Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডেঙ্গুর ভাই চিকুনগুনিয়া

gr1_lrg
Bappaditya Roy

Bappaditya Roy

Doctor and Essayist
My Other Posts
  • December 20, 2024
  • 7:58 am
  • One Comment

চিকুনগুনিয়াকে কেন ডেঙ্গুর ভাই বলছি? কারণ চিকুনগুনিয়া (Chikungunya) ডেঙ্গুর মতই একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ; প্রাথমিক লক্ষণগুলিও একরকম এবং একই প্রজাতির এডিশ মশার কামড়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া হয়। তবে চিকুনগুনিয়া গুরুতর হলেও ডেঙ্গু হেমারেজিক ফিভার ও ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মত মারণঘাতী নয়।

চিকুনগুনিয়া রোগের ভাইরাসটির নাম চিকুনগুনয়া ভাইরাস (CHIKV) যেটি আলফা ভাইরাস গোত্রের এবং টোগাভাইরাস পরিবারের। সংক্রামিত স্ত্রী এডিশ ইজিপটি অথবা অ্যালবোপিকটাস মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া রোগ হয়। প্রবল জ্বর এবং গঁাটে গঁাটে বা সন্ধিতে সন্ধিতে এবং মেরুদণ্ডে প্রবল ব্যথা এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ায় প্রথম চিকুনগুনিয়া ভাইরাসকে পৃথক করা যায়। ১৯৬০এর দশক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভারতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব এবং কোন কোন জায়গায় মহামারী দেখা যায়। এটিও একটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের (Tropical) পতঙ্গবাহিত রোগ। ২০০৬ থেেক এই রোগের পুনরাবির্ভাব (Reemergence) ও বাড়বাড়ন্ত দেখা যায়। ভারতে ও অন্যত্র বেশ কিছু স্থানীয়স্তরের মহামারী (Outbreak) দেখা যায়।

চিকুনগুনিয়া শব্দটির উৎপত্তি পূর্ব আফ্রিকার সোয়াহিলি জনজাতিদের শব্দভাণ্ডার থেকে। এর অর্থ যন্ত্রণায় বেঁকে যাওয়া। এই জ্বরে দেহের গ্রন্থিগুলিতে প্রবল যন্ত্রণা হয় যা কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর অবধি থেকে যেতে পারে। এডিশ মশা দিনে কামড়ায়। মানুষের দেহে জীবাণুর যৌন চক্র এবং মশার দেহে অযৌন চক্র সংঘটিত হয়। অল্প জলে ঘরের আনাচে কানাচে এডিশ মশা ডিম পাড়ে। জলের সংস্পর্শে ডিম থেকে লার্ভা, লার্ভা থেকে পিউপা, পিউপা থেকে পূর্ণাঙ্গ মশা হয়। সংক্রামিত মানুষই হল এই রোগের উৎস (Source) এবং আধার (Reservoir)।

সংক্রামিত মশার কামড়ের ২ থেকে ১২ দিনের মধ্যে মানুষের দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ ও লক্ষণগুলি দেখা যায়। আকস্মিক প্রবল জ্বর। ৪-৭ দিন থাকে। এর সাথে শীতভাব; মাথা, চোখের পিছনে পিঠ এবং সারা দেহের  পেশী ও গ্রন্থিগুলিতে ব্যথা; কারো কারো চোখে কংজাংটিভাইটিস এবং লসিকাগ্রন্থির প্রদাহ। ৬০-৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে চামড়ায় লালচে রঙের ছোট ছোট গোলকৃতি ফুসকুড়ি (Morbiliform or Maculopapular rashes) দেখা যায় যা ৩-৭ দিন থাকে। অনেক ক্ষেত্রে চুলকায় (Prurities)। অনেকের ক্ষেত্রে ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণের জন্য দেহাকাণ্ড এবং হাত ও পায়ের চামড়ায় লালচে বিবর্ণ দাগ (Purpura) দেখা যায়। এছাড়াও কফি রঙের বমি, পেট ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত, চামড়ায় লালচে ছোপ (Petechiae) দেখা যায়। শরীরের গ্রন্থিগুলির, বিশেষ করে হঁাটু, গোড়ালি, কোমর, মেরুদণ্ড, কব্জি, কনুই ও আঙ্গুলগুলির প্রদাহ (Inflammation), যন্ত্রণা (Arthropathy), স্ফীতি (Swelling) ও শক্ত হওয়ার (Striffness) ঘটনা ঘটে। গ্রন্থিগুলির তীব্র যন্ত্রণায় রোগীরা খুব কষ্ট পান। আবার কোন কোন চিকুনগুনিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ ও লক্ষণ দেখা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে একইসাথে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার সংক্রমণ (Co-infection) পাওয়া যায়। HLA-B27 লিউকোসাইট অ্যান্টিজেন সম্পন্ন ব্যক্তিরা চিকুনগুনিয়ায় বেশি ভোগে। প্রাদুর্ভাবপূর্ণ (Endemic) এলাকায় লোহিতকণিকার সাথে চিকুনগুনিয়ার জীবাণুু থেকে যায় (Recrudescence)।

