Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

পুনিয়াম্মা ও এই সময়ের ওয়েনাড়

WhatsApp Image 2024-08-02 at 10.44.22 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 4, 2024
  • 8:03 am
  • 5 Comments

পুনিয়াম্মার কথা মনে আছে? পুনিয়াম্মার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল ওয়েনাড়ে ২০১৯ সালের একেবারে গোড়ার দিকে , মানে আজ থেকে ঠিক পাঁচ বছর আগে। সপরিবারে কেরালা রাজ্যের ওয়েনাড়ে বেড়াতেই গিয়েছিলাম। অসম্ভব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাজ্যের এই উত্তর প্রান্তীয় জেলাটি। সেবার‌ও কিন্তু আমাদের যথেচ্ছভাবে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ ছিলনা , কারণ ২০১৮ সালের ভয়ঙ্কর বন্যায় ওয়েনাড় দারুণভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। অন্যান্য অঞ্চলের মতো পুনিয়াম্মাদের গ্রামটিও বন্যায় ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্রামের ছোট্ট স্কুলটি ভেঙেচুরে ধ্বংসস্তূপ। গ্রামের ভেতর  আয়াপ্পান স্বামীর মন্দিরের সামনে একটা চাঁদার বিল হাতে নিয়ে বসে থাকা প্রবীণা পুনিয়াম্মা মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য চাইছিলেন। না না , নিজের জন্য নয়। গ্রামের বিধ্বস্ত স্কুল বাড়িটির পুনর্নির্মাণের জন্য। স্কুল না থাকলে তাঁর গ্রামের ছেলেমেয়েরা জ্ঞানের আলো পাবে কি করে?

বিল ব‌ইতে নিজের মাতৃভাষায় নাম ধাম লিখে সামান্য কিছু অর্থ পুনিয়াম্মার হাতে তুলে দিতে পেরে সেদিন নিজেকে এক পুণ্যার্থী বলে মনে হয়েছিল। একগাল হাসিভরা মুখে দেহাতি মালয়ালম ভাষায় তিনি সেদিন শুধু কৃতজ্ঞতা জানান নি ,শীর্ণ দুখানি হাত আর ঘোলাটে চোখ দুটোকে আকাশের দিকে তুলে তিনি  চিৎকার করে কিছু প্রতিবাদী কথা হয়তো বলছিলেন। আমি তার কথা বুঝতে পারিনি, তবে আন্দাজ করতে পারছিলাম যে তিনি হয়তো সবাইকে সাবধান করতে চেয়েছিলেন মানুষের বর্ধমান লোভ আর প্রকৃতির ওপর যথেচ্ছভাবে আগ্রাসী হবার ভয়ঙ্কর পরিণতি সম্পর্কে। আসলে এমন সব বিপর্যয়ের কারণে পুনিয়াম্মাদের মতো মানুষেরাই যে দুনিয়াজুড়ে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কি আশ্চর্য সমাপতন ! আজ পাঁচ বছর পরে ঐ একই কথা বলছেন শ্রদ্ধেয় পরিবেশবিদ মাধব গ্যাডগিল মহোদয় সহ আরও বহু বহু সংখ্যক বিশেষজ্ঞ মানুষ। তাঁদের কথায় অবশ্যই আসব , তবে তার আগে ওয়েনাড়ের সুরতহাল রিপোর্ট এই মুহূর্তে ঠিক কি বলছে তা একবার দেখে নিই।

“রাত তখন দুটোর কাছাকাছি হবে। সারাদিন ধরে অঝোর ধারায় বৃষ্টির সঙ্গে একরকম যুদ্ধ করেই কাটছিল। ওয়েনাড়ের মানুষজনের এখন ঘর পোড়া গরুর দশা। আকাশে মেঘ আর মাটিতে ঝরে পড়া বৃষ্টি দেখলেই কেন জানিনা আমাদের মনে কু ডাকতে শুরু করে। সেই ২০১৮ সাল থেকে দেখে আসছি। আমাদের দুর্ভোগ দুর্ভাগ্য যেন আর কাটেনা !”

