Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডায়াবেটিসের অ থেকে চন্দ্রবিন্দুঃ পর্ব ৫ (ইনসুলিন আবিষ্কার)

Diabetes symbol
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • March 19, 2020
  • 10:15 am
  • One Comment

আজকে বরঞ্চ একটা গল্প শোনাই।

এলিজাবেথ হুগেসের জন্ম ১৯০৭ সালে। ছোট্ট মেয়েটির গাঢ় বাদামী চুল, টানা টানা চোখ। হাসিখুশি মেয়েটি তার বাবা মায়ের নয়নের মণি। প্রজাপতির মতো বাড়ির বাগানে ঘুরে বেড়ায় আর পাখিদের সাথে গল্প করে।

তার এগারো বছর বয়সে হঠাৎ ডায়াবেটিস ধরা পড়ল। সেসয় টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে রোগীরা চিকিৎসা ছাড়া মাত্র কয়েক মাস বাঁচত। চিকিৎসাও বিশেষ কিছু ছিল না। রোগীকে প্রায় না খাইয়ে রাখা হতো। যতটা কম খাওয়ালে তার মূত্রে গ্লুকোজ অনুপস্থিত হয়।

এলিজাবেথ নীল চোখের মায়াবী বালিকা ছিল। সে ছিল লম্বায় প্রায় পাঁচ ফুট। বিয়াল্লিশ কেজি ওজন। দৈনিক ৭০০ ক্যালোরির থেকেও কম খাবার খেয়ে বছর খানেকের মধ্যেই তার ওজন দাঁড়াল ২০ কেজি।

এলিজাবেথের বাবা ছিলেন চার্লস ইভান হুগেস। তিনি ছিলেন আমেরিকার ১১তম প্রধান বিচারপতি এবং একজন নাম করা রাজনীতিবিদ। কিন্তু মেয়ের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া তার আর কিছুই করার ছিল না।

অন্যদিকে কানাডার টরেন্টোতে তখন কয়েকজন চিকিৎসক মিলে কয়েকশো কুকুরের জীবনের বিনিময়ে এক রূপকথার সৃষ্টি করছেন। রূপকথার সূত্রপাত কয়েক বছর আগেই। ততদিনে বোঝা গেছে ইনসুলিন তৈরি হয় প্যানক্রিয়াসের থেকে। বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিকেরা চেষ্টা করছেন কুকুর, শুকর সহ বিভিন্ন জন্তুর প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন আলাদা করতে।

এসময় ডাঃ ফ্রেডরিক গ্রান্ট বেন্টিং হাজির হন বিজ্ঞানী ডাঃ জে আর ম্যাক্লিওডের কাছে। ডাঃ বেন্টিংএর ধারণা ছিল যদি কুকুরের প্যানক্রিয়াসের নালী বন্ধ করে দেয়া হয় এবং এর প্রভাবে প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন কোষের ধ্বংস পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়, তারপরে যেটা অবশিষ্ট থাকবে সেটার তরলই হবে ইনসুলিন। বেন্টিং খুব কম জানতেন। তাই তিনি জানতেন না এই কাজ করতে যেয়ে কত বিজ্ঞানী ব্যর্থ হয়েছেন। এটাই তাঁর শক্তি ছিল।

ডাঃ বেন্টিং তখন ঋণে জর্জরিত হতাশাগ্রস্ত সার্জন। ডাঃ ম্যাক্লিওড জানতেন এই কাজ করতে যেয়ে কতজন ব্যর্থ হয়েছে, তবুও তিনি রাজি হলেন দুইটি কারণে।

