২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন.
(আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬)
(দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬)
(দ্য ওয়াল – শিরোনাম “ধুলোয়লুণ্ঠিত তিন শিখা! যাদবপুরে পদদলিত নন্দলালের সৃষ্টি, তবে কি নিভে স্পর্ধা?”)
কী এই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়? NAAC ranking A+ – CGPA 3.46/4। এখানে মৌলিক গবেষণার কথাও আমরা জানি – বিশ্ববন্দিত, বিশ্বনন্দিত। ২০১৭ সালে দ্য হিন্দু (জুলাই ২৩) সংবাদপত্রে একটি খবরের শিরোনাম ছিল – “A quicker, novel approach to cancer drug discovery: Molecules that bind to DNA nanotemplates were chosen for further study”।
সেই গড়ে ওঠার কাল থেকে যাদবপুরের সম্পদ এখানকার মুক্ত চিন্তার প্রতিবেশ, কী এবং কেন বলে পাঠ্যবিষয়, জ্ঞানের প্রক্রিয়া, সিস্টেম সহ সমস্তকিছুকে প্রশ্ন করার spirit এবং চিন্তাপদ্ধতি এবং নতুন পথে ভাবার বিশেষ ক্ষমতা। এরকম একটা পরিবেশকেই রাষ্ট্রযন্ত্র ভয় পায়। সারাক্ষণ উৎকণ্ঠায় থাকে – এই বুঝি বেফাঁস প্রশ্ন করে ফেলে!
নেচার ইন্ডেক্স-এর মতো আন্তর্জাতিক জার্নালে যাদপুরের কৃতিত্বের খতিয়ান দেওয়া হয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে।
এই হল যাদবপুরে বর্তমান গবেষণার গৌরবোজ্জ্বল অবস্থা। কিন্তু এছাড়াও “জাতীয় শিক্ষা আন্দোলন”-এর একটি ফসল হিসেবে যাদবপুরের গড়ে ওঠার ইতিহাসও বড়ো উজ্জ্বল।
গতকাল যেসমস্ত “নিবেদিতেপ্রাণ বিদ্যার্থী” (যাদের চেহারা বলে দেয় এরা কুসুমের মতো কোমল এবং একান্ত নিষ্পাপ ছাত্র ছাড়া অন্য কিছু ভাবা সম্ভবই নয়! বিশেষ করে স্থানীয় এমএলএ যে ভাষায় এবং মধুক্ষরা কণ্ঠে যাদবপুরের দেশদ্রোহী ছাত্রদের অমৃত এবং স্বস্তিবচন শোনাচ্ছিলেন তাতে আমরা – যাদের একটিমাত্র ভোটের অধিকার ছাড়া আর কিচ্ছুটি নেই – বিলক্ষণ বুঝে গেছি যে করণীয় কী!) গতকাল সামান্য একটু আগুন লাগিয়েছে, দরজা ভেঙে মারধর করার তাণ্ডব চালিয়েছে, নন্দলাল বসুর তৈরি emblem লাথি দিয়ে ভেঙেছে – আমাদের বুঝে নিতে হবে তারা গবেষণা, যাদবপুরের উজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং শিল্প-শিল্পীর সৃষ্টি এসমস্ত বিষয়ে সম্যক অবহিত। হয়তো বা সেমিনারও নিতে পারে। সে সামর্থ্যও আছে বৈকি!