— এই পর্যন্ত বলে একটু থামলেন চুরালমালা গ্রামের সিজু চাকো আদিমারিল। সঙ্গে থাকা জলের বোতলটা তাঁর দিকে এগিয়ে দিতেই ছিপি খুলে ঢক্ ঢক্ করে বেশ খানিকটা জল গলায় ঢেলে নেন। তারপর আবার নতুন করে শুরু করেন তাঁর বেদনার্ত কাহিনি।

“তা যা বলছিলাম। রাত দুটো নাগাদ আমাদের কানে এলো এক প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দ। কানে তালা লেগে গেল। প্রথমে ভেবেছিলাম এ বোধহয় বে আইনি কোনো খনিতে ব্লাস্টিঙ্ এর শব্দ। কিন্তু পরে বুঝলাম না এ তার থেকেও অনেক অনেক তীব্র স্বননের শব্দ। তাহলে? এই অবস্থায় ঠিক কী করা উচিত তা বুঝতে পারছিলাম না । আমার স্ত্রী সবেমাত্র একটা অপারেশনের ধকল কাটিয়ে উঠছে। ঠিকমতো চলাফেরা এখনও শুরু করতে পারেনি। তাঁকে নিয়ে এই অন্ধকারে বাইরে যাওয়া ঠিক হবে কিনা তাই ভাবছিলাম। আমার দশ বছরের ছেলে আর স্ত্রী দুজনেই বেরিয়ে পড়ার কথা বলায়, আমি মনে একটু যেন জোর পেলাম। তারপর কপাল ঠুকে পা বাড়ালাম বাইরের ঘন অন্ধকারে। খুব সন্তর্পনে কাদা ভর্তি জমি পেরিয়ে কি করে যে আমরা নিরাপদ স্থানে এসে পৌঁছলাম তা আমরা নিজেরাই জানিনা।”

– আবার থামেন সিজু। পরের অভিজ্ঞতা শোনার জন্য আমি তাঁকে তাড়া দিইনা। বুঝতে পারি এই মুহূর্তে সিজু এবং তার পরিবারের সদস্যরা এক গভীর উদ্বেগ আর আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন মেপ্পাডির এই ত্রাণ শিবিরে।

আমার অনুরোধ বা নীরবতা উপেক্ষা করেই সিজু চাকো আদিমারিল তাঁর কাহিনির পরবর্তী অংশ নিবেদন করতে শুরু করেন। বুঝতে পারি মনের ভেতর জমে থাকা দুঃস্বপ্নের গল্পগুলোর সবটা উগড়ে দিতে না পারলে তিনি শান্তি পাবেন না। আমি তাঁকে বাধা দিইনা।

“জানেন, চুরালমালায় আমার বাড়ির ঠিক পাশ দিয়েই বয়ে যায় একটা ছোট্ট নদী, চালিয়ার । আমাদের এই রাজ্যে পাহাড় গড়িয়ে নেমে আসা জল থেকেই তৈরি হয়েছে কত নদী। এই ছোট্ট জলধারার সঙ্গেই জড়িয়ে আছে আমাদের গ্রামের মানুষের সুখ দুখ, হাসি কান্না। তো সেই রাতে আমাদের গ্রামের শান্ত নদীটিই ফুলেফেঁপে  ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলো। নিজের অপ্রশস্ত খাত ছাপিয়ে পৌঁছে গিয়েছে আমার বাড়ির দোরগোড়ায়। আসলে আমরা নিজেদের স্বার্থেই চালিয়ারকে বিপথগামী হতে বাধ্য করেছি , তাই বোধহয় ও বদলা নেবার জন্য ফুঁসছে। বাইরে পা বাড়াতেই নজরে পড়লো বানের ঘোলাটে জলে ভেসে আসা এক প্রকাণ্ড চেহারার হরিণের শবদেহ। আন্দাজ করতে পারলাম জঙ্গলের ভেতরে নিশ্চয়ই খুব বড়ো মাপের ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে ঠিক যেমন ঘটেছিল আগের আগের বছরগুলোতে। আহা! বন্যায় ভেসে এসেছে অবোধ প্রাণিটির দেহ।”