প্রথমতঃ বেন্টিং বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধ ক্যাম্পে সার্জারি করেছেন, তাই সেই সময় তিনি যে পরিমাণ সার্জারি শিখেছেন, কোন ডাক্তার শান্তিকালীন সময়ে সারাজীবনেও তা পারবেন না। অতএব প্যানক্রিয়াসের নালী কাটা, সেই প্যানক্রিয়াস পরে অন্য কোন ডায়াবেটিক কুকুরের বসিয়ে পরীক্ষা করা যে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এসেছে কিনা, এই অপারেশন গুলো বেন্টিং এর মত দক্ষতা নিয়ে খুব কম মানুষ করতে পারবে। দ্বিতীয়তঃ এর আগে অনেক বিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে চেষ্টা করলেও প্যানক্রিয়াসের সব হজমকারী কোষের চূড়ান্ত ধ্বংসের পর কি হয়, এতদূর কেউ পর্যবেক্ষণ করেন নি। তাই তিনি রাজি হলেন।

ডাঃ ম্যাক্লিওডের ছাত্র ডাঃ বেস্ট এই কাজে ডাঃ বেন্টিংএর সহযোগী হলেন। ম্যাক্লিওড টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি বিভাগের ১০ বছরের পুরনো রুম খুলে দিলেন। সেই রুম বেন্টিং এবং বেস্ট জল ঢেলে পরিষ্কার করতে যেয়ে নীচের তলা থেকে অভিযোগ পেলেন জল লিক করছে। শেষমেশ তাঁরা হাঁটু গেড়ে হাত দিয়ে রুম পরিষ্কার করলেন। সেই রুমেই জন্ম নেয় ইনসুলিন।

তাঁরা প্রথমে একটি কুকুরের প্যানক্রিয়াস লাইগেট করে ম্যাক্লিওডের পরামর্শে সেটি ঠাণ্ডায় সংরক্ষণ করেন। এরপর প্যানক্রিয়াসের নালী সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হলে সেটি একটি ডায়াবেটিক কুকুরে প্রতিস্থাপন করলেন। কুকুরটি সুস্থ হল। ম্যাক্লিওড এবার যোগ দিলেন। তিনি পুরো প্রক্রিয়া আবার করতে বললেন। ফলাফল একই এল। এবার চূড়ান্ত ধাপ। প্যানক্রিয়াস থেকে এই ইনসুলিন আলাদা করে মানুষে ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে। বেশ কয়েকজন এই ধাপে ব্যর্থ হয়েছেন এর আগে। এই সময় রকফেলার ইন্সটিটিউট ভ্রমণ বৃত্তি পেয়ে কানাডায় এসেছেন বায়োকেমিস্ট কলিপ। তিনি বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে তরল বের করে প্রাণীদের সেই তরল ইনজেকশনের মাধ্যমে দিয়ে সুস্থ করেছেন। ম্যাক্লিওড তাঁকে একই কাজটা কুকুরের নালী বিহীন প্যানক্রিয়াস থেকে তরল ইনসুলিন বের করে মানুষে প্রয়োগ করতে বলেন। অবশেষে- বেন্টিং, বেস্ট, ম্যাক্লিওড এবং কলিপ প্রস্তুত।

১৪ বছর বয়সী ডায়াবেটিসের রোগী থম্পসনের দেহে প্রথম ইনসুলিন দেয়া হল। কিন্তু তার কোন উন্নতি হল না, বরং ইনজেকশনের জায়গায় ঘা হয়ে গেল। সবাই হতাশ হলেন। কিন্তু গ্রন্থি থেকে প্রাপ্ত তরল জীবনের উপযোগী করতে ওস্তাদ কলিপ হার মানলেন না। টানা বারো দিন জেদ ধরে গবেষণা চালিয়ে ইনসুলিনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশুদ্ধ করে ছাড়লেন। আবার থম্পসনকে ইনসুলিন দেয়া হল। ব্লাড সুগার বিস্ময়কর ভাবে কমে গেল। পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে থম্পসন ডায়াবেটিস নিয়েই স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন। সারা বিশ্বে এই খবর ছড়াল।

 

 

 

 

