Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

Caron
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 2, 2026
  • 7:13 am
  • One Comment

আজ যে পাগলের কথা বলবো তিনি সত্যিই এক আজব পাগল। জন্মসূত্রে ভারতীয় নন, তবে তাঁর কাণ্ডকারখানা এই ভারতের মাটিকে ঘিরে। ইনি হলেন ক্যারন রন্সলে ( Caron Rawnsley) । আয়ারল্যান্ডের মানুষ তবে জন্ম ফরাসি দেশে।

একজন সাধারণ পর্যটকদের মতো এদেশে বেড়াতে এসেছিলেন ক্যারন। অন্যদের ক্ষেত্রে যা হয় – এলাম,ঘাম ছুটিয়ে এখানে ওখানে চষে বেড়ালাম, ক্যামেরা বাগিয়ে সবকিছুর ছবি তুলে, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে দিনকয়েকের জন্য সময় কাটিয়ে আবার দেশে ফিরে গেলেন। আমাদের ক্যারন রন্সলে সাহেব হলেন একটু অন্য ধাতের মানুষ। রাজস্থানের যোধপুর শহরের নানান দর্শনীয় স্থানে ঘোরাঘুরি করে অনেক ভালো লাগায় স্মৃতি পাত্র ভরে উঠলো বটে, তবে তিনি বাঁধা পড়লেন রাজস্থানের ঐহিত্যবাহী Step Well বা ধাপ কুয়োর প্রেমে– বাওয়ারিস ( bawaris) এবং ঝালারাস্ (jhalaras )।এককালে এই ধাপ কুয়োগুলোর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। মরুভূমির দেশ রাজস্থানে জলের জোগান পরিমিত। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম। অথচ তাতে করে লোকজনের জলের চাহিদা তো কম নয়! এই কারণে বহুদিন ধরেই রাজস্থান ও পাশের রাজ্য গুজরাটের মানুষেরা জল ধরে রাখার এক আশ্চর্য ব্যবস্থা কায়েম করেছে তাঁদের ধাপ কুয়োর মাধ্যমে। মাটির অনেকটাই গভীরে যেহেতু জল স্তরের দেখা মেলে তাই সেই জল তুলে আনার জন্য সিঁড়ির ব্যবস্থা করতে হয়েছে। বাওয়ারিস থেকে পাওয়া যেত পরিস্রুত পানীয় জল, আর ঝালারসের জল দিয়ে মেটানো হতো অন্যান্য প্রয়োজনের জলের চাহিদা। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত যোধপুর শহরের জলের চাহিদা মেটানোর জন্য সাবেকি ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিল এলাকার মানুষজন। ইন্দিরা নহার প্রকল্পের রূপায়ণের ফলে খালের জল এসে এতোদিনের পুরনো ব্যবস্থাকে একরকম বাতিল করে দিল,ধাপ কুয়োর গৌরব অস্তমিত হলো। অতীত গৌরবের সাক্ষী হিসেবে এগুলো পড়ে রইলো অনাদরে। জল সংরক্ষণের এই অনন্য ব্যবস্থার কথা একটু একটু করে বিস্মৃত হলো যোধপুরবাসী।“আমি ২০১৪ সালের শেষের দিকে যোধপুরে বেড়াতে এসে দেখি স্টেপ ওয়েলের এই অনন্য স্থাপত্য নিদর্শনগুলো সম্পর্কে স্থানীয় মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। অথচ জল সংরক্ষণ ও সরবরাহের এমন অতুলনীয় ব্যবস্থা দুনিয়া ঘুরে মিলবে না। মানুষের এই বিষ্ময়কর ঔদাসীন্য আমাকে গভীরভাবে আহত করে। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে এই প্রাচীন জল ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ঘটানোই হবে আমার প্রাথমিক লক্ষ্য।”– এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ক্যারন।

পৃথিবীতে এতো দেশ থাকতে ক্যারন রন্সলের মন এই ভারতবর্ষের মাটিতেই মজলো কেন? আসলে ক্যারন রন্সলের সঙ্গে ভারতের একটা অতীতের যোগাযোগ রয়েছে। ক্যারনের ঠাকুর্দা ভারতীয় রেলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দীর্ঘদিন এদেশে ছিলেন। মুম্বাই – বরোদা রেলওয়ে যোগাযোগ স্থাপন করার কাজে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের সুপ্রাচীন কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ওপর ছিল তাঁর গভীর শ্রদ্ধা। অবসর গ্রহণের পর তিনি ইংল্যান্ড ফিরে গেলেন। ক্যারন এই মানুষটির সাহচর্যে এসে ভারতবর্ষ সম্পর্কে গভীরভাবে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।

