Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

গুলতিবাজ —

Screenshot_2023-03-04-16-46-46-98_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Promod Ranjan

Dr. Promod Ranjan

Anaesthetist and Musician
My Other Posts
  • March 4, 2023
  • 4:58 pm
  • No Comments

 

(১
বাবলুর দুষ্টুমির জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে ক্লাস এইটের মিড-সেশনেই সতীশবাবু ওকে পুরনো স্কুল ছাড়িয়ে একটি মিশনস্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন। মিশনের মহারাজের সঙ্গে বহুদিনের চেনা পরিচিতি থাকার জন্য সতীশবাবুকে ভর্তির ব্যাপারে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি। হোস্টেলের অ্যালোটেড ঘরে বাবলুকে ঢুকিয়ে দিয়ে গজড়াতে গজড়াতে বলেছিলেন,
— ফের যদি কোনোদিন কারও সাইকেলের টিউব নষ্ট করেছিস তাহলে জেনে রাখবি সেদিন থেকে তোর সাথে আমার সম্পর্ক শেষ। নিজের খাওয়া-পরার ব্যবস্থা নিজে করে নিবি।

(২)
এমনিতে ছাত্র হিসেবে বাবলু বেশ ভালোই ছিল। ফার্স্ট-সেকেণ্ড না হলেও প্রতিবছর প্রথম দশেই থাকত ওর নাম। আর সে জন্যই বার দুয়েক ক্ষমাঘেন্না করে দিয়েছিলেন আগের স্কুলের হেডমাস্টার পঞ্চাননবাবু। কিন্তু যেদিন দেখলেন নিজের সাইকেলের সামনের টায়ারটা ফর্দাফাঁই হয়ে গেছে আর ভেতরের টিউবটা উধাও সেদিন আর মাথা ঠিক রাখতে পারলেন না। অপরাধী যে বাবলুই সেটা তিনি সহজেই অনুমান করতে পেরেছিলেন। কারণ, এরকম অদ্ভুত ঘটনা আগেও দু’বার ঘটেছিল আর দু’বারই বাবলু দোষ স্বীকার করে নিয়েছিল। বলতে পারেন, বাবলুর এটা একটা মস্ত বড় গুণ ছিল। সে অপরাধ করলেও কখনো তা লুকাতো না।

টিফিন আওয়ারে পঞ্চাননবাবু একটা মোটা বেত নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে পেছনের মাঠে গিয়ে দেখেছিলেন বাবলু একমনে গুলতি দিয়ে পাখি মারছে। কোনোদিকে খেয়াল ছিল না ওর। বেতটা দিয়ে বাবলুর পেছনে চড়াম করে মারতেই ওর হুঁশ ফিরেছিল। তারপর হেডস্যার ওর কান ধরে হিড়হিড় করে টেনে এনেছিলেন নিজের অফিসে।
— বল হারামজাদা, আমার সাইকেলের টায়ার কেন কেটেছিস?
বাবলু মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল।
— বল। চুপ করে থাকবি না। কোথায় রেখেছিস টিউবটা?
— এই যে স্যার। গুলতির কালো রঙের রাবারব্যাণ্ডটি দেখিয়ে বাবলু উত্তর দিয়েছিল।
এরপর হেডস্যার মেজাজ ঠিক রাখতে পারেন নি। বাবলুর বন্ধুরা বাইরে থেকে শুধু ঠাঁই-ঠাঁই, ঠাঁস-ঠাঁস আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে উঃ-আঃ, বাবাগো, মাগো, মরে গেলুম গো টাইপের চিৎকার শুনতে পেয়েছিল।

