Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মোরা চাষ করি আনন্দে….!

IMG-20260111-WA0011
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 12, 2026
  • 7:15 am
  • No Comments

আজকের আলোচনায় আধুনিক ভারতের পাঁচজন মহিলা কৃষকের কথা বলবো। সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে দেখা যাবে, কৃষিকাজে পুরুষদের‌ই আধিপত্য – তাঁরাই জমির মালিক, জীবিকার অধিকার একচেটিয়াভাবে পুরুষের, শ্রমসাধ্য এই কাজে মহিলারা নাকি ঠিক উপযুক্ত নন। ব্যতিক্রম কি নেই? অবশ্যই আছে। মাদার ইন্ডিয়া সিনেমায় হালের সঙ্গে নিজেকে জুড়ে নিয়ে জমিতে লাঙল দেওয়া বরেণ্য অভিনেত্রী নার্গিসের ছবি আজ‌ও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। পুরুষের সহযোগী হিসেবেই বাড়ির মহিলারা কৃষির কাজে হাত লাগাতেই অভ্যস্ত। এটাই আমাদের চোখে দেখা চেনা ছবি। অভিনেত্রী হিসেবে নার্গিসের ভূমিকা কিছুটা ব্যতিক্রমী বলে মনে হলেও দুর্লভ মোটেই নয়।তবে বদলে যাওয়া জমানায় ভারতের মহিলারাও তাঁদের খুব চেনা সাবেকি পর্দানশীন অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেরাই কৃষির উন্নয়নে মাঠে নেমে পড়েছেন। একথা তো মানতেই হবে যে গ্রামীণ ভারতবর্ষে কৃষি হলো একান্তভাবেই একটি পারিবারিক জীবিকা, পরিবারের সমস্ত সদস্য‌ই কোনো না কোনো ভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত – বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে উৎপন্ন ফসলকে ঝাড়াই বাছাই করে বাজারে পৌঁছে দেওয়ার মতো দীর্ঘ কাজকর্মের কোনো না কোনো পর্যায়ের সঙ্গে তাঁরা যুক্ত থাকেন বা যুক্ত থাকতে বাধ্য হন। পারিবারিকভাবেই জমি হলো সম্পদ, আর তাই সম্পদের শ্রীবৃদ্ধিতে লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলেই উদ্যোগী। বছরের পর‌ বছর ধরে এই জমিকে আগলে রেখেই আবর্তিত হয়েছে গ্রামীণ ভারতীয় জনসমাজের অর্থনীতি, সমাজনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি। জমির গুণমান বজায় রেখে কীভাবে জমিকে টেকস‌ই যাপনের অংশ বা সাধন হিসেবে কাজে লাগানো যায় এই সময়ের কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্য হয়েছে তাইই।

একালের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে দেখা যাবে যে আধুনিক কৃষি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাড়ির মহিলারা চাষবাসের কাজকে নিছক গ্রাসাচ্ছাদনের উপায় হিসেবে গণ্য না করে তাকে বাণিজ্যের ক্ষেত্র বলে মনে করছেন। ফলে উৎপাদনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আজ আধুনিক পরিকল্পনার ছোঁয়া। ভারতের কৃষি আজ‌ও জলবায়ুর খামখেয়ালিপনার ওপর নির্ভরশীল । বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন কৃষিতে ঝুঁকির মাত্রা আরও অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। এইসব বিষয়কে মাথায় রেখেই দেশের শিক্ষিত কৃষিবিদ মহিলাদের একাংশ এগিয়ে এসেছেন কৃষির উন্নয়নে তথা নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতিতে। এঁদের হাত ধরেই শ্রম নির্ভর পারিবারিক কৃষি আজ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাজার কেন্দ্রিক কৃষির পথে হাঁটতে শুরু করেছে , যদিও এটা এখনও হাঁটি হাঁটি পা পা পর্যায়ে আছে। নতুন পথে পা মেলানো পাঁচজন ভারতীয় মহিলার কথা বলতেই আজ আমরা এখানে হাজির হয়েছি। 

স্মরিকা চন্দ্রাকার – ছত্তিশগড়

রীতিমতো ঈর্ষণীয় পেশাগত শিক্ষার পুঁজি নিয়েই স্মরিকা চন্দ্রাকার পারিবারিক কৃষি ব্যবস্থার খোলনলচে পাল্টে এক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। স্মরিকা চন্দ্রাকার একজন MBA.

