগে বলে। সহ্যাদ্রির শোলা বনভূমির অনন্য আবাসিক কুরিঞ্জি আসলে হলো Acanthaceae পরিবারের এক পরিচিত গুল্ম সদস্য। অবশ্য এই ফুলের আসল মজা হলো অন্য জায়গায়। কুরিঞ্জি ফুল বারো বছর অন্তর অন্তর পাঁপড়ি মেলে, নয়নাভিরাম শোভায় সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দীর্ঘ বারো বছর ধরে তার শোভায় মন ভরানোর জন্য অপেক্ষা করে থাকে নীলগিরির পাহাড়তলির গুণমুগ্ধ ভক্তরা। কুরিঞ্জি তাই পৃথিবীর বিরলতম ফুলেদের একটি।

তবে এইসময়ের পৃথিবীতে কেউই আর নিরাপদ নয়, নীলা কুরিঞ্জিও নয়। আর এখানেই স্মরণীয় হয়ে থাকবেন কুরিঞ্জি রাজকুমার– সদ্য প্রয়াত এই মানুষটি। মাত্র ৭০ বছর বয়সেই নীলা কুরিঞ্জি ফুলের মোহময়ী শোভার মায়া কাটিয়ে চিরবিদায় নিলেন মানুষটি – জি. রাজকুমার।১৯৮২ সালে কুরিঞ্জি ফুলের সঙ্গে প্রথম পরিচয় জি. রাজকুমারের। প্রথম দর্শনেই এই বিরল প্রজাতির ফুলের অকৃত্রিম ভালোবাসার বন্ধনে বাঁধা পড়ে যান তিনি। সেবার‌ই প্রথম শুনলেন নীলা কুরিঞ্জির আশ্চর্য বৃত্তান্ত। স্থানীয়রা তাঁকে জানালেন – প্রতি বারো বছর অন্তর মুন্নার থেকে কোদাইকানাল পর্যন্ত বিছিয়ে থাকা নীলগিরি পর্বতের ঢাল ভরে যায় কুরিঞ্জি ফুলের অপরূপ বর্ণিল শোভায়। একবার চাক্ষুষ করার পর দীর্ঘ দ্বাদশ বছরের প্রতীক্ষা।

তাঁর প্রয়াণের পর জি. রাজকুমারের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রকৃতিপ্রেমী ও চিত্রগ্রাহক সুরেশ এলামন জানাচ্ছেন – “ ১৯৮২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি এই এলাকাটি ঘুরে দেখেন এবং তাঁর বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। তাঁর বর্ণনা শুনে আমরা এতোটাই আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম যে কয়েকদিনের মধ্যেই তল্পিতল্পা গুটিয়ে আমরা চার বন্ধু কোদাইকানালে গিয়ে হাজির হলাম। সেখান থেকে ট্রেক করে আমরা ক্লাভারা এবং পুন্ডি পাহাড়ের পাকদণ্ডী পেরিয়ে মুন্নার গিয়ে পৌঁছলাম।”এই অভিযানের সূত্র ধরেই পরবর্তী কালের কুরিঞ্জি বাঁচাও আন্দোলনের সূচনা হয়। বিষয়টি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ, কেননা যে সময়ে এই অভিযান করছেন রাজকুমার ও তাঁর সহযোগীরা তখন নীলা কুরিঞ্জির ইকোলজিকাল গুরুত্ব এবং নীলগিরি পর্বতের সানুদেশ জুড়ে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথচ বিপন্ন তৃণভূমির বাস্তুতান্ত্রিক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কেউই সে ভাবে অবগত ছিলো না। স্থানীয় অধিবাসীদের বাইরে তথাকথিত শিক্ষিত (!) মানুষেরা এই বিষয়ে একরকম  অজ্ঞাত ছিল।‌

“যুবক রাজকুমার এই  এলাকার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন বলেই তাকে সুরক্ষিত রাখার কথা তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছিলেন। একদল মুনাফালোভী মানুষের হাত থেকে ধরিত্রী মায়ের এই আশ্চর্য সম্পদকে সুরক্ষিত রাখতে রাজকুমার ছিলেন এক অক্লান্ত যোদ্ধা। অকৃত্রিম ভালোবাসার আত্মজন। আজ নীলা কুরিঞ্জি পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের এক অভিজ্ঞান হয়ে উঠেছে কেবলমাত্র জি. রাজকুমারের নিরন্তর প্রয়াসের কারণেই।” – স্মৃতিচারণ প্রসঙ্গে এলামন সাহেবের বক্তব্য।রাজকুমার ছিলেন একান্তই নীরবে নিভৃতে প্রকৃতির সেবা করে যাওয়া মানুষ। কুরিঞ্জি ফুলের মতোই বিরল ছিলো তাঁর বিচরণ। আজ কুরিঞ্জি ফুলকে বাঁচানোর জন্য যে সরবতা আমরা দেখতে পাই, তার পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে গেছেন প্রয়াত রাজকুমার সাহেব। কুরিঞ্জিভূমি রক্ষার জন্য তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজ দিকে দিকে গড়ে উঠেছে নানান ধরনের সংগঠন। সরকারি তরফে জারি করা হয়েছে নানান ধরনের নিষেধাজ্ঞা। ট্যুরিজমের পাশাপাশি বাগিচা সম্প্রসারণের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। এই সব কিছুই সম্ভব হয়েছে জি. রাজকুমার সাহেবের কর্মসূত্রে। তাঁর আগ্রহকে স্বীকৃতি জানিয়ে কেরালা রাজ্যের তৎকালীন বন ও পরিবেশমন্ত্রী বিনয় বিশ্বম ২০০৬ সালের ৬ ই অক্টোবর তারিখে নীলগিরি পর্বতের কোট্টাকাম্বুর– ভাট্টাভাদার মধ্যবর্তী ৩২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কুরিঞ্জি স্যাঙ্কচুয়ারি স্থাপনের কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার ফলে রাজকুমার সাহেবের লড়াই এক নতুন মাত্রা পেল।

