Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দেখো আমি বলছি মাম্মি ……

Feature image
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • February 15, 2025
  • 8:18 am
  • 6 Comments

এই কথোপকথনের অকুস্থল আমার ডাক্তারবাবুর চেম্বার। এইটি অবশ্য বেশ কয়েকজন ডাক্তারবাবুর সান্ধ্য আস্তানা – পোশাকি নাম পলিক্লিনিক। এখানে এলেই আপনার শরীরের যাবতীয় সমস্যার চট জলদি সমাধানের উপায় মালুম হবে । কেননা এখানে আপনি মানবশরীরের প্রধান পঞ্চাঙ্গ সহ সকল উপাঙ্গের জন্য দক্ষ পরিসেবা পাবেন। আমরাও তেমন‌ই মনোবাঞ্ছা নিয়ে শবরীর মতো জনৈক তেনার অপেক্ষায় আছি। বিলম্ব হচ্ছে দেখে পাশের দোকান থেকে বেশ কয়েক পেয়ালা চা গলধঃকরণ করেছি, তবুও তেনার দেখা নাই। তবে এ কথা মানতেই হবে যে, সময়টা বেশ কেটে যায় এসব পাবলিক ডোমেইন এ এলে। বিচিত্র সব সমস্যা নিয়ে লোকজনের বিরামহীন আসা যাওয়া চলতেই থাকে। সমাজকে খুব কাছ থেকে দেখার এ এক মোক্ষম ব্যবস্থা। এমনি এক মা এলেন, সঙ্গে তাঁর ফুটফুটে বাচ্চাটি। খানিক সময় বাদে আরও এক মহিলা এলেন। ইনি অবশ্য তখনও একা। যাইহোক দুজনে কথাবার্তা শুরু করলেন। উর্দু ও হিন্দি মেশানো সেই কথোপকথনের যথাসম্ভব বঙ্গীয় অনুবাদ সকলের সামনে পেশ করি।  

  • কখন এসেছো ? অনেকক্ষণ?
  • হ্যাঁ প্রায় আধঘন্টার ওপর হয়ে গেল।
  • ভালো আছো ? অনেকদিন দেখিনা। তোমার কী সমস্যা ? নিজের না বাচ্চার?
  • আরে বাচ্চার।
  • কেন কী হয়েছে? বুখার ?
  • না না , সেসব কিছু নয়।এই দেখোনা দেড় বছর বয়স হতে চললো, এখনও মুখে ঠিকঠাক বুলি ফুটলো না। বড়ো চিন্তায় আছি।
  • আরে চিন্তা করেছো কেন? ও ঠিক কথা বলবে। এতো চিন্তার কিছু নেই। বাচ্চা তো বেশ হোনহার দেখছি। মোবাইল ঘাটছে । দেখো ডাক্তারবাবু কী বলে?

কথালাপ যাঁকে কেন্দ্র করে সেই বাবু সোনা এতোক্ষণ মায়ের হাতের মুঠোয় ধরে রাখা মুঠোফোনটাকে নিয়ে সমানে তার বোতাম টিপে চলেছে খট্ খট্ করে । ছবির চরিত্র বদলের সঙ্গে সঙ্গে তার চোখ মুখের অভিব্যক্তি বদলে যাচ্ছিল ক্ষণে ক্ষণে। শত হলেও টেকনো অ্যাডিক্টেড জেনারেশন তো !!

বাচ্চা কথা বলছে না এটা আর কারো না হোক শিশুর মায়ের কাছে একটা মানসিক যন্ত্রণার কারণ বৈকি! মা ডাক শোনার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকেন সদ্য মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়া মহিলারা। চিকিৎসাশাস্ত্র মতে অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা , যেমন অটিজম, সেরিব্রাল পালসি , হাইপোথাইরয়েডিজম, ইত্যাদি না থাকলে একটি শিশু ১০ থেকে ১৩ মাস বয়সের মধ্যে কথা বলতে পারে। যদি না…..

