Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দুই পাগলের গপ্পো – প্রথম পর্ব

Gopal
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 26, 2026
  • 8:16 am
  • One Comment

পাগল শব্দের আভিধানিক অর্থ যাই হোক না কেন,যত‌ই তাদের সমাজের চোখে অবাঞ্ছিত মনে করা হোক না কেন এই সময়ের সমাজে তাদের উপস্থিতির গরিমাকে কখনোই খাটো চোখে দেখা যাবে না। তথাকথিত পাগলের পাগলামি কখনো কখনো আমাদের মতো স্বাভাবিক মানুষদের কর্মকাণ্ডকে ছাপিয়ে যায়। এমন‌ই দুই পাগলের কর্মকান্ডের গপ্পো নিয়ে হাজির হলাম। আজ তার প্রথম কিস্তি। মতামত জানান।

একে পাগল তার ওপর একজোড়া ! আজ এই দুই পাগলের গপ্পো নিয়েই হাজির হলাম। দুই পাগলে প্রথম জন পেশায় একজন কুম্ভকার মানে চলতি বাংলায় যাকে আমরা বলি কুমোর – মাটি দিয়ে তৈরি করেন নানান প্রয়োজনীয় উপকরণ। প্রথম পাগলের নাম গোপাল, নিবাস উত্তরপ্রদেশের বারানসি বা বেনারস। এই সাধারণ মানুষটি বিগত ১২ বছর ধরে বহু মানুষের উপেক্ষা, অবহেলা,কটু ভাষণ – সবকিছুকে উপেক্ষা করে নিজের কাজে অবিচল রয়েছেন। তাঁর কথায়, তাঁর পাগলামির কথায় আসবো তবে তার আগে গোপালের পাগলামির পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে দু এক কথা সেরে নিই।

