
তিলোত্তমা হত্যা: ফিরে দেখা (১)
তিলোত্তমা হত্যার প্রায় এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। এই নারকীয় হত্যার পর গর্জে উঠেছিলো রাজ্য তথা দেশ তথা সমগ্র বিশ্ব। সেই সময় কিছু লেখা ধারাবাহিকভাবে

তিলোত্তমা হত্যার প্রায় এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। এই নারকীয় হত্যার পর গর্জে উঠেছিলো রাজ্য তথা দেশ তথা সমগ্র বিশ্ব। সেই সময় কিছু লেখা ধারাবাহিকভাবে

আমার প্রথম পোস্টিং দার্জিলিংয়ের তাকদা গ্রামীণ হাসপাতালে। একটি প্রত্যন্ত জনপদ। খাড়াই পাহাড়ি রাস্তা। কিছু রাস্তা এমন খাড়াই যে সেখানে এমনি গাড়ি উঠতে পারে না। সমতলে

টেনিদা আজকে অনেক দেরিতে আড্ডায় এলো। মুখটা ঠিক কালমেঘ খাওয়া বদনের মতো লাগছে। প্যালা হাবুল ক্যাবলা কেউ ঠিক করতে পারছে না কিভাবে এই গুমোট আবহাওয়া

অনেক মন্দিরের সামনে একটা ঘণ্টা ঝোলানো থাকে। এই ঘণ্টা ধনী গরীব নির্বিশেষে একটা স্টিমুলাসের কাজ করে। কুকুরের গাড়ির টায়ার ল্যাম্পপোস্ট বা তুলসী গাছ দেখলেই পা

উপমা জিনিসটা এমনভাবে মানুষের মাথায় গেঁথে থাকে যে, তার থেকে জীবনে পরিত্রাণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমার বাবাকে যখন দাহ করা হচ্ছে, তখন সেই ধোঁয়া দেখে

শিক্ষক আন্দোলন এক কানা গলিতে ঢুকে পড়েছে। এর থেকে বেরুনোর পথ হয়তো নেই। এটা নিতান্ত আমার ধারণা। আপনারা হতাশা ছড়ানোর জন্য আমাকে গালিগালাজ করতে পারেন

তিলোত্তমা খুন হলো আর জি করে আর চাকরি চুরি হলো শিক্ষা দপ্তরে। এদের মধ্যে যোগসূত্র কি? এটা বলার জন্যেই এই লেখা। ঘটনার পিছনের ঘটনা দেখতে

তিলোত্তমা কোনোদিন ফিরবে না। এটা আমরাও জানি, ওর বাবা মাও জানে। তবুও মানুষ দুটো চোখের জল চেপে রেখে দৌড়ে বেড়াচ্ছে বিচারের আশায়। সাতমাস পরেও মেয়ের

হ্যান্ডেলে টান পড়লো, খুললো লোহার দরজা সকালের সূর্যের মতো আগুনের শিখা একত্রিশের ধর্ষিত অত্যাচারিত দেহ ঝাঁপ দিয়ে ঢুকে গেলো আগুনের শিখায় ধুপ করে বন্ধ হলো

সিবিআই আপনাদের কাছে আমার একটি বিনীত অনুরোধ আছে। আপনারা দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি প্রেস কনফারেন্স করুন। সেখানে থেকে ঘোষণা করে দিন —NOBODY KILLED TILOTTAMA. কোনো

তিলোত্তমা, তুই এখনো মরিসনি এটা জেনে খুশি হলাম। তোকে মেরে ফেলবে এরকম ক্ষমতা এখনো কারুর হয়নি। আপামর বাঙালির ঘরের মেয়ে হয়ে তুই বেঁচে আছিস। একটা

