Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অভয়া হত্যা নিয়ে একটি অনুকল্প

RG Kar rape and murder
Bappaditya Roy

Bappaditya Roy

Doctor and Essayist
My Other Posts
  • July 2, 2026
  • 7:17 am
  • No Comments

[অভয়াকে হত্যা করা হয়েছিল ৯ আগষ্ট ২০২৪ রাতে। তারপর প্রায় দুবছর হতে চলেছে তাঁর মা – বাবা, রাজ্যের অগুন্তি প্রতিবাদী মানুষের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও এবং নির্বাচনে রাজ্য সরকারের পরিবর্তনের পরেও কোন বিচার মিলল না। বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলে দেওয়া এই জনবিরোধী রাষ্ট্র কর্তৃক কর্মরত অবস্থায় এক চিকিৎসককে নৃশংসভাবে হত্যা ও ধামা চাপা দেওয়ার ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থার অনুসন্ধান, আদালতের শুনানি, প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীদের বক্তব্য, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার অনুসন্ধান, আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ঘটনাপ্রবাহ প্রভৃতির নিরিখে এই সংক্ষিপ্ত অনুকল্প (Hypothesis) টি রচনা করা হল।]

২০২৪ সালের ঐ সময়টি তে স্বৈরাচারী ও চূড়ান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গব্যাপী তৃণমূলী দুর্বৃত্তায়ন, লুটপাট, নৈরাজ্য আর সন্ত্রাস চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। পুলিশ ও প্রশাসন হয়ে উঠেছিল অমানবিক, দুর্নীতিপরায়ণ এবং দলদাস।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ মদতে রাজ্যের সর্বত্র সব বিভাগে চলা একই মাতসে মাৎস্যন্যায় ও তোলাবাজি র ধাঁচে স্বাস্থ্য দপ্তর ও মেডিকেল কাউন্সিল চালাচ্ছিল শ্যামাপদ দাস, সুশান্ত রায়, সুদীপ্ত রায়, নির্মল মাঝি, শান্তনু সেন প্রমুখ স্বাস্থ্য মাফিয়ারা নারায়ণ নিগম, শুভরঞ্জন দাস প্রমুখ দলদাস আমলাদের সাহায্যে। তাদের তরফে মেডিকেল শিক্ষা দেখতো অভীক দে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাস প্রমুখ লুম্পেন সমাজবিরোধীরা। এদের দুর্নীতি, অত্যাচার আর হুমকি সংস্কৃতিতে মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থা এক অবনতির শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছিল।

তারমধ্যে কুখ্যাত স্বাস্থ্য মাফিয়া সন্দীপ ঘোষের নেতৃত্বে আর জি কর মেডিকেল কলেজ হয়ে উঠেছিল দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, তোলাবাজি, মেডিকেল সরঞ্জাম ওষুধ মৃতদেহের অঙ্গ প্রভৃতির অবৈধ ব্যবসা, চুরি, সমাজবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের এক প্রধান আখড়া। এই অসাধু চক্র চালাতে সন্দীপ ঘোষ এক নিজস্ব অসাধু বাহিনী গড়ে তুলেছিল যার ঝটিকা গোষ্ঠীতে ছিল কিছু গুণ্ডা জুনিয়র ডাক্তার। মেডিকেল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বিপরীতে এরা নানাভাবে অবৈধ অর্থ উপার্জন করত এবং আর জি কর ক্যাম্পাসে নিয়মিত মদ, ড্রাগস, রেভ পার্টি, যৌন কর্মী সংসর্গের ব্যবস্থা করত ও আসর বসাতো। এদের বরাভয় ছিল সন্দীপ ঘোষ এবং সন্দীপের বরাভয় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুতর অভিযোগ সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে বারবার আর জি করের অধীক্ষক রেখে দিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্থ ভ্রাতা কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সন্দীপ ঘোষের অবৈধ ব্যবসার লেনদেন ছিল অভিযোগ।