– সিজুর গলায় গভীর সমবেদনা ঝরে পড়ে। আমিও তাঁর কথা শুনতে শুনতে কাতর হয়ে পড়ি।

মেপ্পাডির এই ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই নিয়েছে চুরালমালা গ্রামের বেশ কিছু মানুষ। সকলের চোখে মুখেই গভীর আতঙ্কের ছাপ। সিজুর ছেলে ভেল্লারমালা গভর্নমেন্ট ভোকেশনাল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্র। বিপর্যয়ের কারণে সেই স্কুল বাড়ির নিদারুণ ক্ষতি হয়েছে। সিজু পাশে বসে থাকা অসুস্থ স্ত্রীর সঙ্গে কিছু কথা বলে নেন, তারপর আবার‌ও শুরু করেন। আমি তাঁকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করি কিন্তু এতো কষ্টের মধ্যেও ম্লান হাসি হেসে বলেন,– “ আমাকে বারণ করবেন না ভাই। মনের কথা খুলে না বলে জমিয়ে রাখলে যে আমি পাগল হয়ে যাবো। আমায় বলতে দিন।”–সিজুর চোখ জলে ভরে উঠেছে দেখে আমি আর তাঁকে থামানোর চেষ্টা করিনি। সে বলতে থাকে।

“আমাদের বাড়ির ঠিক পাশেই থাকতো চাঁদ।… ওদের ছেলেমেয়েরা বাইরে পড়াশোনা করে। স্বামী স্ত্রী দুজনেই থাকতো এখানে। জানিনা তাঁরা এখন কোথায়, কীভাবে আছে। চুরালমালায় প্রায় ২৫০ জন মানুষের বাস ছিল। আমরা সবাই মিলে মিশে এতোকাল রয়েছি, প্রত্যেকের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। অথচ আজ সবাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। জানিনা তাঁরা সবাই এখন কে কোথায় আছে বা আদৌ বেঁচে আছে কিনা?”

– একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস উঠে আসে সিজুর বুকের গভীর থেকে। মাঝে মাঝেই কেমন অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছিল সবাই । ওদের একটু একলা থাকার সুযোগ দিতে আমি ওখান থেকে খানিকটা তফাতে সরে আসি। বুঝতে পারি ওঁরা সকলেই গত মঙ্গলবার রাতের ঘটনার অনিশ্চয়তার মধ্যে মুহ্যমান। ওঁরা মন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায় সেই দুঃসহ রাতের অন্ধকার স্মৃতি। সিজু প্রিয়জনদের খোঁজ না পেয়ে বিমূঢ় হয়ে গেছে।

মেপ্পাডির শিবির জুড়ে এখন কান্নার রোল। ওয়েনাড়ের বাতাসে এখন শুধুই বিচ্ছেদের বেহাগ রাগের মূর্ছনা। এখানেই দেখা হয়ে যায় মুন্ডাক্কাইয়ের শ্রীজিথ কুমার ভি এস এর সঙ্গে। উনি ত্রিশূরে একটি কোচিং সেন্টারে কাজ করেন। তাঁর স্বপ্নের মুন্ডাক্কাই আজ এক ধ্বংসস্তূপের নাম। মাত্র দু দিন আগে এই ছোট্ট জনপদটিই ছিল ট্যুরিস্টদের কাছে ওয়েনাড়ের প্রবেশদ্বার। চা বাগিচার সবুজ গালিচায় ঢাকা এই শহরটি

মাত্র দুদিন আগেও এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার হাতছানি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে সকলকে। অথচ মাত্র দুটি দিনের ব্যবধানে ভাঙাচোরা আবর্জনার এক আস্তাকুড়ে পরিনত হয়েছে শ্রীজিথ কুমারের স্বপ্নের মুন্ডাক্কাই।

“আমি আমার মা, ভাই আর ভাগ্নির কোনো খোঁজ পাচ্ছিনা। স্থানীয় আর পাঁচজনের দেখাদেখি আমরাও বাড়িটিকে দোতলা করেছিলাম হোম স্টে চালাব বলে। আজ আর কিছুই নেই। সব ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।”

— কান্নায় ভেঙে পড়ে সে।

গতকাল মানে বুধবার জেসিবি মেশিন এসে পৌঁছেছে এখানে, সেগুলো চেষ্টা চালাচ্ছে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভেতরে কেউ এখনও বেঁচে আছে কিনা দেখতে। কিন্তু শ্রীজিথ কুমার জানে ওখানে আর কেউ জীবিত নেই। গোটা এলাকায় CSI Church আর গুটিকয় বাড়ি ছাড়া আর কিছুই মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে নেই এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর

