Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার “অভয়া” এবং পুনর্বার আমাদের কথা

Screenshot_2026-03-21-08-17-22-82_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Jayanta Bhattacharya

Dr. Jayanta Bhattacharya

General physician
My Other Posts
  • March 21, 2026
  • 8:18 am
  • 2 Comments

শুরুর কথা

হ্যাঁ, আমরাই তো কথা বলবো “অভয়া”-কে নিয়ে। কারণ আমরা ডাক্তারি পেশার সাথে যুক্ত এক বিপুলসংখ্যক অংশ এবং জনসমাজেরও কয়েক লাখ মানুষ “অভয়া”র ধর্ষণ, নৃশংস হত্যা এবং জোর করে কোনও প্রমাণ না রেখে লাশ পুড়িয়ে দেবার পরে রাস্তায় নেমেছি, অবরোধে থেকেছি, বিচারেরে জন্য এক “ন্যায়ালয়” থেকে আরেক ন্যায়ালয়”-এ এবং ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে অব্দি গিয়েছি। বৃষ্টি, রোদ মাথায় করে পিচগলা রাস্তায় হেঁটেছি, সিবিআই অফিস থেকে স্বাস্থ্যভবন – সর্বত্র অভিযান করেছি। অনশন করেছি দিনের পর দিন।

বলুন ওঁকে নিয়ে কথা বলার হক কাদের? সবাই বলতে পারে। কিন্তু ডাক্তারি সমাজের একটি সত্তা হিসেবে যেহেতু ও ছিল আমাদের মাঝে, এজন্য আমাদের হক জোরালো। নাগরিক সমাজও (যারা নিজেদের বিচারবোধ নিয়ে পার্টি এবং রাষ্ট্রের বাইরে অবস্থান করে) তাদের অবারিত কণ্ঠ নিয়ে এগিয়ে আসার হকদার।

“অভয়া” তো আমাদের কারও বোন, কারও দিদি, কারও সহকর্মী ছিল। আবার আ্মার মতো কিছু বয়স্ক ডাক্তারের কন্যাস্থানীয়। আবার অভয়ার মা-বাবার অবস্থান থেকে দেখুন – তাঁদের একমাত্র অবলম্বন, মায়ের গর্ভে বেড়ে ওঠা মেয়েটি ধর্ষিতা, অত্যাচারিতা এবং খুন হয়েছে। ওঁর মৃত্যু মেডিক্যাল সাম্রাজ্যের গভীরতম কলুষকে বেআবরু করে দিয়েছে।

সেই প্রথম দিন থেকে জুনিয়র ডাক্তারেরা এবং “রাজনৈতিক” নাগরিক সমাজ ওঁদের পাশে থেকেছে। এমনকি প্রথম দিন যখন পুলিশের গাড়িতে করে ওঁর দেহ অন্যত্র পাচারের চেষ্টা করেছে, সেসময় মীনাক্ষি কলতানেরা গাড়ির ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছে সে খবর। মীনাক্ষি আহত হয়েছিল। কলতান জেলও খেটেছিল।

কিন্তু যখন ওঁর বাবা-মা বিজেপি-র টিকিটে প্রার্থী হবেন বলে শোনা যায়, তখন হতচকিত হতে হয় বৈকি! কেন্দ্রীয় সব সংস্থা ওদেরকে নিয়ে খেলেছে। কোন মন্ত্রী দেখাও করেন নি। হাইকোর্টে শুরু হওয়া বিচার এক অর্থে হাইজ্যাকড হয়ে সুপ্রিম কোর্টে শীতল ঘুমের দেশে চলে গিয়েছে। ওঁরা দেখেন নি? অনুভব করেন নি? কথা বলেন নি এ বিষয়ে? তবে এটা ওঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমরা বলার কেউ নই।

কিন্তু ঘটনা মনে করিয়ে, সমাজতাত্ত্বিক পার্থ চ্যাটার্জির বিশ্লেষণে, আমরা একটি political society-তে বাস করছি, নাগরিক সমাজ তথা civil society-র মাঝে নয়। এ বিষয়ে পরে কিছু স্বল্প আলোচনা করেছি। একটি ছোট উদাহরণ দিই। নন্দীগ্রামের ঘটনার প্রতিবাদে যে আন্দোলন হয়েছিল সেটা ছিল নাগরিক সমাজের আন্দোলন – শঙ্খ ঘোষের মতো কবি ও ব্যক্তিত্ব ছিলেন সামনের সারিতে। আবার এই আন্দোলন যখন কোণ রাজনৈতিক দল নিজেদের মতো করে ব্যবহার করে তখন তিনি সরে যান। সৃষ্টি করেন “ত্রিনয়ন” খুলে “দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন” দেখার মতো ভুলে-না-যাওয়া পদ্য।

