Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কলমি শাক

FB_IMG_1785032713184
Dr. Partha Bhattacharya

Dr. Partha Bhattacharya

Gynaecologist
My Other Posts
  • July 28, 2026
  • 7:57 am
  • No Comments

হরিপদ বারুই ছাতনাতলা জেনেরাল হাসপাতালের জেনেরাল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, যাকে সরকারিভাবে সংক্ষেপে এবং বেসরকারিভাবে কিছুটা ইয়ের সঙ্গে বলা হয় জিডিএমও। হাসপাতালের সদ্য ল্যাজ নাড়তে শেখা ক্ষুদে কুকুরটাও জানে গোটা হাসপাতালের এতগুলো মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ভীতু, নিরীহ যদি কেউ থাকে, সে হল এই হরিপদ ডাক্তারটা। একটু ভুক্ করলেই হল। সে এমারজেন্সিতে বসে অপ্রয়োজনীয় পেশেন্ট ভর্তি না করলে পার্টির চমকানি শোনে, বেকার পেশেন্ট ভর্তি করে বেড আটকানোর জন্য সব ডিপার্টমেন্টের স্পেশালিষ্টদের কাছে নিত্য গালি খায়। সপ্তাহে একদিন, শুক্রবার, অপারেশন থিয়েটারে তার ডিউটি পড়ে সেই কোনযুগে এক বছর সার্জারিতে হাউসস্টাফশিপ করার সুবাদে। সে স্পেশালিস্ট সার্জনদের অ্যাসিস্ট করে। অ্যাবসেস, হাইড্রোসিল, ফাইমোসিস, চামড়ার সিস্ট এইসব ছোটখাট কেসও করে দেয়। অপারেশন থিয়েটারে, মানে বাংলায় যাকে বলে ওটি, সেইখানেও বিনা কারণে সে সিস্টারদের ধমকধামক খায়। সবেতেই সে মুখ বুজে থাকে। প্রথমত, সে নিতান্ত ভিতু, প্রতিবাদের জিনটা তার ভ্রূণ তৈরী হওয়ার সময় বাদ হয়ে গেছে হয়ত। দ্বিতীয়ত, এই হাসপাতাল থেকে তেত্রিশ মিনিট হাঁটাপথে তার দাদুর বানানো শরিকি বাড়ি। ছাপান্নর চিরকুমার পিটপিটে পেটরোগা হরিপদ সেই বাড়ি থেকে তার মায়ের রান্না আলুসিদ্ধ -ভাত খেয়ে হাসপাতালে আসে, বাড়ি গিয়ে ছোট মাছের ঝোল দিয়ে আবার ভাত খায়। বদলিতে তার বড় ভয়, তাই হাসপাতালের এককোণে সে নিজেকে লুকিয়ে রাখে। সে ডাক্তারদের কোনও পার্টির সদস্য হয়নি কোনওদিন, পাছে অন্য পার্টির কোপে পড়ে। প্রথম প্রথম সেই কারণেও গালি খেয়েছে, তারপরে মার্চ মাস অবধি গলায় মাফলার জড়িয়ে ঘোরা এই পাবলিকের উপরে হাল ছেড়ে দিয়েছে সব পক্ষের ডাক্তার নেতারা।

কিন্তু সেই বছর সে আর পারল না, যখন আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে একজন তরুণী ডাক্তারের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। হরিপদ ভীরু হতে পারে, সে তো বিবেকহীন নয়। তার প্রায় অব্যবহৃত পড়ে থাকা ফেসবুক পেজে সে ‘আরজিকর-বিচার চাই’ লোগো পোস্টিয়ে দিল। কিছু তপ্ত লেখা, কিছু বক্র মিম সে শেয়ার করে ফেলল জীবনে এই প্রথমবারের মত ক্ষুব্ধ, ক্রুদ্ধ হয়ে। তারপর ডিউটি বদল-টদল করে ধর্মতলার অনশন মঞ্চে দু দফায় চব্বিশ ঘণ্টা করে অনশন-অবস্থানও করে এল।

কদিন পরেই, সব তুফান মিটে গিয়ে শরতের উৎসবের মরশুম শেষে শীতের মেলা শুরু হয়ে গেছে মাঠে মাঠে, হঠাৎ একদিন সে ফোন পেল এক সেভ না করা নম্বর থেকে।

“কিরে হরা, কেমন আছিস? প্রসূন বলছি। প্রসূন তরফদার। চিনতে পারছিস তো?”

