Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

খুপরির গল্প ৯ ভরসা

IMG_20221001_074511
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • October 1, 2022
  • 7:46 am
  • No Comments

মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। আর আমার দৌড় ঘোলা থেকে মধ্যমগ্রাম পর্যন্ত। এই আট দশ কিলোমিটারের মধ্যেই দিন চলে যায়, মাস চলে যায়, বছর চলে যায়।

মাঝে মাঝে পুজো পার্বণ এলে চেনা রাস্তাগুলোও অচেনা অচেনা মনে হয়। রাস্তায় কতো আলো। মা বাবার হাত ধরে নতুন জামা কাপড় পরে খোকা খুকুরা বেরিয়েছে। তাদের মুখ খুশিতে ঝলমল করছে। আমি চেয়ে চেয়ে দেখি- স্কুটারের গতিবেগ কমে যায়। মনে হয় রাস্তার ধারে স্কুটার থামিয়ে একটু দাঁড়াই। সবার সঙ্গে মিশে যাই।

কিন্তু উপায় নেই। পরের খুপরিতে ভিড় জমতে শুরু করেছে। আবার স্কুটারের স্পিড বাড়ে। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়। চশমার কাঁচ ক্রমশ ঝাপসা হয়। আমি স্কুটার সাইড করে চশমার কাঁচ মুছি। রেনকোট বের করতে ইচ্ছে করে না।

খুপরিতে ঢুকে পড়লে আবার সেই একঘেয়ে জীবন। যে জীবনে কোনো বৈচিত্র্য নেই। লাইন নিয়ে রোগীদের মধ্যে ঝগড়া, রোগীদের সাথে পার্থর ঝগড়া- এই সব শুনতে শুনতে আমি ঘাড় গুঁজে রোগী দেখে যাই।

খুপরির দরজা দিয়ে একটি ফুটফুটে ছেলে উঁকি মারে। তাঁর ইংরেজি প্রেমী মা বাচ্চাটিকে বকা দেন, ‘নো নো, রাতুল। ডোন্ট ডু দিস। ডোন্ট ডু দুষ্টুমি। ইউ নো ইউ আর এ ভেরি নটি বয়।‘

আমি হাতছানি দিয়ে বাচ্চাটিকে ডাকি। বাচ্চাটি জিভ ভ্যাংচায়। সামনের বয়স্ক মহিলা বলে চলেন, ‘বড় আশা করে এয়েচি বাপ আমার। সেই হিঙ্গলগঞ্জ থেকে এয়েচি। আমারে সারায়ে দাও। আমাদের গ্রামের এক জনারে তুমি সারায়ে দিয়াছিলে। তারও হাঁটু ব্যথা ছিল। সেও হাঁটতে পারত না একেবারে। সেই তো আমারে বলল।‘

বয়স্ক মহিলা পুটলি থেকে কিছু কাগজ পত্র বের করেন। সবই সরকারি হাসপাতালের কাগজ পত্র। একটা হাঁটুর এক্সরে বের হয়। হাসপাতালের প্রাগৈতিহাসিক এক্স রে। সেইটাই দেখি। ফিমারের শেষ প্রান্ত টিবিয়ার ঘাড়ে চেপে বসেছে। টোটাল নি রিপ্লেসমেন্ট ছাড়া ঠিক হওয়া অসম্ভব।‘

কুণ্ঠিত ভাবে বলি, ‘ঠাকুমা, আমি তো হাড়ের ডাক্তার নই। তুমি বরঞ্চ একজন ভালো হাড়ের ডাক্তার দেখাও।‘

বয়স্ক মহিলা বলেন, ‘ও সব বড়ো ডাক্তার দেখানোর মতো আমার পয়সা নাই। আমি একেবারে ভিখারি। তুমি আমারে যে করে হোক একটু চলার মতো করে দাও। নইলে আমার খাওয়াও জুটবে না।‘

আমি আর কিছু বলতে পারি না। বেচারা ওই পা নিয়ে একা একা এতো কষ্ট করে এতদূর এসেছেন। কোন ভোরে বেরিয়েছেন কে জানে? কী করে আবার ফিরবেন সেটা ভাবতেও আতঙ্ক হয়। আমি মাথা নিচু করে ওষুধ লিখি। সারাতে না পারি, অন্তত ভরসাটুকু তো দিতে পারি।

