Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নাটক: দূরত্ব

IMG_20200504_194006
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • May 5, 2020
  • 9:51 am
  • No Comments

চরিত্র:
১) অতীন– আই টি প্রফেশনাল, বছর পঁয়ত্রিশের যুবক
২) সন্দীপ – আই টি ম্যানেজার, বছর চল্লিশ
৩) বিজন – ডাক্তার (রেডিওলজিষ্ট), বছর চল্লিশ

দৃশ্য ১
———
(টেলিফোনের শব্দ)

অতীন: হ্যালো, সন্দীপদা। গুড মর্নিং।

সন্দীপ: গুড মর্নিং। কেমন আছো?

অতীন: বিন্দাস। এই তো ব্রেকফাস্ট বানাচ্ছি।

সন্দীপ: মেনু কি?

অতীন : ফ্রেঞ্চ টোষ্ট, কুকিজ আর কফি।

সন্দীপ: ভালোই তো। চালিয়ে যা। একা মানুষ। চিন্তা কি আছে? আমার মত বাড়ির পাঁচটা লোকের বায়না সামলাতে হলে বুঝতিস!

অতীন: ভালো আর থাকছি কোথায়? সপ্তায় দুদিন অফিস যেতে হচ্ছে। খুব ভয়ে ভয়ে বেরোচ্ছি।

সন্দীপ: বেরোতে হচ্ছে কেন? আমার তো গোটা অফিস ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছে। আর ওতো আমরা আগেও করতাম, শরীর খারাপ-টারাপ হলে।

অতীন: আরে একটা বড় মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট কোম্পানি আমাদের ক্লায়েন্ট। ওরা তো এখন এমার্জেন্সি কাজ করছে। তাই আমাদেরও যেতে হচ্ছে।

সন্দীপ: এই দুর্দিনের বাজারে এত বড় অর্ডার জুটিয়েছে রোকন ডিজিপ্লেক্স! তোর তো চাকরি বেঁচে গেল রে!

অতীন : নিজে বাঁচলে তবে তো চাকরি! আমার বসের কোভিড পজেটিভ বেরিয়েছে জানো?

সন্দীপ: তমোজিত?

অতীন: হ্যাঁ। অফিস ট্যুরে হংকং গেছিল মার্চে। ফিরে এসে কোয়ারান্টাইনে ছিল।

সন্দীপ: তারপর?

অতীন : সাতদিন বাদে জ্বর, গলাব্যাথা। টেষ্ট করতেই পজেটিভ। দশদিন হল আই ডি তে ভর্তি।

সন্দীপ: সে কি? অফিসের বাকিরা?

অতীন: চারজন আইসোলেশনে। বাকিরা চালাচ্ছি। তোমাদের কি খবর?

সন্দীপ: লকডাউনে ঘরে বসে বসে হাড়ে বাত ধরে গেল রে ভাই! লোকজন আওয়াজ দিচ্ছে- তোমাদের কাজও নেই, অফিস ট্যুরও নেই, তাই করোনাও নেই। প্রেষ্টিজ পাংচার হয়ে গেল মাইরি!

অতীন: ইয়ার্কি মেরো না। পরিস্থিতি খুব খারাপ। এই মহামারী কোন দিকে গড়াবে কে জানে!

সন্দীপ: অধিকাংশের চাকরি চলে যাবে, এটা সিওর।

অতীন: আচ্ছা তোমার সেই স্কুলের বন্ধু আছে না, ডাক্তার। তোমার ছেলের জন্মদিনের পার্টিতে আলাপ হয়েছিল। ভদ্রলোককে খুব নলেজেবল মনে হয়েছিল। তোমার সাথে ইদানিং যোগাযোগ নেই?

সন্দীপ: আছে তো! রোজ সকাল-বিকেল ওকে ফোন করি। ফার্স্ট হ্যান্ড ইনফরমেশন পাওয়া যায়।

অতীন: সেইজন্যই বলছিলাম, ওনাকে জিজ্ঞাসা কোরো তো ওনার কি মত। এই ঝামেলা কতদিন চলবে? টিভি চ্যানেলের এক্সপার্ট দের কথা আমার বিশ্বাস হয় না।

সন্দীপ: আরে বিজন তো রেডিওলজিষ্ট! ও এ ব্যাপারে এক্সপার্ট নয়। ও কি করে বলবে?

