Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

হেথাক তুদের মানাইছে না গো….

DC
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • September 2, 2025
  • 7:06 am
  • No Comments

….ইক্কেবার মানাইছে না গো ! একটা জনপ্রিয়তম গানের কলি। গানখানি লেখার পর স্বয়ং গীতিকার ও গায়কের মুখেই দূর লালপাহাড়ির দেশে, রাতুল রজ বিছানো জমিনে বসে শুনেছিলাম এটি।সে ছিল জীবনের এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

যেখানে যেমন সেখানে তেমনটি না হলেই বুঝি তৈরি হয় যতোসব বিসম্বাদ, বেমানান বস্তুটিকে ঘিরে তৈরি হয় দ্বন্দ্ব আকচাআকচি। রাঙামাটির দেশের মহুল গাছকে ইস্টিশনের প্লাটফর্মের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে প্রয়াত কবি অরুণ চক্রবর্তীর‌ও ঠিক্ এমনটাই মনে হয়েছিল।

‌সমাজের বহুদিনের চেনা সংজ্ঞাটা ইদানিং একদম বদলে গেছে। এই বদলটা আমরা সবাই বুঝতে পারি। ঘরের মধ্যে ঘর তৈরির মতো, এখন আমাদের চেনা চলমান সমাজের মধ্যেই গড়ে উঠেছে বহু অণু সমাজ । আকাশছোঁয়া বাড়ির সারিতে ঘিরে থাকা সব বাহারি নামের হাউজিং সোসাইটি । চারপাশের চলতি, খানিকটা আটপৌরে সমাজ থেকে বিলকুল আলাদা এইসব মাথা তোলা হাউজিং সোসাইটির অন্দরমহল। এমন‌ই এক সোসাইটির সাজানো গোছানো পরিসরে গুটিকয় নাম গোত্রহীন  সারমেয় সন্তানের অনুপ্রবেশ এবং তাদের প্রতি কিঞ্চিত সদয় হবার কারণে জনৈকা আবাসিকের ওপর ১.৩ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। এমন এক ফরমান জারি হয়েছে ফরিদাবাদের এক হাউজিং সোসাইটির রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের তরফ থেকে। আসুন আরেকটু বিস্তারিত ভাবে খোঁজ করে দেখি।

সম্প্রতি প্রকাশিত টাইমস্ অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে ফরিদাবাদের সেক্টর ৮৬ ‘র প্রিন্সেস পার্ক হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দা দিব্যা নায়ার । একটি অসরকারি ফার্মে কর্মরতা তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, তিনি ২০২২ সাল থেকে সোসাইটির প্রাকার ঘেরা অভিজাত পরিসরের ভেতরে ভবঘুরে সারমেয়দের খাওয়াচ্ছেন, যা সোসাইটির আভিজাত্য ও মর্যাদার পরিপন্থী। সোসাইটিতে আবাসিকরা তাঁদের পোষ্যদের নিয়ে ঘুরবেন, হেঁটে চলে বেড়াবেন – তা নয়, যতোসব নেড়ি কুকুরের ভিড় আবাসিকদের শান্তিময় যাপনে বাধা তৈরি করছে! এমন অনাচার অসহনীয়।এসোসিয়েশনের আধিকারিকদের দাবি,  সোসাইটির কুকুরদের খাবার দেবার জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করা থাকলেও শ্রীমতি নায়ার সেসব উপেক্ষা করে বেড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট পার্ক, পার্কিং লট, বাস্কেটবল কোর্ট এবং অন্যান্য অননুমোদিত জায়গায় তাদের খেতে দিচ্ছেন। কুকুরেরা তো পরিপাটি করে খেতে পারে না। তাঁর ওপর খাবারের বখরা নিয়ে ইতরদের মতোই ঝগড়া,বিবাদ, মারামারি করে। তাঁদের অভিযোগ এরফলে অন্যান্য বহুমূল্য আবাসিকদের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। নিজের খেয়াল মেটাতে গিয়ে দিব্যা অন্যদের শঙ্কিত করছেন। এই অপরাধের কারণে দিব্যা নায়ারের ওপর মোটা অংকের জরিমানা ধার্য করা তো হয়েছেই, পাশাপাশি মহিলা বাউন্সার দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়েছে।শাসানো হয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের। দিব্যা তাই টুইটারে এসব কথা জানাতেই একেবারে অগ্নিতে ঘৃতাহুতি! সত্যিই পুণ্য’দা কি বিচিত্র এই দেশ!প্রিন্স পার্কের ঘটনা নিয়ে এখন আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের মতে , সোসাইটির এভাবে জরিমানা ধার্য করার কোনো বৈধ এক্তিয়ার নেই। অবশ্য যতক্ষণ না পর্যন্ত দিব্যার পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হচ্ছে , তাঁদের নাকি কিছুই করার নেই। পথ সারমেয়দের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছে। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে পথ সারমেয়দের নির্বীর্জকরণের পর ছেড়ে দিতে হবে। যতদিন না তা সম্ভব হচ্ছে ততদিন রোগগ্রস্ত ও আক্রমণাত্মক স্বভাবের কুকুরদের শেল্টার হোমে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে বাধ্যতামূলক ভাবে। দিব্যা নায়ার জানিয়েছেন যে এই মুহূর্তে সোসাইটি এলাকায় প্রায় ৪০ টি পথ কুকুর খাবারের অভাবে ধুঁকছে। একদিকে আইন আর অন্যদিকে পশুদের প্রতি স্নেহ পরবশতা – গোটা বিষয়টিকেই ঘোরতর ঘোরালো করে তুলেছে সারা দেশেই। একালের সোসাইটি তার মূল্যবান গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন – এটাই স্বাভাবিক তাতে এতো কালের সহাবস্থানের আদর্শকে আঁকড়ে ধরে বিবাদ বাড়িয়ে লাভ কি! এই ব্যস্ততায় ভরা সময়ে এসব পেটি বিবাদ নিয়ে সময় কাটানোর কোনো মানে হয় ? …হেথাক তুদের মানাইছে না গো! যা না ক্যানে আস্তাকুঁড়ে।