একসময় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াকে শহর ও শহরতলির রোগ (Urban and peri-urban diseause) বলা হত। এখন শহর ও গ্রাম সর্বত্র ছড়ি পড়েছে। ১৬-২৮০ সেলসিয়াস উষ্ণ তাপমাত্রা, ৬০-৮০ শতাংশ আদ্রতা এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে এডিশ মশার বংশবৃদ্ধি হয়। এডিশের ডিমগুলি প্রবল শীত ও গ্রীষ্মের মধ্যেও এক বছরের বেশি টিকে থাকে (Dessication)। সামান্য জল পেলেই একদিনের মধ্যে লার্ভার পরিণত হয়।

এনজাইম লিনকড্ ইমিউনোসরবেন্ট এসে (ELISA), আর টি—পি সি আর, ভাইরাস আইসোলেশন প্রভৃতি পদ্ধতিতে রোগ নির্ণয় করা হয়। নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। কোন কোন জায়গায় MV-CHIK টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে। জ্বর ও ব্যথার জন্য সঠিক মাত্রায় প্যারিাসিটামল ব্যবহার করা হয়। বিশ্রাম, বেশি করে জল পানের সঙ্গে গৃহ চিকিৎসককে অথবা হাসপাতালের বহির্বিভাগে দেখিয়ে চিকিৎসা করা বাঞ্ছনীয়। চিকুনগুনিয়ার ক্ষেত্রে রক্তের শ্বেতকণিকা ও অনুচক্রিকা কমে যেতে পারে, কিন্তু হিমাটোক্রিট ঠিক থাকে।

প্রতিবিধানের উপর জোর দেওয়া হয়। এর প্রধান দিক বাহক মশার নিয়ন্ত্রণ। গর্ত ইত্যাদি বুজিয়ে ফেলা (Land Filling and Source Reduction); সঠিক পদ্ধতিতে জল সংরক্ষণ (Proper Water Storage Practice) ও সাতদিনের একবার জমানো জল পাল্টানো; লার্ভাঘাতী স্প্রে ব্যবহার; জলাশয়ে লার্ভাভুক গাপ্পি, গাম্বুসিয়া মাছ ছাড়া; সঠিক নিষ্কাশন ও পয়ঃপ্রণালীর ব্যবস্থা করা; সঠিকভাবে বর্জ্য সংস্থাপন প্রভৃতির মাধ্যমে মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। পতঙ্গ সমীক্ষার (Vector Survey) কয়েকটি সূচক ‍:

 