(৩)
পরেরদিন যথারীতি স্কুলে ডাক পড়েছিল সতীশবাবুর। পঞ্চাননবাবুর সাথে প্রায় একঘণ্টা কথা হয়েছিল তাঁর।
— স্যার, তাহলে কী করবো?
— কী আর করবেন? ছেলেকে ডাক্তার দেখান।
— দেখিয়েছিলাম। কোনো লাভ হয়নি। এই রোগটা বেশ পুরনো। ওর সাত বছর বয়সে প্রথম লক্ষ্য করি। কী বলি বলুন তো! এই গুলতি বানানোর অত্যাচারে পাঁচ বছর হলো জাঙ্গিয়া পরাই ছেড়ে দিয়েছি। একটারও ইল্যাস্টিক গোটা রাখে নি।
— মানে! সেকি! আপনি নিচে কিছু পরেন না?
— না না। পরি তো! দড়ি দেওয়া আন্ডারওয়্যার।
— মিঃ পুরকায়েত, দ্যাট ইস ইওর প্রবলেম। আমরা আপনার ছেলেকে এই স্কুলে রাখতে পারছি না। এক্সট্রিমলি সরি! আপনি বাবলুকে কোনো মিশনের হোস্টেলে রাখুন আর পাশাপাশি ভালো একজন সাইকিয়াট্রিস্ট দেখান।

(৪)
মিশনের কড়া শাসন কিম্বা সাইকিয়াট্রিস্টের সুচিকিৎসা যেটার প্রভাবেই হোক, আগামী পাঁচ বছর বাবলু আর গুলতিতে হাতই দিলো না। বাবলুর উচ্চমাধ্যমিকের মার্কস আর সাইকিয়াট্রিস্ট ডাক্তারবাবুর অনুপ্রেরণায় ডাক্তারিতে চান্স সকলকে চমকিয়ে দিয়েছিল সেদিন। সতীশবাবু এই দিনটিরই অপেক্ষায় ছিলেন। বাবলুর পুরনো স্কুলে যথেষ্ট অপমানিত হয়েছিলেন তিনি। মনে পড়লেই বুকের বামদিকটা চিনচিন করে উঠতো।

সতীশবাবু সকাল সকাল এক হাঁড়ি রসগোল্লা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন পঞ্চাননবাবুর বাড়িতে।
— দেখলেন তো স্যার, সেদিন বাবলুকে স্কুল থেকে তাড়িয়ে না দিলে আজ কার মুখ উজ্জ্বল হতো? বেশ বুক ফুলিয়ে বলেছিলেন সতীশবাবু।
পঞ্চাননবাবু কোনো জবাব দিতে পারেন নি। শুধু বলেছিলেন,
— বাবলু আরও বড়ো হোক শুধু এই প্রার্থনা করি।
— আপনি বললেও হবে, না বললেও হবে। যাক মিষ্টিগুলো রেখে গেলাম। সময় করে খাবেন কিন্তু!
— সতীশবাবু, এগুলোর দরকার নেই। আমার হাই সুগার।
— দ্যাট ইস ইওর প্রবলেম, স্যার। আমার রেখে যাওয়া কর্তব্য তাই রেখে গেলাম।
অপমানের শোধ তুলতে পেরেছেন ঠিক এরকম একটা আত্মতুষ্টি নিয়ে গটগট করে বেরিয়ে এসেছিলেন সতীশবাবু।

(৫)
দেখতে দেখতে বাবলু ডাক্তারিও পাশ করে গেল। এক সপ্তাহ আগেই ওর ফাইনাল এমবিবিএস এর রেজাল্ট বেরিয়েছে। এই খুশিতে বাবলু ফেসবুকে একটা পোস্টও করেছে, “নাও আই ক্যান অফিসিয়ালি রাইট মাই নেম অ্যাজ ডাঃ বাবলু পুরকায়স্থ।”

বাবলুর ইন্টার্নশীপ শুরু হয়েছে মেডিসিন দিয়ে। গতকাল সারা দিনে ওদের ইউনিটে তেইশজন জ্বর, সতেরোজন ডায়রিয়া, আটজন স্ট্রোক, পাঁচজন বুকে ব্যথা আর দু’জন সাপেকাটা রোগী ভর্তি হয়েছে। আজ পোস্ট-অ্যাডমিশন ডে। সবার ব্লাড ইনভেস্টিগেশন পাঠাতে হবে। পিজিটি, হাউসস্টাফ, সিস্টাররা রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন সময় একজন পিজিটি দাদা বাবলুর হাতে একটা বেড নম্বরের লিস্ট আর একটা টুর্নিকেট ধরিয়ে দিয়ে বলল,
— যা চটপট ব্লাডগুলো টেনে ফ্যাল।