গোটা ওয়েনাড় জুড়েই এখন মৃত্যুর মিছিল। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ চলেছে জোরকদমে। গোটা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একরকম বিচ্ছিন্ন। এরমধ্যেই রয়েছে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস। মহা আশঙ্কায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। যদিও এমন বিপর্যয় কেরালার মানুষের কাছে খুব নতুন কিছু নয়। ২০২২সালে ভারত সরকারের Earth Science দপ্তরের পক্ষ থেকে লোকসভায় জানানো হয়েছিল যে পূর্ববর্তী সাত বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণী রাজ্য কেরালায়। ২০১৫ থেকে  ২০২২ এই সময়ের মধ্যে সারাদেশে ৩৭৮২ টি নথিভুক্ত ভূমিধসের ঘটনার মধ্যে যে ৫৯.২% বা ২২৩৯ টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে ঈশ্বরের আপন দেশ বলে পরিচিত কেরালায়। তার মানে এই রাজ্যের জিনের মধ্যেই পৌনঃপুনিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে। একথা মাথায় রাখলে বলা যায় যে ওয়েনাড়ের সাম্প্রতিক বিপর্যয় ,কেরালার ধারাবাহিক বিপর্যয়ের ইতিহাসে একটি নতুন এপিসোড মাত্র।  অবশ্য এবারের এমন বিপর্যয়ের পেছনের কারণ খুঁজতে নতুন করে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিষয় বিশেষজ্ঞরা। আসলে এমন তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য‌ই হলো বিপর্যয়ের কার্যকারণের রহস্য উন্মোচন করা।ওয়েনাড়ের  এবারের বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে এখন‌ও পর্যন্ত যে সব বিষয় উঠে এসেছে সেগুলোর ওপর একটু নজর দেওয়া যাক্ ।

যেহেতু বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটটি একান্তই প্রাকৃতিক সেহেতু এদিক থেকেই জোরদার বিশ্লেষণ চলছে বিজ্ঞানী মহলে। এহেন পরিস্থিতিতে উঠে এসেছে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ঘটে যাওয়া জলবায়ুর পরিবর্তনের বিষয়টি। পৃথিবীর বায়বীয় বাতাবরণের ভারসাম্য উদ্বেগজনকভাবে বদলে গিয়েছে , অনিয়মিত হয়ে পড়েছে বৃষ্টিপাতের এতদিনের চেনা শৃঙ্খলা, জল ও স্থলের তাপীয় সমতায় ঘটেছে পরিবর্তন। এইসব মৌলিক সমস্যার কারণেই এই মুহূর্তে দুনিয়া তোলপাড়। ওয়েনাড়ের ঘটনা এসবের‌ই এক খণ্ড অধ্যায় মাত্র।

জিওলজিক্যাল সার্ভের অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সি মুরলীধরনের মতে – অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ের ঢালে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ অবস্কর ( debris ) দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নেমে আসার কারণেই ঘটেছে এতো বড়ো বিপর্যয়। সাধারণভাবে ধসের মতো পুঞ্জচলন (mass wasting ) প্রক্রিয়া ঢালের অংশ ছাড়িয়ে ১ থেকে  ১.৫ কিলোমিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে এক্ষেত্রে অবস্কর সমূহ তাদের উৎসমূল থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত পরিবাহিত হয়েছে ; যারফলে লাগামছাড়া ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে গোটা অঞ্চল। ঢালের ওপরে থাকা মাটি ধারাবাহিকভাবে অতি বর্ষণের কারণে অতি সম্পৃক্ত হয়ে উঠেছিল যা পৌঁছে গিয়েছিল সেমি লিক্যুইড বা প্রায় তরল অবস্থায়। এই বিপুল পরিমাণ উপাদান বাঁধভাঙা জলের মতো চালিয়ার নদীর খাত বরাবর প্রবাহিত হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে নদীর নিম্ন অববাহিকায় থাকা গ্রামীণ জনপদগুলোকে। ২০১৯ সালের পুথুমালা ভূমিধসের ঘটনার পর গোটা অঞ্চলটিকে GSI এর পক্ষ থেকে অতি ভূমিধসপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, তবে তাতে বিপর্যয়ের তীব্রতাকে এড়ানো সম্ভব হয়নি।

