Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

“আমিই সর্বশক্তিমান, আমিই পারি।”

GettyImages-495835759-5b2021ddba61770037f4f291
Dr. Sayan Paul

Dr. Sayan Paul

Oncologist
My Other Posts
  • August 7, 2023
  • 7:29 am
  • No Comments
দিবি সূর্য্যসহস্রস্য ভবেদ্ যুগপদুত্থিতা।
যদি ভাঃ সদৃশী সা স্যাদ্ ভাসস্তস্য মহাত্মনঃ।।
পৃথিবীর ইতিহাসে, বিজ্ঞানের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য দিন। কালো দিনও কি বলা যায়? প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ। গীতার এই শ্লোক উচ্চারিত হয়েছিল পারমাণবিক বোমার জনক রবার্ট ওপেনহাইমারের ওষ্ঠে।
আকাশে যদি যুগপৎ সহস্র সূর্য্যের প্রভা উত্থিত হয়, তাহা হইলে সেই সহস্র সূর্য্যের প্রভা মহাত্মা বিশ্বরূপের প্রভাব তুল্য হইতে পারে।
সেই সহস্র সূর্যের প্রভা মানুষ দেখলো প্রথম পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাত্র কয়েকদিন পর। জাপানের দুটি শহর হিরোশিমা ও নাগাসাকি তার শিশু বৃদ্ধ পশুপাখি গাছপালা শুদ্ধ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল পৃথিবীর বুক থেকে। মানুষ দেখল অতি ক্ষুদ্র কণা পরমাণু ভেঙ্গে গেলে কি অপার শক্তি নির্গত হয়। মানুষ অনুভব করল
“কালোহস্মি লোকক্ষয়কৃৎ প্রবৃদ্ধো
লোকান্ সমাহর্তুমিহ প্রবৃত্তঃ।”
“আমিই মৃত্যু আমিই ধ্বংস।”
পরমাণুর মধ্যে নিহিত আছে অসীম শক্তি। ইলেক্ট্রন, প্রোটন নিউট্রন। পারমাণবিক কণা ভাঙ্গা গড়ার খেলায় মেতেছে। নির্গত হচ্ছে শক্তি। নির্গত হচ্ছে রেডিয়েশন। একদিকে সৃষ্টি একদিকে ধ্বংস। অপরিসীম শক্তি। সে কি কেবল ধ্বংসই করেছে? না।
১৮৯৫ সাল উইলহেম কনরাড রন্টজেন আবিষ্কার করলেন এক্স রে। আবিষ্কার করলেন ইলেকট্রনের স্রোত একটা টার্গেটে আঘাত করলে নির্গত হচ্ছে এক অজানা রশ্মি। যার নাম দিলেন এক্স রে। প্রায় একই সময় আরেক বিজ্ঞানী হেনরি বেকারেল রেডিওএক্টিভিটির ধারণা দিলেন। কিছু পদার্থ (পরমাণু) অস্থির এবং নিজে নিজে ভেঙ্গে যায় আর নির্গত হয় রেডিয়েশন মানে একধরনের রশ্মি। ঠিক এক্স রে র মতো ভৌত গুণাবলী সম্পন্ন। অসীম এর ক্ষমতা যা তখনো মানুষের অজানা। ১৮৯৮ সাল মানবজাতির ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বেশী ধীসম্পন্ন দম্পতি মেরী কুরী আর পিয়ের কুরী আবিষ্কার করলেন রেডিয়াম। রেডিয়েশনের উৎস। সেই পারমাণবিক ক্রীড়া। সেই ইলেকট্রন প্রোটন নিউট্রনের একে অপরের সাথে ভাঙা আর গড়া। পারমাণবিক শক্তি।
এক্স রে আর ন্যাচারাল রেডিয়েশন এরপর বদলে দেবে মানুষের জীবন। বদলে দেবে চিকিৎসা শাস্ত্র। এক্স রে ব্যবহার করে দেখা যাবে শরীরের ভেতর, এটা প্রায় সবাই জানেন। আধুনিক সিটি স্ক্যান ও যে এক্স রে ব্যবহার করেই হয় সেটাও অনেকে জানেন। কিন্তু জানেন কি ১৮৯৫ সালে এক্স রে আবিষ্কারের কিছু দিনের মধ্যে এমিল গ্রুবে নামে একজন, শিকাগো শহরে এই এক্স রে ব্যাবহার করে ফেললেন ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসায়?
এদিকে মাদাম কুরী কাজ করে চলেছেন রেডিও এক্টিভিটি নিয়ে। বর্ননা করেছেন এর চরিত্রাবলী। জানা যাচ্ছে এই রেডিয়েশন ধ্বংস করতে পারে কোষ যা জীবনের একক। ভিয়েনােতে লিওপল্ড ফ্রন্ড সফল ভাবে একটি শিশুর হেয়ারি মোল মানে একটা ত্বকের অসুখ সারিয়ে দিলেন এক্স রে ব্যাবহার করে। তাও কত সালে জানেন? ১৮৯৬, এক্স রে আবিষ্কারের মাত্র একবছর পর।
একের পর এক আবিষ্কার হতে থাকল নানা রেডিওএক্টিভ বা তেজস্ক্রিয় মৌল। রেডিয়াম ব্যবহার শুরু হল ক্যান্সার চিকিৎসায়। খোঁজ চলতে লাগলো এমন তেজস্ক্রিয় মৌল যা থেকে নির্গত রেডিয়েশন ঢুকতে পারবে শরীরের গভীরে যেখানে ক্যান্সার আছে। রেডিয়াম বা কম শক্তির এক্স রে ব্যবহার করে সেরে যেতে লাগলো ত্বকের ক্যান্সার। যদি সম্ভব হয় শরীরের কোন গহ্বরে ক্যান্সার হলে, যেমন জরায়ুর মুখের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রেডিয়াম ঢুকিয়ে দেওয়া হল নলের মতো বা সুঁচের মাধ্যমে। কিন্তু শরীরের গভীরে ঢুকতে পারা যাচ্ছে না তবুও। অধরা থেকে যাচ্ছে অনেক ক্যান্সার। সব জায়গা রেডিয়েশন পৌঁছাতে পারা যাচ্ছে না।
এদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। তৈরি হল নিউক্লিয়ার রিএক্টর। আমেরিকা হাতে নিল ম্যানহাটন প্রজেক্ট। বানানো হল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র পারমাণবিক বোমা আর তার সাথেই মানুষ বানাতে সক্ষম হল রেডিওআইসোটোপ বা তেজস্ক্রিয় কণা। আবিষ্কার হল কোবাল্ট ৬০ তেজস্ক্রিয় মৌল। ড: হারল্ড ই জন স্যাস্কাচন বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবহার করার অনুমতি চাইলেন কোবাল্ট ৬০ মৌল, ক্যান্সার চিকিৎসায়। এ এমন একটা মৌল যা থেকে নির্গত হয় উচ্চ শক্তির গামা রেডিয়েশন যা শরীরের গভীরে প্রবেশ করে ধ্বংস করে ক্যান্সারের কোষ।
১৯৫১ সালে সফল ভাবে ওয়ার মেমোরিয়াল চিলড্রেন্স হাসপাতালে (লন্ডন ওন্টারিও) সফল ভাবে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হল কোবাল্ট ৬০। এরপর এই বিগত দশক পর্যন্ত কোবাল্ট ৬০ দিয়ে চিকিৎসা করে সুস্থ হয়েছেন অযুত নিযুত ক্যান্সার রোগী। মানুষ কোষের ভেতর পর্যন্ত পরীক্ষা করে দেখল এর রেডিয়েশন বা রে বিনষ্ট করে দিতে পারে অমর ক্যান্সার কোষের ডি এন এ। মৃত্যু ঘটে ক্যান্সার কোষের। সুস্থ হন রোগী।
এদিকে এক্স রে নিয়ে চলেছে গবেষণা, কেবল রোগ নির্নয় বা ডায়াগনোসিস এই নয়, এক্স রেও যে ঠিক একই রকম রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয় রশ্মি তা মানুষ জেনেছে বহুদিন, ব্যবহার হয়েছে ক্যান্সার চিকিৎসায়। কিন্তু সমস্যা একটিই, কম শক্তির এক্স রে শরীরের গভীরে প্রবেশ করতে পারে না। এবার এই এক্স রে-কে আরো শক্তিশালী করার গবেষণা জন্ম দিল লিনিয়ার এক্সিলারেটরের, যার সাহায্যে ইলেকট্রনকে গতি বাড়িয়ে বানানো হল উচ্চ শক্তির এক্স রে। কোবাল্টের মত কেবল একটি নির্দিষ্ট শক্তি নয়, যেমনটা চাই ঠিক তেমনি শক্তির রে বানানো সম্ভব হলো। আবার ক্যান্সার বা টিউমারের আকার অনুযায়ী এই এক্স রে-কে নির্দিষ্ট আকারে বেঁধেও ফেলা গেল। স্বাভাবিক কোষ বাঁচিয়ে মেরে ফেলা গেল ক্যান্সার কোষ। সুস্থ হতে লাগলেন শত শত রোগী। কমে গেল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এর সাথে যুক্ত হলো কম্পিউটার। কঠিন কঠিন গণনা করে রেডিয়েশনের ডোজ সঠিক ভাবে দেওয়া সম্ভব হলো।
পারমাণবিক শক্তি, অনিয়ন্ত্রিত, ধ্বংস করে দিয়েছে গোটা শহর। মানুষ একের পর এক গণবিধ্বংসী মারণ পারমাণবিক অস্ত্র জড়ো করেছে আবার সেই একই পারমাণবিক শক্তির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সুস্থ করছে লক্ষ লক্ষ ক্যান্সার রোগী।
মানুষই পারে। মানুষের হাতে অপার শক্তি।
“তত্বমসি” আমিই সেই। আমিই সর্বশক্তিমান
“অহম ব্রমহাস্মি” এই অপার শক্তি ব্যাবহৃত হোক মানব কল্যাণে।
“সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ
সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।
সর্বে ভদ্রাণি পশ্যন্তু
মা কশ্চিৎ দুঃখভাগ্ভবেৎ।।”
৬ই আগস্ট ছিল হিরোশিমা দিবস, আগামী ৯ই আগস্ট নাগাসাকি দিবস।
PrevPreviousযাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে প্রতিবাদ পত্র পাঠালো জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস।
Nextঅনেক মানুষ, একলা মানুষ ৫Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620083
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]