লেখাটা এখানেই শেষ করে সম্পাদকীয় দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে অপেক্ষা করছিলাম ছাপানো অক্ষরে সকালেই তাকে দেখতে পাবো বলে। কিন্তু নতুন করে কিছু কথা কানে যেতেই আবার পুনরায় মূষিক হতে হলো। ভাবছেন তো এই ভাবান্তরের হেতু কি? বলছি।

ভারতীয় সমাজ কি ক্রমশই অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে? – এমনটাই জিজ্ঞাসা সুপ্রিম কোর্টের মাননীয়া বিচারপতি জাস্টিস নাগারত্নার। চিরকালের ভারতীয় সমাজ মানুষ ও পশুর সহাবস্থানের আদর্শকে আঁকড়ে ধরেই পথ চলতে অভ্যস্ত। অথচ ইদানিংকালে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনাসূত্রে এমন প্রশ্ন বারবার ঘুরে ফিরে সামনে আসছে – আমরা কি সহনশীলতার , সহাবস্থানের আদর্শকে বর্জন করে সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলেছি? কেরালার রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে মানুষ – “বন্যপ্রাণী সংঘাত ও সহাবস্থান “ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় জাস্টিস নাগারত্না এমন প্রশ্ন‌ই ছুঁড়ে দিয়েছেন অতিথি, অভ্যাগতদের উদ্দেশ্যে। অত্যন্ত সঙ্গত প্রশ্ন সন্দেহ নেই।

আমরা ক্রমশই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছি। টেকনোলজির কল্যাণে পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় আনতে গিয়ে আমরা হারিয়ে ফেলেছি আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিমণ্ডলের প্রাণস্পর্শী যাপনের বৈভবী অনুষঙ্গকে। আর হয়তো এই কারণেই আমাদের চারপাশে বিচরমান সারমেয় লালু, কালু, ভুতো,ভোম্বলরাও অসহনীয় হয়ে উঠেছে আমাদের কাছে। আধুনিক যাপন অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে আমাদের কাছ থেকে। সেকেলে আদর্শের প্রতি আর কেইবা দায়বদ্ধতা দেখাবে? জাস্টিস নাগারত্নমকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানাই যে অন্তত তিনি আমাদের গৌরবময় পরম্পরার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে।

আগস্ট ৩১ ,২০২৫.

PrevPreviousকুমির সাহেব
NextTo the People of West Bengal and India, To the Free Press, To the Conscience of the NationNext
5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620223
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]