ক্যারন রন্সলে উপমহাদেশের মাটিতে প্রথম পা রাখেন প্রতিবেশী পাকিস্তানে। সেখানে করাচিতে দু দশক সময় ধরে তিনি শ্রবণে দুর্বল ছেলেমেয়েদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পড়ানোর কাজ করেছেন সিন্ধ অঞ্চলের সরকারি স্কুলেও। পাকিস্তান ছেড়ে তিনি ভারতে আসেন দুর্গ শহর জয়সলমীরের হাডা গ্রামে। কেজো লোক তো আর চুপচাপ বসে থাকতে পারেন না। তাই হাডাতেই গ্রাম গঠনের কাজে মজে গেলেন বেশ কিছুদিনের জন্য – গাছ লাগানো, সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন, শিশু শিক্ষার প্রসার এইসব আরকি! জয়সলমীরের পাট চুকিয়ে অন্য কোথাও যাবার ইচ্ছে ছিল ক্যারেনের। আকস্মিকভাবে যোধপুরে এসে তিনি আটকে গেলেন স্টেপ ওয়েলের টানে। কুয়োগুলোর অবস্থা তখন ভয়াবহ , লোকজন সেগুলোকে একদম ময়লা আবর্জনার আখড়ায় পরিণত করেছে । এদের আবার ব্যবহারোপযোগী করে তোলা যায় কীভাবে?ক্যারন সাহেব সবার প্রথমে স্থানীয় পৌর প্রশাসনের কাছে আবেদন করলেন যাতে তাঁদের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে জলাশয় এবং কুয়োগুলোর সংস্কার করা হয় । কিন্তু পৌর আধিকারিকরা এ বিষয়ে সামান্য উৎসাহ, উদ্যোগ দেখাননি। বাধ্য হয়ে সাহেব যোধপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর কাছে তাঁর পাশে এসে দাঁড়াবার অনুরোধ করলেন। এখানেও তাঁকে নিরাশ হতে হলো। স্থানীয় কিছু মানুষ রাজি হয়েছিলেন কুয়ো গুলোকে সাফ করার কাজে তাঁকে সাহায্য করতে। আশাবাদী হয়েছিলেন ক্যারন, তবে সেই মানুষেরা প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিন আর সেখানে হাজির হননি। আসলে জলাধারগুলো একেবারে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছিল।মল,মূত্র, আবর্জনা মিলে মিশে একাকার হয়ে এক পূতিগন্ধময় পরিবেশ। যেই কুয়োর জল একদিন যোধপুরবাসীর তৃষ্ণা মিটিয়েছে, সেই কুয়োরজল বিষাক্ত,অব্যবহার্য হয়ে উঠেছিল। তাহলে কি ক্যারন রন্সলের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গেল?

ক্যারন সাহেব ঠিক করলেন কেউই যদি তাঁর পাশে এসে না দাঁড়ায় তাহলে তিনি একা একাই এই কাজ করবেন। এমন সময় তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার ইচ্ছে নিয়ে এগিয়ে এলো মেহরানগড় মিউজিয়াম ট্রাস্ট। এই সংস্থার অন‌্যতম সদস্য এবং ইনট্যাক এর যোধপুরের আহ্বায়ক মহেন্দ্র সিং তান‌ওয়ার তাঁদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। কুয়োর জমা জল তুলে ফেলার জন্য পাম্প বসানো হলো, এই ধরনের কাজে অভিজ্ঞ মানুষজন যোগ দিলেন ক্যারন রন্সলের সঙ্গে । সাহেবের কাজকর্ম দেখে আরো পাঁচজন উৎসাহিত হয়ে এগিয়ে আসবে,এক নতুন কর্মপ্রেরণার স্রোত ব‌ইবে কুয়োগুলোকে ঘিরে – এমনটাই আশা করেছিলেন তান‌ওয়ার সাহেব।প্রাথমিক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে কাজ শুরু হলো। সাহেব নিজে, সমস্ত সংকোচ সরিয়ে রেখে, এই কাজে হাত লাগালেন।ক্যারনের মূল লক্ষ্য ছিল কুয়োয় ইমারতী গঠনকে অক্ষুন্ন রেখে তাকে পুনরায় চালু করা। এজন্য সারাদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করেছেন ক্যারন রন্সলে – অশিতিপর এক পাগল যুবক। এতোকিছুর পরেও টানাপোড়েন চলেছে সমানে। ট্রাস্টকে পাশে পাওয়াটা ক্যারন সাহেবের কাছে একটা আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এঁরাই বহন করেছে সমস্ত খরচা পাতি।