মেয়েটা খুন হয়ে গেছে প্রায় সাত মাস হলো। অপরাধী হিসেবে একা সঞ্জয় রাই এখনো সামনে। তিনহাত গামছা দিয়ে আব্রু ঢাকতে গেলে যা হয়, ঊর্ধ্বাঙ্গ ঢাকতে

তিলোত্তমা হত্যার প্রায় এক বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। এই নারকীয় হত্যার পর গর্জে উঠেছিলো রাজ্য তথা দেশ তথা সমগ্র বিশ্ব। সেই সময় কিছু লেখা ধারাবাহিকভাবে

আমার প্রথম পোস্টিং দার্জিলিংয়ের তাকদা গ্রামীণ হাসপাতালে। একটি প্রত্যন্ত জনপদ। খাড়াই পাহাড়ি রাস্তা। কিছু রাস্তা এমন খাড়াই যে সেখানে এমনি গাড়ি উঠতে পারে না। সমতলে

টেনিদা আজকে অনেক দেরিতে আড্ডায় এলো। মুখটা ঠিক কালমেঘ খাওয়া বদনের মতো লাগছে। প্যালা হাবুল ক্যাবলা কেউ ঠিক করতে পারছে না কিভাবে এই গুমোট আবহাওয়া

অনেক মন্দিরের সামনে একটা ঘণ্টা ঝোলানো থাকে। এই ঘণ্টা ধনী গরীব নির্বিশেষে একটা স্টিমুলাসের কাজ করে। কুকুরের গাড়ির টায়ার ল্যাম্পপোস্ট বা তুলসী গাছ দেখলেই পা

উপমা জিনিসটা এমনভাবে মানুষের মাথায় গেঁথে থাকে যে, তার থেকে জীবনে পরিত্রাণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমার বাবাকে যখন দাহ করা হচ্ছে, তখন সেই ধোঁয়া দেখে

শিক্ষক আন্দোলন এক কানা গলিতে ঢুকে পড়েছে। এর থেকে বেরুনোর পথ হয়তো নেই। এটা নিতান্ত আমার ধারণা। আপনারা হতাশা ছড়ানোর জন্য আমাকে গালিগালাজ করতে পারেন

তিলোত্তমা খুন হলো আর জি করে আর চাকরি চুরি হলো শিক্ষা দপ্তরে। এদের মধ্যে যোগসূত্র কি? এটা বলার জন্যেই এই লেখা। ঘটনার পিছনের ঘটনা দেখতে

তিলোত্তমা কোনোদিন ফিরবে না। এটা আমরাও জানি, ওর বাবা মাও জানে। তবুও মানুষ দুটো চোখের জল চেপে রেখে দৌড়ে বেড়াচ্ছে বিচারের আশায়। সাতমাস পরেও মেয়ের

হ্যান্ডেলে টান পড়লো, খুললো লোহার দরজা সকালের সূর্যের মতো আগুনের শিখা একত্রিশের ধর্ষিত অত্যাচারিত দেহ ঝাঁপ দিয়ে ঢুকে গেলো আগুনের শিখায় ধুপ করে বন্ধ হলো

সিবিআই আপনাদের কাছে আমার একটি বিনীত অনুরোধ আছে। আপনারা দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি প্রেস কনফারেন্স করুন। সেখানে থেকে ঘোষণা করে দিন —NOBODY KILLED TILOTTAMA. কোনো

তিলোত্তমা, তুই এখনো মরিসনি এটা জেনে খুশি হলাম। তোকে মেরে ফেলবে এরকম ক্ষমতা এখনো কারুর হয়নি। আপামর বাঙালির ঘরের মেয়ে হয়ে তুই বেঁচে আছিস। একটা

মেয়েটা খুন হয়ে গেছে প্রায় সাত মাস হলো। অপরাধী হিসেবে একা সঞ্জয় রাই এখনো সামনে। তিনহাত গামছা দিয়ে আব্রু ঢাকতে গেলে যা হয়, ঊর্ধ্বাঙ্গ ঢাকতে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে