Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আউটারে দাঁড়িয়ে পড়েছে মৌসুমী এক্সপ্রেস?

monsoon
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 11, 2026
  • 8:02 am
  • One Comment

মনে করুন অনেক দূরের সফর শেষে আপনি বাড়ি ফিরছেন। ট্রেন বাড়ির কাছাকাছি যত‌ই এগিয়ে আসছে ততই স্বাভাবিক ভাবে আপনি ভেতরে ভেতরে এক আলাদা উত্তেজনা অনুভব করছেন। বাড়িতে থাকা প্রিয়জনদের মুখগুলো ক্রমশই স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়ে উঠছে। যদিও গাড়ি এখন দোদুলছন্দে চলছে। আপনি মনে মনে বলছেন জোরে আরও জোরে চালাও, এতো ধীরে চললে যে সব প্রোগ্রাম ভেস্তে যাবে। ঠিক সময়ে বাড়িতে পৌঁছনো যে খুব জরুরি। এমন‌ই উতল যখন আপনার মনের অবস্থা, ঠিক তখনই হয়তো আপনার ট্রেন ঘটাং করে একটা যান্ত্রিক শব্দ তুলে বেমালুম থেমে গেল – ন যযৌ,ন তস্তৌ যাকে বলে আর কি !

গাড়ি থেমে যেতেই কামরার ভেতরে থাকা যাত্রীরা স্বাভাবিক ভাবেই একটু অসহিষ্ণু হয়ে পড়ে। এটা যে খুব নতুন ঘটনা নয় তাও মেনে নেন অনেকেই। দরজা খুলে শরীর ঝুঁকিয়ে বাইরে উঁকি দিয়ে কেউ কেউ মন্তব্য করে – আরে, গাড়িটা আউটারে দাঁড়িয়ে পড়েছে। এক্সপ্রেসকে দাঁড় করিয়ে রেখে, লোকাল ট্রেনগুলোকে জায়গা দিচ্ছে।প্ল্যাটফর্মে ঢোকার মুখে আউটারে দাঁড়িয়ে পড়াটা যেমন যাত্রীদের মনে অনেক অস্বস্তি এবং অসহিষ্ণুতার জন্ম দেয় ঠিক একই ভাবে বর্ষা এগিয়ে এসেও ঠিকঠাক সক্রিয় না হয়ে ওঠার কারণে এক চাপা উদ্বেগ ও আশঙ্কা ধীরে ধীরে মাথা চাড়া দিচ্ছে সকলের মনে। এমন ভাবনার শরিক আমি আপনি অনেকেই। ব্যাপারটা কি শেষ পর্যন্ত বাড়া ভাতে ছাই পড়ার মতো হবে? চিন্তা আর পিছু ছাড়েনা!

একথা সকলের‌ই কমবেশি জানা আছে যে শুধু ভারতবর্ষে নয়, গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের তামাম এলাকায় বর্ষা আসে মৌসুমী বায়ুর হাত ধরে। সেই দক্ষিণ সমুদ্রের বুক থেকে বৃষ্টির খোরাক জলকণা বয়ে নিয়ে সে ক্যালেন্ডারের দিন ক্ষণ মিলিয়ে, অনেক অনেক খুশি আর সম্ভাবনার পশরা নিয়ে,  দক্ষিণ দরজা দিয়ে ভারতের মূল ভুখণ্ডে প্রবেশ করে।

সাধারণত জুন মাসের ১ তারিখে বর্ষার দেখা পায় কেরালাম। এবার তিন দিন পরে অর্থাৎ ৪ তারিখে তা কেরালামের মাটি স্পর্শ করেছে।এর আগে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, বর্ষা এবার নাকি এগিয়ে আসছে তার সম্ভাব্য দিন ক্ষণকে পেছনে ফেলে। তবে সেই পূর্ব ঘোষণাকে ভুল প্রমাণিত করে পূর্ব ঘোষিত তারিখের ৯ দিন বাদে তার আগমন।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে এবার স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হবার আশঙ্কা রয়েছে কারণ এই বছর এল নিনো প্রবল দাপট দেখাতে শুরু করেছে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের দরিয়ায়। মৌসুমী বায়ুর উপস্থিতিতেই সহসা এভাবে এল নিনোর দাপট দেখানোর সম্ভাবনাকে অনেকেই সিঁদুরেমেঘের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন।

প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর দাপট দেখানোর বিষয়টি স্পষ্ট হতেই এই বছরের বর্ষার বৃষ্টিপাতের পর্যাপ্ততা নিয়ে অনেকেই রীতিমতো সন্দিহান। প্রমাদ গুনছে সকলেই – আমজনতা থেকে শুরু করে বরিষ্ঠ আবহবিদরা।

জুন মাসের ৪ তারিখে ভারতের কেরালায় পদার্পণের পরে একে একে মাহে,লক্ষ দ্বীপের বেড়া টপকে কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুতে ঢুকে পড়ে বর্ষাবাহী মেঘের দল। কুমারীকা অন্তরীপ ছুঁয়ে খাতায় কলমে বর্ষা গোটা আরব সাগরীয় এবং বঙ্গোপসাগরের নানান খণ্ড অংশেও তার প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করায় সকলেই কিঞ্চিত আশাবাদী হয়েছিলাম। বিশ্ব উষ্ণায়নের দাপট বাড়তেই বর্ষা এখন টলমল পায়ে চলছে বিগত কয়েক বছর ধরে। এবারের খেলা কি তেমনি কিছু হবে?আসলে আবহ বিজ্ঞানীরা এল নিনোর ক্রমবর্ধমান দাপট বৃদ্ধির কারণে রীতিমতো শঙ্কিত। এল নিনোর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের গরম জল ভারত মহাসাগরে এসে মিশলে জল ও স্থলের তাপ – চাপের স্থিতাবস্থায় পরিবর্তন ঘটবে এবং সে ক্ষেত্রে মৌসুমী বায়ুর চেনা ছন্দটাকেই পাল্টে দেবে। এই বছর নাকি সুপার এল নিনো আসতে চলেছে যা তার পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে যেতে পারে। তাহলে যে শঙ্কার অবকাশ আছে।

