Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কালীপুজো ও তিলোত্তমা বুক স্টল

oplus_1058
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • November 3, 2024
  • 8:40 am
  • No Comments

কথা হচ্ছে মধ্যমগ্রামের কালীপুজো নিয়ে। এবং কথা বলছে এমন একজন যে কিনা কালী পুজোর প্যান্ডেল বিশেষ দেখেনি। একমাত্র রাত বারোটার পর মেয়েদের নিয়ে বেরোনো ছাড়া।

মেয়েরাও তেমন। কোথায় কোথায় ভুতের প্যান্ডেল হয়েছে, সেসব খবর গোপন সূত্রে বের করেছে। তারপর মাঝ রাতে বাবাকে ধরে সেসব প্যান্ডেলে হানা দিচ্ছে। কোথাও কফিন খুলে কংকাল বেরিয়ে আসছে তো কোথাও শ্যাওড়া গাছে শাঁকচুন্নি ছানাপোনা নিয়ে বসে আছে।

এক প্যান্ডেলে তো প্রায় মার্ডার করার প্ল্যান। প্যান্ডেলের মধ্যে গোলকধাঁধা। প্রায় অন্ধকার পথ দিয়ে ঠোক্কর খেতে খেতে এগোচ্ছি, গায়ের উপর একজন বিকট মুখোশ পরে লাফিয়ে হাইমাই শুরু করল। বললাম, বাপরে, আর একটু হলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেত।

পেছন থেকে রানী বলল, বাবা তুমি ভয় পেলে নাকি। ও ভূত কোথায়। ও তো মানুষ। বলে বেমালুম সেই ভূতুড়ে মানুষের সাথে হ্যান্ডশেক করে ফেলল। সবেতেই বাড়াবাড়ি। হাত মেলানোর জন্য লোক কী কম পড়েছে।

এর চেয়ে আমাদের মধ্যমগ্রাম তিলোত্তমা প্রতিবাদী মঞ্চের বুক স্টল অনেক ভালো। দিব্যি লোক দেখতে দেখতে আর আড্ডা দিতে দিতে সময় কেটে যায়। কত মানুষ আসছেন। কেউ বই দেখছেন। কেউ বই কিনছেন। কেউ আর জি কর আন্দোলনের পাশে আছে জানিয়ে যাচ্ছেন।

তবে একটাই সমস্যা বুক স্টলের চারদিকে চারটে পুজো। চারদিক থেকেই তারস্বরে মাইক বাজছে। একদিকে জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি থেকে ঘোষণা হচ্ছে- এই মুহূর্তে আমাদের মঞ্চে হাজির হয়েছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আচ্ছা রবিঠাকুর আপনি আপনার রচিত একটা গান গেয়ে শোনান। ওহ… ওনার গলা ভালো নেই। উনি তাই গান গাইতে পারবেন না। আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখবেন। আচ্ছা রবিঠাকুর আপনার কাছে আমার একটি প্রশ্ন আছে- এত মণ্ডপ ছেড়ে আপনি আমাদের মণ্ডপেই এলেন কেন?

অন্যদিকের মাইকে সর্বচ্চো আওয়াজে গান হচ্ছে ‘জামাল জামাল লেক জামালু, জামাল কুদু…’। আরেকদিনের মাইকে গান হচ্ছে ‘আমার একটু জায়গা দাও মায়ের মন্দিরে বসি’। অন্যদিকে ভূতের প্যান্ডেল। সেখান থেকে হাউ মাউ খাউ হচ্ছে।

আমরা এসবের ঠিক মাঝখানে বসে লোককে প্রাণপণে চিৎকার করে বোঝানোর চেষ্টা করছি, আন্দোলন চলছে চলবে। এটা মোটেও চিকিৎসকদের আন্দোলন নয়। এটি গণ আন্দোলন। আন্দোলনের সত্যিকারের মুখ বলে যদি কেউ থাকে সেটা একমাত্র ‘তিলোত্তমা’। চিকিৎসকদের অনশন উঠে যাওয়ার সাথে সাথে আন্দোলন শেষ হয়ে গেল এমন ভাবার কারণ নেই। তিলোত্তমার হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামার প্রশ্ন নেই। দীপকদার বাজখাঁই গলা। মাইকের আওয়াজ ছাপিয়েও দিব্যি শোনা যাচ্ছে।

মাঝে মাঝে ছোটো ছেলে মেয়ে পেলেই দীপকদা কংকালকে দুধ খাওয়ানো দেখাচ্ছেন। এবং তাঁর কৌশল ব্যাখ্যা করছেন। স্টলে ভিড় জমে উঠছে।

যারা আসছেন তাঁরা আমাদের খাতায় বিচারের দাবী লিখে যাচ্ছেন। একটা ক্লাস টেনে পড়া মেয়ে দুটো বই পছন্দ করেছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই মুহূর্তে তাঁর কাছে অত টাকা নেই।

বললাম, বই নিয়ে যা, টাকা পরে দিয়ে যাস মা। বলার পরই হেসে ফেলে সুস্মিতার দিকে তাকালাম। সে মনোযোগ দিয়ে মোবাইল নিয়ে কিছু একটা করছে।

