সে কী কী জানতো তা জানা গেলো না
হাতের মুঠোয় ছিলো,
কোনোখানে উড়ে চলে যাচ্ছিলো না,
মশা বা মাছির মতো মারা যেতো থাবড়িয়ে যখন তখন।
মানা গেলো লোক ছিলো খারাপ ভীষণ,
যেভাবে সে বালিকাকে ধর্ষণে ছিঁড়েখুঁড়ে জীয়ন্ত ডুবিয়েছে সে,
বেশিদিন শ্বাস নিলে দূষণ ছড়াতো সারা দেশে,
মৃত্যুতে স্ত্রী ও মা’র শোক নেই খাস,
শিয়াল কুকুর খাক ছিঁড়ে তার লাশ,
সক্কলে চাই
তবু সে যা জানতো,
গিয়েছে কি বলে খুলে তার সবটাই?
যে সলিলে সে ডুবেছে,
সেটি তো স্বখাত,
তারিখ পে তারিখ পে তারিখের দেশে,
এভাবে বিচার দেওয়া আজ সহজাত।
আবর্জনার দ্রুত হয়েছে সাফাই,
তিন কোটি বাকি মামলার দেশে বিচার এটাই
এভাবেই নাশ হোক এই দেশে সমস্ত শিশুর ঘাতক।
প্রশ্নটা গেলো থেকে স্রেফ একটাই।
অপরাধী আরো কেউ বেঁচে গেলো না তো?












