Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সুন্দরবন : নতুন চোখে

WhatsApp Image 2025-06-06 at 1.21.29 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 8, 2025
  • 8:09 am
  • 9 Comments

আরও একটা পরিবেশ দিবস এলো এবং ধীরেসুস্থে চলেও গেল। প্রচূর সভা সমাবেশ সেমিনার মিছিল পদযাত্রা ইত্যাদি হলো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাঠে নেমে হাতে কলমে কাজ‌ও যে হয়নি তা অবশ্য নয়। প্রতিদিন আমাদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে যে মানুষেরা সবজি দিয়ে যায় তাঁদের একজন হলেন সুকুর আলি। গতকাল‌ই বলে গিয়েছিল – বেশি করে সবজি নে রাখো , বেস্পতিবার আর শুক্কুরবার আসব না। “শুক্কুরবার না হয় তোমাদের পরব আছে বকরি ঈদ, কিন্তু বেস্পতিবার কী আছে?– আমার প্রশ্ন শুনে মুখে মুচকি হাসি খেলিয়ে সুকুর ভাই বলে, “ঐদিন‌ও তো পরব আছে আমাদের। তোমরা কি সব বলোনা পরিবেশ দিবস না কি ! আমরা গেরামের সবাই মিলে ঠিক করেছি ঐ দিন জমির আল বরাবর ফলের গাছ লাগাবো। এতে কোনো ফায়দা গাছকে গাছ, আবার ফল‌ও মিলবে কয়েক বছর পর। কিছু মনে করোনা কাকা! তোমাদের মতো শহুরে ফ্ল্যাট বাবুদের সাথে মাটির কোনো যোগাযোগ নাই ,তাই গাছ মাটি এসব নিয়ে তোমাদের কোনো মাথা ব্যাথাই নাই।” সুকুর ভাইয়ের কথার কোনো প্রতিবাদ করিনা, জানি কথাগুলো প্রায় একশো শতাংশ খাঁটি কথা।  সুকুর ভাই ভ্যান রিক্সা হাঁকিয়ে চলে যেতেই ঘরে এসে বসি। দিন কয়েক আগে শ্রীনাথ দা খবর পাঠিয়েছেন যে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাদা বন সংলগ্ন এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এক নয়া আন্দোলন দানা বাঁধছে একটু একটু করে। সুন্দরবন নামটা উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জালের মতো বিছিয়ে থাকা অসংখ্য নদী আর আঁকাবাঁকা খাঁড়ি পথ, অগণিত ছিন্নমূল বানভাসি মানুষ ও তাঁদের কঠোর জীবনসংগ্রামের ছবি। আমাদের রাজ্য তথা গোটা দেশের অন্যতম প্রধান সংবেদনশীল প্রাকৃতিক অঞ্চল হলো এই সুন্দরবন। এখানে স্বপ্নের পশরা সাজিয়ে আসে জোয়ারের জল ; আবার ভাঙন‌ও আসে ঐ জোয়ারের হাত ধরেই। এখানে আবাসিক মানুষদের জীবনের হাসি -কান্না সব‌ই জোয়ারের সঙ্গে বাঁধা। এই সুন্দরবনের মাটিতেই শুরু হয়েছে নতুন এক সংগ্রাম, সুন্দরবনকে রক্ষার কর্মযজ্ঞ। সে কথাই বলতে বসেছি। এই কাজে মায়েরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।   প্রশ্ন করেছিলাম মালতী দেবীকে। মাঝ বয়সি গ্রাম্য গৃহবধূ। নিবাস পাথরপ্রতিমা ব্লক। গোবাধিয়া নদীর কোল ঘেঁষে তাঁদের গ্রাম। এই নদীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ঠিক যেন মা আর সন্তানের মতো। এই নদী হলো একাধারে তাঁদের গ্রামের মানুষের জীবনরেখা আবার সর্বনাশী। ২০২০ সালের বিধ্বংসী আমফান ঝড়ের স্মৃতি আজও আতঙ্কে তাড়িয়ে বেড়ায় মালতী দেবীকে। “আমাদের গ্রামে ফি বছর বন্যা আসে জমিদারের প্যায়াদার মতো, যেন খাজনা আদায় করতি আসে। সমুদ্দুর তখন আমাদের শত্তুর। নদী পাড়ের বাঁধ টপকে জল উঠি আসে ঘরের উঠোনে। কষ্টেসৃষ্টে গড়ে তোলা সব নিমেষেই ভেঙে ভেসে তচনচ্।”–মালতীর কন্ঠে কথা সরেনা। এতোদিন পরেও চোখেমুখে আতঙ্কের অন্ধকার নেমে আসে। এতো কালের অভিজ্ঞতা থেকে মালতী দেবী বুঝেছেন যে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই মেটাতে উদ্যোগী না হলে সমস্যা কোনোদিন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। তাই মালতীরা কোনো রকম সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষা না করেই দল বেঁধে যুদ্ধে নেমে পড়েছেন গ্রাম রক্ষার কাজে। তবে এই যুদ্ধে তাঁদের হাতিয়ার কোনো ঢাল, তরোয়াল কিংবা লাঠিসোটা নয় তাঁদের অস্ত্র হলো গর্জন,গরান আর কেওড়া – সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যের তিন অতন্দ্র প্রহরী। মালতীরা জানেন যে এদের ওপর গ্রাম সুরক্ষার ভার দিলে তাঁরা সুনিশ্চিত নিরাপত্তা লাভ করবেন। এইসব গাছগুলো নিজেদের শিকড়ের সাহায্যে মাটি আঁকড়ে ধরে রাখে , মাটির ক্ষয় রোধ করে। এরফলেই বাঁধ স্থায়ীভাবে জল আটকে রাখে। পরিচিত অসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন CRY এর সহযোগী হিসেবে কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সদস্যরা জোয়ারের জলে ভেসে আসা ম্যানগ্রোভ গাছের বীজ সংগ্রহ করে এই কাজের জন্য গড়ে তুলেছেন ১০০০০ চারাগাছের এক নার্সারি। এই গাছের চারা গ্রাম লাগোয়া অঞ্চলে রোপণ করে বনরক্ষার ক্ষেত্রে এক দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ স্থাপন করেছেন তাঁরা।

