Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আপনি, আপনারা কিছুই দেখেননি? কেউ কিচ্ছুটি দেখেননি!

FB_IMG_1724154461128
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • August 21, 2024
  • 6:39 am
  • 2 Comments
প্রবল বৃষ্টি। নাইট অন-কল। অন-কল ডিউটি বলতে হস্টেলের ঘরে থাকা, প্রস্তুত থাকা, দরকার পড়লে সিস্টার দিদি কলবুক পাঠাবেন, সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যেতে হয়। ধরুন সেই রাত্রেও, তেমনই। সঙ্গে, বৃষ্টির রাত্তির মানে অনিবার্য অনুষঙ্গ – লোডশেডিং।
রাত তখন গভীর। দুটো-আড়াইটে। দরজায় কে যেন কড়া নাড়ছে। কে? কে?? কলবুক, ম্যাডাম। দরজা খুলে কে দাঁড়িয়ে আছে, ঠিক বোঝা যায় না। রেইমকোট থেকে জল ঝরে করিডোর ভিজে একশা। আগন্তুকের হাতে টর্চ, কলবুকের উপর ধরা। টর্চের আলো কলবুক-খাতায়। পেছনে বর্ষাতিতে মোড়া একজন মানুষ, তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। এক মিনিট দাঁড়ান, আসছি। আচ্ছা, ম্যাডাম।
হস্টেল, অন্ধকার করিডোর, তারপর সুনসান রাস্তা পেরিয়ে হাসপাতাল। অন্যান্য দিন রোগীপরিজন এদিক-ওদিক বসে থাকেন, কেউ কেউ ত্রিপল বিছিয়ে শুয়ে থাকেন। আজ এই দুর্যোগের রাত্তিরে কোত্থাও কেউ নেই। অসম্ভব নির্জন প্রায় গা-ছমছমে রাস্তা পার হয় মেয়েটি – ‘লেডি-ডাক্তার’ – বর্ষাতি-মোড়া মানুষটার ভরসায়। মানুষটাকে তখনও সে চেনে না। রাস্তার নির্জনতার অস্বস্তি কাটাতে টুকটাক কথা হয়। কত নম্বর বেড? ওই জোয়ান ছেলেটা? না না, পাশের বেডের অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা বুড়োটা। কী বৃষ্টি না? পেশেন্টটা খারাপ হওয়ার আর সময় পেল না!! ওয়ার্ডে পৌঁছে – একটু দাঁড়িও, দাদা। হ্যাঁ দিদি, (ওই যাত্রাটুকুর মধ্যে ম্যাডাম ডাক্তারদিদি হয়ে গেছে) আপনাকে হস্টেলে দিয়ে আসব।
ডাক্তারি পাস করেছে, অথচ এরকম অভিজ্ঞতা নেই, এমন ডাক্তার – ডাক্তার-মেয়ে – বিরল। এসব জীবনের করিডোরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো থাকেনি, মেয়েটিকে কেউই জুডো-ক্যারাটে শেখার সুপরামর্শ দেয়নি, এমনকি ব্যাগে লঙ্কার গুঁড়োর স্প্রে রাখার কথাও কেউ মনে করায়নি। কলবুক নিয়ে আসা ‘দাদা’-টি যে বিপদের কারণ হতে পারে, এ সম্ভাবনা কখনও মাথায় তো আসেইনি – বরং, প্রয়োজনে, যাবতীয় বিপদের মুহূর্তে শিরিঙ্গে রোগাপ্যাটকা গ্রুপ-ডি দাদাটিই যে ঢাল হয়ে দাঁড়াবে, এই ভরসা ছিল।
ভরসা। বিশ্বাস। নির্ভরতা। নির্ভরযোগ্যতা এবং নির্ভরশীলতা। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা – বিশেষত মেয়েদের নিরাপত্তা – প্রসঙ্গে লিখতে গিয়ে এই শব্দগুলোই মাথায় আসছে।
শুধুমাত্র নিজের কর্মক্ষেত্র – অর্থাৎ হাসপাতাল – নিয়ে কথা বলছি – এবং মহিলা-কর্মী বলতেও এই লেখায়, মূলত, ডাক্তার-মেয়েদের কথাই বলব – কেননা একমাত্র এই পেশাটিকেই কাছ থেকে দেখেছি, অন্য পেশা নিয়ে বেশি কিছু লেখার মতো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আমার নেই। তো এব্যাপারে যেটুকু দেখেছি, হাসপাতালে নিরাপত্তার যাবতীয় অত্যাবশ্যক অনুষঙ্গ – যেমন মজবুত দরজা, কোল্যাপসিবল গেট, দ্বাররক্ষী থেকে শুরু করে উপযুক্ত অ্যালার্ম সিস্টেম, সিসিটিভি ক্যামেরা – এই সবকিছুই জরুরি নিঃসন্দেহে, কিন্তু প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তা দেয় পারস্পরিক নির্ভরশীলতার বোধ ও একে অপরের প্রতি বিশ্বাস।
