Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

তোমাদের প্রশ্নঃ আমার উত্তর ২

IMG_20210615_212215
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • June 17, 2021
  • 6:57 am
  • No Comments

এ’বার Sucharitaর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর।

প্রশ্ন ছিল, – মনে হয় না ডাক্তার না হয়ে কেবল কবি হলে প্রথম জীবনেই যথেষ্ট কাব্যচর্চা করতে পারতেন?

উত্তরঃ– কেবল কবি হওয়া মানে শুধুই যথেষ্ট কাব্যচর্চা তো নয়! কবিতা লিখে জীবনধারণ তথা ক্ষুধা নিবারণও। না, তা মনে হয় না সম্ভব ছিল। ডাক্তার বা অন্য যে কোনও পেশাজীবী আমাকে হতেই হত।

এতক্ষণে হয় তো বোঝাতে পেরেছি, কবিতাকে ততখানি নিবিড় ভালোবাসা আমি দিইনি। অন্তত তখন তো দিতামই না। আমার থেকে বয়সে সামান্য মাসকয়েকের ছোটো এই বাংলার এক প্রধান কবি যে ভাবে কবিতার জন্য অনেক কিছু ছেড়েছেন, তাঁর সাহিত্য-পড়াশুনোর যা ব্যাপ্তি, কোনওটাই আমার মধ্যে ছিল না। প্রতিভার কথা বাদই দিলাম।

সেই সত্তরের দশকে সময় যে কম পেয়েছিলাম তা না। বস্তুত পরীক্ষা পিছিয়ে পিছিয়ে হাতে তখন সময়ই সময়। কী ভাবে কাটিয়েছি সেই সময়? কবিতার দিক দিয়ে ভাবলে নেহাতই অপচয়।

আমি কিন্তু অপচয় ভাবি না। না এখনও নয়। সেই সব মিছিলের দিন, হার্ডিঞ্জ হোস্টেলের সামনে বোমা, কলেজে নিত্য দিনের হাঙ্গামা তার স্বাদ আলাদা। সেও তো এক সঞ্চয়।

আমি কবিতার তন্নিষ্ঠ পাঠক হয়ে কবিতাকে মর্যাদা দিইনি। সাহিত্যকে ভালোবাসিনি। সেও আসেনি। শোধবোধ।

অথচ আমার প্রায় সমসাময়িক Arun Ain সেই সময়েই জামশেদপুর থেকে কৌরব নিয়ে কলকাতায় হানা দিচ্ছেন নিয়মিত। তাঁর লেখা গল্প উপন্যাস প্রতিষ্ঠিত পত্র পত্রিকায় কিশোর ভারতীতে নিয়মিত বেরুচ্ছে। আমার থেকে মাত্র তিন বছরের বড় অনীশ দেব। অনীশ দা’ তখন রীতিমতো প্রতিষ্ঠিত লেখক। দেশ পত্রিকায় তাঁর কবিতা বেরোয়, বিভিন্ন জায়গায় গল্প উপন্যাস। লেখা পড়লেই বোঝা যায় কী বিপুল পড়াশুনো তাঁদের।

না, পল্লবগ্রাহী আমাকে সেই জগৎ মোটেই টানেনি। বরং কলেজ ক্যান্টিনে বা তার সামনের কদমগাছ তলায় বসে রণনীতি আর রণকৌশলের আঁচ পোয়ানো টানত অনেক বেশি। পড়বার পরিশ্রম নেই।

প্রসঙ্গত বলি, রাজনীতিও ঠিক ভাবে করতে হলে পড়াশুনো করতে হয় প্রচুর। আমি শুধুই আঁচ পোহাতাম। পড়তাম না। ছায়াচ্ছন্ন ঘরে অলোকদার পার্টি ক্লাসে একটা হেলান দেবার কোণা খুঁজে ঘুমিয়ে পড়তাম। ক্লাস শেষে আমাকে ডেকে তোলা হত – অ্যাই অরুণাচল, ওঠ্ রে। হোস্টেলে ফিরতে হবে।

আমি জানতাম লিখবার এলেম বা প্রতিভা যাই বলুন আমার নেই। লেখা যদি বা এক আধটা লিখে ফেলি, তা প্রকাশের কোনও তাড়া নেই মনের মধ্যে, কোথাও লেখা জমা দেবার ইচ্ছেই নেই।

নাকি ইচ্ছে কোথাও ছিল, সেই ইচ্ছেকে মাথায় পা দিয়ে চেপে দিত আমার ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স। ঈর্ষায় দগ্ধ হতাম হয়তো। জনান্তিকে বলি, হতাম নয় হই। আজও ঈর্ষাদগ্ধ হই। কেন ওরা যা লেখে তার ধারে কাছে যায় না আমার অকিঞ্চিৎকর শব্দ সাধনা?

তবে লিখতাম কিন্তু। অন্য অর্থে। মেডিক্যাল কলেজের ভেতরে বাইরে এমন কোনও দেওয়াল ছিল না যেখানে আমার লেখা (আমরা বলতাম ওয়ালিং) বা পোস্টার ছিল না। অবশ্য সেখানেও আমি নই, তারকা শিল্পী ছিল সোমেন দা’ আর অন্যরা। আমাকে হাতের লেখা আর দেওয়াল লিখন শিখিয়েছিল ওরা।

হায়, আজ মনে হয় দেওয়ালে লিখেছি বটে কিন্তু দেওয়াল লিখন পড়তে আমি পারিনি। উদ্বায়ী বয়স হাতের তালু থেকে উবে গেছে কখন! অজান্তেই।

কবিতার কথায় ফিরি। শুধু কবিতা না, অন্য লেখাও আমার কাছে ধরা দেয়নি। কবিতা বা অন্য কিছু লিখে সংসার প্রতিপালন, আমার মেধার সেই এলেমই ছিল না।

আর কতবার এই এক কথা আমাকে দিয়ে বলানো হবে?