কর্মসূত্রে স্টেট ব্যাংক অব ত্রিবাঙ্কোরের কর্মচারী হলেও মনেপ্রাণে রাজকুমার সাহেব ছিলেন  প্রকৃতি পরিবেশের এক একনিষ্ঠ সেবক। কুরিঞ্জির জন্য তাঁর নিখাদ ভালোবাসা তাঁকে অমর করে রাখবে কুরিঞ্জি প্রেমীদের কাছে। ভালো থাকবেন রাজকুমার সাহেব। আপনার মতো মানুষের বিদায়ে আরও রিক্ত নিঃস্ব হয়ে গেল আমাদের পৃথিবী। ভালো মানুষের বড়ো অভাব আজকের পৃথিবীতে। আপনার বিদায় সেই শূন্যতাকে আরও গহীন করে তুললো। আপনাকে কুর্ণিশ জানাই।

তথ্যসূত্র: দ্যা হিন্দু পত্রিকা

জানুয়ারি,১৭, ২০২৬

পূর্ব প্রকাশিত

তুমি আসবে বলে……..

PrevPreviousপাল তুলে দাও হাল ধর হাতে দুস্তর সাগর হব পার
Nextগোপা মুখার্জি পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত কর্মচারী সমিতি সমূহের যৌথ কমিটির সম্মেলনেNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
7 months ago

আচ্ছা এমন সব প্রচেষ্টা কি বঙ্গদেশে হয়না? প্রশ্ন জাগছে

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
7 months ago

শুরু করলেই হয়। আমরা আসলে অন্য কিছু নিয়ে মজে থাকতে ভালোবাসি। বঙ্গদেশে এমন কিছুর কাহিনি নজরে এলে অবশ্যই কলম ধরবো।

0
Reply
Sugata Bhattacharjee
Sugata Bhattacharjee
7 months ago

ধন্যবাদ দাদা প্রকৃতির এই বিচিত্র খেলার সাথে পরিচয় করানোর জন্যে। সাথে সাথে এরম মানুষের উদ্যোগ আর লড়াই করে আমাদের উদ্বুদ্ধ করবে প্রকৃতিকে আগলে রাখতে।
ভালো থাকবেন কুরিঞ্জি রাজকুমার।।।।।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Sugata Bhattacharjee
7 months ago

আমরা কি সত্যিই উদ্বুদ্ধ হবার কথা ভাবছি? আমি সন্দিহান। রাজকুমার সাহেবের প্রচেষ্টা প্রচারের অপেক্ষা করেনি। ভালো কাজ যাঁরা করেন তাঁরা বোধহয় নীরবে নিভৃতেই থাকতে পছন্দ করেন। গ্যাডগিল স্যারের পর রাজকুমার সাহেবের চলে যাওয়া বড়ো শূন্যতা সৃষ্টি করলো।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ভোপালের সহযোদ্ধাদের সংগ্রামের প্রতি সংহতি জানাই।

September 11, 2026 No Comments

মধ্যপ্রদেশের ভোপালের গান্ধী মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলনে রাজ্য পুলিশের নির্মম লাঠিচার্জ ও ওয়াটার ক্যানন প্রয়োগের ঘটনায় তীব্র ধিক্কার ও কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছে

এবার পুজোয় খাওয়া দাওয়া

September 11, 2026 No Comments

কৈলাসে দুদিন ধরে প্রবল চীৎকার শোনা যাচ্ছে নারীকন্ঠের, সঙ্গে ছেলেমেয়েদের কান্নাকাটির আওয়াজ। এমনিতেই মাঝেমধ্যে শিবুবাবুর গাঁজার পরিমাণ বাড়াবাড়ি করলে শিবুর বউ রাগারাগি করে, কোন কোন

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে ৩

September 11, 2026 No Comments

আমাদের বলা হয়েছে পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু অন্যান্য জিনিসের প্রয়োজন, যেমন সবার প্রায় বাড়ি ভেঙে গেছে, বাড়ি বানাতে টাকার প্রয়োজন। আপাতত সরকারের তরফে খাওয়ার

মেডিক্যাল কলেজে কোনো নির্যাতনকারীর স্থান নেই!

September 10, 2026 No Comments

কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (CNMC&H) প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের সাথে নিরাপত্তার অজুহাতে যে অত্যন্ত নিন্দনীয়, অমানবিক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস

এই অপমান বাঙালির ১০০% প্রাপ্য ছিল!

September 10, 2026 No Comments

বাগেস্বর বাবার বাগারম্বর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল। কোন কোন পত্রিকা, চ্যানেলে সমালোচনা, কিন্তু ভাবা দরকার: সাহস তিনি পান কোথা থেকে? কে দেয়? উত্তর একটাই: না।ক্ষমতাসীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভোপালের সহযোদ্ধাদের সংগ্রামের প্রতি সংহতি জানাই।

West Bengal Junior Doctors Front September 11, 2026

এবার পুজোয় খাওয়া দাওয়া

Dr. Hiralal Konar September 11, 2026

নেপালে চিকিৎসা ত্রাণে ৩

Piyali Dey Biswas September 11, 2026

মেডিক্যাল কলেজে কোনো নির্যাতনকারীর স্থান নেই!

West Bengal Junior Doctors Front September 10, 2026

এই অপমান বাঙালির ১০০% প্রাপ্য ছিল!

Parichay Gupta September 10, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

674351
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]