অতীন: আমাদের থেকে তো বেশী জানে! জিজ্ঞেস করেই দেখো না।

সন্দীপ: ঠিক আছে কথা বলে দেখি। ছেড়ে দিচ্ছি। সাবধানে থাকিস।

অতীন: সামাজিক দূরত্ব রজায় রাখবো, তাই তো? হা: হা: হা:
লকডাউন উঠে গেলে জোরদার একটা পার্টি দিতে হবে।

সন্দীপ: হবে হবে। আগে সব ঠিক হতে দে।

অতীন: আমার কাছে দুটো গ্লেনফিডিচ পড়ে আছে। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে আসার সময় নিয়ে এসেছিলাম। ভাঙব ওই দিন।

সন্দীপ: গাছে কাঁঠাল, গোঁফে তেল! ছাড়ছি।

দৃশ্য-২
——-
(বিজন সোফায় বসে আছে। কোলে ল্যাপটপ। পোষা কুকুর জিমির মাথায় হাত বোলাচ্ছে। জিমি হঠাৎ লাফিয়ে উঠে ঘেউ ঘেউ করে করতে জানলার দিকে তেড়ে গেল। জানলার পাশে দিয়ে কেউ হেঁটে যাচ্ছে।)

বিজন: (জিমির দিকে তাকিয়ে) খুব মজায় আছিস, তাই না। তোদের তো কিছু হবে না। যত বিপদ মানুষের।

( টেলিফোনের শব্দ)

বিজন: হ্যালো।

সন্দীপ: হ্যালো। কোথায় রে?

বিজন: বাড়িতেই আছি।

সন্দীপ: আজ হাসপাতালে যেতে হবে না?

বিজন: না, আজ যেতে হবে না। সাতদিন ডিউটি করেছি। এখন সাতদিন ছুটি। তোর কি খবর?

সন্দীপ: ছেলে অনলাইনে ক্লাস করছে। আমি বৌ-এর ফ্যাক্টরিতে লেবার খাটছি।

বিজন: কাজ শিখে রাখ। জীবনে কোনো কিছু ফেলা যায় না।

সন্দীপ: জ্ঞান দিস না তো! সামনের মাসে সাতশো ষ্টাফের মাইনে কি করে হবে, সেটা ভেবে মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে আমাদের!

বিজন: শুরুতেই মাথা খারাপ করে ফেললে হবে, গুরু? এ জিনিস চলবে এখন অনেক দিন।

সন্দীপ: বলিস কি?

বিজন: ঠিকই বলছি। ভ্যাকসিন দূর অস্ত। এখনো ভালো কোনো ওষুধ নেই।

সন্দীপ: কেন, ক্লোরোকুইন?

বিজন: হাইড্রক্সিক্লোরোকুনমুন?

সন্দীপ: যা বলেছিস! ডাক্তাররা রয়েছে, এক্সপার্টরা রয়েছে। কাউকে কিছু বলতে না দিয়ে উনি বলে দিলেন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন খেলে করোনা সেরে যাবে। আর সারা পৃথিবী দৌড়ল সেই ওষুধ কিনতে! ডিসগাষ্টিং।

বিজন: নার্সিসিষ্ট। আমিত্ববাদ। সারা পৃথিবীতেই বেশীরভাগ পলিটিশিয়ানরাই এখন এরকম।

সন্দীপ: যাকগে। আচ্ছা, তোর পাড়ায় কোন ডাক্তারের নাকি কোভিড পজেটিভ বেরিয়েছে? আমি তো প্রথমে শুনেছিলাম তোরই!

বিজন: হাঃ, হাঃ, হাঃ। গুজবের গরু গাছে চড়ে। আমার অবশ্য যে কোন সময় হতেই পারে। হাসপাতালে তো যেতে হচ্ছে! কোন্ পেশেন্ট ভাইরাস বয়ে বেড়াচ্ছে কে জানে!

সন্দীপ: তুই তো রেডিওলজিষ্ট, তোকেও পেশেন্টের কন্ট্যাক্টে আসতে হয়?

বিজন: কম, তবে কোনো কোনো কেসে পেশেন্ট কে টাচ করতে তো হয়ই। তখন স্পেশাল প্রোটেকশন নিই।

সন্দীপ: হয়েছে কোন ডাক্তারের?

বিজন: অর্থোপেডিক সার্জেন। নাম বলা বারণ। আমার থেকে পনেরো বছরের বড়। আমার দুটো বাড়ি পরে থাকে।

সন্দীপ: অর্থোপেডিক সার্জেনের কি করে হল। ওদের কি কোভিড পেশেন্ট দেখতে হয় নাকি?

বিজন : আরে বললাম না সব ডাক্তারেরই কোনো না কোনো সময় হতে পারে এটা।

সন্দীপ: তাই?

বিজন: তবে ওনার সমস্যাটা হচ্ছে ওনার বয়স প্রায় ষাটের কাছাকাছি। সঙ্গে ডায়াবেটিস। মেয়েও তো ডাক্তার। সে ভীষণ চিন্তিত।

সন্দীপ: খুব দুঃখজনক।

বিজন: দুঃখজনক, কিন্তু ওনার আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।

সন্দীপ : একথা বলছিস কেন?

বিজন: ভদ্রলোক মানুষ ভালো। কিন্তু ভীষণ হেড ষ্ট্রং। গোদা বাংলায় তাকে বলে গোঁয়ার।

সন্দীপ: তাতে কি হয়েছে?

