কাহিনির শুরুটুকু ভেবে নিতে পারো
অন্ধের সাথে দেখা হয় বুঝি কারও?
এক ছিল হ্রদ, তার পাশেই পাহাড়।
যেহেতু অন্ধ, ধ্বনি কানে গেছে তার।
হ্রদের জলটি নীল। পাইনের বনে
জলময় কথা ওড়ে শয়নে স্বপনে।
জলের হদিশ ছিল, তলের ছিল না
কেউ জানত না, জল মিষ্টি না লোনা
ডুবো পাহাড়ের ভয়? তা হয়তো ছিলো…
শ্যাওলা জমেছে ঘাটে, তাই পিচ্ছিলও।
পরোয়া না করে গেছে ওই জল ছুঁতে।
আসলে অন্ধ। নেই তরাস কিছুতে।
সারা জীবনের তৃষ্ণা বয়ে একা একা
পেল স্বপ্নেরই মত অমৃতের দেখা।
শুধু ধ্বনি? জল তাকে আর কী শোনায়?
তৃষ্ণা মেটাব তোর। আয় বুকে আয়।
সেই থেকে শুরু ভুল। বোকার মতন
সারাদিন সারারাত কথোপকথন।
পাহাড়ের থেকে ফিরে এসে সমতলে
তার কথা উপকথা মিশে যায় জলে।
মিছে অধিকারবোধে সে অন্ধ ভেবেছে
জল তাকে চিনে নেবে খুব বেছে বেছে।
হ্যাঁ, তা চিনেছেও। তাই কিছুদিন বাদে
অন্ধ একাই মেশে গভীর প্রমাদে।
এসো পাড়া প্রতিবেশী, এসো হে সদলে।
দেখে যাও, চির অন্ধ ডুবে যায় জলে।









