Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

প্রহর শেষে ❤

IMG_20210329_235828
Debanjana Halder

Debanjana Halder

Nurse in a government hospital
My Other Posts
  • March 30, 2021
  • 12:32 am
  • One Comment

রাত নটা নাগাদ নিয়ম মাফিক সব পেশেন্টের মেডিসিন তৈরি করে রাখছি, স্যালাইনের বোতল রেডি করছি, যে যে পেশেন্টের চ্যানেল খারাপ হয়েছে সেগুলো দেখছি, রাতে কোন পেশেন্ট কি রকম অনুপাতে ফ্লুইড পাবে এসব দেখছি;সহকর্মী সিস্টারকে রাতের রিপোর্ট লিখতে বলছি, এমন সময় গ্রুপ ডি স্টাফ বললেন “দিদি, নীচে একটা ব্রড ডেড এসেছে, বাপরে সেকি বীভৎস দিদি”

সঙ্গে সঙ্গে দেখি একজন পেশেন্ট পায়খানা, বমি নিয়ে ভর্তি হল, জলের মতো পায়খানা অনর্গল করেই চলছে, এমনকি এটাও ঠিক যে ওষুধ, preprobiotic sachet নিয়ে কমতে সময় লাগবেই খানিক; বাচ্চার মাকে বললাম।

আসলে কাছে যে আইডি হাসপাতাল ছিল তা এখনো করোনা হাসপাতাল হিসেবেই ধার্য আছে তাই আমি যে ওয়ার্ডে আছি তার উপর চাপ বেশ ভালই প়ড়েছে……

ফিমেল মেডিসিন, ফিমেল সার্জারি, বাচ্চার ওয়ার্ড সব মিলিয়ে দুজন সিস্টার রাতে আর গ্রুপ ডি স্টাফ, আয়া মাসি এনারা আছেন। জুনিয়র ডাক্তারবাবু, স্টুডেন্টস নেই, সুতরাং আমার ওয়ার্ড বেশ ভাল মতোই ব্যস্ত যায়।

ইতিমধ্যে আরো কটা পায়খানা, বমির পেশেন্ট ঢুকল। ORS দেওয়া, চ্যানেল করে ফ্লুইড, মেডিসিন, ইনজেকশন সব সারছি আর সহকর্মী সিস্টার সব রেকর্ড রেজিস্টার এসব লিখছেন, হঠাৎ নজর গেটের দিকে……

দুজন পুলিশ অফিসার মিশ মিশে কালো, পুরনো পোড়া, চামড়া উঠে যাওয়া একজন মেয়েকে ট্রলিতে নিয়ে আসছেন, বেড দেওয়া হল।

মনে মনে ভাবছি এই ব্রড ডেডকে তুলল কেন ?

যাকগে দেখলাম নিচে ফ্লুইড চালিয়েছেন একজন সিস্টার; পেশেন্ট চোখ মিট মিট করছে। সারা শরীর কাদা মাখা, হাতের আঙ্গুল কঙ্কালের মতো পুরো সাদা চামড়া বেরিয়ে আছে…

প্রথম তাকালো সম্পূর্ণ রূপে আমার দিকে, নিয়ম মাফিক হিস্ট্রি জিজ্ঞেস করতে গিয়ে খুব অসহায় বোধ করলাম….

আগে পুরো শরীরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার ভাবনা আর তার পর কপাল খারাপ হলে কে দেখবে? নাভি, যোনি না পুড়লে যে মরণ হয় না, তাই বেচারা বেঁচে গেছে, কিন্তু এইবার পুরো মাটির মধ্যে কাদা মাটির মধ্যে নদীর ধারে পড়েছিলো….