পরিবেশ দূষণের মোকাবেলায় আমরা সবাই খুব চেনা পথে হাঁটার কথাই ভাবছি – বৃক্ষ রোপন। গাছের প্রয়োজন নেই এমন কথা কেউ বলেনা, কিন্তু এই বিষয়টি এখন অনেকটাই খুব সাজানো গোছানো,নিয়মানুগ আয়োজনে পরিণত হয়েছে। আমাদের কাহিনির গোপাল এমন‌ই এক অনুষ্ঠানের সাক্ষী হয়েছিলেন,আজ থেকে ঠিক ১২ বছর আগে। তাঁদের মহল্লায় গাছ লাগানোর উৎসব পালিত হবে। দিন কয়েক আগে থেকেই মাইক বাজিয়ে চলছে তার প্রচার। সেই চিৎকৃত প্রচারে কান পাতা দায়। বৃক্ষরোপণের দিন নতুন কিছু দেখার আশায় গোপাল গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানস্থলে। বর্ষার সময় কাজের চাপ কম, তাই এমন সুযোগ মিলেছিল। সেখানে গিয়ে এক গাছের নিচে চুপচাপ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবকিছুর ওপর নজর রাখছিলেন গোপাল। নির্দিষ্ট সময় পার করে মন্ত্রী মহোদয় সপার্ষদ সেখানে এসে হাজির হলেন, স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন তাঁকে সাদরে বরণ করে নিতে ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছে – আগে থেকে খুঁড়ে রাখা জায়গায় মন্ত্রী মহোদয় দাঁড়াতেই ক্যামেরার শাটার ওঠানামার শব্দে চারিদিক চমকিত হলো। একগাল হেসে মন্ত্রীজী গাছের চারাটি হাতে নিয়ে সাংবাদিক, বিভাগীয় চিত্রগ্রাহকদের অনুরোধে বেশ কয়েকটি ভঙ্গিতে ছবি তুলে রাস্তার ধুলো উড়িয়ে এক সময় প্রস্থান করলেন। গাছগুলো পড়ে র‌ইলো ধুলি ধূসরিত পথের ধারে নিতান্তই অবহেলা আর অনাদরে। এই সব গাছেরা বাঁচেনা। কিছু গাছের মৃত্যু হয় উপযুক্ত পরিচর্যার অভাবে,গরু ছাগল এসে তাদের আহার্য ভেবে সাবাড় করে বাকিদের। ক্যাগ রিপোর্টে এই করুণ পরিণতির কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। ক্যাগ খোঁজখবর নিয়ে দেখেছে সারা বছর ঢাকঢোল পিটিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করার নামে দেশজুড়ে যত সংখ্যক গাছ লাগানো হয়, তার গড়পড়তা ৪০% পরিণত হবার আগেই মারা যার উপযুক্ত যত্ন‌ আত্তির অভাবে। এ এক বিপুল অপচয়। অথচ কার‌ও কোনো হেলদোল নেই।এই পরিণতি গোপালকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। তাঁর মনে হয়েছিল যে এভাবে গাছগুলোকে মরতে না দিয়ে, উপযুক্ত পরিচর্যার মাধ্যমে তাদের বাঁচিয়ে তোলা হয় তাহলে তো সবুজের সমারোহে ভরে উঠবে তাঁদের মহল্লা, রঙিন পাখপাখালির দল এসে নতুন করে ভিড় জমাবে, ফুল ফলের শোভায় ভরে উঠবে সবার মন। এতো অনাদরের মধ্যেও মাথা উঁচিয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখছিলো যে গুটিকয়েক তরুণ তরুবর তাদের যথাযথ পরিচর্যা করা শুরু করলো গোপাল কুম্ভকার। খুব বেশি কিছু নয়, গাছগুলোয় জল দেওয়া , নুয়ে পড়া গাছেদের সোজা করে দেওয়া।তাঁর এমন দেখভালের প্রভাবে নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু হলো। ছেলেবেলায় পাঠশালার পুঁথির সঙ্গে সেভাবে সম্পর্ক গড়ে না উঠলেও গোপাল জানেন গাছ মানেই জীবন, গাছ থাকলেই বাতাস নির্মল, মাটি সজীব সপ্রাণ, জীবজগতের সন্তুলান বজায় থাকা, মানুষের মন ভালো থাকা। গোপাল জানেন এইসব কথা জানতে ব‌ইয়ের বিদ্যের থেকে বড়ো হলো মানুষের উপলব্ধি, চেতনা, ভালোবাসা।বিগত ১২ বছর ধরে গোপাল একনিষ্ঠভাবে পথের ধারে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছেদের নিরলসভাবে সেবা করে চলেছেন। একেবারে শুরুতে নিজে বালতি করে জল নিয়ে গাছেদের তৃষ্ণা মিটিয়েছেন একেবারে তাঁর বাড়ির লাগোয়া গাছগুলোর। কোনো গণ সংগঠন, প্রশাসনের মানুষজন, গাছগুলোকে রক্ষা করার কোনো সরকারি পরিকল্পনার অপেক্ষায় না থেকেই গোপাল নীরবে নিভৃতে গাছ বাঁচানোর লড়াই চালিয়ে গেছেন। চাকা ঘুরিয়ে পেলব মাটিকে আঙুলের ছোঁয়ায় গোপাল পরিবর্তিত করেন আশ্চর্য সব উপকরণে, এবার সেই হাতেই তিনি পালন করে চলেছেন প্রকৃতির সবুজ সেনানীদের। নিজের পয়সায় কিনেছেন ৫০০ লিটারের এক জলের ট্যাঙ্ক। তাতে জল ভরে সাতসকালেই গোপাল বেরিয়ে পড়েন গাছেদের সেবায়। এখন আরও বেশি সংখ্যক গাছেদের এই পরিষেবার আওতায় আনতে পেরে খুব

খুশি গোপাল। তাঁর এই নিরলস কাজের জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন অক্সিজেন বাবা। সবাই তাঁকে এই নামেই ডাকে।বাহান্ন বছরের গোপালের এমন পাগলামির পরিমাপ করা যাবেনা কোনো প্রচলিত সূত্রকে কাজে লাগিয়ে। এখন একাজে তাঁর হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন গোপালের স্ত্রী।