এই বারে সেই ২০০৪ রহস্যের গিঁট খুলি। যদিও প্রশ্ন বহির্ভূত এই প্রসঙ্গ। ইতিহাসের উত্তরপত্রে এই রকমের অতিরিক্ত লিখতে হয় নম্বর বেশি তোলার জন্য।

সেই সময়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় রবিবাসরীয়তে মাঝে মাঝেই বিষয় বলে দিয়ে লেখা চাওয়া হত। সে বারের বিষয় ছিল নোয়ার নৌকোর রোমান্টিক জুটি। গদ্য বা পদ্য বলা ছিল না। আমার যা সম্বল, অন্ত্যমিল দিয়ে একটা লেখা পাঠালাম লালু রাবড়িকে নোয়ার নৌকোয় চাপিয়ে। সেই লেখাটা সম্পাদকের প্রশংসা পেল। যথারীতি হারিয়ে গেছে আমার সেই সৃষ্টি।

দু’টো লাইন শুধু মনে পড়ে
– পশু খাদ্যের রণবাদ্যের সেই ভরা দুর্দিনে
লালু কহিলেন, বুঝেছ উপেন, সিবিআই নেব কিনে!

যাই হোক, কেমন যেন আবছা হলেও বুঝলাম আমার লেখা একেবারে মূল্যহীন নয়। এ’রকম বেশ কয়েকবার। তখন ওঁরা মাঝে মধ্যে ক্রোড়পত্র বার করতেন ছোটো মাপের বইয়ের মত। এখন যে রকম প্রতিদিন তাদের রবিবার বার করে। সেই ক্রোড়পত্রের জন্যও কখনও কখনও লেখা নিতেন ওঁরা।

এই সব লেখার সুবাদেই আমার নবজন্ম হল। অনীশ দা’র হাতে।

খোলসা করে বলি। সেই এক বইমেলায়, পত্রভারতীর অনুষ্ঠান। পরিচালনা করছেন অনীশ দেব। আমার যৌবন বেলা থেকেই আমি ওঁর লেখা কল্পবিজ্ঞান আর রহস্যগল্পের ভক্ত। অনুষ্ঠান শেষে দেখা করলাম। আমার নাম শুনেই বললেন, – আপনিই সেই অরুণাচল? আপনার লেখা আমি পড়েছি।

২০০৬ সালে সপ্তম বামফ্রন্ট জেতার পর ওই আনন্দবাজারেই একটা উত্তর সম্পাদকীয়র সঙ্গে আমার একটা পদ্য ছাপা হয়েছিল। তার কয়েকটা লাইন উনি গড়গড় করে বলে গেলেন, যেন কোনও বিখ্যাত কবির লেখা সেটি। আশ্চর্য স্মৃতিমান সেই মানুষ।

সেই যে অনীশদা’র স্নেহ পেলাম এবং ধারাবাহিক ভাবে আমি হেন অলসকেও উৎসাহ দিয়ে যাওয়া! সত্যিই যেন পুনর্জন্ম ঘটল। তিনিই ঠেলে আমাকে দিয়ে লেখা পাঠানো করালেন বিভিন্ন লিটল ম্যাগে আর নবকল্লোল ইত্যাদিতে। ছাপাও হল। তারপর স্নেহ আর ভালোবাসা পেলাম কতজনের। কবি শঙ্কর চক্রবর্তী, শ্যামলকান্তি দাশ, বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। কত নাম আর বলি! আমার সঙ্গে অনীশ দা’র সুবাদেই আলাপ হল সৈকত আর সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের, অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী আর দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যের। আমার অতি প্রিয় গদ্য লেখক এই চারজন। আলাপ হল ত্রিদিব-চুমকি-রূপার সঙ্গে। পরিচিত হলাম চন্দ্রিল ভট্টাচার্য, শোভন তরফদার, প্রচেত গুপ্ত, চন্দন নাথের সঙ্গে। সহৃদয় প্রকাশক রোহন আর চিরঞ্জিত এলো অভাবিত ভাবে।

অনীশ দেব আমার কী আর কতখানি ছিলেন, তা নিয়ে আলাদা করে লিখব একদিন। লিখবই।

ইতিমধ্যে বারাসতের বহুস্বর নামের সাহিত্যগোষ্ঠির সদস্য হয়েছি। কবি কমলেশ পালের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। নেহাতই একটা অপচয় করা জীবনে যা পাবার নয় তার অতিরিক্ত অনেক পেলাম।

এবং এখন আমি সেই মানুষটির মত জিজ্ঞেস করতেই পারি – বাহবা দিচ্ছ দাও, কিন্তু আগে বলো ঠেলে আমায় জলে ফেলেছ কে?

নিঃসন্দেহে তাঁর নাম অনীশ দেব!
এক এবং একমাত্র অনীশ দা’।

PrevPreviousকাউকে সন্তুষ্ট করতে পারি নি
Nextআমার পথে পথে পাথর ছড়ানোNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

ভোট ও ভোটার

April 28, 2026 No Comments

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ‍্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

ভোট ও ভোটার

Arya Tirtha April 28, 2026

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619872
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]