কি কপাল মাইরি এবারেও বেঁচে গেল? মনে মনে ভাবলাম ধর্ষিত হয়নি তাই বা কে জানে, বেওয়ারিশ লাশ যে এত হিস্ট্রি দেবে আমাকে তা আমার কল্পনাতীত…

তিন বোতল ফ্লুইড জেটে দিয়ে ওষুধ ইনজেকশন দিয়ে মহিলার তাকানো আরও সুন্দর হল…
পেশেন্ট থিতু হলে অবশ্যই ভালো লাগে তো যাকগে, ঘড়ি দেখলাম রাত সাড়ে বারোটা।।

খেয়ে নিলাম ঝট করে, মায়ের বানানো রুটি, তরকারি, ডিম সেদ্ধ, সুজি সবকিছুই সহকর্মী সিস্টারের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম মজা করে।
আমার এই ১২ ঘণ্টা করে তিনদিনের নাইটের প্রথম দিন এত ব্যস্ত যাবে ভাবিনি তো, যাকগে সব কাজ সামলে বসেছি একটু; এক বাচ্চার মা “দিদি স্যালাইনের বোতল থেকে জলেের ফোঁটা কম পড়ছে, স্থির হয়ে আছে”…

বাচার মায়ের উদবিগ্নতা থাকবে তা স্বাভাবিক তবু খানিক রাগ হল মনে মনে বললাম “একটু বিশ্রাম না নিলে পরের রাতগুলো কি হবে” আর বকে বললাম মাকে “বাচ্চাকে ওআরএস খাওয়ান, হাত তো ধুতে হবে নাহলে এই ফিডিং বোতলের মুখ, বুকের দুধ খাওয়ার পর স্তনবৃন্ত– এসব পরিষ্কার না করলে পায়খানা, বমি জম্মে কমবে না, সে আপনি যতই ঠাকুর দেবতা ডাকুন না কেন”

খানিক পরে বুকে ব্যথার পেশেন্ট ঢুকল। সারারাত এই পায়খানা বমি, মায়ের উদ্বেগ, বাচ্চার ফ্লুইড নির্ধারণ এইসব সামলাতে গিয়ে দেখি ভোরের আলো ফুটছে।

এবার ভাবলাম ব্রাশ টা করে নিয়ে বিস্কুট মুখে দিয়েই ইনজেকশনগুলো দিয়ে নিতে হবে; খালি পেটে তো টিবি পেশেন্টের কাছে যাওয়া যাবে না।
ব্যাস, নীচ থেকে ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসারের ফোন “দিদি, খুব খারাপ বাচ্চা আসছে- হিস্ট্রি দিয়েছে convulsion.” সব ওষুধ ইনজেকশন দিয়ে বাচ্চা ঠিক হল,ঘড়ি দেখলাম পৌনে আট টা…

মুখে চোখে জল দিয়ে বাড়ি আসার সময় ফোনটা দেখলাম। মা কাল রাতে ফোন করেছিল হয়তো খেয়েছি কিনা জিজ্ঞেস করার জন্য; এমন কি আজ সকালেও ফোন করেছে….

এক বন্ধু ফোন করেছিল হয়তো খানিক খবর নেওয়ার জন্যই।

হত চকিত হয়ে ভাবলাম “কাল রাতে জল পর্যাপ্ত না খেলে আরো dehydrated হয়ে যেতাম হয়তো; স্যানিটারী ন্যাপকীন বাড়ি গিয়েই চেঞ্জ করতে হবে”

“বাবা বলছিল ঠাম্মা-দাদু আজ আসবে, বাবা প্রেশারের ওষুধটা খেলো সময় করে?”

“ওই যে লোকগানটা ভাবছিলাম; এই নাইটটা শেষ করেই রেওয়াজ নেব একবার”

“ইনু দাদাভাইকে বলে যদি একটা নাচের পার্ট চেষ্টা করা যায়”

“শ্রেয়াকে আর একবার জিজ্ঞেস করবো সিল্ক রুটের প্ল্যানটা কি হল; পাহাড় যে বড় ডাকছে”

বাড়ি ফেরার পথে ❤

PrevPreviousকেয়ারলেস পিয়ারলেস
Nextআমার চড়ুইয়ের কথা– নিখোঁজNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Nir
Nir
1 year ago

Besh Valo

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617838
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]