অভিজ্ঞতায় দেখেছি, মদ্যপ ও মারমুখী রোগীপরিজন চড়াও হলে, হাসপাতালের পুলিশ-চৌকি থেকে পুলিশ ডাকা হলেও, প্রয়োজনীয় মুহূর্তে তাঁরা প্রায়শই হাওয়া হয়ে যান। মারমুখী হওয়ার প্রবণতা, সাধারণত, দাপুটে রাজনৈতিক নেতাদের সংসর্গপ্রাপ্ত পরিজনদের মধ্যেই দেখা যায়। সেক্ষেত্রে পুলিশের সহযোগিতা পাওয়ার আশা না রাখাই ভালো। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকাও সেসব ক্ষেত্রে অবান্তর, কেননা ছবিতে দোষীর আধার কার্ড দৃশ্যমান হলেও পুলিশ তাঁদের ধরা তো দূর, চিনেই উঠতে পারবেন না। চেঁচামেচি তর্কাতর্কি উত্তেজনার মুহূর্তে ঢাল হয়ে দাঁড়ান সহকর্মীরা – সেই সহকর্মী, যাঁদের কেউ ডাক্তার, কেউ সিস্টার-দিদি, আর চতুর্থ-শ্রেণীর কর্মী ওরফে ‘জিডিএ দাদা’, ‘আয়ামাসি’-রা তো থাকেনই।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মেয়েদের ছোট করে দেখা-ই নিয়ম। খুচরো অবহেলা অনাদর গুরুত্ব-না-পাওয়া থেকে শুরু করে খোঁটা শ্লেষ ইত্যাদি অসম্মান সহ্য করতে হয়নি, এমন ডাক্তার-মেয়ে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। নিরাপত্তা বলতে তো শুধু শারীরিক আক্রমণ থেকে নিরাপত্তা নয়, এসব ছোট-বড় মানসিক অস্বস্তি থেকে সুরক্ষাও বটে। ‘মেন্টাল হ্যারাসমেন্ট’ ‘জেন্ডার হ্যারাসমেন্ট’ বিষয়ক সচেতনতা-বৃদ্ধি বা সেবিষয়ে অভিযোগ জানানোর উপযুক্ত কমিটি তৈরির অনেক আগে থেকেই ডাক্তার-মেয়েদের জন্য থাকত সাহচর্যের বলয় – দুঃখের কথা গুজগুজ করে বলার জন্য থাকতেন সিস্টার দিদি, টিফিন ভাগ করে খেতে খেতে দুঃখের কথা হতো – কখনও বা সবার সামনে ‘স্যার’ বিচ্ছিরি করে কথা বললে কো-হাউসস্টাফ বা কো-পিজিটি ডাক্তার-ছেলেটি এসে বলত, মন খারাপ করিস না, চল, এই কাজগুলো সেরে নিয়েই ক্যান্টিন থেকে ঘুরে আসি।
তদুপরি, ডাক্তারি এক আশ্চর্য ‘লিঙ্গহীন’ বা ‘লিঙ্গনিরপেক্ষ’ পেশাও বটে। ‘লেডি-ডাক্তার’ শব্দবন্ধ একসময় চালু ছিল বটে, কিন্তু কখনও কোনও ডাক্তার-মেয়েকেই, নিজেদের সম্পর্কে সেই লব্জটি ব্যবহার করতে শুনিনি। এ একেবারেই পুরুষদের দ্বারা প্রদত্ত এবং এক্সক্লুসিভলি পুরুষদের ব্যবহার্য টার্ম। লিঙ্গপরিচয়ে পুরুষ যে চিকিৎসক ডাক্তারি করার মুহূর্তে নিজেকে ডাক্তারের পাশাপাশি একজন পুরুষ হিসেবেও দেখেন, তাঁকে পুরোপুরি ডাক্তার হিসেবে ভাবা মুশকিল। ডাক্তার-মেয়েদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য হওয়াই উচিত, কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে আগের বাক্যটি অত সহজে বলে বসা যায় না। কেননা, সে মেয়ে নিজেকে যা-ই ভাবুন না কেন, উল্টোদিকে বসে থাকা পুরুষদের কেউ না কেউ – কখনও রোগী, রোগীপরিজন, কখনও বা কোনও ‘স্যার’ – তাঁকে মনে করিয়ে দেন যে ডাক্তার হওয়ার আগে, ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও, তিনি একজন মেয়ে। মেয়ে মাত্র। ডাক্তার-মেয়ে-জীবন এই দ্বন্দ্ব জয় করার যাত্রাপথও বটে।
