Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

“শান্তির দূত” ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু – গাজায় শান্তি?

Oplus_16908288
Dr. Jayanta Bhattacharya

Dr. Jayanta Bhattacharya

General physician
My Other Posts
  • October 12, 2025
  • 7:36 am
  • No Comments

দু’জন শান্তির দূত ট্রাম্প (নোবেল পুরষ্কারের স্বঘোষিত দাবীদার) এবং গণহত্যাকারী সামরিক রাষ্ট্র ইজরায়েলের নেতেনিয়াহু গাজায় শান্তি চুক্তি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইউরোপের তথা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে জলোচ্ছ্বাসের মতো যেরকম ইজরায়েলের গণহত্যা-বিরোধী ঢেউ উঠেছে তারও এক প্রভাব থাকতে পারে এই শান্তি প্রক্রিয়ার ওপরে। কিন্তু ধ্বংসস্তুপে পরিণত, নিরাশ্রয়, প্রকৃত অর্থে দুর্ভিক্ষ-পীড়িত, হাসপাতাল-ঘর-নিরাপদ আশ্রয়হীন গাজার তথা প্যালেস্তানীয় জনগণের কাছে কোন শান্তি ফিরে আসবে? সমস্ত ধ্বংসের পুননির্মাণ কে করে দেবে? বিশ্বের “বড় দাদা” দেবাদিদেব ভারত সরকারের “বন্ধু” ট্রাম্প তো কবেই ঘোষণা করেছিলেন, গাজাকে একটি প্রমোদস্থল হিসেবে গড়ে তুলবেন পৃথিবীর “মেরি বাবা”। মালিকানা আমেরিকার, আংশিক ভাগ হয়তো ইজরায়েলেরও। এখনই সময় পেছন ফিরে দেখার – যতটা সম্ভব – এবং ডাক্তারদের অবস্থান যাচাই করে নেবার।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো বিখ্যাত সংবাদপত্রের দু’জন সাংবাদিক, প্যাট্রিক কিংসলি এবং ড্যানিয়েল বেরেহুলা্‌ আক্রমণকারী যুদ্ধবাজ নির্মম ইজরায়েলি সৈন্যদের সাথে গাজার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার ফলশ্রুতিতে তাঁদের প্রতিবেদন প্রকাশিত হল সে সংবাদপত্রে – যুদ্ধতাণ্ডবের সচিত্র বিবরণ সহ – ১৭ নভেম্বর, ২০২৩-এ “A Journey Into Northern Gaza: Ruins, Wreckage and Darkness” শিরোনামে। গাজায় ৭ অক্টোবরের পর থেকে কমবেশি ৩,৫০০,০০০ মানুষ ভূমিহারা, গৃহহারা। দলে দলে অন্যত্র পালিয়ে যাচ্ছে, যদি কোন তুলনায় নিরাপদ জায়গা পাওয়া যায়। ১৫,০০০-এর বেশি শিশু, নারী এবং নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এখানে একটি প্রশ্ন ওঠা নিতান্ত স্বাভাবিক। আমরা জানি ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় – ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ অব্দি – ইউরোপীয় ইহুদিদের ওপরে নৃশংসতম অত্যাচারগুলো হয়েছিল। সেদিনও শিশুরা মারা গিয়েছিল কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গ্যাস চেম্বারে – অনেক অনেক শিশু, বৃদ্ধ, নারী, অশক্ত, সুস্থ মানুষ। সবমিলিয়ে সংখ্যাটা কমবেশি ৮০ লক্ষ। আজ সেই মানুষগুলো কিংবা যারা তাদের কাছ থেকে ওরকম দুঃস্বপ্নের অতীতের কাহিনী শুনেছে তারাই তো গাজায় একই ঘটনা ঘটাচ্ছে। যদি মনস্তত্ত্বের দিক থেকে বিচার বা বিশ্লেষণ করি তাহলে ব্যাপারটা কি এরকম দাঁড়ায় – যারা একসময়ে অত্যাচারের শিকার হয়েছিল তারা কি জাতি হিসেবেই আজকের যুগের নরখাদকের মতো তাদের মানসিক গঠনে, মননের প্রতিটি স্তরে সমধর্মী প্রভুত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন চরিত্রের হলোকস্টের রেপ্লিকা তৈরি করাকে লালন করছে?

