আমরা কথায় কথায় ‘সাইকোলজি’ কথাটা খুব ব্যবহার করি। যেমন গল্পটা বা সিনেমাটা সাইকোলজিক্যাল। একটা মানুষ এভাবে কেন আত্মহত্যা করল বা এরকম ভাবে হত্যা করল কেন। সাইকোলজিটা কি।
এখন দেখা যাক কি সংজ্ঞা পাওয়া যায়। অনেক রকম ভাবে ভাবা যায় কিন্তু সবথেকে সহজ বোধ্য এবং সঠিক সংজ্ঞা হচ্ছে, সাইকোলজি বা মনোবিজ্ঞান হচ্ছে মানুষ এবং বিভিন্ন পশুর আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান এবং যেটা মানুষের সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
এখন দেখার বিষয় হচ্ছে মনোবিজ্ঞানকে কি বিজ্ঞান বলা যায়। এই বিজ্ঞানের সংজ্ঞা নির্ধারণ করাও আর এক ভীষণ কঠিন এবং বিতর্কিত বিষয়। যাইহোক এখানেও আমরা সহজ সংজ্ঞার পথ ধরব। বিজ্ঞান বলতে যদি বোঝায় জ্ঞানার্জনের এমন একটা রাস্তা যেখানে বিভিন্ন ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ এবং পরিমাপ করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছান হয়।
মনোবৈজ্ঞানিকরা নানারকম পরীক্ষা করে পরিমাপযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যেটা অন্যরাও একই পরীক্ষা করে ওই তথ্য পেতে পারে। অর্থাৎ একটা তত্ত্ব একটা আগাম ঘোষণা করে কি ফলাফল পেতে পারে। অন্যরা সেই পদ্ধতি অনুসরণ করলে সেই ফলাফল যাচাই করে নিতে পারে।
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির আর একটি বিষয় হচ্ছে পরিমাপ যোগ্যতা। যেমন ভৌত বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা ওজন ইত্যাদি মাপা যায়। এটা ঠিক বন্ধুত্ব বা আনন্দকে সরাসরি এভাবে মাপা যায় না। তবে মনোবিজ্ঞানে অনেক পরীক্ষা আছে, যাকে সাইকোমেট্রি বলে, যেটা দিয়ে পরিমাপযোগ্য ফলাফল পাওয়া যায়। আর একটা উপায় হচ্ছে একটা পরিস্থিতিতে কোনো মানুষের আচরণ কতবার একরকম হয় আর এক পরিস্থিতে কতবার। এভাবে সংখ্যাগতভাবে পরিমাপযোগ্য রাশি পাওয়া যায়।
অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হচ্ছে সাবজেক্টিভ বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছান। যেটা অন্যদের পক্ষে ভেরিফাই বা পরীক্ষা করে একই ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।
***












সহজ ভাষায় দারুন ভাবে বোঝালেন মনোবিজ্ঞান কি আর কি তার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। 👍 Excellent।