আমার এবারের কাহিনি এই যদি নার মতো এক সমস্যা বা তথাকথিত বিহেভিয়ারাল সমস্যা নিয়েই।এই চলতি সময়টাকে পর্দার যুগ বা Screen Era বললে খুব ভুল হয়তো বলা হবেনা। চোখ বন্ধ করে রাতঘুমের সময়টুকুকে বাদ দিলে বাকি সময়টাতে আমরা “দেখিরে নয়ন মেলে”। একজন সদ্যোজাত শিশুও সবসময় তার চারপাশে থাকা দৃশ্যমান পর্দায় নজর রেখে চলেছে – মোবাইল, ল্যাপটপ, টেলিভিশন, ট্যাবলেট – সব উপাদানের পর্দাতেই এখন ঐ শিশুর নজর। মায়ের কোলে থাকতে থাকতেই এই নজরদারিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে তারা। এটাতো মানতেই হবে যে একদম শিশুবেলা থেকেই সে এক গভীর শিশিক্ষু মন আর মস্তিষ্ক নিয়ে বড়ো হতে থাকে। কেননা এই সময় হলো “ নয়ন মেলে জগতের বাহার” খোঁজার সময়। এই মহার্ঘ্য সময় থেকেই যদি একজন শিশুর নজর পর্দার সীমিত পরিসরে আটকে যায় তাহলে তা বেড়ে ওঠার কালের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে? তার পরিচিতির বিশ্বময় জগৎ , তার কথা বলার ও ভাষা শেখার প্রক্রিয়া কি এই অবাঞ্ছিত নজরদারির ফলে ব্যাহত বা বিলম্বিত হয়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার জন্য আন্তর্জাতিক স্তরের একদল গবেষক মাঠে নেমে পড়েছেন বেশ কিছুদিন। তাঁদের গবেষণাসূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে,  হ্যাঁ, একেবারে ছোট বেলা থেকেই পর্দা দর্শনের প্রবল আসক্তি তৈরি হলে সেই শিশুর বৌদ্ধিক বিকাশ তথা বাক্ শক্তির সময়োচিত বিকাশ অনেকটাই বিলম্বিত হবার আশঙ্কা রয়েছে। এই গবেষকদল তৈরি হয়েছিল পৃথিবীর ২০ টি দেশের গবেষকদের নিয়ে যাতে শিশুর মুখে এই বিলম্বিত বুলি ফোটার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। পর্দায় নজরকাল তাদের ভাষা শেখার প্রক্রিয়াকে কতটা ব্যাহত করছে, কীভাবে এই সমস্যার সৃষ্টি ?  তা ঠিকঠাক বুঝতেই এমন আয়োজন।

