আপনারা আর জি কর খুন এবং ধর্ষনের ঘটনার তদন্ত করছেন। এবার এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি শরীরের ওপর কিছু আঘাত বললে সত্যের অপলাপ হয়। এই ঘটনা খুনের আগে আর পরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতেই ঘটেছে। একটা সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাই গেলো আর খুন করে বেরিয়ে গেলো, এই আষাঢ়ে গল্প শোনার জন্য ভারতের নাগরিকরা আপনাদের পোষেনি। আপনাদের ওপর তদন্তের ভার অর্পণ করেছে, পুরো সত্যিটা জানার জন্য। একটা জিনিস ভুলে যাবেন না আপনারা যতো বড় অফিসার হোন না কেনো, শরীরে আঘাত আর মৃত্যুর কারণ নির্ণয় ন্যাস্ত থাকে ডাক্তারের ওপর। আষাঢ়ে গল্প শুনিয়ে আর যাদের কাছে পার পেয়ে যান, আমাদের কাছে পাবেন না।
এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক খুন। আপনাদের দায়িত্ব হলো এই খুনে পুরো প্রতিষ্ঠান আর প্রশাসনের কি ভূমিকা সেই সত্যিটা বাংলার মানুষকে জানানোর।
আপনাদের ইতিহাস পুরো সাদা নয়। কেরালায় সিস্টার অভয়া হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক চাপ থাকার জন্য আপনাদের অফিসার প্রেস কনফারেন্স করে পদত্যাগ করেছিল। এটা আমরা জানি। ফলে আপনারা যে পরিস্থিতি অনুযায়ী সেটিং করেন না, এটা খুব বিশ্বাসযোগ্য নয়। যাই হোক এই লেখা আজকে শুরু করলাম ধাপে ধাপে কিছু বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য। যে বিষয়গুলির সদুত্তর বাংলা তথা পৃথিবীর প্রতিবাদীরা আপনাদের থেকে চায়।
১) ঘটনার দিন ভোরে আর জি করে কুচকাওয়াজ —
ঘটনার কয়েকদিন পর যখন এটা ফাঁস হয়ে যায় যে ঘটনাস্থলে অভিক দে ছিলো, তখন সম্ভবত ১৬ আগস্ট হেলথ ডিপার্টমেন্ট একটি ব্যাক ডেটে জালি নোটিস বার করে ওয়েবসাইট এ আপলোড করে। সেই নোটিসে সাইন করে তৎকালীন ডিএমই কৌস্তভ নায়েক। সেই নোটিস মোতাবেক ওইদিন কাকভোরে আর জি করে উপস্থিত ছিলো অভিক দে, সৌরভ পাল এবং উত্তরবঙ্গ লবির মাথা ডাঃ সুশান্ত রায়ের সুপুত্র সৌত্রিক রায়।
বাংলার মানুষ আপনাদের কাছে জানতে চায়, ওইদিন ভোরে ওই তিনজন আর জি করে কেন ছিলো। ভোরবেলা তারা কি করেছিলো। কৌস্তভ নায়েক কার নির্দেশে কি জন্য ওই জালি নোটিস জারি করেছিল। যতদূর আমরা জানি সৌত্রিক রায়কে আপনারা একবারের জন্যও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন নি। কার নির্দেশে বা কোন সেটিং এর জন্য আপনারা এটা করেছেন সেটা বাংলার মানুষ জানতে চায়।
(চলবে)