(সৌঃ নীলোৎপল চ্যাটার্জি)

অভয়াকে ফিরে দেখা

অভয়াকে নিয়ে আন্দোলন এক অর্থে ইতিহাস-সৃষ্টিকারী এবং সমাজতত্বে ভাবনার উপাদান সরবরাহ করার মতো বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আমরা প্রায় সবসময়েই রাষ্ট্রের বা শাসকদলের তৈরি করা অ্যাজেন্ডার তথা কর্মসূচির ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া জানাই। এই অর্থে আমাদের তথা জনসমাজেরর প্রতিক্রিয়া চরিত্রের বিচারে অনুবর্তী বা reactive। কিন্তু এ আন্দোলন এমন এক পরিস্থিতি ও সন্ধিক্ষণের জন্ম দিয়েছে যা শাসকদলকে (এবং কিছু পরিমাণে রাষ্ট্রকেও) দিশেহারা করে দিয়েছে। হয়তো বা প্রথমবারের জন্য প্রায় এক মাস ধরে একটি আন্দোলন চলছে যা স্ব-উদ্যোগী অগ্রবর্তী আন্দোলন, যাকে আমরা বলি proactive movement। কুর্ণিশ, আন্দোলনকারী সন্তানসম জুনিয়র ডাক্তারদের এবং এদের সহযোগী সমস্ত ডাক্তারসমাজকে!

আমার মধ্য-ষাট অতিক্রান্ত জীবনে য়াজ অব্দি দেখিনি, পার্টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে একেবারে অহিংস এবং সুদৃঢ় এরকম আন্দোলন যা সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে আভ্যন্তরীণ প্রেরণায়। সময়ের সাথে সাথে দুর্বল হবার পরিবর্তে আন্দোলন আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে। এখানে কোন পার্টি প্রভাব নেই, নিয়ন্ত্রণ নেই। কোন ঝাণ্ডা নেই, কোন ‘আগুন ঝরানো’ পার্টিজান শ্লোগান নেই। এ এক ঐতিহাসিক সময় যখন ভারতের সমাজে তৃতীয় পরিসর তথা নাগরিক পরিসরের নতুন ইতিহাস তৈরি হল। কুর্ণিশ আন্দোলনকারীদের!

নারীরা এক নিজস্ব স্বাতন্ত্র্যে উজ্জ্বল এক শক্তি হিসেবে এ আন্দোলনের সহযোগী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। হাজারে হাজারে নারী প্রশ্ন তুলেছে – কেন নারী হবার জন্য আমাকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দিতে হবে? কিসের সুরক্ষা? আমার দেহের এবং জীবনের সুরক্ষা?

কেন এই “পবিত্র” পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত সমাজ আমার সুরক্ষা সুরক্ষিত করতে ব্যর্থ হবে বারংবার?

উত্তর দিতে হবে, কেন আমাদের বেলাতেই কেবল সুরক্ষার প্রসঙ্গ আসবে?

কেন আমাদের সামাজিক মানসিকতা আমাকে নিজের চারিত্র্যলক্ষ্মণ নিয়ে বাঁচা একজন “মানুষ” হিসেবে গ্রহণ করবেনা? কেন?

আর কত ধর্ষণ, হত্যা, রক্তাক্ত শরীর আর ছিন্নভিন্ন দেহ দেখতে চায় “সমাজ”? ঠিক কতটা দেখলে তৃপ্তি হবে সমাজের চোখের, মনের, ধর্ষকামিতার?

আপনারা “ফাঁসী” কিংবা “এনকাউন্টার” কিংবা “রাজনৈতিক যোগ” নিয়ে কথা বলুন, বলতে থাকুন। কিন্তু এ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন না? এই “ইতরের দেশ” কী সভ্য হবে? উত্তর কী কেবল বাতাসেই ভেসে বেড়াবে?