মিঃ মুরলীধরনের সঙ্গে প্রায় সহমত হয়েছেন সুদূর অস্ট্রেলিয়ার  সিডনি শহরের School of Civil Engineering এর অ্যাসোসিয়েট অধ্যাপক Pierre Rognon. তিনি বলেছেন–

“পৃথিবীর তাবৎ বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে আজ সহমত পোষণ করেছেন যে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এমন ভয়ঙ্কর বিপর্যয় আগামী দিনে আরও হবে? এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার যে বৃষ্টি হলে তা ঢালের ওপরে থাকা ভঙ্গুর, শিথিল অবস্কর সমূহকে গড়িয়ে নেমে আসার যান্ত্রিক শক্তি জোগাবে। ওয়েনাড়ের বিপর্যয়ের ছবি দেখে আমার মনে হয়েছে তা সামান্য ভূমিধস ছিলনা । প্রচুর পরিমাণে জলের সংযোগের ফলে তা কর্দম প্রবাহ বা mud flow তে পরিবর্তিত হয়েছিল। হয়তো এই কারণেই বহুসংখ্যক মানুষ ঘন কাদার নীচে চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দুঃখজনক হলেও একথা সত্যি যে আগামী দিনে এমন ঘটনা আরও বেশি করে ঘটবে পৃথিবীর নানা প্রান্তে।”

তাঁর মতে,

“দুটি প্রাকৃতিক ঘটনা ধসের পেছনে দায়ী থাকে  –ভূমিকম্প ও বৃষ্টিপাত। এদের ভূমিকা ইনসেনটিভের মতো। বেশ কয়েকদিনের একটানা বৃষ্টি মাটির কণার ভেতরের ফাঁকফোকর গুলোকে জলপূর্ণ করে সম্পৃক্ত করে রাখার কারণেই এমন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”

আবহবিজ্ঞানীরা ওয়েনাড়ের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের পেছনে ভূমিধসের প্রভাবকে মেনে নিয়েও জানিয়েছেন যে পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলেই অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে ওয়েনাড় ও তার সংলগ্ন এলাকায়। এই কারণেই ভূমিধসের ঘটনা এমন প্রাণঘাতী বিপর্যয়ের চেহারা নিয়েছে। শুনে নেওয়া যাক্ এদের কথাও।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মারিয়াম জাকারিয়া জানিয়েছেন –

“বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় যে তথ্যটি উঠে এসেছে তা হলো, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতার পাশাপাশি  উন্নয়নের নামে পরিবেশ পরিমন্ডলের ওপর মানুষের অবাঞ্ছিত খবরদারির জন্যই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমী বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত ও বর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদি মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির ঘটনা ঘটছে। এর আকস্মিকতায় বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে ওয়েনাড়ের মতো অতি সংবেদনশীল অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা। ভারতীয় উপমহাদেশের ওপর এমন ঘটনার আবর্তনের হার বিগত এক দশকের মধ্যে অনেকটাই বেড়ে গেছে।”

মরিয়মের মতে,  –

“জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে ওয়েনাড়ের বৃষ্টিপাতের চরিত্র বিলকুল বদলে গেছে। যে অঞ্চলের জলবায়ু নিকট অতীতে ছিল  সুষম বৃষ্টিপাত যুক্ত শীতল ও আরামদায়ক,তাই আজকে হয়ে উঠেছে শুষ্ক, উষ্ণতর গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়া এবং প্রবল মৌসুমী বৃষ্টিপাতের অঞ্চলে। জলবায়ু বিশেষ করে বৃষ্টিপাতের এমন চরিত্র বদলের কারণেই বেড়েছে প্রবল ভূমিধসের সম্ভাবনা।”

মরিয়মের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন স্কাই মেট সংস্থার সহ সভাপতি শ্রী মহেশ পালাওয়াত। তিনি বলেন, –

