টেস্ট ক্রিকেটের রেকর্ড ব্রেকিং চারশো রানের ইনিংস খেলার সময় ব্রায়ান লারার বয়েস ছিল মাত্র চৌত্রিশ বছর। আপনি ক্ষেপে গিয়ে বলতেই পারেন, “এটা কোনো কথা হল? মাত্র চৌত্রিশ মানে?খেলোয়াড়দের কীর্তিকান্ড তো অল্প বয়েসেই হবে।” বেশ মেনে নিলাম। What about ইউরি গ্যাগারিন? মহাকাশ ভ্রমণের সময় তাঁরও বয়েস ছিল মাত্র সেই চৌত্রিশ। ছাড়ান দেন। কিউবা রেভলিউশনের সময় চে গেভারার বয়েস কত ছিল? মাত্র চৌত্রিশ। পথের পাঁচালী বানানোর সময় সত্যজিৎ এর বয়েস ছিল সেই চৌত্রিশ। এসব খেলোয়াড়, ফিল্ম মেকার, বিপ্লবীদের কাহিনী যদি আপনার ভালো না লাগে, প্রথাগত ভালো ছেলের কাহিনী শোনাই। হাইসেনবার্গ, পৃথিবী বিখ্যাত পদার্থবিদ। নোবেল প্রাইজটা পকেটে ঢোকানর সময় তাঁর বয়েস আরো কম, মাত্র একত্রিশ। এর চেয়েও কম বয়সে হেমিংওয়ে লিখে ফেলছেন তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ফেয়ারওয়েল টু আর্মস। অতএব বোঝা যাচ্ছে যে যারা বলেন অল্পবয়সীদের দিয়ে কিছু হয় না তারা আসলে ভুল বলেন। বয়েস বাড়লে অভিজ্ঞতা বাড়ে ঠিকই, কিন্তু বোধহয় তার সাথে পাল্লা দিয়ে যেটা কমে যায় সেটা হল সাহস। আপনি ভ্রু কুঁচকে বলতেই পারেন, ওটা সাহস নয়, দুঃসাহস। বেশ মেনেই নিলাম। দুঃসাহস। হতাশ সিনিক, মহাজ্ঞানী পক্ককেশদের চেয়ে এই কাঁচা চুলের লোকজনরা অনেক প্রিয়, হোক না তারা “দুঃসাহসী”, হোক না “হঠকারী”। পৃথিবীটা বদলানোর চেষ্টায় যদি কিছু হয় তবে এদের দিয়েই হবে। সঙ্গের ছবিটা অভয়া আন্দোলনের তিন তরুণ মুখ তিন তরুণ চিকিৎসক আসফাকুল্লা, অনিকেত, আর দেবাশীষ এর।

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি
সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত









বেশ ।মেনে নিলাম , উৎসাহ যোগানোর লোকও তো থাকতে হবে।চালাও….চালাক পানসি। অনিকেত অনিরুদ্ধ ইতি আদি।।