ভিন্নভাবে দেখলে, বর্তমান ইজরায়েল ৮০ বছর আগেকার অত্যাচার, নিষ্ঠুরতা, আগ্রাসন, মৃত্যুর দূত হয়ে আবির্ভূত হওয়া – এ সমস্ত কিছুকে আত্মীকরণ এবং নিজেদের মধ্যে সযত্নে ধারণ করেছে? মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণ সে কথাই বলে। এবং এদের শুধু আমেরিকা নয়, ইউরোপের প্রতিটি শক্তিধর ও তথাকথিত ‘গণতান্ত্রিক’ রাষ্ট্র।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম সামরিক উপদেষ্টা মার্ক রেগেভ নির্লিপ্ত চিত্তে জানিয়েছেন, গাজায় যে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের অভাবিত মৃত্যু ঘটছে তা হল হামাসের আক্রমণের “payback”। বিচারের ভার পাঠকদের। কত শিশুর মৃত্যু হয়েছে ইজরায়েলি হানায়?

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর (১৩.১১.২০২৩) সংবাদ “This Photograph Demands an Answer” জানাচ্ছে ৪৫০০-এর শিশু মারা গেছে এর মধ্যেই। আরও কত শিশু মায়ের কোল খালি করবে সে হিসেব আমরা জানিনা। এই সংবাদে শিশুদের গণহারে মৃত্যুর একটি ছবি দেওয়া হয়েছিল “There is nothing quite so devastating as the image of a child whose life has been snuffed out by senseless violence” ক্যাপশন সহ।

গাজার মৃত্যুমিছিল

সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী গাজায় মৃতের সংখ্যা ৬৭,২০০, আহতের সংখ্যা ১৬৯,৮৯০, যাদের অনেকেই পরে মারা যাবে। (সূত্রঃ https://www.aa.com.tr/en/middle-east/gaza-death-toll-from-israeli-war-rises-to-67-200-as-ceasefire-deal-set-to-take-effect/3712459)। গাজায় নিহত শিশুর সংখ্যা ২০,০০০ (https://www.cbsnews.com/news/gaza-israel-hamas-war-children-deaths-orphans-trauma/)। গাজায় প্রতি ৩৩ জনে ১ জন করে মানুষ নিহত হয়েছে।
৯ অকোবর, ২০২৪-এ নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ একজন ডাক্তারের বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল “65 Doctors, Nurses and Paramedics: What We Saw in Gaza” শিরোনামে (https://www.nytimes.com/interactive/2024/10/09/opinion/gaza-doctor-interviews.html)। প্রতিবেদক সার্জন (Feroze Sidhwa) লিখেছিলেন – “I worked as a trauma surgeon in Gaza from March 25 to April 8. I’ve volunteered in Ukraine and Haiti, and I grew up in Flint, Mich. I’ve seen violence and worked in conflict zones. But of the many things that stood out about working in a hospital in Gaza, one got to me: Nearly every day I was there, I saw a new young child who had been shot in the head or the chest, virtually all of whom went on to die. Thirteen in total.”