২০২১ সালের আগস্ট মাস থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ল্যাটিন আমেরিকার ১৮৭৮জন ১২ মাস থেকে ৪৮ মাস বয়সী শিশুদের ওপর এই গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করা হয়। একজন শিশু একটা স্মার্ট ফোনের সাথে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া করছে, কীভাবে করছে, এই আসক্তিকাল কতক্ষণ ধরে স্থায়ী হচ্ছে এমন সব একান্ত প্রাথমিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। পাশাপাশি,তাদের বিকাশের বিষয়টির ওপর নজরের প্রভাবকে বুঝে নেওয়াও ছিল গবেষণার অন্যতম লক্ষ্য। গবেষণা সূত্রে জানা গেছে যে দু বছর বয়সের আগেই শিশুরা দিন পিছু গড়পড়তা ১ ঘন্টা বা তার থেকেও বেশি সময় মোবাইলে ব্যস্ত থাকছে। অথচ শিশু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা দু বছরের আগে শিশুর হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। দু বছরের পরেও মা বাবার নিয়ন্ত্রণে পরিমিত মোবাইল ফোন ব্যবহারের কথা বলেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। অথচ বাস্তবে দেখা গিয়েছে যে অধিকাংশ শিশুই বিনোদনের জন্য বেছে নিতে বাধ্য হয় বা পরোক্ষভাবে প্রণোদিত হয়ে টেলিভিশন অথবা মোবাইল ফোনের পর্দায় চোখ রাখতে অভ্যস্ত হয় শিশুরা । গান শোনানো, ছবি দেখানো , শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের নামে পরিচিত মানুষজনেরাই একটু একটু করে শিশুদের অভ্যস্ত করে তুলছি আসক্ত করে তুলছি স্ক্রিনের প্রতি। আর শিশুদের মধ্যে এমন প্রবণতা গড়ে উঠছে কোনো বিশেষ পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক অবস্থান নিরপেক্ষ ভাবেই।এখন প্রশ্ন হলো যে এভাবে ইলেকট্রনিক পর্দায় আসক্ত হয়ে পড়ার ফলে শিশুর কথা বলার প্রক্রিয়া কতদূর ব্যাহত হয়? অনেকেই মনে করেন এই প্রবণতা সম্পূর্ণভাবে এই সময়ের প্রচলিত ধারা মেনেই গড়ে উঠছে,সুতরাং এসব নিয়ে অত ভাবার কিছু নেই। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে যে সঠিক সময়ে শিশু ঠিকঠাক কথা বলতে না পারার পেছনে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি গভীর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এটা ঠিক যে ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে একটি শিশুর শব্দভাণ্ডার অপরিণত থাকে। তাই খুব দ্রুত বড়োদের মতো গুছিয়ে কথা বলতে পারার সামর্থ্য তাদের মধ্যে থাকেনা। কিন্তু একটা বিষয় খুব পরিস্কার যে, একজন শিশু যত বেশি সময় ভার্চুয়াল জগতে কাটাবে বা সেই অনুষঙ্গে প্রতিপালিত হবে তার স্বাভাবিক বাক্য স্ফূরণের সময় তত‌ই বিলম্বিত হবে। বুলি বা ভাষা শেখার বিষয়টি যেমন একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, ঠিক তেমনি গৃহ পরিবেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মা ছাড়াও ঠাকুমা,দিদিমা,দাদু বা অন্যান্য প্রিয়জনদের আন্তরিক সাহচর্যে শিশুর বুলি ফোটে সঠিক সময়ে।এই সময়ের যাপনে তাঁরা সব শিশুর চারপাশে কোথায়? সেই শূন্যতা পূরণ করতে আসরে নেমেছে ইলেকট্রনিক্স স্ক্রিন। বিলম্ব তো হবেই। সকলেই একথা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, প্রাথমিক শৈশবকাল একজন শিশুর জীবন বিকাশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়েই তার বিশ্ব পরিচিতির পর্ব শুরু হয়, শুরু হয় মানসপথে বিশ্ব পরিক্রমার এক আশ্চর্য পর্ব । এই সময়ে ভার্চুয়াল মিডিয়ার থেকে শিশুদের যথাসম্ভব দূরে সরিয়ে রাখতেই হবে। একটু একটু করে ব‌ইয়ের সাহচর্য লাভ করা খুবই জরুরি। তবে একেবারে শুরুতেই তা সম্ভব নয় কখনোই। আজকাল অনেক বাড়িতেই পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বইয়ের পাট একরকম উঠেই গেছে। কীভাবে ব‌ই আর স্ক্রিন এই দুই ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য আনা যায় তা নিয়ে চলবে আগামীর গবেষণা। এর আগে আমরা সবাই কান পেতে উৎকীর্ণ হয়ে থাকি শিশুর মুখে “ দেখো আমি বলছি মাম্মি”  শোনার জন্য

সেদিন চিকিৎসক মশাই কী বিধান দিয়েছিলেন ঐ মাকে তা জানার সুযোগ হয়নি। আপনাদের মধ্যে কেউ তা জানলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩,২০২৫

মধ্যমগ্রাম।

PrevPreviousকাল্পনিক, তবে গল্প নয়
Nextকবি-গায়ক প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসানNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

একদম পরিচিত এক সমস্যার কথা বলেছেন লেখক। ছোট বেলায় অনেকসময়‌ই সম্পূর্ণ সুস্থ স্বাভাবিক শিশুও বেশ কিছুদিন পরে কথা বলতে শুরু করে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হয়ে উঠে আসছে শিশুদের স্ক্রিন
আসক্তি বেড়ে যাচ্ছে। ভার্চুয়াল জগতের থেকে বাস্তব জগতের সঙ্গে পরিচিতি বাড়াতে হবে। না হলে সমস্যা বাড়বে। মায়েরা সচেতন হোন।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