নব্যসাহসী হরিপদ একটু টাল খেয়ে যায়। ক্লাসমেট প্রসূন স্বাস্থ্যদপ্তরে এখন বেশ মাথাভারী কর্তা একজন, গত রি-ইউনিয়নে নীল আলো লাগানো বড় একটা গাড়ি করে এসেছিল। সে হঠাৎ গ্রামের হাসপাতালের জিডিএমও কে ফোন লাগাচ্ছে! কুশল সংবাদে সময় অপব্যয় না করে ঠাণ্ডা গলায় সোজা টপিকে আসেন প্রসূন স্যর – “তুই ও তো দেখছি বিপ্লবী হয়ে গেলিরে হরা। একটু বুঝেশুনে প্রতিবাদ কর। আমাদের সরকারের ঘর থেকে মাইনে নিবি, আবার আমাদের এগেইনস্টেই বিপ্লব করবি, এ কি ঠিক কাজ, বল? শান্তিতে আছিস নিজের গাঁয়ে, ভালো লাগছে না? দেখ ভাই, পুরুলিয়া থেকে কোচবিহার যেতে হলে যেন বলিস না, আমি সাবধান করিনি। রাখলাম।”

সত্যি বলতে কি, ঈঙ্গিত বুঝে ফেসবুক থেকে লতাপাতা আর পাহাড়-সাগরের ছবি বাদে সব ডিলিট করে দিল হরিপদ। কিন্তু, মুশকিল হল, তার ঠাণ্ডা রক্ত তখন প্রতিবাদের গনগনে স্বাদ পেয়ে গিয়েছে। সে রাগ করতে শিখেছে। ভীরুতার মত সাহসও কখনও ছোঁয়াচে রোগ হয় কিনা, সে তার ডিএনএ তে সাহসের কোডিং না হয় নাই রইল। নূতন শেখা প্রতিবাদের নেশায় এইবারে সে এক অসম্ভব কাজ করে বসল। ওটিতে একজন দিদিমণি আছেন, মধুরা সিস্টার। তাঁর প্রতিটি কাজ যেমন ভুল এবং রোগীর পক্ষে বিপজ্জনক, তেমনি তাঁর দাপট। সাতেপাঁচে না থাকা হরিপদর অজানা কোনও কারণে তিনি সবার কাছেই অবধ্য। সহপাঠী প্রসূনের কাছ থেকে চমকানি খাওয়ার কদিন পরেই, এহেন মধুরা সিস্টারকে অটোক্লেভ করা জীবাণুমুক্ত ড্রাম থেকে সরাসরি হাত দিয়ে গ্লাভস বার করতে দেখে হরিপদ হঠাৎই ঝাঁঝিয়ে উঠল – “কি ব্যপার বলুন তো সিস্টার, এভাবে তো গোটা ড্রামের সব গ্লাভস্ আনস্টেরাইল হয়ে গেল। কোথা থেকে শিখেছেন এসব?”

গোটা থিয়েটার হতভম্ব হয়ে বোবা। মধুরা দিদিমণির ফ্যাটফেটে ফরসা মুখ টকটকে লাল। পা দাপিয়ে ওটি থেকে বেরিয়ে গিয়ে ইনচার্জকে বললেন – “সিস্টার, আমার শরীর ভালো লাগছে না। কোয়ার্টার যাচ্ছি। হাফ সিএল নিয়ে নেব আজ।”

নীরবতা ভাঙল ওটি টেকনিশিয়ান শিবু -”স্যর, কি করলেন আপনি! মধুরাদি মিনিস্টার মদন মাখালের ক্যাচ। ওকে কেউ কিচ্ছু বলে না। সামান্য ডিউটি নিয়ে গোলমালে উনি সঙ্গীতা সিস্টারকে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় ট্রান্সফার করিয়ে দিয়েছেন গোসাবাতে।”

হরিপদ নিজেও চুপ হয়ে আছে ঝোঁকের মাথায় একেবারে স্বভাববিরুদ্ধ কাজ করে ফেলে।

শিবুই কথা শেষ করল – “আপনি ভালোমানুষ, কি দরকার আপনার এসবে। ওনাকে কি আপনি পাল্টাতে পারবেন?”

দুদিন পরে, বয়সে দশ বছরের জুনিয়র হাসপাতাল সুপারও ডেকে একই কথা বললেন হরিপদকে – “আপনাকে সবাই ঠাণ্ডা মাথার ভালোমানুষ বলেই জানে। দেখবেন দাদা আর যেন এসব না হয়। মাখাল স্যরের পিএ কে আমি দায়িত্ব নিয়ে বলেছি কিন্তু আপনার হয়ে। বোঝেনই ত সব।”

বুঝে হরেকৃষ্ণ চুপ করে রইল, কিন্তু চুয়ান্ন বছর বয়সে নূতন করে শেখা রাগটা তার গেল না। অপারেশন থিয়েটারে ডাঃ বারুই আর মধুরা সিস্টারের কথাবার্তা বন্ধ হয়ে গেল। এসবই দু হাজার পঁচিশের গোড়ার কথা।

