Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দিনলিপি অন্য পুজো

FB_IMG_1602809844564
Dr. Parthapratim Gupta

Dr. Parthapratim Gupta

General physician. Clinical associate in a corporate hospital.
My Other Posts
  • October 20, 2020
  • 8:17 am
  • No Comments

আকাশে বাতাসে এখন সাজো সাজো রব। যে কোনো বাঙালির জীবনে সেই আদি অকৃত্রিম দুর্গোৎসবের আকর্ষণ তো আর বলবার অপেক্ষা রাখে না। তবে এবারের পুজোর আবেদন যেন কেমন মিইয়ে যাওয়া। অন্তত আমার কাছে। মহামারীতে ত্রস্ত মানুষের জীবনে এই পুজো বোধহয় নতুন কোন বার্তা বয়ে আনতে পারলো না।

আজ সকালে হাসপাতালে যাবার পথে দিগন্তবিস্তৃত সুনীল আকাশের দিকে তাকিয়ে ঠিক এই কথাই মনে হচ্ছিল। রাসবিহারী কানেক্টরের দুই পাশে বাঁশের লম্বা ব্যারিকেডে ধীরে ধীরে ঢেকে যাচ্ছে ফুটপাত। অ্যাক্রোপলিস মলের চারিধার সেজে উঠেছে মায়ের মুখের ব্যানার আর ফেস্টুনে।
যোগাড় যন্ত্র আজকেই যেন প্রায় শেষ। হিসেব করে ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না দুর্গাপুজোর আর ঠিক কতদিন বাকি! নাকি আমাদের মত হাসপাতালে কাজ করা ডাক্তারদের ফেলেই শুরু হয়ে গেছে এইবারে মায়ের উৎসব। পুজো তো সবারই তাই না!

এসব ভাবতে ভাবতেই হোয়াটসঅ্যাপে এক বন্ধুর কাছ থেকে আসা একটা মেসেজ দেখছিলাম। একটি খবরের কাগজের স্ক্রীনশট। সেখানে লিখছে যে আমাদের রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তারা নাকি বেসরকারি হাসপাতালে নন-কোভিড ডাক্তারদের অনুরোধ জানিয়েছেন তারা যেন পুজোর সময় কলকাতা ছেড়ে কোথাও না যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরো অনুরোধ জানানো হয়েছে যেন সেই সমস্ত ডাক্তারদের ফোন নাম্বার রেখে দেওয়া হয়। তারা আশঙ্কায় আছেন যে পুজো দেখার এই ভিড়ের চাপে হাসপাতালে হাসপাতালে নাকি কোভিডের চাপ অনেক বাড়তে চলেছে পুজোর পর।

ভারি অদ্ভুত লাগলো একথা পড়ে। সবার আগে এটাই মনে হল যদি মহামারী বেড়ে যাওয়ার সত্যিই এত চিন্তা থাকে তাহলে সকলের আগে বারোয়ারী পুজোটা বন্ধ বা নিদেন পক্ষে ছোট করার নির্দেশ দিচ্ছেন না কেন সরকার বাহাদুর?

পুজোতে যে মণ্ডপে মণ্ডপে ভীড় সামলানো যাবে না, আর তার ফলে কোভিড যে অট্টহাসি হাসবে সেটা বোঝার জন্য তো আই এ এস পরীক্ষায় পাশ করার কোন প্রয়োজন নেই। তাই না?

আর এই মূহুর্তে নন-কোভিড বলে তো কোন হাসপাতালেই আর কিছু বাকি নেই। সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার সব কোভিডে মিলেমিশে চাটনি হয়ে গিয়েছে সেই কবেই।
তাছাড়া এই করোনাতে অনেক বেশি সংক্রামিত হয়ে চলেছেন নন কোভিড ডাক্তাররা। অন্তত আমাদের হাসপাতালের স্ট্যাটিসটিকস সেই কথাই বলছে। কাজেই সবাই এখন ফ্রন্টলাইন কোভিড ওয়ার্কার। পাড়ার জেনারেল ফিজিশিয়ান থেকে শুরু করে হার্ট অথবা নিউরোসার্জন কাউকেই কোভিড ছেড়ে কথা বলছে না। তাই সবাইকেই চিকিৎসা করতে হচ্ছে কোভিডের। অন্তত একটা লেভেল অবধি।

