অ্যান্টি-ন্যাশন বলাই ফ্যাশন যেই নাগরিক চাইবে হক
মূল মিডিয়াও ওদিক ঘেঁষান, ‘বিষ মেশানোর তৈরি ছক’..
কেউ খুঁজে পান পাক-চিনী আর কেউ বা হাঁকেন ‘ মার্কিনী’
লঙ্কা নাকি বাংলাদেশের, নেপাল জোগায় দারচিনি,
মূল বা সোশ্যাল, সব মিডিয়াই বিরোধ-রোধে যাই রাঁধেন
শুদ্ধ দেশী হোক না সে পদ, সব বিদেশি মশলা দেন।
এতই যখন ইউয়ান -ডলার ভাসাচ্ছে দেশ বন্যাতে,
পকেট ভরে পাচ্ছে সবাই বসছে যারাই ধর্ণাতে,
বাইরে থেকে এমন যদি সহজ করা ঘর-অন্দর
তাহলে তো গোয়েন্দাদের একজনও নন ধুরন্দর
ডিপ স্টেটের এক আজব নামে সব বিদেশী ষড় হেঁকে
একটি ডলার না বেরোলে তল্লাশিতে ঘর থেকে,
বুঝতে হবে গোল রয়েছে দেশ-দ্রোহের সংজ্ঞাতে
নিজের হকের পাওনা চেয়ে চাপড় মেরে জংঘাতে
যে নাগরিক-গোষ্ঠিগুলো করতে লড়াই তৈরি হয়
আই টি সেল-এর মাইটি পেন-এ তারাই দেশের বৈরী হয়।
এ আই আছে সবার কাছে, প্রশ্ন করেই দেখো তাকে
শেষ দশকে কাদের কাদের মলিন করা অ্যান্টি ডাক-এ
শর্ত দিও উগ্রবাদ আর ভারত-বিরোধ আসল হলে
মেটা যেন সে লিস্টিতে সেই কালোদের নাম না তোলে
চোখ কপালে উঠবে যখন এ আই দেবে সেই তালিকা
দেখবে অসুখ তকমা তাদের, আদত যারা ব্যাধির টিকা।
ন্যাশন ভালোবেসে যারা অন্যায় না ভোলার ভবি,
তাদের প্যাশন অ্যান্টি-ন্যাশন বলে দাগায় আই টি লবি।
সেটাই কি দেশ, যার নাগরিক সিংহাসনের ভক্ত সবই
তাই যদি হয় ,সেই ন্যাশনের ডেমোক্রেসি নিথর শবই।