(গাজায় শিশুদের গলা এবং মাথায় shrapnel-এর টুকরো)

চিকিৎসক সমাজের প্রতিক্রিয়া

ল্যান্সেট-এ গাজার আল-আজহার ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অধ্যাপক Mohamed Reyad Zughbur-এর আবেদন প্রকাশিত হয় “Protect civilians’ lives and health care in Gaza” শিরোনামে (অক্টোবর ২৭, ২০২৩)। তাঁর আবেদনের শুরুতে বলছেন – “যখন নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে আল-আজহার ইউনিভার্সিটির শিক্ষক এবং ছাত্ররা সবাই টগবগ করছে নতুন পাঠারম্ভের চ্যালেঞ্জ নেবার আনন্দে, সে সময় আমাদের সবাইকে স্তম্ভিত করে শুরু হল যুদ্ধ। এ যুদ্ধে শুধু যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং ল্যাবরেটরি ধ্বংস হয়েছে তাই নয় সমুদ্রোপকূলবর্তী অঞ্চল ভয়ঙ্করভাবে চুরমার হয়ে গেছে … গাজার ২০ লক্ষের বেশি মানুষ তাদের মর্যাদা খুইয়েছে।”

তাঁর লেখার শেষ অনুচ্ছেদে বলছেন – “যে সমস্ত ঘটনা ঘটে চলছে সেগুলো আমার বোধগম্যতার বাইরে এবং এখনকার পরিস্থিতি যার মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি তার “gravity” আমার পক্ষে ব্যাখ্যা করাও সম্ভব নয়। বিশ্ববাসীর এখানে যা ঘটে চলেছে সেই ঘোরতর শোচনীয় অবস্থার কথা জানা উচিত। এবং all those with consciousness should act to protect civilian lives and health care in the Gaza Strip.”

আরেকটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল ল্যান্সেট-এ (অক্টোবর ২৭, ২০২৩) – একজন প্যালেস্তিনীয় চিকিৎসক Lina Qassem-Hassan এবং একজন ইজরায়েলি চিকিৎসক Raphael Walden-এর স্বাক্ষরিত। শিরোনাম “A Palestinian and an Israeli physician speak out for medical ethics”। এই বিবৃতিতে তাঁরা বলেন – “এই মুহূর্তে মানবিক কারণে সংঘর্ষ-বিরতি করতে হবে, সবসময়ে যাতে খোলা থাকে এরকম একটি ‘humanitarian corridor to enable the delivery of medical aid, water, fuel, and electricity’-এর প্রতিষ্ঠা সুনিশ্চিত করতে হবে, ইজরায়েলি এবং বিদেশী পণবন্দীকে মুক্ত করতে হবে এবং এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে অসুস্থ ও বৃদ্ধদের, এবং যতক্ষণ এগুলো নিশ্চিত না হচ্ছে ততক্ষণ যাদের বন্দী রাখা হয়ছে তাদেরকে যথোপযুক্ত মেডিক্যাল পরিষেবা দিতে হবে। যতক্ষণ অবধি হাসপাতালগুলোকে ফাঁকা করে দেওয়া যাচ্ছেনা ততক্ষণ ইজরায়েল must refrain from issuing evacuation orders.”

তাঁদের শেষ আবেদন ছিল – “যে সময়ে আমাদের খুব সামান্য সামর্থ্য আছে ঘটনাপ্রবাহকে প্রভাবিত করার, সে সময়ে আমরা এটুকু নিশ্চিত করতে পারি যে খুব ন্যূনতম হলেও আমাদের কণ্ঠস্বরে যেন আমাদের পেশার মূল্যবোধ প্রতিধ্বনিত হয়।”

এরকম আরও বহু বহু আবেদন এবং রিপোর্ট ক্রমাগত প্রকাশ করে চলেছে ল্যান্সেট। এ থেকে বোঝা যায় চিকিৎসক সমাজের একটি অংশ, ক্ষুদ্র হলেও, তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে বিশ্বের চিকিৎসককুলকে জানাচ্ছেন। তারপর? এখনও পর্যন্ত এক বিরাট শূণ্যতা ছাড়া আর কিছু দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা।
২২ মে, ২০২৫-এ হু-র (WHO) প্রতিবেদন – “Health system at breaking point as hostilities further intensify in Gaza, WHO warns”-এ বলা হয়েছে – “Israel’s intensified military operations continue to threaten an already weakened health system, amidst worsening mass population displacement and acute shortages of food, water, medical supplies, fuel and shelter.

