Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

টি জি আই এফ

473426104_9427178080650327_7190937426562284822_n
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • January 15, 2025
  • 8:21 am
  • No Comments

২৪ ঘন্টা। পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে ঘুরতে এই কয়েক ঘন্টাই সময় নেয়। যদিও আজকাল ইঁদুর দৌড়ের চক্করে পৌনে আটশ’ কোটি-র বেশীরভাগ-ই মনে করে – যদি পৃথিবী একটু গোরুর গাড়ির মত থেমে থেমে, ধীর লয়ে চক্কর দিত, আর দিনগুলো আটচল্লিশ ঘন্টা না হোক, অন্ততঃ ছত্রিশ ঘন্টা হত- তাহলে কি ভালোই না হতো !

বড় বড় কোম্পানীর গোরু তাড়ানো রাখালরা এটা আরো অনেক অনেক বেশী করে মনে করে। কারণ তাহলেই আরো অর্ডার, আরো রেভিনিউ, আরো ব্যবসা। রাখাল-দের, থুড়ি, বড় কর্তাদের আরো আরো প্রমোশন আর ইনক্রিমেন্ট!

কিন্তু চাইলে কি হবে- সকল ঈশ্বর, আল্লাহ ও গড-এর কাছে শত মাথা ঠুকেও পৃথিবীর গতি একটুও কমে না। সুতরাং, কাজের সময় বাড়াও।

খাওয়া, স্নান, শৌচকার্য বাদ। ঘুমোনো তো ভয়ানক পাপ কাজ! সপ্তায় ২৪×৭ = ১৬৮ ঘন্টা না হোক অন্ততঃ ৯০ ঘন্টা। নিতান্ত সম্ভব না হলে ৭০ ঘন্টা কাজ করা হোক- গোরুদের কাছে রাখালদের এই হল আব্দার বা নির্দেশ! তাহলেই আরো বেশী দুধ, আরো বেশী ফসল, আরো বেশী উৎপাদন।

কিন্তু গুগল বাবাজীর স্মরণাপন্ন হয়ে দেখা গেল উল্টোপুরাণ। পৃথিবীতে উৎপাদনশীলতার বিচারে একনম্বরে আছে আয়ারল্যান্ড (হ্যাঁ, চোখ কচলে দেখলাম আয়ারল্যান্ড-ই)। আর তারা কাজ করে সপ্তাহে সাড়ে তেত্রিশ ঘন্টা (নাঃ, ভুল লিখি নি- ২০২৩ এর হিসেব)! দু-নম্বরে লুক্সেমবার্গ- ছোট্ট দেশ। ছেড়ে দেওয়া যাক। তিন নম্বরে ডেনমার্ক। চার নম্বরে বেলজিয়াম (কাজ করে সপ্তায় ২৯.৮ ঘন্টা)। পাঁচ নম্বরে নরওয়ে। সেখানকার লোকেরা সপ্তাহে মাত্র ২৭.৩ ঘন্টা কাজ করে। আর সপ্তাহের বাকি সময় তারা বোধহয় বাড়িতে বসে বৌ-দের দিকে- থুড়ি, গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড-দের দিকে তাকিয়ে থাকে।
(অবশ্য মহিলারা নিশ্চয়-ই বাড়িতে তাদের বর-দের দিকে তাকিয়ে থাকেন না! তাঁদের অন্য অনেক কাজ থাকে।)

আর সকল দেশের সেরা ভারতবর্ষ, সপ্তাহে ৪২ থেকে ৪৮ ঘন্টা কাজ করে উৎপাদনশীলতার (সন্তান উৎপাদন নয়, শিল্পোৎপাদন) নিরিখে বিশ্বে ১৩৩ নম্বরে!