আমরা যে বুকভরে বাতাসও নিতে পারিনা মরে যাবার সময়ে। আমাদের কথা ৩৬৫ দিনে একবার ভাবুন – কারো ফুটফুটে মেয়ে, সক্ষম যুবতী কিংবা গৃহবধু, কামদুনির পড়ুয়া মেয়েটি কিংবা পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডের যুবতী। নির্ভয়া, কাশ্মীরের বাচ্চা মেয়ে আসিফা, হাথরাস, তারও আগে ২০০৪ সালে মণিপুরের মনোরমা – ধর্ষণ এবং নৃশংসভাবে খুন হবার মিছিল চলছে। এখন অব্দি সর্বশেষ সংযোজন আর জি করের ডাক্তার মেয়েটি।

অন্য কারো পরিচয়ে আমাদের চিনবেন না। আমাদের পরিচয়ে আমাদের চিনতে হবে। চিনতেই হবে।

আমাদের বিবশ হয়ে যাওয়া সামাজিক বোধকে এভাবে আর কোন স্মরণীয়কালে আর কোন আন্দোলন বিদ্ধ করেনি। এও এক অভূতপূর্ব ঘটনা।

রাজনৈতিক দল এবং ঝান্ডা ছাড়া মানুষের বিশুদ্ধ আবেগ এবং পবিত্র ক্রোধকে রাষ্ট্র সবসময় ভয় পায়। চায়, একে বারংবার সহিংস হবার পথে ঠেলে দিতে। সফল না হলে একে প্রশমিত করার জন্য গণতন্ত্রের তথাকথিত চারটি স্তম্ভই কাজ করে – বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন মাত্রায়। সে কাজ করা শুরু হয়েছে, এবং করবেও। আমাদের রাস্তা ধর্ণায় বসে থাকা, পথে নেমে বন্ধু এবং সাথীকে চিনে নেওয়া। নাগরিক সমাজের বিপুল অংশগ্রহণ আমাদের নতুন ‘Human Bondage’ তৈরি করেছে। অজানা অচেনা প্রত্যন্ত গ্রামের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষ এ আন্দোলনের সাথে জুড়ে যাচ্ছে। আড়ে-বহরে “অভয়া”-র জন্য বিচার চাওয়ার অবয়ব ক্রমাগত বড়ো হচ্ছে।, দীর্ঘ হচ্ছে।

আমাদের কাছে অজানা শিশু-কিশোর-কিশোরী-যুবক-যুবতী-মাস্টার মশাই-দিদিমণি-দাদা-বৌদি-ভাইদের আমরা জড়িয়ে ধরছি – যেন আরও বেঁধে বেঁধে থাকতে পারি আমরা।

বিশ্বখ্যাত সঙ্গীত Imagine-এর গায়ক এবং লেখক জন লেনন ১৯৬০-এর দশকের উত্তাল সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিলেন – “When it gets down to having to use violence, then you are playing the system’s game. The establishment will irritate you – pull your beard, flick your face – to make you fight. Because once they’ve got you violent, then they know how to handle you. The only thing they don’t know how to handle is non-violence and humor.”

মধ্যরাতে রাতের রাজপথ নারীদের দখলে – “তৃতীয় পরিসর”-এর উন্মোচন

একটি বিশেষ ঘটনা ১৮ আগস্ট (২০২৪) মধ্যরাত্রে ঘটেছে – কলকাতা সহ ভারতের সবজেলায় এবং অঞ্চলে নারীরা, হ্যাঁ কেবলমাত্র নারীরা, রাজপথের দখল নিয়েছে। Reclaim the Night!

আমি অন্ত্যেবাসি, প্রান্তিক অঞ্চলের একজন ডাক্তার। কিন্তু এই রায়গঞ্জেও এ মহাযজ্ঞ হয়েছে। কয়েক হাজার নারী দখল নিয়েছেন রাজপথের। তবে পুরুষেরাও পাশে বা পেছনে ছিল। তারা ছিল নিজেদের তাগিদে। এ নারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল – দয়া করে কোন রাজনৈতিক দল এসে আমাদের এ প্রয়াসকে কলুষিত করবেন না, কোন রাজনৈতিক ব্যানার বা শ্লোগানও থাকবেনা। এ আন্দোলন আমাদের নিজের – আমাদেরকে করতে দিন। প্রসঙ্গত বলা দরকার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারেরাও নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

১৪ আগস্ট (২০২৪) মধ্যরাতে নারীরা কোনরকম রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়া যেভাবে রাজপথ অধিকার করার আন্দোলনে হাজারে হাজারে সামিল হলেন, এ ঘটনা অভূতপূর্ব এবং ঐতিহাসিক। হারিয়ে যাওয়া একটি পরিসর উন্মোচিত হল ঐতিহাসিকভাবে – রাজনৈতিক দল, প্রশাসন এবং পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত আন্দোলনকে অতিক্রম করে “তৃতীয় পরিসর”। এ সম্ভাবনাকে পরম যত্নে, মমতায়, পুষ্টি দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব নাগরিক সমাজের। একে যেন আমরা ধ্বস্ত না করি।

“অগ্নিবর্ণ সংগ্রামের পথে প্রতীক্ষায়

এক দ্বিতীয় বসন্ত। আর

গলিতনখ পৃথিবীতে আমরা রেখে যাব সংক্রামক স্বাস্থ্যের উল্লাস।

ততদিন আত্মরক্ষার প্রাচীর হোক

প্রত্যেক শরীরের ভগাংশ।” (নির্বাচনিক”, সুভাষ মুখোপাধ্যায়)

তৃতীয় পরিসরের উন্মোচন

বর্তমানের যাপিত সময়ে গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত স্তম্ভগুলোকে যদি স্মারকচিহ্নের স্তরে নামিয়ে আনা যায় তাহলে পার্টি এবং বকলমে রাষ্ট্র লালিত extra-judiciary এবং extra-democratic institutions-এর ধারণা জনমানসে নিঃসারে চারিয়ে যায়। লুম্পেনরাজ ঘোষিতভাবে সমাজের চলন, নীতি, নৈতিকতা, ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পরিসর – সবকিছু নির্ধারণ করবে। আমরা তো জানিই “শীতলকুচি করে দেবো” বা “রগড়ে দেবো” বা “অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড” গড়ে তোলার মতো প্রবল প্রত্যয় এবং অমৃত ও স্বস্তিবচন। আমরা ধীরে ধীরে সইয়ে নিয়েছি নিজেদের। এরকম এক সুবোধ, সুশীল “ফ্যাতাড়ু”বাহিনী পেলে আর কারা অন্তর্ঘাত ঘটাবে? এদেরকেই তো নবনির্মিত রাষ্ট্রের প্রয়োজন বা এভাবেই গড়ে নেবে। কিছু নির্মিত চিহ্ন বা শ্লোগানের প্রতি বশ্যতা ও আনুগত্য বোঝাবে পছন্দমতো-গড়ে-নেওয়া দেশ নামক ভূখণ্ডের নাগরিক বা না-নাগরিক।

এখানেই রাষ্ট্র, পার্টি ও প্রচলিত আখ্যানের বাইরে গিয়ে জরুরী হয়ে পড়ে একটি তৃতীয় পরিসর গড়ে তোলা।

জরুরী অবস্থার সময়ে ভারত জুড়ে পার্টি অস্তিত্বকে অতিক্রম করে সর্বব্যাপী তৃতীয় পরিসর জন্ম নিয়েছিল। এই তৃতীয় বা নাগরিক পরিসর নতুন চিন্তন, সৃষ্টিতরঙ্গ, নতুন কমরেডশিপকে বাস্তবের মাটিতে জীবন্ত চেহারা দিয়েছিল। এই তৃতীয় তথা নাগরিক পরিসরের সজীব উপস্থিতি জেলে অবরুদ্ধ কংসারী হালদারকে নির্বাচনী লড়াই জিতিয়েছে। ১৯৭৭-৭৮ বা ১৯৮৮-৮৯-এর পশ্চিমবঙ্গে বন্দীমুক্তি আন্দোলনকে সফল করেছে। নন্দীগ্রামের নরহত্যার পরে লাখো লোকের দৃপ্ত পদচারণা পশ্চিমবঙ্গ দেখেছে। নাগরিক পরিসর না থাকা বা ক্রম-সংকুচিত হবার জন্য আজ দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ বা রাজস্থানের চিত্র ভিন্ন। পশ্চিমবঙ্গের চিত্র খানিকটা ভিন্ন জায়গায় রেখেছে।