মহারাষ্ট্রের পুনেতে এক কর্পোরেট সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। ভালো বেতন, সামাজিক মর্যাদার মায়া ত্যাগ করে তিনি ফিরে এলেন ছত্তিশগড়ে তাঁর পিতৃপুরুষের কর্মভূমিতে। কৃষক পরিবারের মেয়ে। বাপ ঠাকুরদার কর্মকান্ড দেখে বড়ো হয়েছেন,তাই প্রথাগত কৃষির সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি তাঁকে। স্মরিকা দেখলেন ধানের মতো অত্যন্ত আর্দ্র ফসলের চাষ আর তেমন লাভজনক নয়। জলবায়ুর পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের অনিশ্চয়তা, সেচের জন্য জলের জোগানে টান – এই সব সমস্যার জন্য ধান চাষ করলে উদ্বেগের মধ্যে কাটাতে হবে। বাড়ির সকলেই ধানের পরিবর্তে লাভজনক সবজি চাষে বিনিয়োগ করতে দ্বিধাবোধ করেছিলেন, আপত্তি জানিয়েছিলেন , কিন্তু এসবে দমানো যায়নি স্মরিকাকে। ম্যানেজমেন্টের পাঠ তাঁকে শিখিয়েছে – No risk,no gain – কিছুটা ঝুঁকি না নিলে ধনলাভ হবে না। ছত্তিশগড়ের মাটিতে বসে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি খুব সহজ মোটেই ছিলোনা। ধানকে সাময়িক বিরতি দিয়ে স্মরিকা বেছে নিলেন টম্যাটো, বেগুন,শশা এবং লাউয়ের মতো সব্জি ফসলকে যাদের উচ্চ বিক্রয়মূল্য রয়েছে। স্মরিকা চাকরিসূত্রে অর্জিত পুঁজির একটা বড়ো অংশ বিনিয়োগ করলেন drip irrigation, raised bed cultivation এবং staggered planting এর মতো হালফিলের কৃষি ব্যবস্থাপনায়। স্মরিকার যুক্তি – এইসব ফসল সারাবছরই কৃষকের আর্থিক সঙ্গতি বজায় রাখবে। লোকসানের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে। স্মরিকার কথায় –

কৃষি একটি লাভজনক ব্যবসা এবং কৃষিকে এমন দৃষ্টিকোণ থেকেই আজকে বিচার করতে হবে। অন্যান্য ব্যবসার মতো কৃষিজ পণ্যের যথাযথ বিপণন এবং উন্নত মানবিক সম্পদ হলো সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার স্মরিকার কৃষি বিপণন ব্যবস্থায় বিপুল পরিবর্তন এনেছে। কেবলমাত্র স্থানীয় বাজারে খুচরো ব্যবসার ওপর নির্ভর না করে এখন দূরবর্তী বাজারে থোক পাইকারি বিক্রির ওপর নজর দেওয়া হয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ হ‌ওয়ায় তাদের হাত ধরে স্মরিকার উৎপাদিত সবজি এখন ভূবনেশ্বর,পাটনা বেঙ্গালুরু, গুয়াহাটি , কোলকাতা, দিল্লি, হায়দ্রাবাদ,বিশাখাপত্তনমের মতো দূরবর্তী বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে উন্নত পরিবহন পরিষেবার কল্যাণে। বাজার প্রসারিত হলে, বৃদ্ধি পায় কৃষকের আয়। এখন বছরে স্মরিকার আয় প্রায় দেড় কোটি!