সংখ্যাতত্ত্ব অনেক হল। এবার একটু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলি। তবে আমার যা পেশা- তাতে আমরা জনসমক্ষে কি বলে, ভগবান না কি যেন, আর জনান্তিকে ‘পিশাচ’। তাই আমাদের বেশীরভাগ-ই পিশাচ জীবনের প্রথম দিকে অনেক সময়ই টানা ৩৬ ঘন্টা বা কখনো ৪৮ ঘন্টা কাজ করি। তাই ডাক্তারি পেশার কাজের সময় যাকে বলে ‘বেঞ্চমার্ক’ বা উদাহরণ যোগ্য- তা নয়।

তবুও আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগের একটা ঘটনা বলি। সারাদিন আরজিকরের আউটডোরে রোগী দেখে, বিকেল পাঁচটায় ক্যান্টিনে গপাগপ্ লাঞ্চ গলাধঃকরণ করে- সন্ধ্যে সাতটা থেকে পরদিন ভোর পাঁচটা পর্যন্ত এমার্জেন্সী অপারেশন করে- ভোর ভোর পিজিটির ঘরে গিয়ে স্নান করে- সকাল ন’টা থেকে ওয়ার্ড রাউন্ড দিতে দিতে দুপুর বারোটার সময় মনে পড়ে যে, সেদিন শিশুপুত্রের ভ্যাকসিন ডেট। নিজের শিশুপুত্রকে ভ্যাকসিন দিতে নিয়ে যেতে হবে, এই অনুরোধ করায় প্রফেসর সেনরায় (অধুনা প্রয়াত) দয়াপরবশ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটি মঞ্জুর করেন।

দিল্লী এইমসে কাজ শিখতে গিয়ে দেখি, অভুক্ত অবস্থায় উদয়াস্ত পরিশ্রম করতে করতে পনেরজন রেসিডেন্ট (জুনিয়র ডাক্তার)-এর মধ্যে দুজনের বুকে বাসা বেঁধেছে কালান্তক যক্ষ্মারোগ (টিবি)। প্রতিবছর-ই নাকি এক-দু জন জুনিয়র ডাক্তারের এরকম হয়ে থাকে!

তার অনেক বছর পরে কাজ শিখতে গেছি ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি, হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং-এর দেশ, অসংখ্য বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের দেশ, দু-দুটো বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তুপ থেকে মাথা তুলে দাঁড়ানো দেশ- জার্মানীতে।

হাসপাতালে প্রথম দিন আমায় বলে দেওয়া হল- সকাল সাতটায় সেমিনার রুমে চলে আসতে। প্রথমে সেমিনার, তারপর অপারেশন। জানুয়ারী মাস। তাপমাত্রা শূন্যের চার ডিগ্রী নীচে।

আবহাওয়া বাদ সাধলেও জার্মানরা যেন ‘ফাঁকিবাজ ভারতীয়’ বলে আঙুল তুলতে না পারে! তাই রাস্তায় গোড়ালি ডোবা বরফ ঠেলে হাসপাতালে ঢুকে সেমিনার রুমে পৌঁছলাম তখন সকাল ছ’টা সাতান্ন। সূর্যোদয় দূরে থাক, রাস্তায় তখনো আলো জ্বলছে। আই কার্ড বুলিয়ে অটোমেটিক দরজা খুলে দেখি প্রায় সকলেই পৌঁছে গেছে।

হুঁ হুঁ বাবা। এ হল ‘জার্মান ষ্ট্যান্ডার্ড টাইম’। ‘ইন্ডিয়ান স্ট্রেচেবল টাইম’ নয়! ঠিক সকাল সাতটায় শুরু হল দিনের কাজ।

সেখানে অপারেশন থিয়েটারের বাইরে কম্পিউটারের স্ক্রীনে রোজকার রুটিন দেখা যেত। তবে জার্মান ভাষায়। একদিন আমি আর গুজরাটের ডাক্তার কুশল আমাদের স্বল্প শেখা জার্মান জ্ঞান ফলিয়ে, পরের দিনগুলোতে কি সার্জারি হবে সেটা দেখার চেষ্টা করছি।

ওই হাসপাতালে তুর্কিয়ে অভিবাসী একজন অর্থোপেডিক্সের ডাক্তার আমাদের বলল, ‘তোমরা তো জার্মান জানো না, তাহলে কম্পিউটার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছ কেন? সব তো গোলমাল করে দেবে তোমরা।’

কিছু বললাম না। কথায় বলে না, ‘বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়।’

কঞ্চি চলে গেল।

পাশে দাঁড়ানো একজন জার্মান অ্যানাস্থেটিস্ট বলল, ‘ডু ইউ নো টি জি আই এফ?’