সুন্দরবন অঞ্চলে সমাজভিত্তিক বনসৃজনের উদাহরণ হিসেবে আজ মালতী দেবী ও তাঁর সহযোগী মহিলাদের এই উদ্যোগ নতুন দিশা দেখাতে শুরু করেছে। একেবারে গোড়ার দিকে নিছকই একটি কল্যাণমূলক সামাজিক প্রকল্প হিসেবে গণ্য করা হলেও আজ তা একটি অর্থকরী প্রচেষ্টায় পরিণত হয়েছে। এখানকার নার্সারিতে তৈরি চারাগাছ বিক্রি করে বেশ খানিকটা অর্থ রোজগার করছেন তাঁরা। “আমাদের উত্তর প্রজন্মের নাগরিকদের জন্য এই সুন্দরবনকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে।” – মালতী দেবীর কথায় প্রত্যয় ঝরে পড়ে। মালতী দেবী জানেন গাছের হাত ধরেই মিলেছে নতুন স্বীকৃতি । তাই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গাছেরা হয়ে উঠেছে তাঁদের স্বনির্ভরতার প্রতীক।মায়েদের এই সংরক্ষণমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন রক্ষা পেয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গাছেরা , ঠিক তেমনই গাছেদের নিশ্চিন্ত ছায়ায় বেড়ে উঠছে গ্রামের আগামী প্রজন্ম। সংসারে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য আসায় ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ পেয়েছেন মালতীরা।

সাতের বছরের সৌম্যদীপ ভুঁইঞার স্মৃতিতে ২০০৯ সালের ভয়ঙ্কর আয়লা ঝড়ের কথা তেমন উজ্জ্বল নয় বটে, তবে সেই ঝড় তাদের গ্রামের আনাচে কানাচে যে ক্ষতচিহ্ন এঁকে দিয়ে গেছে তা থেকেই সে আন্দাজ করতে পারে ঝড়ের ভয়াবহতা। সৌম্যদীপ আজ সবুজ সেনানী। গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে সে এবং তার বন্ধুরা প্রচার করে চলেছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা।