তবু ডাক্তারির ছাত্রজীবন এবং ‘জুনিয়র ডাক্তার’ থাকার সময় লিঙ্গপরিচয় নিয়ে অতশত ভাবার সুযোগ বা অভ্যেস কোনোটাই থাকে না। সব ওয়ার্ডে ঠিকঠাক ডিউটি-রুম বা টয়লেট-ই থাকে না, তো সেখানে আবার ছেলে-মেয়ের ভাগ। এক বিছানায় গাদাগাদি করে তিন-চারজন বসে-শুয়ে সামান্য জিরিয়ে নেওয়া – তখন কে হিসেব করবে, কে ছেলে আর কে মেয়ে! কাজ করার সময় টুকরোটাকরা ওয়ার্ডের গসিপ শোনার সময় ডিউটিরুমের দরজা বন্ধ করতে হলে কে ভাবে, একটা ছেলে আর একটা মেয়ে একসঙ্গে দরজা বন্ধ করে থাকলে সেটা ‘বাজে দেখায়’ – ‘লোকে খারাপ অর্থ করতে পারে’!!
বিশ্বাস করুন, কথাগুলো বানিয়ে বলছি না। পড়তে পড়তে এসব কথা রোম্যান্টিক নস্ট্যালজিয়া মনে হলেও, বয়ানের এতটুকু কষ্টকল্পনা নয়। হ্যাঁ, আমি জানি, এসব অনেকেরই এই মুহূর্তে অবিশ্বাস্য ও অপ্রাসঙ্গিক ঠেকবে, কেননা আরজিকর মেডিকেল কলেজের ওয়ার্ডে, নাইট-ডিউটি করার সময়, এক চিকিৎসক – নারী-চিকিৎসক (ডাক্তার-মেয়ে না লিখে নারী-চিকিৎসক লিখলাম, কেননা যিনি ধর্ষিতা, তাঁকে আক্রমণকারী নারী-র বেশি কিছু ভাবেনি) – নৃশংসভাবে খুন হয়ে গিয়েছেন। ধর্ষণ ও খুন – বা খুন ও ধর্ষণ – ক্রমপর্যায় নিয়ে একশ্রেণীর মিডিয়া অত্যন্ত বিচলিত, কিন্তু দুটিই যে ঘটেছে, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব নেই।
ধর্ষণ ও খুন – ঘটনাগুলো যে ভয়ঙ্কর, জঘন্য, নিন্দারও-অযোগ্য ইত্যাদি বিশেষণ প্রয়োগের অতীত, সে নিয়ে তো সন্দেহেরই অবকাশ নেই, কিন্তু এ-ও অনস্বীকার্য, যে, এমনটা ঘটে। একসময়ের প্রাজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, মোস্ট আনফরচুনেট, স্টিল ইট হ্যাপেনস – সে বয়ান সম্পাদিত হতে হতে এসে ঠেকেছে ‘এরকম তো কতই হয়’-এ – তবু, সত্যিই তো, প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার কথা শুনতে শুনতে শিউরে উঠতে হলেও, ধর্ষণ তো ঘটে, ঘটেই চলেছে এবং এমন ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েও চলেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্য – এবং এই রাজ্যেও – ধর্ষণের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। অথচ তেমন ঘটনায় বড়সড় সাজা পেয়েছে, এমন নজির মনে পড়ছে না।
কিন্তু, সাধারণভাবে ধর্ষণ-খুন – সেক্সুয়াল ক্রাইম – তার বিপদ, তার প্রতিরোধ বা প্রতিকার, এসব নিয়ে এই লেখা নয়। এ লেখার মূল ফোকাস, আগেও বলেছি, ডাক্তারি পেশাজীবন – মুখ্যত ডাক্তার-মেয়েদের পেশাজীবন। সিনিয়র ডাক্তারদের টুকটাক নাইট-ডিউটি করতে হলেও, ওয়ার্ডে পড়ে থেকে নাইট-ডিউটি করার দায়, সাধারণত, জুনিয়রদের। এবং যেহেতু প্রতিটি মানুষই বেড়ে ওঠে – পরিণত হয়ে ওঠে – পূর্বতন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, সেহেতু জুনিয়র ডাক্তার পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ডাক্তারি-জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসার ট্রেনিং পিরিয়ড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই, ততোধিক গুরুত্বপূর্ণ যে মানুষটা ডাক্তার হয়ে উঠলেন, তাঁর পরিণত হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে। আরজিকর-এর ঘটনা – যদি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা হিসেবেও দেখি – তা ঠিক উঠতি ডাক্তারদের চিন্তাভাবনায়, অন্তত অবচেতনে, কেমন প্রভাব ফেলতে পারে?
