Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বিশ্বামিত্রি নদী ও এক আশ্চর্য রূপান্তরের কাহিনি

WhatsApp Image 2025-10-10 at 10.52.25 AM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • October 12, 2025
  • 7:35 am
  • No Comments

গঙ্গা নদীর শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে একটা লেখা লিখতে গিয়ে নজরে এলো গুজরাটের ভাদোদরার বিশ্বামিত্রি নদীর কথা। গতবছর ভাদোদরা বন্যার কবলে পড়েছিল ওই বিশ্বামিত্রি নদীর সৌজন্যে। খুব যে কেউকেটা নদী তা হয়তো নয়। তবে বর্ষার জল নদীদের কাছে মৃতসঞ্জিবনীসুধার মতো কাজ করে।ঢাল বরাবর গড়িয়ে চলা জল নদীখাত ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়ে অববাহিকার বিস্তির্ণ এলাকায়। বন্যার ফলে মানুষের বিপন্নতা এবং বিষণ্ণতা দুইই বেড়ে যায়। নদীর জল আগলে বেঁচে থাকা প্রাণিদের অসহায়তার শিকার হতে হয়।

গুজরাটের পঞ্চ্ মহল জেলার পভাগড় পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে ভাদোদরা শহরের পশ্চিম সীমানা বরাবর বয়ে গিয়ে এই নদীটি খাম্বাত উপসাগরে গিয়ে মিশেছে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা মাথায় রেখে এই নদীটির হারিয়ে যাওয়া নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয় পুর প্রশাসন ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা করে।  আপাত দৃষ্টিতে সহজ বলে মনে হলেও সমস্যা দেখা দেয় নদী তীরবর্তী এলাকার জীববৈচিত্রের সম্ভারকে সংরক্ষিত রাখার। কীভাবে এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে তা নিয়েই এই নিবন্ধ।

                      নদীর ছড়া

 

ভুঁইয়ের ওপর পড়লো জল

গড়ায় সে জল খলখল,

জলের তোড়ে ক্ষ‌ইলো ভুঁই,

জম্ম নিল সে এক স‌ই।

তাঁরে ঘিরেই মোদের বাস,

তাঁরে নিয়েই মোদের আশ।

তাঁর জলেতে ভাসাই নাও,

নামটি যে তাঁর হিজলছাঁও।

তাঁর একান্ত পরিচিত হিজলছাঁও নদীর কথা শুনিয়েছেন নাম না জানা কোন্ এক ছড়াকার। আসলে নদীর সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে কতশত জীবন, জীবনের লড়াই, বেঁচে থাকা আর বেড়ে ওঠার প্রাণস্পর্শী কাহিনি। মানুষের সভ্যতার বিকাশের পেছনে যেমন রয়েছে নদীর বিপুল ভূমিকা, ঠিক তেমন‌ই তিলতিল করে গড়া মানুষের নানান কীর্তি ভাসিয়ে নিয়ে সেই নদীই যে আবার হয়ে ওঠে কীর্তিনাশা। নদী খাতের জল ধরে রাখার ক্ষমতাকে ছাপিয়ে যাওয়া জল উপচে পড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সব কিছু , সৃষ্টি হয় কুলপ্লাবি বন্যার।গতবছর আগস্ট মাসে এমন‌ই এক বন্যার প্রকোপে পর্যদুস্ত হয়েছিল গুজরাটের ভাদোদরা শহর ও সংলগ্ন এলাকা। ভাদোদরা শহরের বুক চিরে পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে বয়ে চলেছে বিশ্বামিত্রি নদী। শহরের পাশে থাকার কারণেই তাকে স‌ইতে হয় নাগরিক সমাজের নানা ধরনের অত্যাচার। শহুরে নদীগুলোকে তো আমরা কবেই বর্জ্য নিকাশের নালা বানিয়ে ফেলেছি। তাহলে বিশ্বামিত্রি ই বা বাদ যায় কেন? একেই নদীর বুকে জলের জোগান কম, তার ওপর বিপুল আবর্জনার ভার বইতে গিয়ে নদীর খাত বরাবর জল গড়াতে পারে না। ভরা বর্ষার জল খাতে নামতেই জল উপচে পড়ে দুপাশের এলাকা জুড়ে। ভাদোদরা তখন বানভাসি, খবরের কাগজের শিরোনামে । সাম্প্রতিক ইতিহাসের ভয়াবহতম বন্যা এসে বিপর্যস্ত করে মানুষের জীবনের চেনা ছন্দকে।