এমন পাগলদের আজ বড়ো প্রয়োজন এসময়ের এক আত্মকেন্দ্রিক সমাজে। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও  তার সুষ্ঠু পরিণতির মাঝখানে তৈরি হয়ে যাচ্ছে বিরাট শূন্যতা। আমাদের সার্বিক অবহেলায় এই ফারাক ক্রমশই অনতিক্রম্য হয়ে উঠেছে। গোপালের মতো আন্তরিক মানুষেরা এই ব্যবধান কমিয়ে ফেলতে সচেষ্ট। এক ট্যাঙ্ক জল হয়তো খুব একটা বড়ো ব্যাপার নয়, কিন্তু তাঁর পেছনে সক্রিয় অত্যন্ত সাধারণ এক মানুষের হৃদয়ের অর্ঘ্য অনেক অনেক বড়ো বিষয়। গোপালকে কুর্ণিশ। এমন পাগলদের সংখ্যা বাড়ুক হিসেবি মানুষদের জটলার মাঝে।

ঋণ স্বীকার: বেটার ইন্ডিয়া।

জুলাই ২৪. ২০২৬.

উল্টোরথ।।

PrevPreviousককরোচ পথ দেখাল, বিরোধীরা পারবে কি?
NextআজকালNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
23 hours ago

গাছ লাগানোর পর বাঁচিয়ে রাখার কাজটি অত্যন্ত জরুরী এবং অত্যন্ত শ্রম সাপেক্ষ। হাততালি পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। তাই গোপাল দের সংখ্যা কম। লেখকের মত আমরাও চাই গোপালদের সংখ্যা বাড়ুক ।তার থেকেও ভালো হয় যদি আমরা সবাই গোপাল হয়ে উঠি।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

দেশদ্রোহী

July 27, 2026 No Comments

(গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল বছর দশেকেরও আগে দেশ পত্রিকায়। আমার দেশ পত্রিকায় পাঠানো ও প্রকাশিত একমাত্র গল্প। আবার দিলাম – কেন দিলাম? কোনো কারণ নেই। দিতে

বাংলার মুখ: ২৪ জুলাই

July 27, 2026 No Comments

মিছিল নেমেছিল পথে, নাকি গোটা পথটাই হয়ে  উঠেছিল চলমান মিছিল এক রাগী পতাকার   সহস্র ফনা তুলে, বাতাসে স্লোগান ছিল, নাকি সমস্ত বাতাস ঝড়ের তীক্ষ্ণ শাঁখের মতো

জয় হোক ছাত্র-জনতার ঐক্যের। জয় হোক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের।

July 27, 2026 No Comments

দিল্লিতে দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র-যুবদের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাত্রসমাজের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরীক্ষায়

আমি কৃতজ্ঞ রইলাম, সব্বার কাছে।

July 26, 2026 No Comments

২৪ জুলাই, ২০২৬ 1942 A Love Story সিনেমায়, যদ্দূর মনে পড়ে, অনুপম খেরের মুখে একটা সংলাপ ছিল। খুব সম্ভবত নায়ক অনিল কাপুর যখন নায়িকা মনীষা

আজকাল

July 26, 2026 No Comments

হচ্ছে বাড়ি, হচ্ছে আইটি পার্ক, শহর জুড়ে নতুন দিনের ঝলক। স্বপ্ন ছোঁয়ার কর্পোরেটের ডাক, তবু ভাতার স্রোতে হারায় কর্মের হাক। আসে নতুন নতুন ভাতার ঘোষণা,

সাম্প্রতিক পোস্ট

দেশদ্রোহী

Dr. Aindril Bhowmik July 27, 2026

বাংলার মুখ: ২৪ জুলাই

Debashish Goswami July 27, 2026

জয় হোক ছাত্র-জনতার ঐক্যের। জয় হোক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের।

West Bengal Junior Doctors Front July 27, 2026

আমি কৃতজ্ঞ রইলাম, সব্বার কাছে।

Dr. Bishan Basu July 26, 2026

আজকাল

Dr. Sukanya Sinha July 26, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

654945
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]