Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

২৪শে ফেব্রুয়ারি,২০২৫ মুখ্যমন্ত্রীর সাথে চিকিৎসকদের আমন্ত্রণমূলক মিলনসভার প্রাক্কালে কিছু জরুরি কথা

jabalpur-district-victoria-hospital-294101959-16x9_0
Abhaya Mancha

Abhaya Mancha

A joint platform of more than 100 organisations seeking Justice for Abhaya
My Other Posts
  • February 23, 2025
  • 8:17 am
  • One Comment

২২।২।২৫

আগামী ২৪শে ফেব্রুয়ারি,২০২৫, তারিখে রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সাথে চিকিৎসকদের আমন্ত্রণমূলক মিলনসভার প্রাক্কালে, জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস, পঃবঙ্গ এবং অভয়া মঞ্চ এর তরফে কিছু জরুরি কথা এবং যুক্তিনিষ্ঠ ও বলিষ্ঠ প্রশাসনিক উত্তর খুঁজে পাওয়ার সদর্থক আশা

প্রতি
মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী
পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

মহাশয়া,

আগামী চব্বিশে ফেব্রুয়ারি, ধনধান্য সভাগৃহে আপনার সাথে , সরকারী প্রশাসকদের উপস্থিতিতে, রাজ্যের সরকারী চিকিৎসকদের আমন্ত্রণমূলক মিলনসভা আয়োজিত হতে চলেছে। এরই প্রাক্কালে জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস পঃ বঃ ও অভয়া মঞ্চের তরফে কিছু জরুরি বক্তব্য আপনার সমীপে পেশ করছি- সুবিবেচনা ও উপযুক্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আন্তরিক আশা নিয়ে।

একটু ফিরে দেখা

* আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে গত ৯ই আগস্ট, ২০২৪ তারিখে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে”অভয়ার” নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পর রাজ্যের সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বহুবিধ গুরুতর ফাটল বেআব্রু হয়েছে, যার অধিকাংশই স্বাস্থ্য প্রশাসনের নজরে একাধিকবার আনা হয়েছিল এবং সেই প্রাথমিক স্তরে তা অবশ্য প্রতিরোধযোগ্য ছিল বলেই আমাদের বিশ্বাস। কিন্ত অজানা কারণে, প্রশাসনিক উপযুক্ত পদক্ষেপ যথাসময়ে গৃহীত হয় নি এবং ফলতঃ পূতিগন্ধময় অগণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমশ গাঢ় থেকে গাঢ়তর হতে থাকে। তবু আমরা বিশ্বাস করি, এখনও যদি অনতিবিলম্বে প্রশাসনিক স্বচ্ছ শুভবুদ্ধির উদয় ঘটে, তাহলে স্হায়ী বিজ্ঞানসম্মত সংস্কার ও পরিবর্তনের মাধ্যমে , স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হৃত সম্মান পুনরুদ্ধার হওয়া নিশ্চয়ই সম্ভব। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্যেই যে মেডিক্যাল কলেজ সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে একাধিক মাত্রায় অভাবনীয় পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি, ক্যাম্পাস ডেমোক্র্যাসির সামগ্রিক শূন্যতা, কর্মস্থলে ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য, হুমকি সংস্কৃতির নিকষ কালো অন্ধকার বেআব্রু হয়েছে তা নয়, পঃবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল, রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়, হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড– সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক সততা, স্বচ্ছতা, স্বজনপোষণ এবং ন্যূনতম অভিপ্রেত নৈতিকতার সব ব্যারিকেড ভেঙে দিয়ে, স্বৈরাচারী দৃষ্টিভঙ্গিতে, গণতান্ত্রিক পরিসরকে স্তব্ধ করে দিয়ে এক অভাবনীয় ও অসহনীয় নগ্ন আধিপত্যবাদ কায়েম করেছে। এই সমস্ত সম্মানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে, স্হায়ী কাঠামোগত সংস্কার এবং পরিচালন ব্যবস্থার আশু পরিবর্তন অবিলম্বে জরুরি বলেই আমাদের বিবেচনা। এ ব্যতীত অন্য যে কোনো কসমেটিক প্রলেপ, অনেকটাই ওষ্ঠকর্কট রোগে ওষ্ঠরঞ্জনী লাগানোর সামিল বলেই আমরা মনে করি।

সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুণমান ধরে রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আশু বিষয় এর অবতারণা, যেটা না বলা অপরাধ

স্হায়ী লোকবল
আর টি আই সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে চিকিৎসকদের প্রায় চল্লিশ শতাংশ এবং কর্মবন্ধু সহ বিভিন্ন স্তরের সহযোগী কর্মচারীদের প্রায় সত্তর শতাংশ পদ শূন্য এবং তাও ১৯৯১ সালের এস্টাবলিশমেন্ট টেবিল অনুসারে। এই সংখ্যার শূন্যপদে, প্রসারমান সরকারী স্বাস্থ্য পরিষেবায় ক্রমবর্ধমান সেবাপ্রার্থীর সন্তুষ্টি বিধান ও গুণমান বজায় রাখা কার্যত অসম্ভব। আই পি এইচ এস মানদণ্ডে সে সংখ্যা আরও হতাশাব্যঞ্জক। এন এম সি মানদণ্ডে মেডিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অবস্হা আরো সঙ্কটজনক। শুধুমাত্র চিকিৎসকদের উপরে ডিউটির ঘণ্টার বেত্রাঘাত নামিয়ে, প্রাকটিস/ নন প্রাকটিস- এর রহস্যবৃত্তে ঘুরপাক খাইয়ে এবং কিছু কল্পনাবিলাসী আদর্শ ব্যবস্থাসুলভ প্রশাসনিক নির্দেশনামা তৈরির মাধ্যমে, কোনও মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক আমলাতান্ত্রিক ভাবনার শূন্যগর্ভ ফসল। যার প্রকৃত বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভব। চিকিৎসকদের পরিষেবার কাজের গুণগত চরিত্রকে আর পাঁচজন আমলার শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে নিদান হাঁকার সাথে সমতুল করে দেখা বাস্তব বিবর্জিত ও অবিবেচনাপ্রসূত। তাই জরুরি হল মূলগত কারণ বিশ্লেষণ ও স্হায়ী সমাধান সূত্রাবলী নির্ধারণ।

দীর্ঘদিন ধরেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিয়োগ বন্ধ। ও বি সি মামলার বিষয়ে অর্ধসত্য কথা বলে বিভ্রান্তির বীজ বপন করা হচ্ছে। ১০০ পয়েন্ট রোস্টার মোতাবেক, উচ্চ ন্যায়ালয়ে বিচারাধীন ও বি সি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, সেই শ্রেণী ব্যাতীত অন্যান্য অংশের নিয়োগ সহজেই করা সম্ভব এবং পরবর্তীতে ও বি সি শূন্যপদে নিয়োগের ব্যবস্থা।

ঔষধ, যন্ত্রপাতির সঠিক গুণমান যাচাই এবং নিরবিচ্ছিন্ন প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ

* চিকিৎসকদের বলির পাঁঠা বানিয়ে , দপ্তরের প্রশাসনিক অদক্ষতা ও পলায়ন প্রবৃত্তিকে উলঙ্গ করে , আর যাই হোক মানুষের কল্যাণ হতে পারে না। কেন রাজ্যের মাতৃমৃত্যু হার বাড়ছে অভাবিত মেডিক্যাল জটিলতায়, কেন বড় সংখ্যক চিকিৎসকদের মধ্যে বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই রিঙ্গার ল্যাকটেট ব্যবহার নিয়ে যৌক্তিক সংশয়, হঠাৎ হঠাৎ করেই টেণ্ডার নিয়োজিত একাধিক বিতর্কিত কোম্পানির সরবরাহকৃত ওষুধ একদিনে বন্ধ করে সেবাপ্রার্থী এবং সেবাকারীদের এক সাগর বিপদে ফেলতে বাধ্য করা, দৃঢ় সময়োচিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দোদুল্যমানতা এবং গুণমানের সাথে আপোসে(?) কোন অদৃশ্য শক্তি ক্রিয়াশীল— এই প্রশ্নগুলোর চাই স্বচ্ছ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।
সি আই ডি দিয়ে ডাক্তারদের হেনস্থা করে আর সার্ভিস রুলের ক্লজ দেখিয়ে বড় করে প্রচার করার মধ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব, কিন্ত সমস্যার গভীরে গিয়ে পরবর্তী মাতৃ শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ, তারও আগে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ এর ঘটনা , যে আসল দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, প্রয়োজন তার স্হায়ী প্রশাসনিক সমাধান। সমস্যা স্বীকার করলেই, সমাধান সূত্র নির্ণয় সম্ভব।
ওষুধের এবং যন্ত্রপাতির লাগাতার গুণমান যাচাই, দুর্নীতির প্রশ্নে তীব্রতম কঠোরতা প্রয়োগ এবং নিয়মিত ,সমস্ত স্তরের হাসপাতালে বিরামহীন প্রয়োজনীয় সরবরাহের প্রশ্নে কোনোরকম আপোস প্রকারান্তরে মানুষ হত্যারই সামিল।

