Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আপনার হাত কি এখন রাগে-ঘেন্নায়-বিরক্তিতে প্রতিবাদে মুষ্টিবদ্ধ হবে?

1726934835_jr-dr-cover
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • May 28, 2025
  • 6:37 am
  • No Comments

বাড়ি করতে গেলে পাড়ার তোলাবাজ (ক্ষেত্রবিশেষে স্থানীয় নেতা/ কাউন্সিলর/ পঞ্চায়েত সদস্য – মানে… ওই একই হলো, তোলাবাজরাই ইদানীং উপরিউক্ত পদগুলো আলো করে থাকেন) এসব-ক্ষেত্রে-আমরা-কিছু-পেয়ে-থাকি জাতীয় মুখ করে পাঁচ-দশ লাখ টাকা দাবি করবেন, এতে কেউই আর অবাক হন না।

না দিলে, মানে এঁদের খুশি না রেখে, বাড়ি করে বসবাস করা সম্ভব হয় না, এ অভিজ্ঞতাও নতুন নয়।

না দিলে হুমকি থেকে মারধর সবই জোটে। এ-ও অজানা নয়।

কিন্তু ধরুন পাড়ার খুচরো নেতা কাউন্সিলর পঞ্চায়েত-প্রধান, এই আমলের উন্নয়নের প্রবল জোয়ারের চোটে সকলেরই ঘরে লক্ষ্মী উপচে পড়ছে। নিদেনপক্ষে দশ-বিশ কোটি খুচরো টাকা এঁদের ঘরে ঘরে। তারপরও কেউ একজন যদি পাঁচলাখ না দিতে চান, তাহলে এঁদের তো আর্থিক কিছু ক্ষতি নেই – ওইটুকু টাকা তো এঁদের কাছে বাঁহাতের কড়ে আঙুলে জমে থাকা ময়লার চাইতেও তুচ্ছ – তাহলে ওই টাকাটুকু না দিলে এঁরা মারধরের ঝামেলায় যান কেন?

কারণটা সিম্পল। “খারাপ উদাহরণ” তৈরি হতে না দেওয়া।

এবং “স্মরণযোগ্য উদাহরণ” তৈরি করা। অর্থাৎ “কথা না শোনার” পরিণাম কী হতে পারে, সেই উদাহরণ তৈরি করা।

নইলে ধরুন, আজ যদি একজন তোলা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে পরের দিন হয়তো দুজন তেমন করবেন, তার পরের দিন…

এবং এরকম একজন একজন করেই একদিন মানুষ আর তোলা দেবেন না।

এই সম্ভাবনাটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নষ্ট করতে হয়। নইলে তোলা-সাম্রাজ্যই হাপিস হয়ে যায়।

এবারে ধরুন আপনি।

আপনি কার্যোদ্ধারের প্রয়োজনে তোলা দিয়েছেন। মানে, মনে মনে বিরক্ত হলেও দিতে বাধ্য হয়েছেন। বাড়িতে একান্তে ফিসফিস করে সে নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেন। কিন্তু সেটা করেন গোপনে, সন্তর্পণে।

পাশের বাড়ির নতুন আবাসিক তোলা দিলেন না। দেখে আপনি শুরুতে চমৎকৃত হলেন। একটু ঈর্ষান্বিতও, সম্ভবত।

আর তারপর যখন গুণ্ডাবাহিনী এসে পড়শির উপর চড়াও হলো, তখন আপনি ঠিক খুশি না হলেও মোটের উপর বেশ আশ্বস্ত হলেন। ফিসফিস করে পরিজনকে বললেন, দেখেছ তো, আগেই জানতাম, আর জানতাম বলেই আমি ঝামেলায় জড়াইনি। আমার কাজ চাকরি করা – ছেলেমেয়ে বড় হচ্ছে, তাদের মানুষ করা – এমন করে মানুষ করতে হবে যাতে ওদের এই ওয়েস্টবেঙ্গলে পড়ে থাকতে না হয় – এই ঝুট-ঝামেলা কি আমাদের পক্ষে সম্ভব? আগেরদিনই বাজারে যখন দেখা হলো, পড়শিবাবুকে বললাম, আর বলবেন না, যা অবস্থা, আমিও তো চাইনি দিতে, কিন্তু জলে থেকে কুমিরের সঙ্গে বিবাদ…