শহরতলির জীবন সংগ্রাম করে উঠে আসা মধ্যবিত্ত পরিবার ও অন্য মেডিকেল কলেজ থেকে স্নাতক হয়ে আসা চেষ্ট মেডিসিন বিভাগের তৃতীয় বা ফাইনাল বর্ষের মনোযোগী স্নাতকোত্তর ছাত্রী অভয়া ক্রমশঃ এই পরিবেশে হাঁফিয়ে উঠেছিলেন এবং রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেলছিলেন। ফলে অচিরেই সন্দীপ দুষ্টচক্র এবং সন্দীপ বান্ধব বিভাগীয় প্রধান ও ইউনিট প্রধান যথাক্রমে অরুণাভ দত্ত চৌধুরি এবং সুমিত তপাদারের রোষানলের শিকার হন। তাকে অতিরিক্ত ডিউটি ও মানসিক চাপ দেওয়া হতে থাকে এবং তার থিসিস অনুমোদন করা হয় না। অভিযোগ বড় অঙ্কের অর্থও চাওয়া হয়।

এর প্রতিবাদে সৎ চরিত্রের অধিকারী অভয়া সন্দীপ দুষ্টচক্রের সমস্ত অপকীর্তি ফাঁস করে দেওয়ার কথা বলেন এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও করতে থাকেন। ক্রুদ্ধ সন্দীপ ঘোষ তার গুণ্ডা বাহিনীকে অভয়াকে সবক শেখানোর নির্দেশ দেয়।

পরিকল্পিত ভাবে অভয়ার অন কল ডিউটির দিন আট তলার নির্জন অর্থোপেডিক ওটি তে রেভ পার্টি বসানো হয়েছিল। সেখানে বাইরে থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্থ ভাই কার্তিক বন্দোপাধ্যায় এর পুত্র আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুশান্ত রায়ের পুত্র সৌত্রিক রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিল। সেখানে মাঝরাতে অভয়াকে কায়দা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে অনেকে মিলে প্রবল অত্যাচার ও গণ ধর্ষণ করে সবক শেখানো হয় এবং হত্যা করা হয়। অভিযোগ সাতজন পুরুষ ও একজন মহিলা জুনিয়র ডাক্তার অভয়া র উপর অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ডে যুক্ত ছিল।

এরপর অভয়ার মৃতদেহ চারতলার চেষ্ট ডিপার্টমেন্টে এনে করিডোরে ফেলে রাখা হয়। এই অংশে সিসি টিভি কার্যকর ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শী নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী দের মুখ বন্ধ রাখার হুমকি দেওয়া হয়। তারপর হত্যাকারীরা ডক্টরস রেস্ট রুমের সংলগ্ন টয়লেটে হাত পা পোশাক ধুয়ে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে যায়।

এরপর সন্দীপ ঘোষের আহবানে কুখ্যাত নর্থ বেঙ্গল লবির মাথা সুশান্ত রায়, অভীক দে প্রমুখ, বশংবদ ফরেনসিক এক্সপার্ট দেবাশীষ সোম, দুর্নীতির সহযোগী টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডল, আইনজীবী শান্তনু সেন প্রমুখ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ও ডিজি রাজীব কুমারের পরিচালনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে অকুস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ সেমিনার রুমে শুইয়ে দিয়ে সমস্ত প্রমাণ নষ্ট এবং হত্যাকান্ড ধামা চাপা দেওয়ার উদ্যোগ কাজ শুরু করে দেয়। তাদের সহযোগিতা করে স্বাস্থ্য সচিব, মেডিকেল শিক্ষা অধিকর্তা প্রমুখ। প্রথমে আত্মহত্যা তারপর দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। অনেক দেরিতে মৃতার বাবা মাকে মেয়ের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয় এবং আরও অনেক পরে মৃতদেহ দেখতে দেওয়া হয়।

জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশের বাধায় মৃতদেহ সরানো সম্ভব হয়না। তখন তড়িঘড়ি ইঙ্কোয়েস্ট ও সন্ধ্যায় পোস্ট মর্টেম করে পানিহাটির তৃণমুল বিধায়ক ও নেতা নির্মল ঘোষ, তার সঙ্গী সোমনাথ দে ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের সাহায্যে বিরাট পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতে মা -বাবার অগোচরে ও পরেরদিন অন্য মেডিকেল কলেজে দ্বিতীয় ময়না তদন্তের দাবি উপেক্ষা করে মৃতদেহ নিয়ে গিয়ে পানিহাটি শ্মশানে দ্রুত দাহ করে দেওয়া হয়।

পুলিশের তরফ থেকে হাসপাতালে পুলিশ পরিবারের রোগী দেখাশোনার দায়িত্বশীল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইয়ের শেষ রাতে একবার চেষ্ট ডিপার্টমেন্টে যাওয়াকে কাজে লাগিয়ে তাকে দোষী সাজিয়ে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রমাণ হাজির করে দোষী সাব্যস্ত করে গ্রেফতার করা হয় এবং মমতা থেকে অভিষেক সম্মিলিতভাবে ফাঁসির দাবি করতে থাকেন। পরবর্তী বিচারে সঞ্জয় রাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সিসি টিভির ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শী নার্সের ভিডিও ক্লিপিং সরিয়ে ফেলা হয়, মৃতদেহের ভিসেরা ইত্যাদি প্রায় নষ্ট করে ফেলা হয়। আততায়ীদের হাত ধোয়ার বাথরুম সন্দীপ ঘোষ লোক দিয়ে দ্রুত ভেঙে ফেলে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে অতীন ঘোষ প্রমুখ তৃণমুল নেতারা বেলগাছিয়া বস্তি সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে আর জি করের ডাক্তার ও নার্সদের উপর চড়াও হয় এবং চেষ্ট ডিপার্টমেন্ট লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার চেষ্টা করে। আক্রমণকারী রা ভুল করে তিনতলার ই এন টি বিভাগ লণ্ডভণ্ড করে দেয়। পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি আড়াল করতে আবোল তাবোল বলতে থাকেন, ধর্মতলায় নাটক করেন এবং বিধান সভায় লোক দেখানো বিল আনেন। অভয়া হত্যায় ব্যাপক চিকিৎসক এবং ব্যাপকতর নাগরিক আন্দোলন শুরু হয় যা ছিল অভূতপূর্ব। সর্বস্তরের নাগরিকদের মুহুর্মুহু মিছিল ও অবস্থানে রাজপথ কেঁপে ওঠে। প্রতিবাদ রাজ্য ও দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। জুনিয়র ডাক্তারদের লালবাজার ও স্বাস্থ্য ভবন অভিযান এবং সেখানে দৃঢ় অবস্থান মমতা সরকার কে কোণঠাসা করে দেয়। এরপর জুনিয়র চিকিৎসক রা ধর্মতলায় আমরণ অনশন শুরু করেন। সুকৌশলে ডাক্তারদের একাধিকবার আলোচনায় ডেকে অল্পকিছু দাবি মেনে আন্দোলন উঠিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনরকমে পরিস্থিতি সামাল দেন। তারপর বন্যা, পুজো, যোগ্য চাকরিহারাদের বিক্ষোভ, এস আই আর প্রভৃতি বিষয় এসে পড়ে।