প্রমাণিত দোষীদের এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ত্রাস সৃষ্টিকারীদের যথোচিত শাস্তি দানে দুর্বোধ্য প্রশাসনিক হিরন্ময় নীরবতা এবং আম-জনতার অংশের মানুষের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতার চূড়ান্ত লোপ

* আজ কয়েক মাস অতিক্রান্ত। পঃবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের সদস্য ডাঃ অভীক দে, পেনাল এথিক্যাল কমিটির ডাঃ বিরূপাক্ষ বিশ্বাস সহ আরও অনেকে, রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ করবী বড়াল, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর কর্তৃক গঠিত উচ্চ পর্যায়ের অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে শুধুমাত্র অভিযুক্ত নয়, অভিযোগ তাদের প্রমাণিত। তবু আইনানুগ প্রশাসনিক উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ আজও অধরা। ফলস্বরূপ এখনও অন্য কিছু মেডিক্যাল মাফিয়া, যারা এই প্রভাবশালী অংশের ঘনিষ্ট সহচর এবং সামগ্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসকারী, সাময়িক ভাবে অপ্রকাশ্যে থাকলেও, এ জাতীয় প্রশাসনিক অকর্মণ্যতায় নতুন করে অক্সিজেন পাচ্ছে, যা গুরুতর উদ্বেগের। একই সাথে মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি এবং সহ সভাপতির সম্বন্ধে এবং স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, যিনি বর্তমানে বারাসাত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ , তার ।সম্বন্ধেও যে অজস্র অভিযোগ জমা আছে, তারও ব্যবস্থাগ্রহণের কোনও অগ্রগতি আজ অবধি অধরা। যার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি আজকের এই স্বেচ্ছাচারী মোহগ্রস্ততায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের অপার বিশ্বাসহীনতা এবং অনাস্থা ও অশ্রদ্ধা। যেখানে আজ পরিষ্কার, মেডিক্যাল কাউন্সিলের কর্তাব্যক্তির এবং তাদের ঘনিষ্ঠ সহচরেদের কার্যকলাপে অভয়া মৃত্যুর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, সেখানে শাস্তির প্রশ্নে প্রশাসন চুপ করে থেকে , অদ্ভুত প্রশ্রয় দান করে তাদের পুনর্বাসন এর ব্যবস্হা করছে। কী বার্তা? আবার মাননীয় মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সদ্যগঠিত সংগঠনে তাদের অনেকেই পদাধিকারী বা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য। মানুষ বিভ্রান্ত। আশু ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খোলনলচে বদলে ফেলা জরুরি– আগামী ভয়ঙ্কর বিপদকে ঠেকানোর লক্ষ্যে।

গঠনমূলক সমালোচক ও প্রতিবাদী চিকিৎসকদের উপর অযাচিত প্রতিহিংসা ও আক্রমণ– কোথাও কি কোনো বিশেষ অংশের মদতপুষ্ট?

