সত্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন সে রকম এক পিস ‘গজ’ sacrifice করা হলো। কিন্তু ভুলেও ভাববেন না কিস্তি মাত হয়ে গেছে, বরং ঠিক উল্টো। আসলে এই সরকার কী যেন বলে সাংবাদিক বা সঞ্চালকদের ভাষায় ‘পাখির চোখ’ করে রেখেছে একটাই জিনিসকে, সেটা হলো delimitation. যেন তেন প্রকারণে করাতেই হবে। তার জন্য লোক ভাঙিয়ে, এমনকি দলের লোকেদের মতামতকেও অগ্রাহ্য করে মহা মহা চোর-ডাকাতদের দলে ঢুকিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অভীষ্ট সাধনে। যে ভাবে হোক delimitation of parliamentary seats করাতেই হবে, আর তাতেই মিলবে অনন্ত যৌবনের মতো অনন্তকাল ক্ষমতায় থাকার অমোঘ চাবিকাঠিটা। মানুষ তো সব সময়েই চেয়ে এসেছে অনন্ত সম্পদ, অনন্ত যৌবন, অনন্ত ক্ষমতা তা সে যত অধরাই হোক।
আমেরিকায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি পুঁজি নিয়োজিত হচ্ছে যে সমস্ত গবেষণায় তার মধ্যে সামনের সারিতে আছে AI ও Longivity science. দ্বিতীয়টি ইদানীংকালে আরও গুরুত্ব পেয়েছে AI assistance এর কারণে। অনন্ত যৌবন না হলেও দীর্ঘায়িত যৌবন তো হোক। নাহলে মহা ধনীদের এতো সম্পদ কী কাজে লাগবে?!
সেই হিসাবে অনন্ত না হোক, ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা তো করা যেতেই পারে। আপত্তির আর কী আছে!!
দেখাই যাক, সদ্যপ্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর এই ‘আত্মত্যাগ’ কতটা কার্যকরী হয় তার দলের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার স্বার্থে।
আর একমাত্র ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!