অন্যদিকে প্রবল নাগরিক চাপে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানন সুমো মোটো সিবিআই এর হাতে তদন্ত ভার দেন। অপরাধ ও অপরাধীদের আড়াল করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের বহু কোটি টাকা ব্যয়ে সুপ্রিম কোর্টে তার পোষা আইনজীবী মনু সিংভি, কপিল সিব্বল; তদানীন্তন প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় চন্দ্রচূড় প্রমুখের মাধ্যমে তদন্ত ধামা চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বিচারপতি চন্দ্রচূড় স্বপ্রণোদিত মামলাটি তৎক্ষনাৎ হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে গিয়ে, বারবার মামলার শুনানি পিছিয়ে দিয়ে, তদন্তের অগ্রগতি গোপন রেখে এবং মেডিকেল কলেজ গুলিতে নিরাপত্তারক্ষী, সিসি ক্যামেরা, জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্মঘট তুলে নেওয়া ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে এবং মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা না চালিয়ে গুরুত্বপুর্ণ মামলাটি জোলো করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রবল সুবিধা করে অবসরে চলে যান।

সেইসময় বিজেপি – তৃণমূলের বোঝাপড়ার রাজনীতি মধ্যগগনে। জাতীয় স্তরে বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসকে দুর্বল করা, ইন্ডিয়া জোট ভাঙ্গা এবং যাবতীয় বিল পাশে সাহায্য করার বিনিময়ে পশ্চিমবঙ্গে পিসি – ভাইপো যা খুশি করার ছাড়পত্র পেয়েছিলেন। মমতার অনুরোধে বিজেপি তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই কে নিশ্চেষ্ট করে দেয়। সিবিআই তদন্ত থেকে কার্যত সরে যায়। সেই পর্যায়ে জুনের লোকসভা নির্বাচনে জিতলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তৃণমূল কে কোনভাবে না চটানোর বাধ্যবাধকতাও ছিল। সুপ্রিম কোর্ট আর সিবিআই মমতার পক্ষে চলে আসায় তদন্ত ও মামলা ঘুলিয়ে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর কোন অসুবিধা হয়নি। এর উপর সীমা পাহুজা প্রমুখ সিবিআই অফিসারদের বিপুল উৎকোচ দিয়ে কোনরকম তদন্ত ব্যতিরেকে এবং মাসের পর মাস সময় নষ্ট করে পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য পুলিশের সঞ্জয় রাই তত্ত্ব হুবহু সিবিআই চার্জ শিটে পেশ করে পর্বতের মূষিক প্রসব করেন।

প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি সহ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সেই পর্যায়ে কোন সদর্থক ভূমিকা না নিলেও, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছুতেই অভয়ার মা – বাবার সঙ্গে দেখা না করলেও রাজ্যে বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভয়া হত্যা ধরে রাজ্যবাসীর ক্ষোভকে উগড়ে দিয়ে মমতা সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে চান এবং দুটি বড় মিছিল সংগঠিত করেন। কিন্তু জুনিয়র ডাক্তার ও ডাক্তারদের সংগঠনগুলি বাম ও তৃণমূল নেতাদের অংশগ্রহণ গ্রহণ করলেও বিজেপি ও কংগ্রেস নেতাদের দূর দূর করে আন্দোলন থেকে তাড়িয়ে দেন। ফলে আন্দোলন অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। এস ইউ সি আই সি এবং তাদের সংগঠনগুলি প্রথম থেকেই পৃথক ভাবে চলছিল। এভাবে কয়েক মাসের মধ্যে আন্দোলন তার তীব্রতা হারিয়ে ফেলে। অভয়া মঞ্চ ইত্যাদি গঠন করে আন্দোলনকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।

