রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনে কি লিখবো ভাবতে গিয়ে দেখলাম ওঁকে নিয়ে অনেক লেখা লিখেছি। সুধী পাঠক, মার্জনা করবেন, আত্মপ্রচার এর মতো শোনালেও আজ নিজের কথা একটু লিখি। সময় পেলে এই মুখপত্রিকার দেওয়ালে একটু জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা করে থাকি টুকটাক লেখার মাধ্যমে, এর বেশি কিছু নয়। অনেকে পড়েন তাই উৎসাহিত হয়ে লিখি। এই সামান্য লেখালেখির জন্য বিগত দিনগুলোতে কি অসুবিধের মধ্যে পড়তে হয়েছিল সেই অভিজ্ঞতা একটু ভাগ করে নিচ্ছি আজকের দিনটায়।
একটা তো বড় অসুবিধে আছে। সরকারি কর্মচারী বলে যা মনে হয় সেটা সবসময় লিখতে পারি না কারন সেটা কর্মচারীদের আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করা। সেটা মাথায় রেখে লিখতে গিয়েও বারবার থ্রেট এর মুখে পড়তে হয়েছে। সুধী পাঠক, বিশ্বাস করতে পারেন? সরকারি কোনো নীতি টিতির সমালোচনা নয়, স্রেফ আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রথম সারির কর্মী যেমন আশা কর্মী, হেলথ এসিস্ট্যান্ট ফিমেল ইত্যাদি এরা কত কষ্ট করে সামান্য বেতনে চাকরি করেন এইসব নিয়ে লেখা ভাইরাল হয়ে যেতে দপ্তরের প্রশাসনিক বৈঠকে দপ্তরের শীর্ষ কর্তা সবার সামনে আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন এইসব লেখালেখি বন্ধ করতে। করিনি।
অভয়া আন্দোলন নিয়ে লেখা ভাইরাল হয়ে যেতে রাজনৈতিক নেতা ফোন করে বলেছেন, “হ্যালো স্যার, এসব লিখে নিজের কেরিয়ারের ক্ষতি কেন করছেন?” অর্থাৎ প্রচ্ছন্ন হুমকি, লেখা বন্ধ করুন। করিনি। লেখা লেখি বন্ধ করিনি।
কারণ আজ যার জন্মদিন তিনি আমায়, আমাদের শিখিয়ে গেছেন মাথা উঁচু করে বাঁচা কাকে বলে।
থ্রেট কালচার নিপাত যাক। রবি কবিকে প্রণাম।
“চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত…”