এই সাফল্যের হাত ধরেই  তাঁর এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে লেগেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ায় বেড়েছে তাদের আয়। চাষ করো, বাজার ধরো– শ্লোগানেই বাজিমাত করেছেন স্মরিকা চন্দ্রাকার। তাঁর এই অদম্য কর্মশক্তিকে কুর্ণিশ জানাই।

রোজা রেড্ডি – কর্ণাটক

বিশ্বনন্দিত IBM কোম্পানির ব্যাঙ্গালুরু শাখার কর্পোরেট কর্মচারী থেকে রোজা রেড্ডি এখন সোজা একজন প্রগতিশীল কৃষক। রোজার সিভি একদম এইরকম। ২০১৮ সাল। দিন কয়েকের ছুটিতে নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে রোজা। সবাই বেজায় খুশি। কিন্তু আনন্দের সুরে হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে যখন তাঁর বাবা এবং দাদার কথোপকথন কানে আসে। সেই কথার সূত্র ধরে রোজা বুঝতে পারেন যে তাঁর বাবার অনেক দেনা হয়ে গেছে বাজারে, সেই দেনা শোধ করতে তিনি নিজেদের সব জমি জায়গা বিক্রি করে দিতে চাইছেন। আৎকে ওঠেন রোজা।

রোজা তাঁদের বোঝালেন – জমিজমা বিক্রি না করে তোমরা অনেক অনেক বেশি সাশ্রয়ী জৈব কৃষির ওপর ভরসা রাখতে পারো। রাতারাতি সাফল্যের আশা করলে হবেনা।  কেননা নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে জৈব কৃষি ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে – মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে, আনুষাঙ্গিক খরচ অনেক কম হবে। ফসলের গুণমান এখনকার তুলনায় অনেক ভালো হবে, বাজারে এই জৈব উপায়ে উৎপন্ন ফসল ভালো দামে বিক্রি করা যাবে– এমনি সব মহামন্ত্র।পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষদের সিদ্ধান্ত‌ই এতোকাল মান্যতা পেয়েছে। এই প্রথম রোজার পরামর্শ মতো হাঁটবার কথায় সায় দিলেন রোজার বাবা, দাদারা। এখন রোজার বাবার বার্ষিক বেচাকেনা ১.৫ কোটি টাকার ওপরে। শুরুর দিকের সামান্য ক্ষতি সামলে এখন দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের পথে এগিয়ে চলেছেন রোজা রেড্ডি ও তাঁদের পারিবারিক কৃষি। আজ রোজা এক অনুকরণীয় চরিত্র।

কবিতা মিশ্র – কর্ণাটক

উত্তরাধিকারসূত্রে একখণ্ড জমি পেয়েছিলেন কবিতা। অমন ঊষর, বন্ধ্যা জমিতে চেনা নিয়মে চাষাবাদ যে মোটেই সম্ভব নয় তা বেশ বুঝতে পেরেছিলেন তিনি। তবুও ঐ জমিটা বিক্রি করে দেবার কথা কখনোই মনে ঠাঁই পায়নি। শত হলেও পিতৃপুরুষের স্মৃতিবিজড়িত জমিকে এভাবে বিকিয়ে দিতে মন সায় দেয় নি কবিতার।জমিতে স্বল্পকালীন ফসলের বদলে দীর্ঘমেয়াদি বৃক্ষ রোপনের কথা মনে ধরলো তাঁর। কর্ণাটক রাজ্যের কথা মাথায় রেখেই কবিতা সিদ্ধান্ত নিলেন মূল্যবান চন্দন গাছ লাগানোর।  এক এক করে প্রায় ২০০০ চন্দন গাছ লাগানো হয়েছিল জমিতে । আজ তারা পরিণত বাণিজ্যিকভাবে বিপণনের জন্য। কবিতার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। ঐ জায়গায় এখন নার্সারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষ করা হচ্ছে সহযোগী ফসল হিসেবে। কবিতার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নতুন ধারার কৃষি আজ নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। দূর থেকে কবিতার প্রচেষ্টার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