আবারও বলি, নিরাপত্তা বলতে যাঁরা শুধুই পুলিশ-নিরাপত্তারক্ষী-সিসিটিভি বোঝেন, আমি তাঁদের দলে নই। এগুলো জরুরি অবশ্যই, কিন্তু আসল নিরাপত্তা আমার সঙ্গে থাকা মানুষগুলো। যেখানে বিভিন্ন অনুষঙ্গ বারবার মনে করিয়ে দেয়, যে, এখানে তুমি নিরাপদ – সেখানে কি ততখানি নিরাপদ বোধ হয়? জুনিয়র ডাক্তার থাকাকালীন হাসপাতাল ওয়ার্ড এমন জায়গা, যেখানে কখনও কোনও বিপদ ঘটতে পারে – আদৌ ঘটা সম্ভব – এমন চিন্তা মাথায়ও আসে না। আরজিকর-এর পর আর ভাবা সম্ভব? ভাবা উচিত??
শুনেছি, গোবলয়ের কিছু কিছু রাজ্যে, বাড়ির মধ্যে শৌচাগার না থাকলে বাড়ির মেয়েটির ধর্ষিতা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। কেননা ধর্ষক ওঁত পেতে থাকে, মেয়েটি কখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নিভৃতে যেতে বাধ্য হবে। সেসব রাজ্যে, নাকি, পেটখারাপ জাতীয় সমস্যা হলে মেয়েরা আতঙ্কে থাকে। ধর্ষণের আতঙ্ক। ধর্ষণের পর মুখ খোলার চেষ্টা করলে, খুন হয়ে যাবার আতঙ্কও। আজ এখানে, যখন মেয়েদের কর্মক্ষেত্রে শৌচাগারের জরুরি দাবি উঠছে, তখন দাবিটির (যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশই নেই) প্রেক্ষিত মনে পড়লে স্তম্ভিত হয়ে যেতে হয়। এ কোন অন্ধকার সময় উপস্থিত হলো!
আগেও বলেছি, নিজেকে মেয়ে হিসেবে ভাবার পর্যায় থেকে লিঙ্গনির্বিশেষ চিকিৎসক হিসেবে ডাক্তার ভাবতে পারা – এই যাত্রাপথ – বন্ধুর যাত্রাপথ, যে পথে অজস্র হোঁচট অনিবার্য – প্রতিটি ডাক্তার-মেয়ের ব্যক্তিজীবন তথা পেশাজীবনের অংশ। সে পথ ঠিক কতখানি কঠিন হয়ে উঠল এই ঘটনার পরে?
এবং শেষে, শুরুর কথা-ই আবার।
ভরসা। বিশ্বাস। নির্ভরতা। নির্ভরযোগ্যতা এবং নির্ভরশীলতা।
যে বন্ধু সহপাঠী সহকর্মীরা সব বুঝেও চুপ রইলেন – হ্যাঁ, আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ থাকুক বা না থাকুক, হাসপাতালের মধ্যে এতক্ষণ ধরে এত বড় ঘটনা ঘটে গেক আর
কেউই কিছু বুঝতে পারলেন না, অন্তত ঘটে যাবার পরেও কেউই কিছু জানতে পারলেন না, এমন হতে পারা অসম্ভব। যাঁরা সব জেনেও প্রতিবাদ প্রতিরোধ লড়াই তো দূর, স্রেফ চাকরি বাঁচানো বা অনুরূপ কোনও লোভে – অথবা ভয়ে – চুপ রইলেন – যদি বুঝে যাই, যে, আমার বিপদে বাকিরা এভাবেই নিজের আখেরের লোভে মুখ লুকিয়ে থাকবেন – তাহলে হাজার পুলিশ (হাঃ হাঃ হাঃ) নিরাপত্তারক্ষী দিয়েও মনের গভীরে নিরাপত্তার বোধ লালন করা সম্ভব হবে কি? সহপাঠীরা, সহকর্মী জুনিয়র ডাক্তাররা, ওয়ার্ডের সিস্টার-দিদিরা, স্বাস্থ্যকর্মীরা –
মাস্টারমশাইরা – আপনি, আপনারা কিছুই দেখেননি? কেউ কিচ্ছুটি দেখেননি!!
ছিঃ!
PrevPreviousআর জি কর
Nextআরজি করের ঘটনার পাশাপাশি মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভNext
5 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
A Mitra
A Mitra
1 year ago