বয়স্ক মহিলা চলে যাওয়ার পর একটা অপরাধ বোধ শুরু হয়। রোগী দেখতে আর ভালো লাগে না। সেই এক বিপন্নতা, সেই এক দুঃখের গল্প। কিন্তু না দেখেও উপায় নেই। এখনও অনেকে অপেক্ষা করছেন। অপেক্ষা করতে করতে অনেকেরই ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে। যন্ত্রের মতো রোগী দেখে যাওয়া ছাড়া কিছু করার নেই। আমি তো স্বেচ্ছাতেই এরকম জীবন বেছে নিয়েছি। এখন হা হুতাশ করে লাভ নেই।

পার্থর গলার আওয়াজ শোনা যায়। রোগীর বাড়ির লোকের সাথে ঝগড়া চলছে। পার্থ বলছে, ‘নাম না লেখা থাকলে আর ডাক্তারবাবু দেখবেন না। এখনও নাম লেখা অনেক পেশেন্ট দেখা বাকি। আমি নাম লিখে রাখছি। আপনি কাল আসুন।‘

রোগীর বাড়ির লোক বলছেন, ‘আমার রোগীর ভয়ানক এমারজেন্সি। কালকের আগে কিছু যদি হয়ে যায় আপনি দায়িত্ব নেবেন?’

পার্থ চেঁচিয়ে ওঠে, ‘কী আশ্চর্য, আমি দায়িত্ব নেব কেন? আপনি অন্য কোথাও দেখান। হাসপাতালে দেখিয়ে নিন। নাম না লিখে সবাই যদি এসে বলতে শুরু করেন, সবার পেশেন্ট এমারজেন্সি, তাহলে আমরা সামলাবো কী করে? হয়েছেটা কী আপনার পেশেন্টের?’

একজন তরুণী তাঁর মাকে ধরে ধরে খুপরিতে ঢোকেন। সামনের চেয়ারে বসেই বলেন, ‘আর পারছি না ডাক্তারবাবু। আপনি কিছু একটা করুন।‘

আমি আর কী করব। চির অসুস্থ বয়স্ক মহিলাকে দেখি। সুগার, প্রেশার, হার্ট, কিডনি যার কোনো কিছুই ঠিকঠাক নেই।

তরুণী বলেন, ‘অনেক জায়গায় দেখিয়েছি ডাক্তারবাবু, মা তবু দিন দিন খারাপ হয়ে চলেছে। আপনার কাছেই শেষ এলাম। এরপরও যদি উন্নতি না হয়, আর ডাক্তার দেখাবো না। যা হয় হবে। এভাবে মাকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে।‘

আমি বলি, ‘বাপের বাড়িতে আর কেউ নেই?’

‘থাকলে কী আর এই অবস্থা হয়। মা ফোন করে, কাঁদে। আমি বেথুয়াডহরি থেকে বারবার ছুটে আসি। কতবার আসা যায় আপনিই বলুন। এই শেষবার, আপনি যা ভালো বোঝেন করুন।‘

আমি ভরসা দিতে চাই… পারিনা। আমি আর কারও ভরসা হয়ে উঠতে পারিনা। যতো দিন যাচ্ছে আস্তে আস্তে আমি নিজের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি।

PrevPreviousফাঁকা ব্যালট বিষয়ে একটি কাল্পনিক সংলাপ
NextVulkan Las Vegas Betrug Oder Bei Weitem Nicht? » Unser Test Out & Erfahrungen 202Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 2 Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

June 19, 2026 8 Comments

১. আমার কিশোর বেলার এক মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা আজ মনে পড়লো। সমীর দা,সমীর সেনগুপ্ত নামে আমাদের পাড়ার এক সিনিয়র দাদা ছিলেন। ছ’ফুটের ওপর লম্বা, রীতিমতো

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

June 18, 2026 No Comments

১৬ জুন, ২০২৬, সন্ধ্যায় এএইচএসডি-র সাত সদস্যের এক প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যভবনে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানায়, সার্ভিস

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

June 18, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

Somnath Mukhopadhyay June 19, 2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

Association of Health Service Doctors June 18, 2026

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

Dr. Koushik Lahiri June 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

633371
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]