আলোর মত পরিষ্কার। মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বচনে গণতান্ত্রিক ভাবে অংশগ্রহণ করা (প্রার্থী ও সংগঠক) ,যারা প্রভাবশালী স্বৈরাচারী অংশের চোখে চোখ রেখে স্বচ্ছতা পুনরুদ্ধারে লড়াই করেছিলেন, আজ প্রায় প্রত্যেকের উপর নেমে এসেছে অযাচিত খাঁড়া। গণতান্ত্রিক পরিসর ধ্বংস হলে পরিষেবার প্রশ্নে তার প্রতিফলন অবশ্যম্ভাবী। অভয়া আন্দোলনের অগ্রণী নেতৃত্বের নামে মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে মিথ্যা পুলিশ ডায়েরী যেমন ডাঃ মানস গুমটা, উৎপল বন্দোপাধ্যায়, সুবর্ণ গোস্বামী প্রমুখ। আড়ালে আবডালে অন্যদের শাসানো চলছে সমানতালে। একইভাবে ডাঃ তাপস ফ্রান্সিস বিশ্বাস , আসফাকুল্লা , কিঞ্জল সহ অন্য জুনিয়র -সিনিয়র ডাক্তারদের এবং প্রতিবাদী নাগরিক সমাজকে নির্বিচারে উত্যক্ত করা এবং মানসিক অত্যাচার নামিয়ে আনার প্রকরণ সাজানো চলছে, এক বিশেষ অংশের সরাসরি মদতে, যা সময়ের বিচারে, আগামীর পথে তাদের জন্য আত্মঘাতী মূঢ়তা। এরই পাশাপাশি অনিয়মিত নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতিতে উলঙ্গ স্বজনপোষণ, নগ্ন রাজনৈতিক সংকীর্ণতা, অস্বচ্ছতা, কোথাও বা দুর্নীতির চোরা স্রোত। কায়েমী স্বার্থে প্রশাসনের এক অংশের মধ্যেই ঘুণপোকা ঘিরে ফেলেছে। প্রয়োজন শিকড় গজানো সর্বোচ্চ প্রশাসনিক অংশ থেকে নীচের স্তর পর্যন্ত খোলনলচে বদল। পোস্টিং প্রোমোশনে স্বচ্ছ নিয়মের গণ্ডীতে বাঁধা হোক সকলকে, রাজনৈতিক বিশ্বাস নির্বিশেষে।

মনোনীত ছাত্র কাউন্সিল নয়, দরকার নির্বাচিত ছাত্র ইউনিয়ন, তবেই সম্ভব ক্যাম্পাস ডেমোক্রাশি পুনরুদ্ধার ও ভয়হীন পরিবেশ

এই ভয়দীর্ণ মেডিক্যাল কলেজ আমাদের বাংলার কলেজ নয়। মনোনীত কাউন্সিল মাতব্বরদের একাধিপত্য এবং তাদের হাতেই ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, আমাদের চেনা ছবি নয়। মত, পাল্টা মত,তর্ক বিতর্ক, সংগ্রাম, নীতির প্রশ্নে লড়াই, শিক্ষক ছাত্রের মধ্যেকার সম্পর্কে বলিষ্ঠ সেতু — এই চেনা ছবি ফিরুক অবিলম্বে। দরকার তাই অবিলম্বে ছাত্র নির্বাচন। দম বন্ধ করা দুর্গন্ধ ভরা পরিবেশ বিদায় নিক, বইতে শুরু করুক গণতান্ত্রিক মুক্ত বাতাস।

সমস্ত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সুরক্ষার প্রশ্নে, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স নির্দেশিত নিয়মাবলীর কাগুজে প্রয়োগ নয়, চাই প্রকৃত বাস্তবায়ন– কঠোর ভাবে প্রতিহত হোক হাসপাতালে হামলাবাজি