যোধপুরের মানুষের কাছে ক্যারন রন্সলে এক আশ্চর্য অনুপ্রেরণা,এক নিরলস কর্মপ্রচেষ্টা,এক ভারতপ্রেমী হৃদয়বান মানুষ, সর্বোপরি এক আশ্চর্য পাগলা সাহেব।

যোধপুরের মানুষের কাছে ক্যারন রন্সলে এক প্রেরণার নাম।

নবী বাওয়ারি, তাপী বাওয়ারি এখন অনেকটাই ফিরেপেয়েছে তাদের পুরনো চেহারা। তবে এখানেই থেমে থাকতে চায়না ক্যারন ও তাঁর দলবল। ক্যারন চান পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিনিধিদের মধ্যে এই অনুপম ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সত্যিকারের শ্রদ্ধাশীল ও আগ্রহী করে তুলতে যাতে জল বাঁচানোর এই ব্যবস্থা দেশের স্থায়ী আমানত হয়ে টিকে থাকতে পারে আরও বহু বহু বছর।জন্মসূত্রে ভারতীয় না হয়েও ক্যারন রন্সলে আমাদের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছেন তার জন্য কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। তাঁকে স্যালুট।বয়স যে কোনো বাধা নয়, মানুষের অদম্য ইচ্ছে শক্তিই শেষ কথা বলে আমাদের আজকের পাগল সাহেব তার জীবন্ত প্রমাণ। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো এই পাগলদের সংখ্যা যতো বাড়বে ততোই পরিশুদ্ধ হবে আমাদের সমাজ। দুনিয়ার পাগল এক হ‌ও।

ঋণ স্বীকার: Better India

জুলাই ২৫. ২০২৬

PrevPreviousভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!
Nextএকটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠিNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
14 days ago

প্রণাম

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বাধীনতা তুমি কার?

August 16, 2026 No Comments

যে দেশে কবিতা লিখলে বারবার জেল খাটতে হয় বছরের পর বছর, যে দেশে আইনি অধিকারের কথা বললে দেশ বিরোধী বানিয়ে জেলে ভরিয়ে রাখে রাষ্ট্র নিজেই,

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

August 16, 2026 No Comments

“আজ চোদ্দই আগস্ট/ “আজ পাথর ভাঙার কোরাস গাইছে রাত/ রাতের গায়ে লক্ষ আলো/ রাতের গায়ে আগামী আজাদি/ রাতের গায়ে আর্তনাদ” (অদিতি বসু রায়) দু’বছর আগে

নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক নার্সের মৃত্যু

August 16, 2026 No Comments

১৪ আগস্ট ২০২৬ এ বড় শোকের সময়। নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শৌচাগারে এক নার্সের মৃত্যু আবারও অনেক যন্ত্রণা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা এখনও

কবে জেলে যাবেন শাস্তি পেয়ে?

August 15, 2026 No Comments

একটা প্রবাদ আছে ‘Never judge a book by its cover’. যা সামনে দেখা যাচ্ছে তাকেই সত্যি বলে মেনে নিলে খুব মুশকিল!! কিছুদিন আগে প্রাক্তন ‘যুবরাজ’

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন

August 15, 2026 No Comments

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন বলাই ফ‍্যাশন যেই নাগরিক চাইবে হক মূল মিডিয়াও ওদিক ঘেঁষান, ‘বিষ মেশানোর তৈরি ছক’.. কেউ খুঁজে পান পাক-চিনী আর কেউ বা হাঁকেন ‘ মার্কিনী’

সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাধীনতা তুমি কার?

Sanjoy Mukherjee August 16, 2026

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

Gopa Mukherjee August 16, 2026

নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক নার্সের মৃত্যু

Abhaya Mancha August 16, 2026

কবে জেলে যাবেন শাস্তি পেয়ে?

Dr. Amit Pan August 15, 2026

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন

Arya Tirtha August 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

662328
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]