নির্মম সত্যি।

0
Reply
Dr. Sunrita De
Dr. Sunrita De
1 year ago

Ekdam amar moner katha bolechhen dada… Aj jakhan pechhon dike takai takhan mone hay gram theke uthe asa amar kachhe kolkata sahar e sab theke nischinto asray chhilo amar hospital.. sei boundary r madhye dhuke porle keu amak chhnute parbe na..
Ki hobe amar meyer.. kothay pabe se eman nischintota.. jani na.. samaj er eto abokhay ..seta ki samaj roilo…

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শুধু, এক মুঠো নুনের জন্য ……

June 21, 2026 1 Comment

এই নিবন্ধটি লবণ তৈরির সঙ্গে যুক্ত গুজরাটের প্রান্তিক আগারিয়া জনগোষ্ঠীর মানুষদের কঠিন কঠোর পরিশ্রমী জীবনের এক বাস্তব আলেখ্য। আমাদের প্রতিদিনের খাবারকে স্বাদু করে তোলার জন্য

স্বাস্থ্যকর্মীর উপর শারীরিক নির্যাতনের তীব্র ধিক্কার জানাই।

June 21, 2026 No Comments

সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকে জাতীয় ফাইলেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত গণঔষধ বিতরণ (Mass Drug Administration) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর

পশ্চিমবঙ্গ দিবস: বিতর্কের আড়ালে সত্য ও অর্ধ সত্যি

June 21, 2026 No Comments

না। শ্যামাপ্রসাদ পশ্চিম বঙ্গের একক স্রষ্টা নন। ২০ জুনও পশ্চিমবঙ্গের জন্ম দিন নয়। আসল ইতিহাসকে ধামাচাপা দেওয়া বা বিকৃত করলে সেটা বাঙালির অস্তিত্ব সংশয় কণ্টকিত

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

June 20, 2026 No Comments

“I love you, Papa.” Those were among the last words reportedly left behind by a young woman in Dehradun who had spent years preparing for

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

June 20, 2026 No Comments

ক্যান্সার আর দুরারোগ্য নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যান্সারকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলতে সক্ষম। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা আর পাঁচটা রোগের চাইতে আলাদা। সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রোগ

সাম্প্রতিক পোস্ট

শুধু, এক মুঠো নুনের জন্য ……

Somnath Mukhopadhyay June 21, 2026

স্বাস্থ্যকর্মীর উপর শারীরিক নির্যাতনের তীব্র ধিক্কার জানাই।

West Bengal Junior Doctors Front June 21, 2026

পশ্চিমবঙ্গ দিবস: বিতর্কের আড়ালে সত্য ও অর্ধ সত্যি

Parichay Gupta June 21, 2026

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

Satya Sagar June 20, 2026

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

Dr. Sayan Paul June 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

634364
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]