১৯২২ এর ছবি। এক রোগীকে ইনসুলিন দেওয়ার আগে ও পরে।

সেই খবর আমেরিকায় এসে পৌঁছল। এলিজাবেথ হুগেসের বাবা আর মা ততদিনে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ফুলের মতো মেয়েটিকে দিনে দিনে চোখের সামনে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।

এলিজাবেথের মা মেয়েকে নিয়ে টরেন্টোতে হাজির হলেন। ডাঃ বেন্টিং প্রথমে এলিজাবেথকে ইনসুলিন দিতে রাজি ছিলেন না। এলিজাবেথ তখন প্রায় মরণাপন্ন। এলিজাবেথের বাবা চার্লস ইভান হুগেস তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বেন্টিংকে রাজি করালেন।

এলিজাবেথ ইনসুলিন পেল। বাকিটা ইতিহাস। যে মেয়ে এতদিন ৭০০ ক্যালোরির ডায়েটে ছিল, তাকে ২২০০- ২৪০০ ক্যালোরির খাবার দেওয়া হল। তাতেও তার মূত্রে গ্লুকোজের উপস্থিতি পাওয়া গেল না। এক বছরের মধ্যে এলিজাবেথ আবার সেই আগেকার হাসি খুশি মেয়ে হয়ে উঠল।

এলিজাবেথ হুগেস ৭৪ বছর পৃথিবীতে সুস্থ জীবন কাটিয়ে মারা যান ১৯৮১ সালে। এই দীর্ঘ জীবনে তিনি অন্তত ৪২,০০০ বার ইনসুলিন ইনজেকশন পেয়েছেন।

ম্যাক্লিওড এবং বেন্টিং ১৯২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ততদিনে বেন্টিং ও ম্যাক্লিওডের মধ্যে মনমালিন্য শুরু হয়েছে। বেন্টিং, বেস্ট নোবেল না পাওয়ায় রেগে যান। তিনি তাঁর পুরস্কার বেস্টের সাথে ভাগ করে নেন। ম্যাক্লিওড তাঁর পুরস্কার কলিপের সাথে ভাগ করেন।

PrevPreviousএক ডাক্তারবাবু আর একজন সরকারি আমলার পুত্রের গল্প
Nextশেকল ছেঁড়োNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Rajashree Upadhyaya
Rajashree Upadhyaya
6 years ago

Koto suphol koto sohoje bhog kori amra. Koto manusher moronpon lorai ache er pichone

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

বাঁধ ভেঙে দাও……

June 16, 2026 1 Comment

সকলের খুব পরিচিত এক কবিতার দুটি চরণকে বদলে নিয়ে বলি – নদীকে আপন খাতে বহিবার / কেন নাহি দিবে অধিকার? বৃহত্তর মানবকল্যাণের নামে, নদীর স্বাভাবিক

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

June 16, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

বাচ্চা বন্ধের অপারেশানের পরেও কী ভাবে মা হবেন?

June 16, 2026 No Comments

কিছুই বলতে চাইছি না

June 15, 2026 No Comments

কোন একটা হিন্দি সিনেমার একটা দৃশ্য মনে পড়ল। খোলা গর্তের পাশে দাঁড়িয়ে এক মাতাল গর্তের দিকে আঙুল তুলে জড়ানো গলায় বলছে – পঁচ্‌চিশ, পঁচ্‌চিশ… কোনও

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চ।

সাম্প্রতিক পোস্ট

বাঁধ ভেঙে দাও……

Somnath Mukhopadhyay June 16, 2026

অভয়া মঞ্চের অনীক-স্মরণ

Abhaya Mancha June 16, 2026

বাচ্চা বন্ধের অপারেশানের পরেও কী ভাবে মা হবেন?

Dr. Indranil Saha June 16, 2026

কিছুই বলতে চাইছি না

Dr. Bishan Basu June 15, 2026

অভয়া মঞ্চের প্রলয়-স্মরণ

Abhaya Mancha June 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631497
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]