বিজন: উনি একটা ছোট নার্সিংহোম তৈরী করেছেন। এবার সেটার উদ্বোধন করলেন ১৫ই মার্চ। আমি অনেকবার বলেছিলাম এখন খুলবেন না। পিছিয়ে দিন। শুনল না।

সন্দীপ: কেন?

বিজন : বলল, সবাইকে বলা হয়ে গেছে। সবাই খুব আশা করে আছে। কিছু হবে না। উদ্বোধনের দিন কি ভীড়!

সন্দীপ: কি করে বুঝলি তে ওখান থেকেই হয়েছে?

বিজন: পাশের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসেছিল। দুদিন বাদে তো কাউন্সিলারের ধরা পড়ল। তখন থেকেই ডাক্তারবাবু কোয়ারান্টাইনে।

সন্দীপ: কি লাভ হল নার্সিংহোম খুলে? বন্ধই হয়ে গেল তো!

বিজন: শুধু তাই নয়, তখন যারা কবে খুলবেন কবে খুলবেন নার্সিংহোম- একথা বলছিল, এখন তারাই দল বেঁধে গালি দিচ্ছে।

সন্দীপ: তুই দেখতে গিয়েছিলি?

বিজন: চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোভিড ওয়ার্ডে ঢুকতে বারণ করল। শুধু শুধু একটা পি পি ই নষ্ট করাও উচিত নয়। সামাজিক দূরত্ব! জীবনটা বদলে গেল রে!

( বাইরে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন)

বিজন: রাখছি। দেখি আবার অ্যাম্বুলেন্স কেন!

(ঘর থেকে বেরিয়ে বারান্দায় গিয়ে দেখে অ্যাম্বুলেন্স বেরিয়ে গেল ডাঃ সরকারের বাড়ি থেকে। দূরে তাকিয়ে রইল বিজন।)

PrevPreviousWhat has COVID19 to Do with Nature?
Nextসময় যখন থমকে দাঁড়ায়Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

চার আঙুল নিয়েই চার বার

November 2, 2026 No Comments

বিষয়টি কিছুটা স্থূল হলেও এই নিয়ে চর্চা ইত্যাদি ব্রাজিলের রাজনীতিতে সুবিদিত। চতুর্থবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় শ্রমিক এবং জাতীয় নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

November 2, 2026 No Comments

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এসে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বেশ খানিকটা বৃষ্টি ঝরিয়ে দিয়ে গেলেও দেশের মধ্য – দক্ষিণ ভাগের একটা বড়ো অংশ জুড়ে রীতিমতো খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি

সুকুমার রায়ের সাহিত্যকর্ম ও সহযোগী চিত্রায়ণ: সমাজ-মনস্তত্ত্ব, ব্যঙ্গচেতনা ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা

November 2, 2026 No Comments

ভূমিকা: হাসির আড়ালে সমাজদর্শন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সুকুমার রায় এমন এক স্বতন্ত্র প্রতিভা, যাঁর সাহিত্যকে কেবল শিশুমনের আনন্দবিধানকারী ছড়া, উদ্ভট কল্পনার গল্প কিংবা হাস্যরসাত্মক নাটকের

মাওবাদী তকমা দিয়ে হাসপাতালের ওষুধ আর চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব ঢেকে রাখা যাবে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীমশাই!

November 1, 2026 No Comments

সংবাদমাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎকার দেখলাম। বেশ গম্ভীর মুখে তিনি জানাচ্ছেন, চোরবাগান কাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে এবং সরকারি হাসপাতালগুলিতে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতির

JANTAR MANTAR: Inclusive Democracy or Incomplete Struggle? Why Adivasi Participation Matters?

November 1, 2026 No Comments

A renewed awakening among those who cherish democracy is clearly visible across India. The flame of struggle, ignited by students and the youth, is spreading

সাম্প্রতিক পোস্ট

চার আঙুল নিয়েই চার বার

Bappaditya Roy November 2, 2026

নতুন সংকটের সামনে তেলেঙ্গানার কৃষি

Somnath Mukhopadhyay November 2, 2026

সুকুমার রায়ের সাহিত্যকর্ম ও সহযোগী চিত্রায়ণ: সমাজ-মনস্তত্ত্ব, ব্যঙ্গচেতনা ও সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা

Dr. Sukanti Bhattacharya November 2, 2026

মাওবাদী তকমা দিয়ে হাসপাতালের ওষুধ আর চিকিৎসা সামগ্রীর অভাব ঢেকে রাখা যাবে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীমশাই!

West Bengal Junior Doctors Front November 1, 2026

JANTAR MANTAR: Inclusive Democracy or Incomplete Struggle? Why Adivasi Participation Matters?

K. Sahadevan November 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

697958
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]