সৌম্যদীপ একা নয়। কাজলা জনকল্যাণ সমিতির সহায়তায় আজ প্রায় ৩০০ জন সদস্যের তরুণ প্রজন্মের সবুজ সেনানী জঙ্গল বাঁচাতে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। শুরু হয়েছে পরিবেশ পরিচর্যার বিশেষ প্রশিক্ষণ।খালি আবেগ দিয়ে নয়, সবুজ সেনানীরা সুন্দরবনকে বাঁচাতে চায় আধুনিক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও ধারনার ওপর ভর করেই। গাছ বাঁচানোর পাশাপাশি প্রচার চলছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও প্লাস্টিক দূষণের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়েও।এক নবজাগরণের পর্ব শুরু হয়েছে সুন্দরবনের এই অঞ্চলকে ঘিরে।এখানেই শেষ নয়। রঘুনাথপুর সরস্বতী ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের সংলগ্ন জমিতে ডালপালা মেলে মাথা উঁচিয়ে বেড়ে উঠেছে ৩০০ ফলের গাছ। গ্রামের মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিই দেখাশোনা, পরিচর্যা করে এই গাছগুলোর। এই গাছের ফল একদিকে গ্রামের শিশুদের পুষ্টি জোগানোর সাথে সাথে মহিলাদের আর্থিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই সব প্রকল্পের হাত ধরে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ঝঞ্ঝা বিধ্বস্ত সুন্দরবনের একাংশের মানুষ। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন গ্রামের উন্নয়ন মানে তাঁদের‌ই উন্নয়ন। তাই এই কাজে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছেন গ্রামের নানান বয়সের মানুষেরা।

জলে ঢিল ছুড়লে যেমন চারিদিকে ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে ঠিক তেমনি পাথরপ্রতিমার মানুষদের ভিন্ পথে হাঁটার খবরটা ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে সুন্দরবনের অন্যান্য অঞ্চলে। মগরাহাটেও CRY এর সহযোগিতায় শুরু হয়েছে নতুন এক কর্মযজ্ঞ। মগরাহাটের ঋজু নায়েক, পল্লবী নস্কররা স্বপ্ন দেখছে নতুন ভোরের। গ্রামে এখন বসেছে সোলার প্যানেল।সেখান থেকেই মিলছে বিদ্যুৎ। নতুন আলোকে সাক্ষী রেখে এখন সেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ। ১২০ জন নবীন শিক্ষার্থী শিখছে পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখার নানান কৃৎ কৌশল। স্কুলের বাঁধা রুটিনের বাইরে বেরিয়ে এসে এই জীবন শিক্ষায় একটু করে সচেতন হয়ে উঠেছে তারা। এখানকার প্রশিক্ষকদের দৃঢ় বিশ্বাস যে আগামী দিনে এই নতুন ভাবনার ভরপুর শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই সত্যি সত্যিই বাদাবনের ব্রাত্যভূম নতুনভাবে জেগে উঠবে। ওদের সাথে আমরাও আশাভরা চোখে তাকিয়ে থাকবো ওদের জাগর গান শোনার জন্য।

কৃতজ্ঞতাঃ ডাউন টু আর্থ পত্রিকা।

জুন ০৬ . ২০২৫.

PrevPreviousএ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
Nextঊর্মিমুখর: দশম পরিচ্ছেদNext
4.7 6 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
9 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Abhradeep Roy
Abhradeep Roy
1 year ago

দুর্দান্ত খবর! অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ! এবার এরকম উদ্যোগ নেওয়ার দরকার ছোটো বড়ো শহরগুলোতেও। জীবনযাত্রার মান ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। সুন্দরবনে মানুষের জীবন তছনছ হয়ে যায় আকস্মিক ঝড়ে। আর শহরে সেটা হচ্ছে তিলে তিলে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Abhradeep Roy
1 year ago

সুদূর প্রবাস থেকে নিজের ভালোলাগার কথা তুলে ধরার জন্য খুব ভালো লাগলো। এও এক আন্দোলন । মাটির কাছাকাছি থেকে মাকে জড়িয়ে, তাঁকে বাঁচানোর লড়াই। সুন্দরবনের বনরাজির আত্মত্যাগের বিনিময়ে ঝড়ের দাপট প্রশমিত হয়। এমন প্রয়াস সকলের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক।