এখানেই কিন্তু আশঙ্কার শেষ নয়। দেশের উত্তর পশ্চিম প্রান্তভাগে আর্দ্র পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব বাড়ছে।  এরফলে ২০২৫ সালের অতি বর্ষণের স্মৃতি ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ মৌসুমী বায়ুর চেনা চেহারাটাই দিনকে দিন বদলে যাবার উপক্রম হয়েছে। আবহাওয়ার লীলা খেলা এমনিতেই বোঝা ভার, তার ওপর বিভিন্ন তন্ত্রের পারস্পরিক সংঘাতের ফলে আমাদের চেনা পরিচিত ব্যবস্থাটাই ঘেঁটে একসা। শঙ্কা যে এখানেই।পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ ভাবে চিন্তিত আবহ বিজ্ঞানীরা। ভারতীয় উপমহাদেশের তামাম উৎপাদনশীল ব্যবস্থার ওপর মৌসুমী বায়ু তথা গ্রীষ্মকালীন মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এতোটাই গভীর যে পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাতের অভাব, সমগ্র ব্যবস্থাকেই গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদী গড় বৃষ্টিপাতের ন্যূনতম মাত্রা ৮৬৮.৬ মিলিমিটার ধার্য করেছে। এল নিনো যে ভাবে চোখ রাঙাচ্ছে প্রতিনিয়ত তাতে এই ন্যূনতম লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে কি ?

আবহবিদরা জানিয়েছেন যে এমন‌ই এক অবস্থা সৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় ৬০%। সুতরাং আমাদের সামনে এক অনিশ্চিত আগামীর হাতছানি।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে যে সাম্প্রতিক মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে তাতেও এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত মিলেছে। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই এবার স্বাভাবিকের তুলনায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে। এমনটা সত্যি হলে, বলতে দ্বিধা নেই যে দেশের অর্থনীতির ওপর তার গভীর প্রভাব পড়বে।

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দেশের উত্তর পশ্চিম প্রান্তভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় স্বাভাবিকের কাছে থাকতে পারে। কিন্তু অন্যত্র সেই সম্ভাবনা কম। এল নিনোর দাপট যদি তার প্রভাব আরও বাড়ায় তাহলে ওই আউটারেই হয়তো দাঁড়িয়ে থাকতে হবে মৌসুমী এক্সপ্রেসকে যা নিশ্চিতভাবে মোটেই কাম্য নয়।

ঋণ স্বীকার: তথ্য ছবির জন্য ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর ও অন্যান্য প্রচলিত উৎসগুলোর কাছে ঋণী। তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানাই।

জুন ৯, ২০২৬

PrevPreviousএদের কোন বিকল্প হয় নাকি!
Nextনিট কেলেঙ্কারি : রি-নিটের প্রশ্নও বিক্রির জন্য অফার! প্রশ্ন ফাঁসের চক্র রুখবে কে?Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
DrSouravM
DrSouravM
28 days ago

Here it is raining torrentially everyday. Happy in North Bengal.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে হাতিয়ার করে নিজেদের এজেন্ডা পূরণ করবেন না।

July 16, 2026 No Comments

একদিন সকালে ক্যাথল্যাব শুরু হবে, খবর আসে একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে।

July 16, 2026 No Comments

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে। ভালবাসি শান্তিকে আর অবিশ্রান্ত সংগ্রামকে। যে ভালবাসতে জানে, সে সবকিছুই ভালোবাসে। মায়ের কোলের স্মৃতি থেকে আগুনে পুড়তে পুড়তে তার লেলিহান শিখা-

সংগ্রামী গণ মঞ্চের আহ্বান

July 16, 2026 No Comments

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, এনটিএ (NTA) বাতিল এবং স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র ব্যানারে লাগাতার বিক্ষোভ ও অনশন

কলকাতা হত্যাকাণ্ড, যুক্তবঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ একটি হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনার ইতিহাস (২)

July 15, 2026 No Comments

৪৬-এর দাঙ্গা, দেশভাগ, এবং বাংলাভাগ নিয়ে সম্প্রতি হঠাৎ করেই প্রবল আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিহাস নিয়ে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি হলে তা অবশ্যই স্বাগত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই

Tales of Hope

July 15, 2026 1 Comment

Dastaan-e-Ummeed Struggles for Resilience, Hope and Justice Vikas Bajpai AfterNote Press Price: Rs. 1600.00 Presenting a book authored by one of my junior comrade–Dr. Vikas

সাম্প্রতিক পোস্ট

একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে হাতিয়ার করে নিজেদের এজেন্ডা পূরণ করবেন না।

Dr. Subhanshu Pal July 16, 2026

ভালবাসি জীবনকে আর মৃত্যুকে।

Dr. Aindril Bhowmik July 16, 2026

সংগ্রামী গণ মঞ্চের আহ্বান

Sangrami Gana Mancha July 16, 2026

কলকাতা হত্যাকাণ্ড, যুক্তবঙ্গ ও বঙ্গভঙ্গ একটি হারিয়ে যাওয়া সম্ভাবনার ইতিহাস (২)

Kanchan Sarker July 15, 2026

Tales of Hope

Dr. Punyabrata Gun July 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

650943
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]