এদেশের মানুষের কাছে বন্যা কোনো নতুন ঘটনা নয় – নদীর মতো বন্যাও আমাদের নিত্য সঙ্গী। স্মৃতির পাতা হাতড়ে দেখা গেল ২০০৫ সালে এমনটাই পরিণতি হয়েছিল ভাদোদরার। সেবারের রেকর্ড ভেঙে গত বছরের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অনেক বেশি। সাধারণ বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে জল বয়ে গিয়ে ভাসিয়ে দিয়ে যায় বিস্তির্ণ এলাকা। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তোলা হয় নানান প্রশ্ন। এদেশে যে এমনটাই দস্তুর – সমস্যাকে খতিয়ে না দেখে, খালি চোখা চোখা প্রশ্ন তোলো। ভাদোদরাকে ভবিষ্যতে বন্যার হাত থেকে বাঁচাতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন হলো।বিশ্বামিত্রি নদীকে নিয়ে অন্য এক সমস্যাও ছিল । কী সেই সমস্যা? নদী আর তার সংলগ্ন এলাকা তো আর কেবল মানুষের খাস তালুক নয়। নদী যেমন মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় তেমনি তাকে আশ্রয় করেই বেঁচে বর্তে থাকে অনেক অনেক মনুষ্যেতর প্রাণ, বেড়ে ওঠে জলজ উদ্ভিদেরা । ভাদোদরার পুর প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিলো ড্রেজিং করে নদীখাতকে আরও গভীর করে তোলার যাতে ভবিষ্যতে নদী আরও বেশি করে জল ধরে রাখতে পারে। এতো খুব উত্তম প্রস্তাব ! কিন্তু বিশ্বামিত্রি নদীকে ঘিরে যে আশ্চর্য জীবনের স্পন্দন, সম্পন্ন জীববৈচিত্রের মিলনমেলা তার কী হবে? নদী খাতকে পরিচ্ছন্ন করতে, নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে গিয়ে যদি এই প্রাণিকুল বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাহলে তো আফশোস করতে হবে!  এখন উপায়? যাতে শ্যাম আর কুল দুটোকেই রক্ষা করা সম্ভব হয়!ড্রেজিং করে নদীখাতকে আরও গভীর করার প্রস্তাব যাঁরা দিয়েছিলেন সেই বাস্তুকারদের হাতে হাত মেলালেন পরিবেশবাদী ইকোলজিস্ট‌রা। ভাদোদরার মহারাজা সয়াজিরাও ইউনিভার্সিটির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডঃ রণজিৎসিন্ দেভকর এর নেতৃত্বে একদল গবেষক বিজ্ঞানী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে এলেন নদীকেন্দ্রিক আবাসিক প্রাণিদের রক্ষা করার কাজে। অধ্যাপক দেভকরের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হলো ১২০০ কোটি টাকার ‘বিশ্বমিত্রি ফ্লাড মিটিগেশন প্রজেক্টটিকে’ পরিচালনা করার। তৈরি করা হলো একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি যাঁদের পরামর্শ মেনে পরিচালিত হবে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। তার আগে সরজমিনে খতিয়ে দেখা হলো নদী তীরবর্তী এলাকার প্রাণিসম্পদের পরিমাণ ও বৈচিত্র্যময়তা।অধ্যাপক ডঃ দেভকরের নেতৃত্বাধীন কমিটি নদী সহ তার আশেপাশের এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানালো যে গোটা এলাকাটাই বায়োডাইভার্সিটি হটস্পট হিসেবে মান্যতা পাবার উপযুক্ত। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মোলাস্কা বা শামুক জাতীয় প্রাণি , উভচর, সরীসৃপ, নানান প্রজাতির পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণিরা বসবাস করে যাদের মধ্যে অন্যতম হলো কাঁটায় মোড়া শরীর নিয়ে থাকা সজারু এবং হুক্কা হুয়া করে হাঁক পাড়া শেয়ালের দল।এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গুজরাটের প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও বনবিভাগের করা এক যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেল যে বিশ্বমিত্রি নদীর প্রায় ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশের জলে বসবাস করে কমবেশি ৪৪০টি‌ কুমীর। এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যবর্তী সময়ে নদীর খোদাইয়ের কাজ শুরু হবে বলে ঠিক করা হয়, তবে ঐ সময়টা যেহেতু প্রধান প্রজাতির প্রাণিদের প্রজননের সময় সেই কারণে ড্রেজিংয়ের কাজে আরও সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ফলে খননের কাজ খানিকটা বিলম্বিত হলেও প্রাণিদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সকলেই সহমত পোষণ করেন। নদীর খোদাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই অবলা প্রাণিদের‌ও রক্ষা করতে হবে।নদী তীরবর্তী বিস্তৃত বালিচরেই কুমীর,কাছিমরা ডিম পাড়ে, রেড ওয়াটেল্ড ল্যাপ‌উইঙ্ সহ বেশ কিছু জলের পাখি বাসা বানায় এবং ডিম পাড়ে ঐ বালিতেই সেহেতু প্রয়োজন হয় তীক্ষ্ণ নজর দিয়ে ডিমগুলোকে উদ্ধার করার। এই কাজ করতে পারে কেবলমাত্র অভিজ্ঞজনেরা। কোনো হুড়োহুড়ি না করে অত্যন্ত ধৈর্য্য নিয়ে এই কাজ করতে ময়দানে নেমেছিলেন অধ্যাপক ডঃ দেভকরের নেতৃত্বাধীন স্বেচ্ছাসেবকরা। প্রথমে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে একটি একটি করে ডিমগুলোকে উদ্ধার করে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে এভাবে উদ্ধারকৃত ৮৮ টি কুমীরের ডিম, ২৮৪ টি কাছিমের ডিম এবং ৩৮ টি পাখির ডিম কৃত্রিম উপায়ে ফোটানোর জন্য স্থানীয় চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরিত করা হয়। এই ধরনের কাজ ভারতের মধ্যে প্রথম সংরক্ষণমুখী কর্মপ্রয়াসের মর্যাদা পাবার যোগ্য। এভাবে স্থানান্তর করা হলে কুমীরের ডিমের অন্তঃস্থ কুসুমের মধ্যে বেড়ে ওঠা ভ্রুণটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে,তাই স্বেচ্ছাসেবকদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হয়েছে। প্রতিটি ডিমের আলাদা আলাদা করে ছবি তোলার পর তা তুলে দেওয়া হয় চিড়িয়াখানার কর্মীদের হাতে যাতে ইনকিউবেটরে ঠিকঠাক ডিমটিকে রাখা হয় ফোটানোর জন্য।

