। একটু বলুন, প্লিজ।
ধরা যাক, আজ শেষরাতে আরেকটি ডাক্তার মেয়ে,
টানা ছত্রিশ ঘন্টা ডিউটির অন্তিম প্রহরে,
সব রোগী দেখেটেখে দুদণ্ড রেস্ট নিতে যায় ওয়ার্ডের পেছনের ঘরটায়..
ধরা যাক, খোলা ল্যাপটপে কাজ করতে করতে,
চোখের দুপাতা তার এক হয়ে যায়।
আর ধরা যাক, সেসময় মদ খেয়ে সিঁড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসছে কোনো এক সঞ্জয় রায়..
মাননীয় শাসক ,
মাননীয় শাসন-অভিলাষীগণ,
মাননীয় আদালত,
মাননীয় পুলিশ ও প্রশাসন
আজকের রাতটায় সেই একই অপরাধের সম্ভাবনায়,
ঠিক কী কী ব্যবস্থা আছে যাতে সেটা আটকায়?
ব্যাস এটুকুই।
আমাদের মেয়েটার নিভেছে জীবন,
লাগাতার আদালতে করি জ্বালাতন জানি,
রাষ্ট্রের ইচ্ছায় সে তরীর হালে নেই পানি,
পুরনো কাসুন্দি ঘাঁটা কোনো শাসকেরই খুব কাজ নয় প্রিয়,
আয়নার মুখোমুখি দেখতে সাহস লাগে,
শুনেছি প্রাসাদে তাই নেই একটিও,
বিম্বের দিকে চোখ তোলার শাসক আজকাল বিলুপ্তপ্রায়,
যে মেয়ে গেছে,
রাষ্ট্রের স্তম্ভরা তাকে সুবিচার দিতে কত অসহায় ,
সেটা জানা আছে।
ভোট এলো দুয়ারের কাছে,
এইবার অন্তত একবার,
স্রেফ একটি বারই না হয়,
সে মেয়েটির নাম উঠে আসুক বক্তৃতায়,
যার বিচারের আর নই প্রত্যাশী,
হে শাসক,
হে ভাবী শাসন-অভিলাষী,
জাস্টিস নাই হোক,
মেন্টাল পিস পাবে এইটুকু জানলেই সাধারণ লোক,
সেই মেয়েটা নিরাপদ আজ ,
ছত্রিশ ঘন্টার টানা করে কাজ,
ক্লান্তির ঘুম যার ভারী হয়ে ঘনিয়েছে চোখের পাতায়
এইটুকু বললেই হবে,
ব্যবস্থা কী কী তার নিরাপত্তায়।
কারণ, ক্ষমতার না পেলে বরাভয় ,
অমন সাহস কারো সম্ভব নয় ,
সকলেই জানে, কালসাপ কার থেকে দুধ কলা পায়।
মাননীয় শাসক, মাননীয় শাসন-অভিলাষীগণ
মাননীয় আদালত, মাননীয় পুলিশ ও প্রশাসন,
একটু তাড়াতাড়ি বলুন,
হয়তো বা আজকে রাতেই কোনো হাসপাতালে
সিঁড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসছে
কোনো এক সঞ্জয় রায়..
আর্যতীর্থ