দেড় ঘণ্টা পরেও বাবলু যখন ব্লাড নিয়ে ফিরল না তখন ওর খোঁজ শুরু হল। ওয়ার্ডে তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালিয়েও ওর দেখা পাওয়া গেল না। ওর কো-ইন্টার্নরাও কিছু বলতে পারল না। এদিকে বাবলুর ফোনে যতবার ফোন করা হল ততবারই বলল ‘স্যুইচড অফ’। অবশেষে হোস্টেলে ওর রুমমেটকে ফোন করে জানা গেল বাবলু ঘন্টাখানেক আগে হোস্টেলে ফিরেছে। তারপর কী একটা বিশেষ কাজ আছে বলে ছাদে উঠেছে।

অজানা আশঙ্কায় সবার বুকটা ধড়াস করে উঠল। রুদ্ধশ্বাসে সবাই ছুটল হোস্টেলের দিকে। সিঁড়ি দিয়ে পাঁচতলার ছাদে উঠতে গিয়ে কয়েকজন হোঁচট খেয়ে পড়েও গেল। ছাদে উঠে সবাই বাবলুকে পেছন থেকে জাপটে ধরে চেঁচিয়ে উঠল,
— কার্ণিশের ধারে কী করছিস বাবলু!
— ধুস! তোরা পাখিটাকে উড়িয়ে দিলি।
বলেই বেশ বিরক্ত হয়ে ঘুরে দাঁড়ালো বাবলু।
দেখা গেল বাবলুর হাতে একটা গুলতি আর সেটা বানানো হয়েছে রক্ত টানার টুর্নিকেটটা দিয়ে।

PrevPreviousচুরির উপাখ্যান-৪
Nextগ্রামের বাড়িNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

One Week in Nepal

September 25, 2026 No Comments

It was almost 11 a.m. on September 7 when we reached the India–Nepal border. It was the first time I was crossing from India into

আর কত মৃত্যু হলে বদলাবে এই ব্যবস্থা?

September 25, 2026 1 Comment

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ AIIMS Jodhpur-এর Anaesthesiology বিভাগের জুনিয়র রেসিডেন্ট ডাঃ রাজনরেশ যাদব-কে কর্মরত অবস্থায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, তিনি ডিউটির সময়

নারী সুরক্ষায় আইন কি বলে?

September 25, 2026 No Comments

 

শ্রমিক নেতা শংকর গুহ নিয়োগীর শহীদ দিবস ১৯৯১ এর ২৮ সেপ্টেম্বর

September 24, 2026 No Comments

শ্রমিক নেতা শংকর গুহ নিয়োগী শহীদ হয়েছিলেন ১৯৯১ এর ২৮ সেপ্টেম্বর। এই বছর তাঁর ৩৫ তম শহীদ দিবসে আমরা তাঁকে স্মরণ করব এক তথ্যচিত্র উন্মোচনের

জীবন সম্পূর্ণ করে তবেই মুক্তি

September 24, 2026 No Comments

আশ্বিনের এক শনিবার সন্ধে ৬টা শরদিন্দু বন্দ্যোর ‘রিমঝিম’ উপন্যাসের নায়িকা নার্স প্রিয়ংবদা ভৌমিক ডায়েরি লিখত। গত শতকের চল্লিশ পঞ্চাশের দশকের এক নিম্নমধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের সাধারণ

সাম্প্রতিক পোস্ট

One Week in Nepal

Dr. Avani Unni September 25, 2026

আর কত মৃত্যু হলে বদলাবে এই ব্যবস্থা?

West Bengal Junior Doctors Front September 25, 2026

নারী সুরক্ষায় আইন কি বলে?

Abhaya Mancha September 25, 2026

শ্রমিক নেতা শংকর গুহ নিয়োগীর শহীদ দিবস ১৯৯১ এর ২৮ সেপ্টেম্বর

Dr. Punyabrata Gun September 24, 2026

জীবন সম্পূর্ণ করে তবেই মুক্তি

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 24, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

680246
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]