নেহেরু ও আম্বেদকর এই দুই বড় মাপের ব্যক্তিত্ব এর মধ্যে কিছু দোষ ত্রুটি ছিল, স্ববিরোধিতা ছিল এমন কি পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও ছিল এই ডিসক্লেইমার দিয়ে শুরু করে আজকের লেখা। এই দুই ব্যক্তিত্বের যৌথ প্রচেষ্টায় ভারতের সংখ্যাগুরু অর্থাৎ হিন্দুদের যে আইন ছিল তার প্রগতিশীল সংস্কারের কিছু নমুনা রাখা যাক – (১) স্বাধীনতার পর প্রথমবার বিধবা ও কন্যা সন্তানদের সম্পত্তি এর সমান (পুত্র সন্তানের সমান) অধিকার প্রাপ্তি; (২) স্বাধীনতার পর প্রথমবার স্বামীর নিষ্ঠুরতা ও অবহেলার অভিযোগে স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ পাওয়ার অধিকার; (৩) স্বাধীনতার পর প্রথমবার স্বামীর দ্বিতীয় বিবাহ করা নিষিদ্ধ করন; (৪) স্বাধীনতার পর প্রথমবার ভিন্ন জাতের হিন্দু নরনারীর বিবাহ বৈধ করন; (৫) স্বাধীনতার পর প্রথমবার হিন্দু যুগল ভিন্ন জাতের শিশুকে দত্তক নেয়ার অধিকার প্রাপ্তি।
সেই যাজ্ঞবল্ক, মনু স্মৃতির আমল থেকে চলে আসা হিন্দু আইনের এইসব সংস্কার সম্ভব হয়ে ছিল এই দুই জুটির অবদানের ফলে। এই সংস্কার এর তীব্র বিরোধিতা করেছিল যে রাজনৈতিক গোষ্ঠী তাদের নাম টা আন্দাজ করার জন্য সুধী পাঠকের কোনো পুরস্কার জুটবে না বলে দুঃখিত। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, আমাদের দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে যাদের অবদান শূন্য সেই আর এস এস ই নেহেরু আম্বেদকর এর এই প্রচেষ্টা যাতে জলে যায় তার জন্য প্রচণ্ড চেষ্টা করেছিল। আমার আপনার ভারতবাসীর সংখ্যাগুরু অংশের সৌভাগ্য যে এই প্রতিক্রিয়ার শক্তির চেষ্টা বিফলে গিয়েছিল। আজ সংসদে কংগ্রেস বনাম ভাজপার লড়াইতে আম্বেদকর প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন বলেই এই বিস্মৃত ইতিহাস সামনে আনা দরকার বলে মনে হল। প্রতিক্রিয়ার শক্তিকে আমাদের পূর্বজরা পরাজিত করেছিলেন। আমরাও করবো।











তাই তো আজ যেকোন সমাজ সংস্কার কেই ফ্যাশন বলে মনে হচ্ছে। এগুলো তো আর ভগবান ওপর থেকে নেমে এসে করে দিয়ে যান নি।আম্বেদকর যে ভগবানেরও ওপর দিয়ে ছিলেন। তা এরা ভালো করেই জানে।মালুম পাচ্ছে।দেশ কে ভাগ করে শাসন করতে না পারলে ওরা দেশের মানুষ কে দূর্বল করবে কি করে!আম্বেদকর যে কি ছিলেন কতটা ছিলেন তা তাঁর জীবনী পড়লে অশ্রু এসে চোখ আটকে দেয়।
কত বড়ো বিদ্রোহেই তাঁর গোটা জীবন কেটে গেছিলো।ভারত বর্ষের মানুষ কে এক করতে।
এসব অমিত শাহ মার্কা নাক খোঁটানো পাবলিক বুঝবে কি করে!নয়তো ওদের অসুবিধা হয়ে যাচ্ছে সেই মনুস্মৃতি ফিরিয়ে আনতে আজকের যুগে।
ফালতু এক অমিত শাহ কি বুঝবে এসবের যে বা যারা দেশ কে দ্বেষ দিয়ে মাপে।মাপে ধান্দা দিয়ে।