আজ্ঞে না এটা ট্রান্সফার নয়। কাউন্সেলিং হয়েছিল। তাতে ডা: দেবাশিস হালদার নাম্বার,র্যাঙ্ক অনুযায়ী হাওড়া হাসপাতালে পেয়েছিলেন। সেটা হঠাৎ নোটিশে চেঞ্জ করে দেওয়া হয়েছে।
যেমন ধরুন জয়েন্ট এন্ট্রান্সে কেউ র্যাঙ্কের হিসেবে পেল বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ, তারপর যখন নোটিশ বেরোলো জয়েনিং এর তখন তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ পাঠিয়ে দেওয়া হল। সেরকম। তাহলে কাউন্সেলিং এর মানেটা কী? আর এই ঘটনাটা হয়েছে ৭৭৮ জনের মধ্যে মাত্র ১ জনের।
আর আজ নতুন নোটিশে ডা: অনিকেত মাহাত আর ডা: আসফাকুল্লা নাইয়া। ৮৭১ জনের মধ্যে শুধুমাত্র ওই দুজনের।
এখন বিভিন্ন খবরের হেডলাইনে যে সমস্যাটা হচ্ছে সেটা জানিয়ে রাখা ভালো। এই তিনজন ডাক্তারের কেউই সরকারি চাকুরে নন। তাঁরা পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সের শেষে বন্ড পোস্টিং করছেন নেহাৎ। আর সেই বন্ড পোস্টিং এর জন্যে কাউন্সেলিং হয়েছে। যেটা মার্কসের বেসিসে র্যাঙ্কিং এর ওপর ভিত্তি করে। এবার সেই কাউন্সেলিং এ যে জায়গায় এরা পেয়েছিলেন সেটা চেঞ্জ করে দেওয়া হয়েছে সরকার বাবাজীর মর্জি মত। আজ্ঞে না সরকার এটা করতে পারে না।
এবার আমি আপনি কী করতে পারি? এই ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো ৩ জন যারা একটা মেয়ের বিচার চাইতে গিয়ে সরকারের বিরাগ ভাজন হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দিয়ে স্বার্থ গোছাতে পারি নিজের নিজের। কিন্তু মনে রাখবেন যেদিন আপনি কোন কথা বলবেন আপনার বা আপনার পরিবারের সাথেও একই ঘটনা হবে। ডিভাইড অ্যান্ড রুল বুঝলেন কিনা। আর না হলে রাজপথে ফিরতে পারি। আর একবার। না এদের তিনজনের জন্যে নয়। গণতন্ত্র রক্ষার দাবীতে। যেটুকু বেঁচে আছে আর কী!










খুব ভালো ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন… ধন্যবাদ
রাষ্ট্র সিস্টেম সর্বত্র নানাভাবে দমন পীড়ন করতে চায়..
আপামর জনগন কে বুঝতে হবে তাঁরা ঘরে থেকে সবকিছু সহ্য করবেন না পথে নেমে প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন…