Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অভিমন্যু

461943420_3772203939759901_7379888820489014022_n
Dr. Sukanya Bandopadhyay

Dr. Sukanya Bandopadhyay

Medical Officer, Immuno-Hematology and Blood Bank, MCH
My Other Posts
  • October 3, 2024
  • 7:18 am
  • No Comments
সোশ্যাল মিডিয়ার সুশীল ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়ালেই বোঝা যাবে, মানুষ উৎসবে রয়েছেন, নাকি নেই।
হাতিবাগান থেকে বেহালা মার্কেট, সাধারণ মানুষ হুলিয়ে পুজোর বাজার করছেন। ক্রেতা/বিক্রেতা কারোরই ‘বডি ল্যাঙ্গোয়েজে’ কোনো শোকচিহ্ন নজরে পড়ে না। এক হাতে শক্ত করে ধরা সন্তানের হাত, অন্য হাতে গুচ্ছখানেক প্লাস্টিকের প্যাকেট — অবশ্যই জামাকাপড়ের — এমন ক্লান্ত, তৃপ্ত তরুণী মায়েদের ভিড় অটোর লাইনে, ফুচকার স্টলের সামনে, বাদুড়ঝোলা বাসের অন্দরে। বাইকে প্রেমিকা বা স্ত্রীকে চাপিয়ে মার্কেটে আসা মানুষ গলদঘর্ম কেনাকাটার মাঝে নরম পানীয় বা কাঠি আইসক্রিমে গলা ভেজাচ্ছেন, ফুটের হকার গলার শির ফুলিয়ে হেঁকে চলেছেন নিজের পসরাটি বিকোনোর জন্য — কোত্থাও কোনো ব্যত্যয় নেই।
থাকার কথাও ছিল না। অনেক ফেসবুক বন্ধু মহামিছিলের ছবি পাঠিয়েছেন, পাঠাবেন — আমার বক্তব্যের সঙ্গে সহমত হতে চাইবেন না, মেনে নিচ্ছি। আজকাল আর তর্ক করতে ভাল লাগে না। আমি কেবল মুদ্রার উল্টোপিঠটা দেখিয়ে গেলাম।
একটি রাজ্যের রাজধানী এবং শহরকেন্দ্রিক প্রতিবাদের জোর যেন বাকি অংশের মানসিক স্থবিরতা, মৃতোপম স্থিতিজাড্যকে তছনছ করে দিতে পারে, এই অলীক আশা সযত্নে লালন করে যাচ্ছি এখনো। কতদিন করব, জানি না।
ইতোমধ্যেই, সোশ্যাল মিডিয়ার জ্ঞানীগুণী, প্রখ্যাত কিছু মানুষ, তার মধ্যে অনেকে লেখক, কবি, সাংবাদিক — তাঁরা জুনিয়র ডাক্তারদের পুনর্কর্মবিরতিতে অত্যন্ত বিরক্ত বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের এই পদক্ষেপের কোনো যৌক্তিকতাই তাঁরা খুঁজে পাচ্ছেন না। এটুকুতেই আটকে না থেকে তাঁরা প্রতি আক্রমণও শানিয়েছেন দেখলাম। কর্মবিরতি করলে মাইনে নিচ্ছে কেন? এ তো একধরণের তঞ্চকতা। তাছাড়া, হয় বাপের পয়সা দিয়ে পড়েছে, নয় মানুষের ট্যাক্সের টাকায় ডাক্তার হয়েছে, প্রথমদিকে একটু ন্যায়বিচার টিচার চেয়ে আন্দোলন টান্দোলন করেছে, ঠিক আছে, এখন আবার এত কি? নির্ঘাত পুজোর ডিউটি ফাঁকি দেবার তাল, হুঁহুঁ বাবা, আমরা সব বুঝি।
কেউ আরো এক পা এগিয়ে গিয়ে বলছেন, উচ্চশিক্ষিতা ডাক্তারেরই শুধু প্রাণের মূল্য আছে, তাই না? সাধারণ রোগী, যারা কর্পোরেট হাসপাতালে যেতে পারবে না, তার প্রাণের কোনো মূল্য নেই? হক কথা। চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের প্রাণের মূল্য অবিশ্যি কোভিডের সময়েই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল, সে কথা একজন ডাক্তারবাবু বিনীতভাবে জানিয়েওছিলেন, কিন্তু সাংবাদিক সাহেব-সাহেবারা ভয়ানক গোঁসা করে উত্তর দিয়েছেন, যে তাঁদের পেশার মানুষজনও কোভিডে জীবন বাজি রেখে লড়েছিলেন, শুধু চিকিৎসাকর্মীদের শহিদের গরিমা কেন ভেট দেওয়া হবে? তাঁরা কি ফেলনা? অকাট্য যুক্তি। তা এই এত এত বাইনারির জালে আর নিজেকে জড়াতে মন চাইল না।
একটি স্থান-কালে সংঘটিত যে কোনো আন্দোলন তার বৃত্তের মধ্যে থাকা আপামর পাত্রপাত্রীর নিরঙ্কুশ স্বার্থরক্ষা করতে পারে না, সেটা সম্ভবই না। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য নদীর উপর বাঁধ বসলে, তীরবর্তী বহু বাসিন্দা বেঘর হ’ন।
অতিমারির লকডাউনে শুধু রোগে নয়, অভুক্ত, কর্মহীন হয়ে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
অসংখ্য সাধারণ মানুষের রক্তমাখা শবের উপর দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এসেছে।
এগুলি কোনোটাই প্রতিরোধ করা যেত না।
জুনিয়র চিকিৎসকদের সুস্থ কর্মপরিবেশ, দুর্নীতিমুক্ত চিকিৎসাব্যবস্থা তথা কলুষহীন ডাক্তারি শিক্ষার বাতাবরণ এবং সহপাঠীর নারকীয় মৃত্যুর সঠিক ও দ্রুত বিচার — এই চাহিদাগুলির জন্য যে আন্দোলন ও কর্মবিরতি, তার থেকে উদ্ভূত রোগী ভোগান্তির চিত্রটি কিন্তু প্রতিরোধ করা যেত।
জুনিয়র চিকিৎসকরা মূলত শিক্ষার্থী, মেডিক্যাল কলেজগুলির বিভিন্ন পরিষেবায় তাঁদের কাজ সমন্বয়কের, সাহায্যকারীর, সহযোগীর। সরাসরি সরকারি চাকরি অর্থাৎ ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিস এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত প্রফেসর, অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর তথা আর এম ও এবং জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসারের এত পদ ফাঁকা কেন হাসপাতালগুলিতে?
যাদের শিক্ষানবিশ থাকার কথা, কেন তারাই হয়ে উঠলেন মেডিক্যাল কলেজগুলির চিকিৎসাব্যবস্থার মেরুদণ্ড? কেন এখনো কোনো স্বচ্ছ ট্রান্সফার পলিসি নেই চাকরিরত চিকিৎসকদের? কেন অনিয়মিত নতুন নিয়োগ? কিসের জন্য সরকারি চাকরিতে রিটায়ারমেন্টের বয়স ষাট থেকে প্রথমে বাষট্টি, তারপর এখন পঁয়ষট্টি করা হয়েছে — আবার শোনা যাচ্ছে আটষট্টি/সত্তরও করে দেওয়া হতে পারে — এই বিষয়গুলিতে একটু অন্তর্তদন্তমূলক সাংবাদিকতা কি পেতে পারি না আমরা?
জানি, সামনে বিভিন্ন পুজোর উদ্বোধন, মণ্ডপসজ্জা, আলোকবাসর এবং প্রতিমাশিল্পের অনন্য আর্ট ফেস্টিভ্যাল চলছে, এরপরে কার্নিভ্যালও থাকবে — সেখানে এইসব নীরস প্রশ্নাবলীর উপস্থাপন নেহাতই অরণ্যে রোদন।
তাই এও জানি, আমাদের মার খেতে হবে, গালাগাল খেতে হবে, ধর্ষিত হতে হবে, হাজারবার অভিযুক্ত হতে হবে চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগে। মানুষকে বাঁচানোর গুরুদায়িত্ব যাদের, মানুষের করের টাকায় যাদের শিক্ষাদীক্ষা, মানুষেরই করের টাকায় যাদের স্টাইপেণ্ড/বেতন, তাদের আবার অত বাড়াবাড়ি কিসের জন্য?
হ্যাঁ, মাথা পেতেই নিলাম সব অভিযোগ। জুনিয়র/সিনিয়র সব চিকিৎসকদের সব রকম ন্যায্য প্রশ্নের জবাব বোধহয় বিপ্রতীপে থাকা সবার কাছেই রয়েছে, কেবল সঙ্গের ছবিটির প্রৌঢ়ের নীরব কান্নার কোনো উত্তর সম্ভবত কারো কাছে নেই।
উনি অভয়ার বাবা। মেয়ের প্রতীকী মূর্তির মাথায় কপাল রেখে কেঁদে ফেলেছেন।
বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন হয়ত।
May be an image of 1 person, monument and text
PrevPreviousস্বাস্থ্য চিকিৎসা এবং আপনি
Nextজাস্টিস রাস্তায় নেমে আদায় করে নেবার জিনিসNext
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

September 5, 2026 No Comments

৩১ শে আগস্ট ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

September 5, 2026 No Comments

আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে কারণেই হোক, ভেবে কিংবা না ভেবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে এনেছেন। বাস্তবিক পক্ষে, এটা ঠিক একটা নয় তিনটে ভাগে বিভক্ত। ১) মারা

নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মৌলিক অধিকার।

September 5, 2026 No Comments

উত্তরবঙ্গ সহ রাজ্যের নানান মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, বহিরাগতদের দ্বারা ছাত্রদের হুমকি ও মারধরের যে অভিযোগ সামনে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র

মহাজাগতিক

September 4, 2026 No Comments

চায়ের কাপে ছাইরঙা ভোর, ঝাপসা কাঁচে জলকবিতা, তুমি তো খুব দূরের মানুষ, মেঘের সঙ্গে কুটুম্বিতা। কাটছিল বেশ। একলা বিকেল – কুড়িয়ে নুড়ি জীবনপথের, মনখারাপি চরকাবুড়ি

মুক্ত সংস্কৃতি ও সুস্থ চেতনার ঐতিহ্যকে রক্ষা করুন

September 4, 2026 1 Comment

অ্যাকাডেমি এবং আনন্দবাজারের দেওয়ালে গেরুয়া রং। যাদবপুরের দেওয়াল থেকে কার্ল মার্কসের লেখা, বিখ্যাত চিত্রশিল্পী চিত্তপ্রসাদের ছবি, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের দেওয়ালে We want justice লেখা মোছার

সাম্প্রতিক পোস্ট

কথা বলার মানুষ আছে, তবু একা কেন?

Doctors' Dialogue September 5, 2026

মরণোত্তর দেহদান বিতর্ক

Dr. Amit Pan September 5, 2026

নিরাপদ ক্যাম্পাস প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মৌলিক অধিকার।

West Bengal Junior Doctors Front September 5, 2026

মহাজাগতিক

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 4, 2026

মুক্ত সংস্কৃতি ও সুস্থ চেতনার ঐতিহ্যকে রক্ষা করুন

Abhaya Mancha September 4, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

672937
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]