এই দেখুন না, যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি খুব উদাত্ত কণ্ঠে জানিয়েছিলেন – ‘হোস্টেলে ঢুকব, সারারাত ধরে তাণ্ডব চলবে।’ শুধু এটুকুই নয় তাঁর কণ্ঠ থেকে আমরা শুনেছিলাম – “কী মনে করছেন আপনারা, এই বিশ্ববিদ্যালয়টাকে? নক্সাল, দেশ বিরোধী শক্তি, মাওয়েস্ট-এদের দিয়ে, আপনারা ভর্তি করে রাখবেন, ভেবেছেন এটা? এটা কোথাও চলবে না, বলে রাখলাম।’ এরপরেই তিনি হুঁশিয়ারি(?) দিয়ে বলেছিলেন, “আমি সৃজন ভট্টাচার্যকে বলছি, অলিভ দাস, রহমান মল্লিক, অনির্বান, সাগ্নিক সরকার, এদেরকে যদি ১ ঘণ্টার মধ্যে যাদবপুর থানায় সারেন্ডার না করান..আমি কিন্তু যেখানে লুকিয়ে আছে, সেখান থেকে টেনে বার করব। সারারাত তাণ্ডব চলবে আজ।” (bengali.abplive.com – 21.08.2026 – https://bengali.abplive.com/news/kolkata/jadavpur-university-violence-abvp-sfi-clash-bjp-mla-sarbori-mukherjee-change-her-statement-after-threats-yesterday-1189837/amp) পরে অবশ্য সুর বদল হয়েছে – চারপাশের পরিস্থিতির চাপ অনুভব করে।
এসব অমৃতবচন শুনে বুঝে কার না মনে পড়বে ১৮৭৪ সালে লেখা রাজনারায়ণ বসু-র সে কাল আর এ কাল-এর কথা –
হেয়ার কল্বিন পামরশ্চ কেরি মার্শমেন্সতথা।
পঞ্চঃ গোরা স্মরেন্নিতং মহাপাতকনাশং।। (পৃঃ ৫)
যাদবপুরের গড়ে ওঠার ইতিহাস এবং জাতীয় শিক্ষা আন্দোলন (১৯০৫-১৯১০)
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক আন্দোলন ছিলনা। এর অভিঘাত ছিল অনেক সুদূরপ্রসারী – “It marked the beginning of open and organized revolt of a self-conscious subject nation against an alien ruling power.” (Haridas Mukherjee and Uma Mukherjee, The Origins of National Education Movement (1905-1910), 1957, পৃঃ ৩) আরও বলছেন – “The movement for National Education as manifest in 1905 was essentially an expression of Bengal’s militant nationalism which had been slowly but surely growing in our land since the middle of the nineteenth century.” (পূর্বোক্ত, পৃঃ ৩)
শুধু এটুকুই নয়। যারা সেসময় স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বেরচ্ছে তাদের ব্যবহারিক জীবনে অর্থ ও অন্ন সংস্থান করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে এসেছিল – “The fundamental weakness of our Indian educational system is that the average Indian student cannot bring his education into any direct relation with the world in which, outside the class or lecture room, he continues to live … it is as far removed as the poles asunder from the Western world which claims his education.” (Valentine Chirol, Indian Unrest, 1910, পৃঃ ২১৬)
পরে বিশদে ব্যাখ্যা করে Chirol বললেন – “Whilst the skilled artisan, and even the unskilled labourer, can often command from 12 annas to 1 rupee (Is. to Is. 4d.) a day, the youth who has sweated himself and his family through the whole course of higher education frequently looks in vain for employment at Rs.30 (£2) and even at Rs.20 a month. In Calcutta not a few have been taken on by philanthropic Hindus to do mechanical labour in jute mills at Rs.15 a month simply to keep them from starvation.” (পূর্বোক্ত, পৃঃ ২২৪-২২৫)