— হাউজ ইনডেক্স (HI)‍:          যে গৃহগুলিতে এডিশ মশা পাওয়া গেছে

সবশুদ্ধ যে কটি গৃহে সমীক্ষা করা হয়েছে  ´১০০

— কনটেইনার ইনডেক্স (CI)‍:   যে কটি জল রাখা বা জমা পাত্র বা জায়গায়

এডিশ মশার লাভা পাওয়া যায়

যে কটি পাত্র স্থান সমীক্ষা করা হয়েছে                    ´১০০

Breteau Index (BI)‍:         যে কটি পাত্রে ও স্থানে লার্ভা পাওয়া গেছে

যে কটি গৃহে সমীক্ষা করা গেছে                                       ´১০০

Man Per Hour Density (MPHD)‍:              যে কটি স্ত্রী এডিশ মশা ধরা গেছে

যত মিনিট মশা ধরার কাজে ব্যয় হয়েছে

´যতজন কর্মী নিয়োজিত ছিলেন

যে অঞ্চলে আগে চিকুনগুনিয়া রোগী পাওয়া যায়নি সেখানে এক বা একািধক রোগীর রক্তপরীক্ষায় চিকুনগুনিয়ার জীবাণু পাওয়া গেলে তাকে মহামারী (Outbreak) বলা হয়। ২০০২ সালে ভারত সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর যে ‘জাতীয় পতঙ্গবািহত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (NVBDCP) গ্রহণ করে তাকে ১) ম্যালেরিয়া, ২) ডেঙ্গু, ৩) জাপানি এনকেফেলাইটিস, ৪) কালাজ্বর ও ৫) লিম্ফ্যটিক ফাইলেরিয়াসিস এর সাথে ৬) চিকুনগুনিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০৫ সালে এই জাতীয় কর্মসূচিটি জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের (NRHM) সাথে সংপৃক্ত হয়। ২০১৯ এ দেশের ২১টি রাজ্য ও তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৮১,৯১৪ জন চিকুনগুনিয়া রোগী সনাক্ত করা গেছে যায় মধ্যে ১২,২০৫টি (১৪.৯%)টি রক্তপরীক্ষায় প্রমাণিত। ২০২৩এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ একটি টিকা বের করেছে (IXCHIQ) যা ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

PrevPreviousঅভয়া মঞ্চের দ্বিতীয় শিক্ষা শিবির: বিষয় স্বাস্থ্যের অধিকার
Nextআমি কোনও সান্ত্বনা দিতে পারিনিNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Subhasis chatterjee
Subhasis chatterjee
1 year ago

ভালো তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। অনেক কিছু জানলাম। ডাক্তার বাবাকে ধন্যবাদ জানাই।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

জীবনের অধিকার, ঐক্যবদ্ধ বাম, এবং গণ আন্দোলন

June 23, 2026 1 Comment

নতুন সরকার এসেই তাদের জাত চিনিয়ে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাক্তন সেনাপতি এখন মসনদে। ২০১১ সাল থেকে বারবার আমরা দেখেছি বিরোধীদের উপর সন্ত্রাস—শারীরিক নিগ্রহ, খুন, পার্টি

প্রগতির শব্দ

June 23, 2026 No Comments

রাষ্ট্র-লিখিত যত আইনের বই তো, জনতার অভিমত তাতে উড়ো খই তো সামান‍্য এ কথাটা মনে রাখা দরকার জনতার ভালো চেয়ে চলেছেন সরকার, যা করেন মসনদ,

পুরুষের শুক্রাণু কম হলেও কীভাবে IUI এর সাফল্যের হার বাড়ানো যাবে?

June 23, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় নিয়োগ দুর্নীতির অবসান কল্পে রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাংবিধানিক ভুমিকার পুনঃপ্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা

June 22, 2026 No Comments

হেলথ সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশনের দাবী পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ অনেক দিনের। বিশেষ করে আর জি কর কান্ড ও হুমকি সংস্কৃতির প্রেক্ষিতে এই বিষয়টি

অবিলম্বে NEET SS ২০২৫ কাউন্সেলিং শুরু করতে হবে।

June 22, 2026 No Comments

NEET Super Specialty (NEET SS) ২০২৫ পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস অতিক্রান্ত হলেও এখনও পর্যন্ত কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। দেশের অন্যতম কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক

সাম্প্রতিক পোস্ট

জীবনের অধিকার, ঐক্যবদ্ধ বাম, এবং গণ আন্দোলন

Kanchan Sarker June 23, 2026

প্রগতির শব্দ

Arya Tirtha June 23, 2026

পুরুষের শুক্রাণু কম হলেও কীভাবে IUI এর সাফল্যের হার বাড়ানো যাবে?

Dr. Indranil Saha June 23, 2026

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবায় নিয়োগ দুর্নীতির অবসান কল্পে রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাংবিধানিক ভুমিকার পুনঃপ্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা

Dr. Hiralal Konar June 22, 2026

অবিলম্বে NEET SS ২০২৫ কাউন্সেলিং শুরু করতে হবে।

West Bengal Junior Doctors Front June 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

635388
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]