“এখন আর এই সত্যকে গোপন করা অর্থহীন যে উপমহাদেশের ওপর সক্রিয় মৌসুমী বৃষ্টিপাতের চরিত্র বিলকুল বদলে গেছে। আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি যে আগে বৃষ্টিপাতের বার্ষিক বন্টনে একটা ছান্দিক সাম্যতা ছিল, যা আজ এক ছন্নছাড়া নিয়মে পরিণত হয়েছে। বর্ষায় যে ধরনের বৃষ্টি এখন হচ্ছে তার চরিত্র অনেকটাই অতীতের প্রাক্ মৌসুমী পর্বের বজ্রপাত সহ বৃষ্টিপাতের মতো । শুনতে হয়তো অবাক লাগবে যে এতো প্রবল বর্ষণের পরেও এখনও পর্যন্ত কেরালা রাজ্যের  বৃষ্টিপাতের পরিমাণ তার স্বাভাবিক গড় বার্ষিক মাত্রার থেকে অনেকটাই কম হয়েছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র জলের উষ্ণতা এবং উর্দ্ধগামী আর্দ্র বায়ু স্রোতের কারণে বায়ুমণ্ডলের সুস্থিতি বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বদলে যাচ্ছে জলবায়ুর চরিত্র।”

ওয়েনাড়ের এই ভয়ঙ্কর বিপর্যয় আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি পরিবেশের ওপর মানুষের অপরিণামদর্শী হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে। মানুষের আগ্রাসন হলো প্রকৃতির ইন্ধন। আজকাল সবক্ষেত্রেই প্রকৃতির প্রতিশোধ নেয়ার কথা উঠে আসছে। পরিবেশবাদীদের পরামর্শকে বারংবার উপেক্ষা করার জন্যই হয়তো এমন ভয়ঙ্কর পরিণতি প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে আমাদের। ওয়েনাড়ের মানুষজনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি দেখে সরব হয়ে উঠেছেন প্রখ্যাত পরিবেশবিদ অধ্যাপক মাধব গ্যাডগিল। প্রবীণ এই মানুষটি এমন বিপর্যয়কে সরাসরি A man made disaster বা মানুষের তৈরি বিপর্যয় বলে কামান দেগেছেন। কী বলেছেন তিনি?

দ্য হিন্দু পত্রিকায় প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বর্তমান কেরালা সরকারকে দায়ী করে বলেছেন যে সরকার বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শকে মান্যতা না দেবার কারণেই এই বিপর্যয় এমন ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়েছে। গত মঙ্গলবারের বিপর্যয় ওয়েনাড়ের মুন্ডাক্কাই,চুরালমালা,আট্টামালা এবং নুলপুঝা অঞ্চলে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। অধ্যাপক গ্যাডগিল জানান ২০১১সালের রিপোর্টে পশ্চিমঘাট পর্বতমালাকে তিনটি ইকোলজিকাল সেন্সিটিভ জোন বা বাস্তুতান্ত্রিক সংবেদনশীল অঞ্চলে ভাগ করার কথা বলা হয়েছিল।

  • অতি সংবেদনশীল অঞ্চল
  • মাঝারি সংবেদনশীল অঞ্চল
  • নিম্ন সংবেদনশীল অঞ্চল

ঘটনাক্রমে যে এলাকাগুলোতে এই বিপর্যয়ের প্রভাব সবথেকে গভীরভাবে পড়েছে সেই গোটা এলাকাটিই অতি সংবেদনশীল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল। অধ্যাপক গ্যাডগিল জানান