আমরা কি আমাদের কথা, সমস্ত স্তরের মানুষের কথা কী শুনছি? চলুন নিজেদের মধ্যে নিবিড় সামাজিক সংলাপ শুরু হোক। শুরু হোক সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে এসে পরস্পরের কথা শোনা। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তাঁর “Monologue to the Maestro: A High Seas Letter” প্রবন্ধে (১৯৩৫) বলেছিলেন – “যখন মানুষ কথা বলে তখন কান পেতে সম্পূর্ণটা শোনো। এমনটা চিন্তা কোরোনা যে তুমি কথা বলতে উদগ্রীব। বেশিরভাগ মানুষ কখনও শোনেনা। কখনও চোখ মেলে দ্যাখেও না।”

কথাগুলো এখন বড়ো বেশি সত্যি! আমরা সবাই আরেকবার শিক্ষার্থী হয়ে যাই।

PrevPreviousখুপরির দিনলিপি ২ খাবার
Nextএই আন্দোলন শেষ হয়েও শেষ হবে‌ না।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
সুকুমার ভট্টাচার্য‍্য
সুকুমার ভট্টাচার্য‍্য
3 months ago

যন্ত্রণা পেলাম অভয়ার মা কোন রাজনৈতিক দলের টিকিটে প্রার্থী হলেন বলে। শুনেছি, দল উনিই বেছেছেন।
বিচার পাওয়া এখনও যায় নি।
মায়ের যন্ত্রণা এই নির্বাচনে উপশম হোক।

1
Reply
Dr. Shubhajit Bhattacharya
Dr. Shubhajit Bhattacharya
3 months ago

একদম ঠিক। আমাদের প্রচারের হাতিয়ার।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও অর্থ ব্যবস্থা: বাজেটিয় ঘোষণা এবং অন্যান্য প্রকল্প

July 6, 2026 No Comments

বড়ো পাপ হে: স্বাধীনতার আগে পরে ভারতের সবচাইতে শিল্পোন্নত রাজ্য যা কর্মসংস্থানের জন্য সারা ভারতের কর্ম প্রার্থীদের আহ্বান করত, আমাদের সেই রাজ্য বাংলা (অবিভক্ত) এবং

পুঁজিবাদের আওতায় মানুষের ‘উচ্ছেদ’ নতুন কিছু না

July 6, 2026 No Comments

বাংলায় একটা কথা চালু আছে, “ভাত দেবার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই”। দশকের পর দশক ধরে, হকার সমস্যা নিয়ে সরকারগুলোর মনোভাব আমাদের বারবার সেই কথাটা

যোগ: অন্তর্জাগরণের সাধনা নাকি প্রদর্শনীর উপকরণ?

July 6, 2026 No Comments

যোগের প্রকৃত দর্শন, ভিত্তি এবং সমকালীন বিকৃতির সমালোচনা ভূমিকা একবিংশ শতাব্দীতে ‘যোগ’ শব্দটি বিশ্বজুড়ে এক অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, কর্পোরেট ওয়েলনেস কর্মসূচি,

নরেন্দ্রপুরে ছাত্র মৃত্যু: হোক প্রকৃত সত্যের উদঘাটন

July 5, 2026 2 Comments

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে যেভাবে একটি ছাত্রের মৃত্যু ঘটেছে সেটা যেমন চরম দুর্ভাগ্যজনক তেমনি সন্দেহজনক। কারণ, গরম চা খেয়ে ফেললে, সহ্যের অতিরিক্ত অত্যাধিক গরম হলে মুখ

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে…….(৩)

July 5, 2026 6 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও অর্থ ব্যবস্থা: বাজেটিয় ঘোষণা এবং অন্যান্য প্রকল্প

Bappaditya Roy July 6, 2026

পুঁজিবাদের আওতায় মানুষের ‘উচ্ছেদ’ নতুন কিছু না

Dipak Piplai July 6, 2026

যোগ: অন্তর্জাগরণের সাধনা নাকি প্রদর্শনীর উপকরণ?

Dr. Sukanti Bhattacharya July 6, 2026

নরেন্দ্রপুরে ছাত্র মৃত্যু: হোক প্রকৃত সত্যের উদঘাটন

Sanjoy Mukherjee July 5, 2026

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে…….(৩)

Somnath Mukhopadhyay July 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

646710
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]