এসবের পরে ১৯০৬ সালের ১৪ আগস্ট, টাউন হলের ঐতিহাসিক মিটিংয়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ “জাতীয় শিক্ষানীতি” নিয়ে সুদীর্ঘ প্রবন্ধ পাঠ করলেন। সবার মাঝে রোমাঞ্চের সৃষ্টি হয়েছিল। এই মিটিংয়ের সভাপতি ডঃ রাসবিহারী ঘোষ ঘোষণা করলেন – ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ৫ লক্ষ টাকা, সুবোধচন্দ্র মল্লিক ১ লক্ষ টাকা এবং ময়মেনসিংয়ের মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য বাহাদুর ন্যাশনাল কাউন্সিলের জন্য আড়াই লক্ষ টাকা মূল্যের জমি দান করছেন। (Haridas Mukherjee, Origins of the National Education Movement, পৃঃ ৮২)
যাহোক, এরপরে নান কারণে জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনে ভাঁটা পড়ে। সংগঠকদের মতদ্বৈধ, বিভিন্ন বিরোধী মতকে সমাধান করার অজানা রাস্তা এবং, সর্বোপরি, ছাত্রসংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পেতে শুরু করে। এর প্রধান কারণ ছিল এই প্রচেষ্টা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি। ফলে পাস করে বেরনোর পরে কর্মসংস্থানের কি হবে এ উত্তর অজানা ছিল।
কিন্তু “all that survived of the wreck of national education movement in Calcutta was the College of Engineering and Technology, the real institutional nucleus perhaps of the modern Jadavpur University.” (Sumit Sarkar, The Swadeshi Movement in Bengal, পৃঃ ১৬৭)
একের পর এক চেনা বয়ান
প্রায় সবক্ষেত্রেই যারা আক্রমণ করে তারা “আহত” হয়, অনেক সময় গুরুতর। এখানেও সে ঘটনা ঘটেছে। কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে কয়েকজন বহিরাগত আক্রমণকারী ভর্তি হয়ে গেছে – যদিও সর্বব্যাপী সংবাদমাধ্যম থেকে আমরা নির্দিষ্ট কোন ইনজিউরি রিপোর্টের খবর পাইনি।
বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন – এবিভিপি বিজেপি-র কোন শাখা সংগঠন নয়। ফলে এ ঘটনার দায় বিজেপি-র ওপরে বর্তায় না। কিন্তু অন্য দুজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা – রাহুল সিনহা এবং সুকান্ত মজুমদার – জানিয়েছেন, প্রয়োজনে এরকম ঘটনা আবার ঘটবে। আরও এক নেতা আরেকটু এগিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে আরও অনেক ছেলে ঢুকবে।
প্রশ্ন হল, এরকম আক্রমণের কারণ কী? আমাদের মনে থাকবে ভোটের আগে প্রচারে এসে সরকারের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব খোলাখুলি বলেছিলেন যে যাদবপুর “দেশদ্রোহী” তৈরির কারখান। অনুসিদ্ধান্ত হল একে বাগে আনতে হবে। এখানে আমাদের একটু ধন্দ জাগে – এরা কী “টুকরে টুকরে গ্যাং” কিংবা “আরবান নকশাল” নাকি একেবারে হালের অভিধা “দিমাগি নকশাল” ইত্যাকার কোন ক্যাটিগোররিতে পড়ে? অ্যারিস্টোটল যে কোন বিষয় বোঝার জন্য “ক্যাটিগরি”কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন সেই কোনকালে। যদিও আমার ধারণা, আক্রমণকারী “ছাত্র”রা যারা লোহার গেট টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল তার নির্ঘাৎ অ্যারিস্টোটল-এর ক্যাটিগোররির বিষয়টি খুব ভালোভাবে বোঝে!
মুক্ত চিন্তা এবং রাষ্ট্রের ভীতি
বুলডোজার ব্যবহার চলছে হকার উচ্ছেদের জন্য – যদিও সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে হাই কোর্টের নির্দেশে। পুনর্বাসনের প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। বুলডোজার সংস্কৃতিও নিঃসারে তার social psyche তৈরি করছে। মধ্যবিত্ত/উচ্চবিত্ত/নিম্নবিত্ত/ভদ্রলোক বহু মানুষ আহ্লাদিত! এর উত্তরও “ভগায় জানে”। বামপন্থীদের প্রতিরোধ ছাড়া আর কোন প্রতিরোধ দৃশ্যত চোখে পড়ছে না। কোন শঙ্খ ঘোষ নেই। কেউ আমাদের বলবেন না –
আমি খুব ভালো বেঁচে আছি
ছদ্মের সংসারে কানামাছি।
যাকে পাই তাকে ছুঁই, বলি
‘কেন যাস এ-গলি ও গলি?…
শুনে ওরা বলে, ‘এটা কে রে
তলে তলে চর হয়ে ফেরে?’
এমন-কী সেদিনের খোকা
আঙুল নাচিয়ে বলে, ‘বোকা’!
