মাজায় ব্যথা, মানে কোমরে ব্যথা। দিনে সব হাসপাতাল মিলিয়ে ওপিডিতে অন্তত হাজার খানেক পেশেন্ট আসেন এই সমস্যা নিয়ে। মাজায় ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, হাত চিনচিন,ঝিনঝিন আরো কত রকমের সমস্যা। তারা ভালোও হয়ে যান ওষুধ খেয়ে। ইন্টার্নশিপের অর্থো পোস্টিং থেকে শুরু করে এখনের জেনারেল ওপিডি এই পেশেন্ট না দেখে কোন অপশন নেই। মধ্য বয়সী মহিলা, মাজায় ব্যথা,দুর্বলতা এসব নিয়েই এসেছিলেন ১ মাস আগে। সাধারণ ওষুধপাতি দিয়ে বলেছিলাম ১ মাস পরে আসতে। আজ এসে বসে দেখলাম হাসি হাসি মুখ।
– ‘ভালো আছেন?’
– ‘আগের থেকে ভালো’
– ‘বাহ’
ওষুধ কমাতে হবে, ব্যথার ওষুধটা একটু কমিয়ে দি এসব ভাবছি তখন বললেন, “মেয়েকে কোলে তুলতে পারছি ওষুধ গুলো খেয়ে আবার। খুব বায়না করতো আগে কোলে ওঠার জন্যে, এখন কোলে তুলে আদর করতে পারি আবার ওকে।”
কথা খুঁজে পাই না। সাধারণ রোগ, সাধারণ ওষুধ, অত্যন্ত সাধারণ ডাক্তারি। তবুও তবুও! হাসপাতালের ওপিডি রুমে বসে নেহাৎ খস খস করে লিখে দেওয়া দুটো ওষুধ যদি কোন এক প্রত্যন্ত গ্রামের উঠোনে এক মুহূর্তের জন্যেও হাসি আনতে পারে তার থেকে আর বড় পাওনা আর কীই বা হতে পারে?
Wherever the art of medicine is loved, there is also a love of humanity











খুব ভালো লাগল