আমরা অবাক হয়ে বললাম, ‘টি জি আই এফ? সেটা কি?’

নব্বই-এর দশকে ওরিয়েন্ট কোম্পানীর ফ্যানের একটা বিজ্ঞাপনে অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তী যেরকম মুখ করে বলতেন, ‘আরে, ইয়ে পি এস পি ও নেহি জানতে!!’

অনেকটা সেইরকম ঢঙে অ্যানাস্থেটিস্ট ভদ্রলোক বললেন, ‘টি জি আই এফ জানো না?

‘নো’

’টি জি আই এফ মানে- থ্যাঙ্ক গড ইটস্ ফ্রাইডে। আজ শুক্রবার, দুটোর পরে কাজ শেষ। শনি-রবি ছুটি। কোনো কাজ নেই। ঘরে যাও, রিল্যাক্স কর। আবার পরের সপ্তায় কাজ।’

আমি আমার স্বল্প শেখা জার্মান ফলিয়ে বললাম, ‘জিয়া গুট (Sehr gut- খুব ভালো)’

সেই বিরাট চেহারার অ্যানাস্থেটিস্ট বললেন, ‘ভির জেহন আম মনটাগ (Wir Sehen Am Montag- সোমবার দেখা হবে)।’

প্রত্যুত্তরে বললাম, ‘ডাঙ্কে সোন (ধন্যবাদ)।’

‘উইলকমেন’

এভাবেই শিখেছিলাম কাকে বলে ‘টি জি আই এফ’।

অথচ সেই ‘শোন ক্লিনিক’ ছিল ইউরোপের সবচেয়ে বড় বেসরকারি অর্থোপেডিক হাসপাতাল। সেখানে ইউরোপের সবচেয়ে বেশী অর্থোপেডিক অপারেশন হত তখন।

তবে হাসপাতাল সপ্তাহে ১৬৮ ঘন্টা খোলা থাকলেও কোনও একজন ডাক্তার, নার্স বা কর্মী এমনকি ৯০ বা ৭০ ঘন্টাও কাজ করে না।

ছবি: একটি অন্তর্জাল থেকে, অন্যটি আমার নিজের তোলা- জানুয়ারী ২০১৫, মিউনিখ।

PrevPreviousস্বাস্থ্য সচিবের নয়া ফরমান কি জনতার স্বার্থে?
Nextরাক্ষসীর ডাইরি থেকেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

April 19, 2026 No Comments

কালচক্র যেহেতু সতত ঘুর্ণায়মান, ভবিষ্যতকালে যা যা ঘটবে সেই সব কাহিনি সর্বকালবেত্তাদের কাছে কিছুই অজ্ঞাত নয়। আর লেখকের কলম আর পাঠক যেহেতু সর্বকালবেত্তা, তাই কালাতীত

উন্নাও মামলা ২০১৭

April 18, 2026 No Comments

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

April 18, 2026 No Comments

হয়নি বলা কেউ বোঝেনি আমার ব্যথা বলতে বাকি প্রাতিষ্ঠানিক গোপন কথা !! গ্যাঁজলা ওঠা বিকৃত মুখ ঢাকলো কারা সেমিনার রুম বন্ধ করতে ব্যাকুল যারা !!

সাম্প্রতিক পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

Dr. Arunachal Datta Choudhury April 19, 2026

উন্নাও মামলা ২০১৭

Abhaya Mancha April 18, 2026

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

Shila Chakraborty April 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618325
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]