কাট টু জুলাই ২০২৬। কিসব দুর্নীতির অভিযোগে ভোটে হেরে যাওয়া মদন মাখাল এখন জেলে। তদন্ত হচ্ছে। আদালতে আসা যাওয়ার পথে ডিম, টম্যাটো দিয়ে আদর করে দিচ্ছে পাবলিক তাকে। এরই মধ্যে, এক শুক্রবার, হরিপদ একদিন দেখল মধুরা সিস্টার আবার একটা মারাত্মক গণ্ডগোল করছেন। আর তো মদন মাখালের ছাতা নেই। অতএব ভয়মুক্ত হরিপদ আবার বকে দিল মধুরাকে – “সিস্টার, এরকম ভাবে করলে পেশেন্টের ইনফেকশন হয়ে যাবে। আপনাকে তো আর বলে পারা যায়না।”

আজ আর মধুরা দিদিমণি রাগলেন না, ওটি ছেড়ে বেরিয়েও গেলেন না। শুধু বললেন – “হুম।”

হরেকৃষ্ণ বুঝল ওষুধে কাজ হয়েছে। দেড় বছর আগে অপমানের ক্ষতে একটু প্রলেপ পড়ল। এবার থেকে সে সবার সব অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। নির্ভয়ে।

শনি, রবি পার করে সোমবার দুপুরেই ফোনটা পেল ডাঃ হরিপদ বারুই। নম্বরটা এখন সেভড্ হয়ে গেছে – ডাঃ প্রসূন তরফদার।
“এই মরা, তোর কি হয়েছে বলত হরা? তুই তোদের ওটিতে মধুরা সিস্টার বলে কে একজন আছে তার সাথে ঝামেলা করেছিস! জানিস ও নূতন মন্ত্রী রমলা নাগের ক্যাচ? রমলাদি নিজে আমাকে ফোন করেছিলেন একটু আগে। দেখ বারুই, চেয়ারে বসে এসব ফালতু লফড়া কিন্তু আমরা বরদাস্ত করব না। অনেক খেটে আমরা এই চেঞ্জটা এনেছি। অনেক কাজ আছে আমাদের। রমলাদিকে বলেটলে এবারের মত তোর বদলিটা ঠেকিয়েছি। তবে তোকে আর ওটি ডিউটি করতে হবে না। আর কি সার্জারি করবি! অনেক তো করলি। শুধু ইমার্জেন্সি করবি আর একদিন রেকর্ড সেকশনে ডিউটি করবি। আমি তোদের সুপারকে বলে দিয়েছি। এটা লাস্ট ওয়ারনিং ধরে নে”। ফোনটা রেখে দিলেন ডাঃ তরফদার।

রবিবার নাইট করে আজ ডে অফ। খেতে বসেছিল হরিপদ। মায়ের বেড়ে দেওয়া ভাতে কলমি শাকটা টেনে নিয়ে মাখতে লাগল।

PrevPreviousটিকটিকি
Nextস্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষেরNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

July 29, 2026 No Comments

২৭ জুলাই, ২০২৬ ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের সংহতিতে গত ২৪ জুলাই বামপন্থী

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

July 29, 2026 No Comments

সহরচনাকারঃ পারমিতা দাশ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ের  মিড ডে মিলের মেনুর বদল নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন সরকার মিড  ডে মিলের জন্যে বরাদ্দ

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

July 29, 2026 No Comments

সারা দেশ বর্তমানে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে উত্তাল। ক্ষোভের আঁচ রাজধানীর সীমানা পেরিয়ে গোটা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ এই সমস্যা আমাদের প্রত্যেকের। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

টিকটিকি

July 28, 2026 No Comments

এই শোন, তোরা দেখিসনি কিছু…ঠিক কিনা বল? ঠিক, ঠিকই! যারা গেছে যাক, মারা গেলে যাক, যাবি না ওখানে ঠিক ঠিকই। মুখ খুললেই দেশ-বিদ্বেষ, করব নিকেশ।

সাংবাদিক দেখলেই চিৎকার- “দালাল”, এর জন্য দায়ী কে?

July 28, 2026 No Comments

বাম ছাত্রদের মিছিলে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ ঘটায় শুভেন্দু অধিকারী গুণ্ডা আইন কার্যকর করলেন। সাংবাদিকরাও প্রতিবাদ মিছিলে। কিন্তু একবারও কেউ ভাবছে না আজ সাংবাদিকদের একাংশকে কেন

সাম্প্রতিক পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

Sangrami Gana Mancha July 29, 2026

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

Debashish Goswami July 29, 2026

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

West Bengal Junior Doctors Front July 29, 2026

কলমি শাক

Dr. Partha Bhattacharya July 28, 2026

টিকটিকি

Dr. Arunachal Datta Choudhury July 28, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

655808
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]