তো সে যা-ই হোক, মারধরের প্রতিবাদ তো দূর, আপনার প্রতিবেশীর পাশে থাকার চেষ্টাটুকুও আপনি করলেন না। এমনকি তিনি যখন থানায় যাবার সময় আপনাকে ডাকতে এলেন, আপনি ভেতরের ঘরে লুকিয়ে থেকে ছেলেকে দিয়ে বলে পাঠালেন যে আপনি বাড়িতে নেই। আপনাকে দেখে, আপনার আচরণ দেখে ছেলে একটু অবাক হলো বটে, তবে এ-ও সত্যি যে ‘বড় হয়ে ওঠা’-র পক্ষে একটা মোক্ষম শিক্ষা সে ওইদিনই পেয়ে গেল।

যেহেতু এক হাতে তালি বাজে না, সেহেতু এটুকু বলাই যায় যে, এই তোলা-সাম্রাজ্য সচল রাখার পেছনে আপনার – আপনাদের – অবদান কিছু কম নয়।

তো কাজের কথায় আসি। দেবাশিস হালদার, অনিকেত মাহাতো এবং আসফাকুল্লা নাইয়া – জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের তিন গুরুত্বপূর্ণ মুখ। সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁরা ঠিক কোথায় কাজ করতে আগ্রহী, সে নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের কাউন্সেলিং হয়েছিল। সেই কাউন্সেলিং-এ কর্মস্থল বাছার পর তাঁদের এই মর্মে বন্ড জমা দিতে হয় যে এরপর তাঁরা কিছুতেই অন্য কোথাও পোস্টিং চাইতে পারবেন না। সমস্ত জুনিয়র ডাক্তার – সিনিয়র রেসিডেন্ট-রা – এরকমভাবে কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে নিজ নিজ কর্মস্থল বেছে নিয়েছিলেন। সকলেরই পোস্টিং হয়েছে সেই সেই জায়গায়।

শুধু এই তিনজন বাদে।

এঁদের পোস্টিং দেওয়া হয়েছে তাঁদের বাছা হাসপাতাল থেকে ভিন্ন হাসপাতালে। তিনজনেরই পোস্টিং হয়েছে অপেক্ষাকৃত দুর্গম (যাতায়াতের সুবিধে-অসুবিধের হিসেবে) জায়গায়।

ঠিকই। প্রতিবাদী হয়ে ওঠার মতো “খারাপ উদাহরণ” যত কম তৈরি হতে দেওয়া যায়, ততোই ভালো। এবং প্রতিবাদ করার ও “কথা না শোনার” পরিণাম সবার জন্য চোখে আঙুল দিয়ে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সরকার একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন – সঠিক বলতে বর্তমান সরকারের ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে মানানসই ও সাযুজ্যপূর্ণ।

আপনিও, দেখুন, ছাপোষা মানুষ আফটার অল, চাকরিবাকরি করেন, ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হয়, প্রতিবাদ বা পলিটিক্স আপনার কাজ নয়, আর তাছাড়া ছেলেগুলোরও বোঝা উচিত যে আগুন হাত দিলে হাত তো পুড়বেই… আর তাছাড়া ব্লা ব্লা ব্লা…

তো আপনার যুক্তিগুলো খুবই স্পষ্ট। আপনাদের মতো লোকজনের কাছে গ্রহণযোগ্যও সম্ভবত।

তারপরও বিনীত অনুরোধ এই, যে, আপাতত এই মুহূর্তে… হ্যাঁ, ঠিক এই মুহূর্তেই, আপনি শুধু এইটুকু সিদ্ধান্ত নিন –

ভয়ের সাম্রাজ্য ও ভয়-দেখানোর রাজত্ব জারি রাখার তালিটি অবাধে বাজতে পারার জন্য আপনার হাতটি সরকারের দোসর হতে ধার দেবেন?

নাকি ওই হাত এখন রাগে-ঘেন্নায়-বিরক্তিতে প্রতিবাদে মুষ্টিবদ্ধ হবে?

PrevPreviousঊর্মিমুখর: তৃতীয় পরিচ্ছেদ
Nextওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট- এর আহ্বানNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617896
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]