এবার মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে আরতি হল অবধি ত্রিশ চল্লিশ মিটার অন্তর অন্তত ১২ জায়গায় ভিখারিরা বসে আছে। তাঁদের মধ্যে একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো প্রতি দলেই একজন বড় আর একজন বাচ্চা আছে। প্রত্যেকের পোশাক আশাকই অত্যন্ত নোংরা। বাচ্চাটাকে সামনে শুইয়ে তাঁরা ভিক্ষা করছেন। কিছুক্ষণ বাদে বাদে আমাদের স্টলের সামনে ভিখারিরা একত্রিত হয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন। অভি বলল, দেখ, ভিখারিদেরও সিন্ডিকেট রয়েছে। এর মাথা উপরমহলের লোক। সে এই ভিখারিদের কাছ থেকেও কাটমানি খায়। লাভজনক ব্যবসা।

শোভনা ম্যাডাম চুপচাপ বসে ছিলেন। তিনি বললেন, যতই লাভজনক ব্যবসা হোক, বাধ্য না হলে কেউ ভিক্ষা করে না অভি। এটা আমদেরই দায় যে আমরা তাঁদের জন্য বিকল্প কোনো কর্মসংস্থান করে দিতে পারি নি। এই নিয়ে জোরদার আলোচনা চলছে।

আমাদের স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক শেখর বাবু রোজ আসছেন এবং পুরো সময় থাকছেন। ডা পুণ্যব্রত গুণ পরপর দুদিনই এসেছেন। সৌমেনকাকু রাত বাড়লেই চলে আসছেন। কেষ্টদা, যিনি অসম্ভব ভালো মূর্তি বানান আজ এসেছিলেন। কেষ্টদাকে দেখলেই কেন জানিনা পান খেতে ইচ্ছে করে। ডা. পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায় আজ এসেছেন।

আমি টুকটুক করে স্টলের পাশে বসে থাকা এক দাড়ি আর জটাওয়ালা ভিখারির সাথে ভাব জমানোর চেষ্টা করলাম। তিনি আমাকে একেবারেই পাত্তা দিলেন না। মাইকের আওয়াজে কথাও ভালো বোঝা যাচ্ছে না। তাছাড়া তিনি বাংলাতেও কথা বলছেন না।

তিনজন পুলিশ যাচ্ছিলেন। তাঁরা আমার দিকে সন্দেহজনক দৃষ্টিতে চাইতে চাইতে গেলেন। আমি উই ওয়ান্ট জাস্টিস লেখা গেঞ্জি পরে আছি।

রাত সাড়ে নটার সময় দীপকদাকে বললাম, আপনি এবার যান। সাইকেল নিয়ে অশোকনগর ফিরবেন।

দীপকদা বলল, আর আধঘণ্টা থাকি। চাপ নেই কোনো। কাল সকালে সিটিজেন ফোরামে যেতে হবে না।

বললাম, আপনি উই ওয়ান্ট জাস্টিস লেখা গেঞ্জিটা খুলে অন্য গেঞ্জি পরে যান। না হলে ফাঁকা রাস্তায় পুলিশ ধরতে পারে। এমনিতেই আপনার পুলিশ ভাগ্য খুব একটা ভালো না।

দীপকদা বললেন, ধরে থানায় নিয়ে গেলে মুশকিল নেই। কিন্তু মাঝ রাস্তায় গেঞ্জি খুলে নিলে মুশকিল।

বললাম, ঠিক আছে, তাহলে আমার একটা গেঞ্জি দিয়ে দি। খুলে নিলে ওটা পরে নেবেন।

বাড়ি থেকে স্টলের জন্য টিফিন বানিয়ে দেয়। চারটে রুটি ছিল। দীপকদাকে জোর করে খাইয়ে দিলাম। বললাম, পুলিশ এবার ধরলেও সমস্যা নেই। সারা রাত থানায় রেখে দিলেও সমস্যা নেই। খিদে অন্তত পাবে না।

দীপকদাকে মাঝে মাঝেই পুলিশে ধরে। এবং দিনের দিনই ছেড়ে দেয়। সে নিয়ে পরে লেখা যাবে।

ঘড়ির কাঁটা যখন দশটা ছুঁই ছুঁই তখন রূপালী এসে হাজির। আমার যাবতীয় কাজকে রূপালী ‘ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’ পর্যায়ে ফেলে। এবং প্রথমদিকে ঘোরতর বিরোধিতা করলেও শেষপর্যন্ত সাহায্যই করে। তবে তিলোত্তমা স্টলে ওকে টেনে এনেছে তিলোত্তমাই।

তখন স্টল পুরোপুরি জমে উঠেছে। একদিকে দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ওপারে। একদিকে হুক্কুস পুক্কুস, কানে কানে ফুসফুস। আরেকদিক থেকে কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন।

যারা এতক্ষণ ভিক্ষা করছিলেন, তাঁরা আমাদের স্টলের সামনে একত্রিত হয়ে চা খাচ্ছেন। একটি মলিন পোশাক পরা বাচ্চার হাতে ঝলমলে গ্যাস বেলুন।

অন্যদিকে সদ্য কিশোরী তিলোত্তমা বুক স্টলের মন্তব্যের খাতায় গম্ভীর মুখে লিখছে- আর কিছু চাইনা, শুধু নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই। সব তিলোত্তমার বিচার চাই।

আর এসব কিছুর সাক্ষী থেকে যাচ্ছি আমরা কয়েকজন। তিলোত্তমা বুক স্টলে বসে থাকা কয়েকজন।

PrevPrevious২০২৪ এর জুনিয়র ডাক্তার আন্দোলন: বিপুল সমর্থন বিরাট প্রত্যাশা, কিন্তু?
Next“আমাদের নিজস্ব ভূত চতুর্দশী”Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

ভোট ও ভোটার

April 28, 2026 No Comments

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ‍্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

ভোট ও ভোটার

Arya Tirtha April 28, 2026

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619833
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]