আপামর জনসাধারণের মুখের সামনে পুজোর গাজর ঝুলিয়ে পাবলিককে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে। অথচ ডাক্তারদের বলছেন আপনারা শহর ছেড়ে যাবেন না। ডাক্তার তথা সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের যে আপনারা মানুষ বলেই গণ্য করেন না এটা তার একটি বড় প্রমাণ।

তবে ডাক্তারদের কথা ছাড়ুন। তাদের শহীদ হওয়া তো এখন জনগণ দিব্যি মেনে নিয়েছে। মিলিটারিও তো যুদ্ধে কত মারা যায়। তাই না। ওইরকম একবার ‘জনগণমন’ গেয়ে দিলেই তো যাবতীয় দায়িত্বের ল্যাঠা চুকে যায়। পাবলিককে তো আর চিকিৎসা করতে যেতে হচ্ছে না!

তবে কাতারে কাতারে মানুষের ভিড়ে মহামারীর চাপ এতটাই বাড়তে পারে যে হাসপাতালে বেড পাওয়া যাবে না, এই সমস্ত জেনেও ঢালাও বারোয়ারি পুজায় যে সরাসরি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চলছে তার ফল কিন্তু ভুগতে হবে সাধারণ মানুষকেই।

অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রজন্মের শরীর বেয়ে তাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে যাবে ভাইরাস। তাদের মাধ্যমে অসুস্থ হবেন বয়স্করা। বেড বা চিকিৎসা না পাওয়া গেলে মৃত্যুর হার বাড়তে শুরু করবে। হাতের বাইরে চলে যাবে মহামারী। এইসব দ্বিচারিতার কথাই ভাবছিলাম সারাদিন।

হাসপাতালে আমাদের ডিপার্টমেন্টের সিস্টাররা ধীরে ধীরে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া শুরু করেছেন। বিশেষত নর্থ ইস্টের মেয়েরা। প্রায় সাত মাস এই করোনায় দৈনিক প্রাণপণ পরিশ্রম করার পর। তবে এই চলে যাওয়ার কারণ কেউ জানাচ্ছে না। জানি না পুজোর পরে মহামারী চেহারার কথা ভেবে কিনা! অথবা হয়তো কোন হতাশা ঘিরে ধরেছে তাদেরকেও!

এর মধ্যেই একটা ইমার্জেন্সি অপারেশন চলছিল আমাদের। কোভিড টেস্ট পাঠিয়ে থিয়েটারে নেওয়া হয়েছিল রোগীকে। মস্তিষ্কের মধ্যে রক্ত জমে প্রায় অচৈতন্য হয়ে যাওয়া পেসেন্ট।তাড়াতাড়ি অপারেশন করে রক্ত বের না করে দিলে প্রাণসংশয় হতে পারে ভদ্রমহিলার। অপারেশনের শেষের দিকে খবর এলো কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ।

এর আগেও করেছি অনেক ইমার্জেন্সি অপারেশন বিগত সাত মাসে। অনেক রোগী পজিটিভ হয়েছেন অপারেশন করার বেশ কিছুদিন পরে। তবে থিয়েটারে পজিটিভ এই প্রথম। কিন্তু নিয়মমতো কোয়ারেন্টাইন অনেকদিন আগেই উঠে গেছে স্বাস্থ্যকর্মীদের। তবুও পরিবারের কথা ভেবে নিজেকে আইসোলেট করা শুরু করেছি বাড়িতে।সঙ্গে অপারেশন থিয়েটারে এক্সপোজড হওয়ার হাই ভাইরাল লোডের চিন্তা তো থাকছেই। হ্যাঁ, পিপিই ব্যবহার করা সত্ত্বেও।

আমার সিনিয়রের পরিবারে আবার রয়েছেন তার বৃদ্ধা মা। তার বিপদের কথা ভেবে সিনিয়র ইতিমধ্যেই অন্যত্র থাকার বন্দোবস্ত করছেন নিজের। অন্তত সামনের বেশ ক’টা দিন। যদিও এসব নিয়েও হয়তো আমাদের করতে হবে ইমারজেন্সি সার্জারি। প্যানডেমিকে এটাই নাকি দস্তুর। তাই এবারের দুর্গাপুজোটা একদমই অন্যভাবে শুরু হতে চলেছে আমার।