• সামান্য কিছু ওয়াশরূমের আংশিক সংস্কার আর কিছু সি সি ক্যামেরার সংখ্যাবৃদ্ধি নয়, চাই সুরক্ষার বিষয়ে গভীরতর বিষয়গুলোর বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ এবং স্হায়ী প্রতিকার। ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্সের প্রতিটি আদেশ পালিত হোক , অডিট হোক বছরে অন্তত দুবার। প্রশাসন আর সেবাদাত্রীদের পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতার অটুট বন্ধন বড় জরুরি। প্রশাসন শুনুক রোগীর কথা,পরিবারের কথা। বেড না থাকা, নির্দিষ্ট পরীক্ষার বা ওষুধের যোগান না থাকা বা দেরীতে ডেট পাওয়া– চিকিৎসক দায়ী হন কোন আক্কেলে? চিকিৎসক, নার্স, জিডিএ , সুইপার, অফিস স্টাফ সহ সর্বস্তরের কর্মী নিয়োগ না করে , উপযুক্ত গুনমানের ওষুধ -সরঞ্জাম -যন্ত্রপাতির অবিচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বিকল যন্ত্রের দ্রুত সারানোর ব্যবস্থা না করে পরিষেবা বিঘ্নিত হলে কর্মীবর্গকে কাঠগড়ায় তোলা হয় কোন অভিপ্রায়ে ? প্রশাসনিক চতুরতা ও এ জাতীয় ধূর্ততার অবসান জরুরি অবিলম্বে। সেন্ট্রাল ডিজিটাল বেড ভ্যাকেন্সি, বিজ্ঞান সম্মত রেফারাল সিস্টেম নেই সারা রাজ্য জুড়ে– কেন এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা? উত্তর খোঁজা জরুরি।
কত বড় দুর্ভাগ্য যে রাজ্য পুলিশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে হাসপাতালের হামলাবাজির সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই, আর টি আই সূত্রে প্রাপ্ত সূত্রের ভিত্তিতে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেই, ২০০৯ মেডিকেয়ার প্রিভেনশন আইনের প্রয়োগ নেই, দুষ্কৃতীরা তাই বাঁধনছাড়া। অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

মেডিক্যাল শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অরাজকতার পূর্ণ নিরসন

মেডিক্যাল শিক্ষা আঙিনায় সর্বব্যাপী দুরাচার সাম্প্রতিক কিছু বছরে– অজানা নয় কারও।সদ্য প্রাক্তন উপাচার্যের আমলে দুর্নীতির অভিযোগ ( আর্থিক সহ অন্যান্য) সমুদ্রসমান। আজও উপাচার্য পদ ফাঁকা। পাশ ফেল, প্রাপ্ত নম্বরে ভয়াবহ কারসাজি, টোকাটুকির নোংরা প্রবণতা, বিভিন্ন সেণ্টারে অভিন্ন উত্তরপত্র– এই ছিল ছবি। সম্প্রতি মনিটরিং কমিটির দৃঢ় পদক্ষেপে এবং অভয়া উত্তর সময়ে সমস্তটাই বেআব্রু হয়ে পড়াতে, অবস্হার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তা প্রতিহত করে মেডিক্যাল মাফিয়াদের চিহ্নিত অংশ, পুরনো অবস্হা ফিরিয়ে আনতে চাইছে। প্রশাসনিক দৃঢ় অবস্হান এবং আপোসহীন নৈতিকতাই পারে একে ঠেকাতে এবং হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে।

গণতান্ত্রিক পরিসর বৃদ্ধি এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসক সংগঠনের সাথে নির্দিষ্ট সময়ান্তর আলোচনার ব্যবস্থা

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, গণতান্ত্রিক কাঠামোয় নিরন্তর আলাপ আলোচনা , গঠনমূলক সমালোচনার উপাদান গুলোর প্রতি যথোচিত গুরুত্ব আরোপ, প্রতিবাদের মৌলিক কার্য কারণ অনুসন্ধান– এগুলোর গুরুতর অভাব ঘটে গেলে গোটা পরিষেবা ক্ষেত্র খাদের কিনারায় এসে দাঁড়ায়। একথা অতীব হতাশার যে, জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস পঃ বঃ অল্প কিছুদিন আগে মাননীয় মুখ্য সচিব মহোদয়ের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য পরপর দুবার আবেদন করে, কিন্ত নূন্যতম গণতান্ত্রিক প্রাপ্তি স্বীকার বা সময় দেওয়া– অধরা। ডাক্তারদের সংগঠনগুলির গুরুত্বপূর্ণ চিঠির আজ পর্যন্ত কোনও প্রাপ্তিস্বীকার বা উত্তর প্রদান স্বাস্থ্য প্রশাসন করে নি– যার দ্বারা প্রশাসনের অভ্যন্তরে পরিচালকদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি কার্যকর বিচার সহজেই অনুমেয়। দ্রুত এর বদল চাই। বয়ানবাজি নয়, দৃষ্টিযোগ্য সহজবোধ্য পরিবর্তন চাই অনতিবিলম্বে।