 “রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে এই অতি সংবেদনশীল এলাকায় তথাকথিত উন্নয়নের নামে কোনো রকম পরিবর্তন ঘটানো যাবেনা। সেই ইংরেজ আমল থেকে এই অঞ্চলে ব্যাপকভাবে চা ও অন্যান্য অর্থকরী ফসলের বাগিচা স্থাপন করা হয়েছে , তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল সব প্রাইভেট রিসর্ট,খনন করা হয়েছে একাধিক কৃত্রিম লেক। এই সবই ঘটেছে ওয়েনাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যকে নষ্ট করে। এই সব যথেচ্ছাচারের ফল ভুগতে হচ্ছে এই এলাকায় বসবাসকারী অতি সাধারণ শ্রেণীর মানুষজনকে তাঁদের আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে। এখান থেকে সামান্য দূরত্বে পাহাড়ের পর পাহাড় ভেঙে চলছে একাধিক খাদান। নিয়মিত ব্যবধানে সেখানে বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে। ডিনামাইটের ক্রমিক বিস্ফোরণ দুর্বল করে দিচ্ছে পাথরের বন্ধন। এখন খাদানগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বটে , তবে অতীত কর্মের ফল এখনও ভুগতে হচ্ছে।খাদান থেকে নিঃসৃত ধুলিকণা বাড়াচ্ছে বায়ুমণ্ডলে ভাসমান আ্যারোসলের জোগান, সমুদ্র থেকে আগত আর্দ্র বায়ু এই আ্যারোসলকে আশ্রয় করে বৃষ্টিবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে দ্রুত । আর তারপর নেমে আসছে মেঘ ভাঙ্গা প্রবল বর্ষণের আকারে। প্রতিফল পরিবর্তিত হচ্ছে ধ্বংসলীলায়।”

“অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হলো এই যে ,সরকার প্যানেল রিপোর্টের সুপারিশগুলোকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে। উন্নয়নের নামে পরিবেশ পরিমন্ডলের ওপর চলেছে স্বেচ্ছাচার। খুব সম্প্রতি এক ব্যবসায়ী সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে গোটা অঞ্চলটিকে কেন্দ্র করে একটি বড়ো মাপের ট্যুরিস্ট হাব গড়ে তোলার। এরজন্য তথাকথিত ইনফ্রাস্ট্রাকচার, বাড়িঘর, রিসর্ট ইত্যাদি গড়ে তোলা হবে।এসব‌ই হবে এই সময়ের জনপ্রিয় শব্দবন্ধ ‘ ইকো ট্যুরিজমকে’ শিখণ্ডী করে। সরকারের দরকার রেভিনিউ,আয়। জনগণের নিরাপত্তা , পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্রের সংরক্ষণ – এইসব মহতী মন্ত্র নিপাত যাক্ , নিপাত যাক্। দুঃখের বিষয় এই যে, এইসব কথা হয়েছে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সাড়ম্বর উপস্থিতিতে। আমাদের রিপোর্টে গোটা এলাকাটিকে no development zone হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশ করেছিলাম , আর আজ সেখানেই সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বিলাসী উন্নয়নের ঢল নেমেছে !”

– অনেক অনেক দুঃখের মধ্যেও  অনুশোচনায় নির্বাক  মানুষটি একটু যেন উপেক্ষার হাসি হাসেন।

“এই মুহূর্তেই সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে। পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তন হয়েছে। আগামীদিনে আরও হবে, ফলে বাড়বে পরিবেশ প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা। সরকার যদি এখনও রিপোর্টে উল্লিখিত সুপারিশগুলোকে যথাযথ মান্যতা না দিয়ে তাদের প্রতি নির্বিকার থাকে, তাহলে তার প্রতিফলে ভুগতে হবে সাধারণ মানুষকে। আমরা যেন তার জন্য‌ও প্রস্তুত থাকি।” –

অধ্যাপক গ্যাডগিল এবার থামেন।

এই কথাগুলো শুনতে শুনতে আমার আবারও সেইইই পাঁচ বছর আগে দেখা পুনিয়াম্মার কথাই মনে এলো।‌ পুনিয়াম্মারা মাটি ছুঁয়ে থাকা জীবনের মানুষ। তাঁরা জানেন, প্রকৃতির সঙ্গে ঠিক কীভাবে সহাবস্থান করে নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করতে হয়। এসব নিয়ম কানুন, কৃৎকৌশল তাঁরা কোনো কিতাব পড়ে শেখেননি, শিখেছেন প্রকৃতির কাছে থেকে, তাঁর নিবিড় সাহচর্যে। ঠিক যেমন করে আমাদের জীবনের অন্তর্লীন যাপনের নির্মিতি হয় মা বাবা পরিবার পরিজনদের সাহচর্যে। দুঃখের কথা কি জানেন? পুনিয়াম্মারা কোনো দিন মন্ত্রীত্বের লাইনে দাঁড়ান না। কি জানি! দাঁড়ালে হয়তো পৃথিবীর চেহারাটাই অন্যরকম হতো !!