অনীতা নেগি – হিমাচল প্রদেশ

 পাহাড়ি এলাকার কৃষি পরিবেশ সমতলের থেকে একদম আলাদা। হিমাচলের মেয়ে অনীতা এই সমস্ত সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে করেই বড়ো হয়েছেন, তবে তারপরেও সমস্যা থেকে মুক্তি মেলেনি। হিমাচলের কৃষি দফতরের আধিকারিকরাও এসব বিষয়ে ওয়াকিবহাল। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক কৃষি সচেতনতা শিবির, উদ্দেশ্য অপরিমিত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কীভাবে সকলের শরীর স্বাস্থ্য ও ফসলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে সেই বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করা।

সারাদিন মাঠে ময়দানে রীতিমতো জানপ্রাণ কবুল করে খাটাখাটনি করতে হয় তাঁকে। সার, কীটনাশকের সঙ্গে নিত্য যাপনের ফলে মারণ কীটনাশকের প্রভাব অনীতার শরীরে ফুটে উঠতে থাকে। চামড়ার সংক্রমণের পাশাপাশি নানারকম উপসর্গ দেখা দেয় অনীতার শরীরে। বাড়ির লোকজন রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকতে গররাজি থাকায়, সকলের অমতেই অনীতা সেই শিবিরে গিয়ে উপস্থিত হলেন। এখানে এসে অনীতার চোখ খুলে গেল। তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করলেন রাসায়নিক পদার্থ বিমুক্ত জৈব কৃষির গুরুত্ব। অনীতা প্রমাণ করলেন জৈব কৃষির গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি। তাঁর পরিবারের সদস্যরা জৈব কৃষির মাহাত্ম্য বুঝতে পেরে অনীতার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।সবাই হাতে হাত রেখে নিজেদের পারিবারিক ফলের বাগিচায় এখন সম্পূর্ণ রূপে জৈব পদ্ধতিতে আপেল, নাশপাতি সহ অন্যান্য ফল ও সবজির চাষ করছেন নতুন উদ্যমে। অনীতা নিজেই এখন এলাকার বাগিচা মালিকদের নিরাপদে জৈব কৃষির উপায় শেখাচ্ছেন। জৈব কৃষির কল্যাণে আজ অনীতার পারিবারিক আয় অনেকটাই বেড়ে গেছে। এই একরোখা সাফল্যের হাত ধরেই ফলচাষে নতুন জোয়ার এসেছে হিমাচল প্রদেশের কুলুতে। বাঁচছে পরিবেশ পরিমন্ডল। সাবাস অনীতা, সাবাস।

সন্তোষ খেদার – রাজস্থান

রাজস্থান মরুভূমির দেশ। বৃষ্টির অনিশ্চয়তা এই রাজ্যের কৃষির সম্ভাবনাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত করেছে। রাজস্থানের শেখাওয়াতী অঞ্চলে সন্তোষ খেদারের বসবাস। পারিবারিক জমির ভাগ বাটোয়ারার সূত্রে তাঁর নিজের ভাগে পড়েছে ১.২৫ একর জমি , যার থেকে মাসিক আয় কষ্টেসৃষ্টে মাত্র ২৫০০ টাকা। সন্তোষ দেবী একটা চলতি বিশ্বাসকে ভুল প্রমাণিত করার জন্য মাঠে নামলেন। রাজস্থানের মাটিতে ফলের বাগিচা করা যাবে না। সন্তোষ এই বিশ্বাসকে ভুল প্রমাণিত করার জন্য প্রবল উৎসাহে মাঠে নেমে পড়লেন। জমিতে লাগিয়েছেন বেদানা, পেয়ারা,লেবু এবং পেঁপের গাছ। সন্তোষের যত্নে সব গাছ‌ই আজ ফলের ভারে ন্যুব্জ।সন্তোষের প্রচেষ্টায় রাজস্থানের মাটিতেই ফলছে আপেল। সন্তোষ আর তাঁর মরুভূমির ফলবাগিচা দেখতে বহুসংখ্যক মানুষ ভিড় জমায় প্রতিদিন। সবাই এই কৃষি প্রযুক্তি শিখতে ভীষণভাবে আগ্রহী। নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে খুশি সন্তোষ খেদার‌ও।

