রাজার পক্ষে অক্ষৌহিনী, শাসনযন্ত্র এবং বিচার,
ধর্মাধর্ম সংজ্ঞা সবই তেনার কথায় বসে ওঠে
যদুপতি সম্ভবামি হওয়ার সময় পাননি যে আর,
সেই কারণেই শকুনি আর দুঃশাসনের বিজয় ভোটে
অসহায়ের রক্ত লেগে সমানভাবে সব তরফে,
মহারথীর পক্ষ-বদল খবর এখন খুব মামুলি
মহান গণতান্ত্রিকতার শব শোয়ানো হিম-বরফে
ব্যবচ্ছেদে পড়বে চোখে সব দলেরই গোলাগুলি
খুন ধর্ষণ রোজের ব্যাপার, যে চিহ্ন থাক সিংহাসনে
দুষ্কৃতিদের দলের বদল নেতার থেকেও সে কাজ সহজ
তলে তলে ভাব রয়েছে যুধিষ্ঠির আর দুর্যোধনে
অক্ষৌহিনী বাদে সবাই খুঁজতে নাকাল ভিতের কাগজ
এমন যখন পরিস্থিতি, ঠিক তখনই ঝড়টা এলো,
হাসপাতালে খুন হলো মেয়ে, ধর্ষিত তার আগে পরে,
ছা-পোষা লোক নামলো পথে হিসেব করে এলোমেলো
অক্ষৌহিনী দেখলে যারা দোর লাগাতো প্রবল ডরে।
আমজনতা যতই খেপুক, বস্তুত সে অক্ষহীনই,
শকুনিরা খেললে পাশা বস্ত্রহরণ হতেই হবে,
মাধববিহীন এই দুনিয়াই পাপ হারে না কোনোদিনই,
যদা যদা বলেই খালাস, কেউ জানে না কল্কী কবে
কাজেই এসব ঝড়-তুফানে সিংহাসনের কেয়ার থোড়াই,
আমজনতা ভাবুক গিয়ে লড়াই করছে কুরুক্ষেত্রে,
এ-টিম বি-টিম সি-টিম জানে ফল এতে হয় কচুপোড়াই
ঠগ বাছা’তে উজার হবে এখন দেশের তামাম ক্ষেত রে
ঠিক তা হলো,
থামলে সে ঝড় দ্রোহ যখন ফিরলো বাড়ি,
এ দোর ও দোর কোটেন মাথা কন্যাহারা দম্পতিটি
বেকার কে আর কাটতে যাবে নিজের হাতে কুমীর-খাঁড়ি,
ওপর থেকে প্রবল চাপে ফুরায় যেন দম প্রতিদিন।
সিংহাসনের জন্য লড়াই নিয়মমাফিক শুরু হলে,
যেই বিরোধী এখন প্রবল তাকেই বাছেন যদি মা’টি
কেন তবে সে ইচ্ছাকে দেখাও নিচু প্রবল ট্রোলে,
তাঁর কাছে এ ভোটখানা যে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ খাঁটি।
বলার আগে নজর কোরো ওই জননীর শূন্য কোলে,
আর কী উপায় তাঁর আছে আজ হানা দিতে
শাসক- ঘাঁটি?
বলবে মানুষ, মা পায় কিনা পাল্টা লড়াই দেওয়ার মাটি।