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে আসতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। গোটা রাসবিহারী কানেক্টর দেখলাম পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। আমাদের বাড়ির কাছের একটি বড় পুজো মণ্ডপের আজকে নাকি উদ্বোধন। এক সঙ্গীত মুখর পরিবেশে সেজেগুজে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সেই ‘ভাঁড়ের পুজোর’ কর্তাব্যক্তিরা।ইতিমধ্যে সকালের ব্যারিকেডগুলির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।সেখানে ইতস্তত উঁকিঝুঁকি মারছে পাবলিক। সবাই অপেক্ষা করে আছেন রাজ্যের সর্বময় কর্ত্রীর। একটু পরেই ফিতে কেটে হৈ হৈ করে শুরু হয়ে যাবে এবারের দুর্গাপুজো।

ভাবছিলাম আমরা স্বাস্থ্যকর্মীরা বোধহয় অন্য কোন পৃথিবীর বাসিন্দা হয়ে গেছি আজ এই ক’মাসে। চারিদিকে এই বাঁধনছেঁড়া আনন্দের মাঝে এখন বড় বেমানান লাগে নিজেদের। নিরন্তর এই চাপ নিয়ে নিয়ে আর দ্বিচারিতা দেখতে দেখতে কোথাও মনে হয় মানসিক অবসাদ গ্রাস করতে শুরু করছে আমাদেরকেও। তবুও লড়াই চালিয়ে যাবো আমরা। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও।

আপনারা সুস্থ থাকুন সকলে। পুজো কাটুক সাবধানে।

PrevPreviousবাচ্যবদল
Nextকরোনা কালে কি করণীয় প্রথম পর্বঃ করোনা ক্লিনিকে কৌশিক লাহিড়ীNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কাঁটাতার

May 25, 2026 No Comments

নতুন সরকারকে স্বাগত। পুরোনো সরকারের নিরন্তর সমালোচনা করেছি। সে আমলের অপরিসীম দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাকেও স্বাগত। মানুষের প্রত্যাশা তেমনই। কিছু

রহমতের দেশ: এক গহীন সংকটের আবর্তে

May 25, 2026 2 Comments

রহমতকে মনে আছে? নাম শুনে ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না? দাঁড়ান । আর একটু খুলে বলি । রহমত কাবুলিওয়ালা। আফগানিস্তান থেকে সে আসতো এই দেশে

গগন মুখুজ্যের মোহর দ্বিতীয় পর্ব

May 25, 2026 No Comments

বউবাজারের মুখুজ্যেবাড়িতে বিয়ে হয়ে আসা ইস্তক মঞ্জুরানী নিয্যস জানে এ ভিটেয় ভূত আছে। তবে কিনা জানলেও তার বড় একটা কিছু যায় আসে না। বিয়ের অল্প

হকার

May 24, 2026 2 Comments

কয়েকদিন আগে এক ফেসবুক বন্ধু একটা পোষ্ট করেছিলেন – শিয়ালদহ এবং অন্যান্য স্টেশন চত্বরে হকার সরিয়ে দেওয়ার জন্য নাকি মধ্যবিত্ত মানুষজন খুব খুশি হয়েছেন। শিক্ষিত,

মাফিয়া

May 24, 2026 1 Comment

১৯৪৩ সালে সিসিলি জয় করাটা মিত্রপক্ষের কাছে খুব জরুরি ছিল। জেনারেল প্যাটনের নেতৃত্বে অপারেশন হাস্কি নামের একটা অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে জয় লাভের জন্য

সাম্প্রতিক পোস্ট

কাঁটাতার

Pallab Kirtania May 25, 2026

রহমতের দেশ: এক গহীন সংকটের আবর্তে

Somnath Mukhopadhyay May 25, 2026

গগন মুখুজ্যের মোহর দ্বিতীয় পর্ব

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 25, 2026

হকার

Kanchan Sarker May 24, 2026

মাফিয়া

Dr. Samudra Sengupta May 24, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

625080
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]