দেশের সর্বক্ষেত্রেই পরিবর্তনের ঢেউ এসে সাবেকি ব্যবস্থাপনায় বদল আনছে। ভারতের কৃষি ব্যবস্থাও তার ব্যতিক্রম নয়। ভালো লাগছে যে এই পরিবর্তনের পেছনে দেশের মহিলারাও এক কার্যকর অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। ভারতীয় কৃষক সমাজের কাছে আমাদের ঋণের শেষ নেই। এতো বিপুল জনসংখ্যার জন্য খাদ্যের সংস্থান করা মোটেই সহজসাধ্য নয়। মূলতঃ তাঁদের কৃতিত্বের কারণেই দেশ আজ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান খাদ্য রপ্তানিকারক রাষ্ট্র। এই মুহূর্তে দেশে জৈব কৃষির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রাসায়নিক সার আর কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার কৃষি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এক প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই অবস্থায় জৈব কৃষি এক কার্যকর বিকল্প হয়ে উঠছে। ভাবতে ভীষণ ভালো লাগছে যে আজকের স্মরিকা, রোজা, অনীতা, কবিতা কিংবা সন্তোষরা এই পরিবর্তনের মূল কাণ্ডারি হিসেবে সামনে সারিতে এসে দাঁড়িয়েছেন। আছেন আরও অনেকে। এঁরা সকলেই অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। এঁদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন।।

ঋণ স্বীকার: দ্যা বেটার ইন্ডিয়া

জানুয়ারি ১০,২০২৬

PrevPreviousPARDESHI (परदेशी)
Next“শীত, সার্কাস আর সেফটি নেট”Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

February 9, 2026 No Comments

পরিচিত সাথীদের খবর দিন। ডাক পাঠান।আমাদের মেয়ের জন্য, মেয়েদের জন্য নাছোড়, না হারা লড়াই চলছে। শরিক না হলে নিজের কাছে, নিজের মেয়ের কাছে, মা এর

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

February 9, 2026 No Comments

২০২৪ সালের ৯ই আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত; “অভয়া’র” মৃত্যু রহস্য উন্মোচন ও ন্যায়বিচারের দাবী-আজও অধরা! কবে এই নারকীয় বিভৎস ঘটনার ন্যায়বিচার মিলবে

৯ তারিখ ভুলিনি, ভুলব না

February 9, 2026 No Comments

৯ ফেব্রুয়ারী বাংলার মেয়ের জন্মদিন। আসুন জন্মদিনে দল মত জাত ধর্ম সরিয়ে রেখে রাজ্যের সকল যন্ত্রণাবিদ্ধ মানুষেরা বিকেল আড়াই টেয় ডোরিনা ক্রসিং এ জমায়েত হই।

আঁদ্রে বেতেই স্মরণে

February 8, 2026 No Comments

আঁদ্রে বেতেই এর জন্ম চন্দননগরে, বাবা ফরাসি হলেও মা বাঙালি ব্রাহ্মণ কন্যা। কিন্ত আজীবন তিনি ছিলেন পুরোপুরি ভারতীয় এবং দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অনধিকার

এখনও যারা মূক আমি তাদের ঘৃণা করি

February 8, 2026 No Comments

এই শহরে সরকারি খবরে ১৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু WOW MOMO কোম্পানির গোডাউনের আগুনে ঝলসে আর নিখোঁজ আরো ২৫ নাকি ৩০ নাকি ৪০ জন জানি না!

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই মিছিল ডাক দেওয়ার অপরাধী, দুষ্কৃতী আর মদতদাতা শাসক নিপাত যাক

Abhaya Mancha February 9, 2026

“প্রতিবাদ প্রতিরোধে জোট বাঁধো”

Abhaya Mancha February 9, 2026

৯ তারিখ ভুলিনি, ভুলব না

Abhaya Mancha February 9, 2026

আঁদ্রে বেতেই স্মরণে

Dr. Amit Pan February 8, 2026

এখনও যারা মূক আমি তাদের ঘৃণা করি

Pallab Kirtania February 8, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

609197
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]