মায়েদের সবথেকে আগে সতর্ক হতে হবে। যে কথোপকথনের সূত্র থেকে এই বিষয়ে আলোচনা সেখানে কিন্তু মায়ের অসচেতনতাই প্রকাশ পেয়েছে। আধুনিক মায়েরা নিজেরাই বাচ্চাটিকে শান্ত রাখার জন্য হাতে মোবাইল তুলে দিচ্ছেন। এতো ছোট থেকে শিশুদের মোবাইল দেখার সুযোগ করে দিলে অনেক অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
1 year ago

বাস্তব সমস্যা।শুধু শিশু নয় বড়দের পরীক্ষার খাতায় ভাষার ধরন পাল্টাচ্ছে।ছোটদের আচরনে প্রভাব পড়ছে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 year ago

আসক্ত হয়ে পড়লে সমস্যা নানা দিকে।আর নিরাসক্ত থাকা মানেই সামাজিক মর্যাদার অবনমন। যাবেন কোথায়?

0
Reply
Partha Sarathi Das
Partha Sarathi Das
1 year ago

হয়ত আমরা নিজেদের স্বার্থেই শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দিচ্ছি। আমি এর একটা ব্যতিক্রমী ধারা লক্ষ্য করেছি। দেড় বছর বয়সে যখন শিশুটি অনেক টা active হয়ে উঠছে, তাকে মোবাইল এর বদলে গুগল নেস্ট বলে একটি যন্ত্র দেওয়া হয়েছিল। কিছুটা ট্যাবলেট এর মতই কিন্তু তাকে কথা বলে আদেশ দিতে হবে। কিছুদিনেই শিশুটি বোঝে যে স্পষ্ট ভাবে কিছু না বলতে পারলে যন্ত্র চুপ করে থাকবে। সে তার সব অনুসন্ধিৎসা প্রয়োগ করতে থাকে গুগল এর প্রতি। আজ তার পাঁচ বছর বয়স। সে এখনো মোবাইল দেখে না। আলেক্সা তাকে বিভিন্ন জীব জগৎ সম্পর্কে শেখায়। সেই শিশু আমাদের বোঝায় recycle করতে হবে কেনো। আর সঠিক উচ্চারণ। তার শব্দভাণ্ডার যথেষ্ট প্রাচুর্যে পূর্ণ। আর সে কি দেখছে শুনছে শিখতে চাইছে, সেটা বড়দের নজর তো রাখতেই হবে।
সে কিন্তু বড়দের মোবাইল এর দিকে ঘুরে ও দেখে না।
আজকাল মা বাবার হাতে সময় কম , সাথে এত রকম টেকনোলজি। সব মিলিয়ে মিশিয়ে চলা টাও দরকার।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Partha Sarathi Das
1 year ago

পার্থসারথি বাবুকে ধন্যবাদ জানাই তাঁর মতামতের জন্য। গুগল নেস্ট নামের উপকরণটির অস্তিত্ব ও উপযোগিতা সম্পর্কে এতো কথা আমার জানা ছিল না।এই তথ্য জানানোর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।
এ কথা মানতেই হবে যে , টেকনোলোজির উদ্ভাবক মানুষ।
তার নিজের প্রয়োজনের তাগিদ সূত্রেই এদের উদ্ভাবন। সুতরাং এগুলোর কিছু সুবিধা যে আছে তা অস্বীকার করবো কী করে? আমার বক্তব্য সেখানে নয়। গবেষণা সূত্রে যা জানা গেছে তাতে বলা হয়েছে যে, কোনো রকম পর্দায় নিয়মিত নজর দিতে দিতে এই প্রজন্মের শিশুদের মধ্যে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিচ্ছে যা সত্যিই চিন্তা বা উদ্বেগের। খুব সম্প্রতি সুইডেন পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম ভার্চুয়াল উপকরণ মোবাইল, ট্যাবলেট, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টেলিভিশন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সাবেকি ব‌ইপত্তরের ব্যবস্থা কায়েম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের শিশুদের শিশু হয়েই বড়ো হতে দিতে হবে। এখন থেকেই নোমোফোবিক না হলেই মঙ্গল। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পার্থসারথি।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620128
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]