 

শেষের কথা

বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে চার চারটি দিন, মানে ৯৬ ঘন্টা। ওয়েনাড়ের ব্যস্ত জীবন থমকে গেছে হঠাৎ করে। নিবিড় নিস্তব্ধ শান্ত পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে প্রিয়জন বিচ্ছেদের গভীর কান্নায় আর ভাগ্যক্রমে বেঁচে থাকা মানুষের গভীর দীর্ঘশ্বাসে। এই নিদারুণ অভিঘাতের যন্ত্রণা মুখ বুজে সহ্য করে নীরবে কঠিন কর্তব্য পালন করে চলেছেন ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ও স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের কর্মীরা। তাঁদের উদ্দেশ্য লাখো কুর্ণিশ জানাই। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেনারা এসে হাত লাগিয়েছেন উদ্ধারের কাজে। তাঁদের স্যালুট জানাই।

জীবন থেমে থাকেনা,

বয়ে চলে বাঁকে বাঁকে

কারণ – বয়ে চলাই জীবন।কৃতজ্ঞতা স্বীকার

 এই লেখার জন্য সর্ব ভারতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সমস্ত রিপোর্টের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। এদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। ছবির জন্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। ধন্যবাদ তাঁদের‌ও।

ধন্যবাদ জানাই ড: পুণ্যব্রত গুণ মহাশয়কে , যিনি এই নিবন্ধটি লেখার জন্য আমাকে নিরন্তর তাতিয়ে গেছেন।

PrevPreviousগল্প লেখার গল্প
Nextআচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় স্মরণNext
5 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
R Gupta
R Gupta
1 year ago

It is so very worrisome! Really don’t know the extent of human greed ! Mother Earth is sending us signals. But one must pay heed. Same destruction one finds in Himachal, Uttarakhand, Sikkim. Situation is serious! When will we wake up? A beautiful write up ! Hats off!

0
Reply
sarmistha lahiri
sarmistha lahiri
1 year ago

প্রকৃতির রুদ্র রোষের বলি হ ই আমরা বারংবার। জীবন জীবিকার এই ক্ষতি আমাদের মুহূর্তে র জন্য আবেগপ্রবন করে তুললেও বিশেষজ্ঞ দের নির্দেশিত পথ ও পন্থা কে আমরা অনুসরন করিনা।একের পর এক বিপর্যয় আমাদের কবে উপযুক্ত ভাবে সচেতন করে তুলবে,নাকি আমরা শুধু মাত্র হাহুতাশ করেই যাব? লেখকের এই বিস্তৃত আলোচনা তেই যে ভাবে সব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে তা আমাদের কাজে লাগে এই আশায় আছি।

1
Reply
অঞ্জনা মুখোপাধ্যায়
অঞ্জনা মুখোপাধ্যায়
1 year ago

ঈশ্বরের আপন দেশ নতুন করে বিপন্ন। গত কয়েকদিন এই বিপর্যয়ের কথা পড়েছি, আজ আঁখো দেখা হাল শুনলাম। বিপন্ন মানুষদের জন্য র‌ইলো গভীর সমবেদনা।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
1 year ago

সোমনাথ স্যারের বুলবুল ভাজা,টাটকা তাজা (পরিবেশ সমস্যা)। ‘খেতে ‘ হৃদয়বিদারক। 😢

0
Reply
sarmistha lahiri
sarmistha lahiri
1 year ago

ওয়েনার্ডের এই সাম্প্রতিক বিপর্যয় বারে বারে মনে করিয়ে দেয় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া প্রকৃতির রুদ্র রোষের কথা।জীবন ও জীবিকার উপর এই সকল কোপ ও আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সচেতনতা কে উজ্জীবিত করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞ দের সাবধান বাণী অরন্যে রোদনের সামিল। লেখকের এই প্রচেষ্টা প্রতিটি দিক কে তুলে ধরেছে।লেখাটি আরো বিস্তৃতি লাভ করুক এই কামনা করি।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617901
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]