0
Reply
রাহুল মুখোপাধ্যায়
রাহুল মুখোপাধ্যায়
1 year ago

আশাজাগানো কাজ। জল-জঙ্গল-জমির উপর কর্পোরেট আগ্রাসনের বিপরীতে এক সুন্দর নজির।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  রাহুল মুখোপাধ্যায়
1 year ago

রাহুল বাবুকে ধন্যবাদ জানাই। পাঠকের সুচিন্তিত মতামত গোটা আয়োজনকেই মহিমান্বিত করে। গ্রামের মহিলাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যদি ঐ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা সুস্থিত হয় তাহলে তার থেকে বড়ো আনন্দের আর কিছুই হয় না। সাবাসি জানাই এই প্রকল্পের রূপকারদের।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
1 year ago

মন ভালো করা খবর।বড় বড় কথায় কাজ নেই।এভাবে মাটির মানুষদের হাতেই সূচনা হোক নব প্রভাতের।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 year ago

খবরটা প্রথম পড়ার সময়‌ই মনটা বেশ চনমনিয়ে উঠেছিল। তখনই মনে মনে ঠিক করেছিলাম এই ভালোলাগার খবরটা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবো। সুকুর ভাইয়ের কথায় যে সত্যতা আছে তাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। এভাবে একটু একটু করে সবাই মিলে কাজ শুরু করলে পৃথিবীর চেহারা বদলে যাবে। কাজের সুফল ধরে রাখতে হবে।
ধন্যবাদ মতামত জানাবার জন্য।

0
Reply
Sandip
Sandip
1 year ago

❤️

0
Reply
R Gupta
R Gupta
1 year ago

Oshadharon udyog ! Aajker diney otyonto prashongik. Erokom udyog aro baruk Sunderbans e, eii kamona kori. E chhada banchar ar path nei !

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  R Gupta
1 year ago

সুন্দরবন এলাকায় বেশ কিছু গ্রামীণ উদ্যোগ জারি আছে। মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের কাজে লাগবে এমন উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হয়।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

June 19, 2026 No Comments

মাথাভাঙ্গার মাসিক স্বাস্থ্য শিবির শেষ করে শ্রমজীবীর টিম রওয়ানা হল মাথাভাঙ্গা স্টেশনের দিকে। আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে’ রাঙা হয়ে উঠেছে পশ্চিমাকাশ। রাস্তার দু ধারে ঘন

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

June 19, 2026 No Comments

(এক) বাস্তব ঘটনাই সবচেয়ে ভালো শিক্ষক। অসংখ্য লেখালেখি বা বক্তৃতা যা বোঝাতে পারে না, চোখের সামনে ঘটতে থাকা ঘটনাবলী তা অতি অল্প সময়েই বুঝিয়ে দেয়।

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

June 19, 2026 No Comments

১. আমার কিশোর বেলার এক মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা আজ মনে পড়লো। সমীর দা,সমীর সেনগুপ্ত নামে আমাদের পাড়ার এক সিনিয়র দাদা ছিলেন। ছ’ফুটের ওপর লম্বা, রীতিমতো

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

June 18, 2026 No Comments

১৬ জুন, ২০২৬, সন্ধ্যায় এএইচএসডি-র সাত সদস্যের এক প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্যভবনে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানায়, সার্ভিস

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

June 18, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

আঁধারের শেষ যেখানে (চা বাগান পর্ব, কার্শিয়ং)

Gopa Mukherjee June 19, 2026

ভোটুরে রাজনীতির সার্কাস বেশ জমে উঠেছে!

Dipak Piplai June 19, 2026

কিশোর বেলার স্মৃতি, সমীর দা এবং টিটেনাস

Somnath Mukhopadhyay June 19, 2026

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ এইচ এস ডি-র প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকার

Association of Health Service Doctors June 18, 2026

ফেয়ারনেস ক্রিম কতটা ক্ষতিকর?

Dr. Koushik Lahiri June 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

632900
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]