(“বোকা”, শ্রেষ্ঠ কবিতা)
আরো একধাপ এগিয়ে আবার আমার আপনার মতো কোন অর্বাচীন, অকালপক্ক, অর্ধশিক্ষিত দেখে এর মাঝে hegemony তথা মান্যতা নিয়ে টিঁকে থাকবার নানা রকমের কৃৎ-কৌশল রয়েছে। কৃৎ-কৌশল রয়েছে রাষ্ট্রের অতিরাষ্ট্রের হয়ে ওঠার চারিত্র্যলক্ষণের মধ্যে আছে ক্রমশ ঘৃণাকে সামাজিক-সাংস্কৃতিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া – শব্দে, চিত্রকল্পে, প্রাত্যহিক সংলাপে। হিংসাকে আকর্ষণীয় প্রদর্শনী করে তুলতে হবে (spectacularized violence)। ধীরে ধীরে এগুলোকে সহনীয় করে তোলা। নিজের নিয়মেই সহনীয় হয়েও যায়। যাকে পছন্দ করিনা তাকে ‘দানব’ বানিয়ে দাও (demonization), শিক্ষা থেকে থেকে সরিয়ে দাও প্রশ্ন করার সাহস, উৎসাহ এবং পরিসর। শিক্ষকেরা হয়ে যাক educational managers, ছাত্রের মাঝে “কেন?”-র প্রবাহ তৈরি করার কোন জ্ঞানভিক্ষু নয়। একটি সংস্কৃতির জন্ম হবে যার ভিত্তি হবে কেবল তাৎক্ষণিকতা-নির্ভর, শুধুমাত্র বর্তমানকে চিনি বুঝি যাপন করি, অন্য কিছু নয়। অতীতের এবং ইতিহাসের পুনর্নিমাণ হবে। সমাজের অন্ধকার জগৎ, যাদেরকে চালু ভাষায় লুম্পেন বলা হয়) আলোয় আসার, রাজপথের দখল নেবার, ক্ষমতার বৃত্তের সাথে সংস্থাপিত থাকার গৌরব অর্জন করবে।
এরকম এক পরিস্থিতি অন্য প্রেক্ষিতে ফ্রানজ ফ্যানঁ (Frantz Fanon) দেখেছিলেন তাঁর The Wretched of the Earth পুস্তকে। তিনি দেখেছিলেন – “The very same people who had it constantly drummed into them that the only language they understood was that of force, now decide to express themselves with force.”
অঁরি জিরো (Henry Giroux) তাঁর একটি লেখায় আবেগঘন আবেদন রেখেছেন – “The current fight against a nascent fascism across the globe is not only a struggle over economic structures or the commanding heights of corporate power. It is also a struggle over visions, ideas, consciousness, and the power to shift the culture itself.”
আমেরিকার প্রতিবাদী সাংবাদিক ওয়াল্টার লিপম্যান ১৯২৭ সালে প্রথম প্রকাশিত তাঁর দ্য ফ্যান্টম পাবলিক পুস্তকে বলেছিলেন – “Since the general opinions of large numbers of persons are almost certain to be a vague and confusing medley, action cannot be taken until these opinions have been factored down, canalized, compressed and made uniform. The making of one general will out of multitude of general wishes is not an Hegelian mystery, as so many social philosophers have imagined, but an art well known to leaders, politicians and steering committees. It consists essentially in the use of symbols which assemble emotions after they have been detached from their ideas.”
আমাদের অশোকস্তম্ভের সিংহ কেমন করালবদন হাঁ-মুখ, আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। প্রতীক বা সিম্বলের ব্যবহার রূপন্তরিত হচ্ছে, যেমনটা লিপম্যান বলেছিলেন।
ইতিহাসের তো পুনর্লিখন চলছে। অনেক নতুন বীর আর শহীদ গড়ে উঠবে। তোমার সামনে নেচে-কুঁদে বেড়াবে। বাঙ্গালী, বাংলা তথা ভারত বর্তমানের প্রয়োজনেই তোমাকে ভুলে যাবে। নতুন ইতিহাস গড়ে উঠছে!
বিভিন্ন স্তরের মানুষের আন্তরিক, চোয়াল-কষা লড়াইয়ের ফলশ্রুতিতে একটি তৃতীয় পরিসরের বাস্তব দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। একে বাঁচাতে হবে। বাঁচাতে আসতে হবে ফ্যান্টম পাবলিক নয়, রক্তমাংসের বারেবারে হেরে যাওয়া, সর্বস্ব খুইয়ে হেরে যাওয়া আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে – ভোটের রাজনীতির জনপিণ্ড হবার অস্তিত্বকে অতিক্রম করে।
এ চাহিদা বর্তমান সময়ের চাহিদা। এ দাবী বর্তমান সময়ের দাবী! বাংলার সৃষ্টি ও চিন্তার উর্বরভূমি ফসলের সমারোহে ভরভরান্ত – রবীন্দ্রনাথ, ক্ষিতিমোহন সেন, নজরুল ইসলাম, কাজী আব্দুল ওদুদ, সৈয়দ মুজতবা আলি, জীবনানন্দ, দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্খ ঘোষ… কত না নাম। দু আঁজলা ভরে এ ফসল ঘরে তোলার সময় এসেছে – “শূণ্য গোলায় ডাকবে ফসলের বান”।

