কিন্তু এতকিছুর পরেও অভয়ার মা – বাবার অদম্য লড়াই এবং তাঁকে কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনের সহযোগিতা দেরিতে হলেও নতুন করে ঘটনার তদন্ত ও মামলার শুনানি শুরু করার ব্যবস্থা করে। গণ রায়ে অভয়ার মা বিধায়ক নির্বাচিত হন, তারও একটা চাপ থাকে। এতদিনে প্রমাণের বেশিটাই নষ্ট করে দেওয়া হলেও ২০২৬ নির্বাচনে মমতার তৃণমুল কে হারিয়ে শুভেন্দু র বিজেপি ক্ষমতায় আসায় অনেক সাক্ষী মুখ খুলতে শুরু করেন, রাজ্য সরকার তদন্তের ছাড়পত্র দেয়, তিন ষড়যন্ত্রী পুলিস অফিসার বিনীত গোয়েল, অভিষেক গুপ্ত ও ইন্দিরা মুখোপাধায় কে নিলম্বিত করা হয়। স্বাস্থ্য দপ্তর অভীক দে ও বিরূপাক্ষ বিশ্বাস কে নিলম্বিত করে। কিন্তু তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কোন হেল দোল এখনও চোখে পড়ে না।

সাধারণ মানুষ এখনও অপেক্ষা করছেন অভয়ার বিচারের, হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রীদের স্বরূপ উন্মোচনের, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তার সঙ্গীদের ধামা চাপা কাণ্ডে অতিসক্রিয়তার কারণ ও নির্দিষ্ট ভূমিকা জানার, চন্দ্রচূড় ও সীমা পাহুজার ক্ষমাহীন ভূমিকা কে তদন্তের আওতায় আনার এবং সর্বোপরি দোষী ও ষড়যন্ত্রী দের কঠোর শাস্তির।

০১.০৭.২০২৬

PrevPreviousএকটি সুইচের জন্য
Nextনেশার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানসিক যন্ত্রণাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

আবহমান

August 17, 2026 No Comments

সুমিত্রা দেবী সারাদিনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তটা কাটাচ্ছেন। রাত্রে তিনি অল্পই খান। ভাত ডাল আরেকটু তরকারি। কিন্তু খাওয়ার পরের সময়টাই তার সবচেয়ে সুখের সময়। যত্ন করে

সুশ্রুত-সংহিতা-য় রাজবৈদ্য এবং সংহিতা-র text-critical পাঠ

August 17, 2026 No Comments

আমরা এখন অবধি সুশ্রুত-সংহিতা নিয়ে যতটুকু আলোচনা করেছি, সেখানে একজন “শল্যহর্তা” তথা সার্জন এবং বৈদ্যের নির্দিষ্ট অবস্থান কী এই বিষয়ে কিছু টুকরো আলোচনা হয়েছে। কিন্তু

ঠেলার নাম বাবাজী!

August 17, 2026 No Comments

যে লোকগুলো ভোটের আগে হাত জোড় করে ভোট ভিক্ষে করে তারাই গদিতে বসলে জনগণকে আর মানুষ বলে ভাবে না। নিজেদের ভাবে ভগবান। তাদের হুহুংকার শুনলে

স্বাধীনতা তুমি কার?

August 16, 2026 No Comments

যে দেশে কবিতা লিখলে বারবার জেল খাটতে হয় বছরের পর বছর, যে দেশে আইনি অধিকারের কথা বললে দেশ বিরোধী বানিয়ে জেলে ভরিয়ে রাখে রাষ্ট্র নিজেই,

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

August 16, 2026 No Comments

“আজ চোদ্দই আগস্ট/ “আজ পাথর ভাঙার কোরাস গাইছে রাত/ রাতের গায়ে লক্ষ আলো/ রাতের গায়ে আগামী আজাদি/ রাতের গায়ে আর্তনাদ” (অদিতি বসু রায়) দু’বছর আগে

সাম্প্রতিক পোস্ট

আবহমান

Dr. Aindril Bhowmik August 17, 2026

সুশ্রুত-সংহিতা-য় রাজবৈদ্য এবং সংহিতা-র text-critical পাঠ

Dr. Jayanta Bhattacharya August 17, 2026

ঠেলার নাম বাবাজী!

Pallab Kirtania August 17, 2026

স্বাধীনতা তুমি কার?

Sanjoy Mukherjee August 16, 2026

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

Gopa Mukherjee August 16, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

667821
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]