ইতি টানলাম এখানেই। পড়ে রইল আরও অজস্র কথা– পরিষেবার প্রশ্নে, স্বাস্থ্য কর্মীদের মনোবল ধরে রাখার প্রশ্নে। সংগঠনগুলির সাথে এই জাতীয় মিলনসভা আয়োজিত হলে, সেখানে আরও বিস্তৃত বলা সম্ভব। সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন বেতনভুক চিকিৎসক এই বাংলায়। তবু পরিষেবা বাঁচিয়ে রেখেছে তারাই। তাই আশা রাখি, উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলোর প্রতি আপনার সহৃদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বর্ষিত হবে অচিরেই। চিকিৎসকদের বিদ্বেষহীন মানবিক মূল্যায়ন করবে প্রশাসন। যে কোনও রকম ব্যত্যয় ঘটলে, তার বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিবাদ বা পরিষেবা উন্নয়নের প্রশ্নে সমস্ত রকম সমালোচনা প্রশাসনিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধেই বিচার্য হবে। রাজ্যের বুকে চিকিৎসকদের গণতান্ত্রিক সমস্ত রকম প্রতিবাদের অধিকার জাগ্রত থাকবে এবং প্রতিহিংসার কোনও কদর্য আক্রমণ নেমে আসবে না– এই আন্তরিক বিশ্বাস নিয়ে শেষ করছি।

ধন্যবাদান্তে

ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ ডাঃহীরালাল কোনার
আহ্বায়ক
জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস , পঃ বঃ

পুণ্যব্রত গুণ
মনীষা আদক
তমোনাশ চৌধুরী

আহ্বায়ক
অভয়া মঞ্চ

PrevPreviousThe Final Verdict of “Abhaya” Rape and Murder – A Great Sweet Fanny Adams?
Nextবাংলা আমার দৃপ্ত শ্লোগান ক্ষিপ্ত তির ধনুকNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjan Mukhopadhyay
Anjan Mukhopadhyay
1 year ago

My Previous comment withdrawn

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শুধু, এক মুঠো নুনের জন্য ……

June 21, 2026 1 Comment

এই নিবন্ধটি লবণ তৈরির সঙ্গে যুক্ত গুজরাটের প্রান্তিক আগারিয়া জনগোষ্ঠীর মানুষদের কঠিন কঠোর পরিশ্রমী জীবনের এক বাস্তব আলেখ্য। আমাদের প্রতিদিনের খাবারকে স্বাদু করে তোলার জন্য

স্বাস্থ্যকর্মীর উপর শারীরিক নির্যাতনের তীব্র ধিক্কার জানাই।

June 21, 2026 No Comments

সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকে জাতীয় ফাইলেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত গণঔষধ বিতরণ (Mass Drug Administration) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর

পশ্চিমবঙ্গ দিবস: বিতর্কের আড়ালে সত্য ও অর্ধ সত্যি

June 21, 2026 No Comments

না। শ্যামাপ্রসাদ পশ্চিম বঙ্গের একক স্রষ্টা নন। ২০ জুনও পশ্চিমবঙ্গের জন্ম দিন নয়। আসল ইতিহাসকে ধামাচাপা দেওয়া বা বিকৃত করলে সেটা বাঙালির অস্তিত্ব সংশয় কণ্টকিত

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

June 20, 2026 No Comments

“I love you, Papa.” Those were among the last words reportedly left behind by a young woman in Dehradun who had spent years preparing for

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

June 20, 2026 No Comments

ক্যান্সার আর দুরারোগ্য নয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ক্যান্সারকে সম্পূর্ণ সারিয়ে তুলতে সক্ষম। তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা আর পাঁচটা রোগের চাইতে আলাদা। সাধারণত মানুষের মনে ধারণা রোগ

সাম্প্রতিক পোস্ট

শুধু, এক মুঠো নুনের জন্য ……

Somnath Mukhopadhyay June 21, 2026

স্বাস্থ্যকর্মীর উপর শারীরিক নির্যাতনের তীব্র ধিক্কার জানাই।

West Bengal Junior Doctors Front June 21, 2026

পশ্চিমবঙ্গ দিবস: বিতর্কের আড়ালে সত্য ও অর্ধ সত্যি

Parichay Gupta June 21, 2026

Why India Needs More Doctors and Medical Colleges, Not More Entrance Examinations

Satya Sagar June 20, 2026

রেডিয়েশন ক্যান্সার চিকিৎসার জাদুরশ্মি

Dr. Sayan Paul June 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

634346
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]