নদীখাতে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ আবর্জনা পরিষ্কার করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার কাজটা সত্যিই কঠিন ছিল বাস্তুকারদের কাছে। নদী খাত এভাবে ভরাট হয়ে যাওয়ায় জন্য নদীর নাব্যতা যেমন কমেছিল তেমন‌ই বেড়েছিল বন্যার সম্ভাবনা। তবে কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে নদী তীরবর্তী এলাকার বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের কাজটা ছিল আরও অনেক অনেক কঠিন। ডিমগুলোকে উদ্ধার করে তাদের ফোটানো এবং নতুন প্রজন্মের অতিথিদের তাদের পূর্বজদের বাসভূমে পুনঃস্থাপন করার কাজটি ছিল সন্দেহাতীতভাবে কঠিন। এই কাজটি অত্যন্ত সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পন্ন করার জন্য কোনো প্রশংসাই হয়তো যথেষ্ট নয় অধ্যাপক ডঃ দেভকারের নেতৃত্বাধীন সেচ্ছাসেবক দলের। আসলে সদিচ্ছা থাকলেই উপায় হয়। ভাদোদরার পুর কর্তৃপক্ষ সেকথাই যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন। তাঁদের এই সমবেত প্রয়াসকে কুর্ণিশ জানাই।

তথ্যসূত্র :– বিভিন্ন সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদপত্র। ডাউন টু আর্থ পত্রিকা। বেটার ইন্ডিয়া।

ছবি নানান সূত্র থেকে সংগৃহীত। সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

অক্টোবর ১০. ২০২৫.

PrevPreviousন্যায়বিচারের লড়াই যেমন আমাদের, তেমনি মানুষের পাশে থাকার লড়াইটাও আমাদের
Next“শান্তির দূত” ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু – গাজায় শান্তি?Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

April 21, 2026 No Comments

১. ব্র্যাডিকাইনেসিয়া (Bradykinesia – চলাচলের ধীরগতি) নড়াচড়া শুরু করতে অসুবিধা মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় ধীরে হাঁটা, হাত দোলানো কমে যায় ২. রেস্টিং ট্রেমর (Resting Tremor)

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

Dr. Aditya Sarkar April 21, 2026

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618605
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]