Four major hospitals in Gaza (Kamal Adwan Hospital, Indonesia Hospital, Hamad Hospital for Rehabilitation and Prosthetics, and European Gaza Hospital) have had to suspend medical services in the past week due to their proximity to hostilities or evacuation zones, and attacks. WHO has recorded 28 attacks on health care in Gaza during this period and 697 attacks since October 2023.” এই প্রতিবেদনে হু জানিয়েছিল – “WHO calls for the active protection of health care. Hospitals must never be militarized or targeted … WHO calls for an immediate and lasting ceasefire.” (https://www.who.int/news/item/22-05-2025-health-system-at-breaking-point-as-hostilities-further-intensify–who-warns)

এরপরের গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটি বলার তাহল, ইজরায়েলের এক নাগরিক Lee Mordechai (Historian and Israeli citizen) ৫ জুলাই, ২০২৫-এ ২৩২ পৃষ্ঠার এক সুদীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন গাজা নিয়ে Bearing Witness – Gaza শিরোনামে। এই দীর্ঘ প্রতিবেদন বা পুস্তকে অনুপুঙ্খ বিবরণ দেওয়া হয়েছে ইজরায়েল কী ধরনের শিশুঘাতী নারীঘাতি মানবঘাতী আক্রমনণ চালাচ্ছে গাজার ওপরে। লেখক বলছেন – “All the evidence I have seen indicates that Israel is systematically destroying Gaza to make it unlivable in the future … Israel is said to have dropped over 500 2,000-pound bombs within the densely populated urban area, despite the massive collateral damage these bombs cause (causing death or injury in a radius of up to 365 meters around the target). These bombs are four times heavier than the largest bombs the United States used when fighting ISIS in Mosul … Over 60 percent of Gaza’s housing units have been destroyed or damaged.” (পৃঃ ১২৫-১২৬)

এই পরিপ্রেক্ষিতে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন-এ ৮ অক্টোবর, ২০২৫-এ প্রকাশিত বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের লেখা প্রতিবেদন বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। এই প্রবন্ধের শিরোনাম “Standing by Our Colleagues in Gaza — A Plea to the U.S. Medical Community”।

আমার প্রবন্ধের সাথে এটি যুক্ত করলাম (https://www.nejm.org/doi/full/10.1056/NEJMp2511588)। পাঠকেরা পড়বেন এই প্রত্যাশা নিয়ে।

___________________________________________________________________________________________

 

PrevPreviousবিশ্বামিত্রি নদী ও এক আশ্চর্য রূপান্তরের কাহিনি
Next‘সহস্র বরষার উন্মাদনার মন্ত্র দিয়ে’Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

দিল্লীর যন্তর মন্তরে অল ইন্ডিয়া স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি সুভাষ লাম্বার বক্তব্য

March 14, 2026 No Comments

জেনে নেবেন

March 14, 2026 No Comments

কখনো আমার প্রপিতামহকে দেখলে প্রাচীন ভারতবর্ষের ইতিহাস জেনে নেবেন আর্যরা বহিরাগত ছিলেন কিনা মনুদেব তখনো বৌ পেটাতেন কিনা জেনে নেবেন কখনো আমার পিতামহকে দেখলে পরাধীন

“রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!”

March 14, 2026 No Comments

১০ মার্চ, ২০২৬ তুফায়েল রেজা চৌধুরী, মালদার কুখ্যাত তৃণ নেতার ততোধিক কুখ্যাত ছেলে। আন্ডার গ্রাজুয়েট মালদা মেডিকেল কলেজ থেকে, সেখানকার থ্রেট কালচারের কিং পিন। কলেজের

দিল্লীর যন্তর মন্তরে হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য অভয়া মঞ্চের অন্যতম কনভেনর মণীষা আদকের

March 13, 2026 No Comments

SIR Vanish!!

March 13, 2026 No Comments

“ধরনা মঞ্চ” আজ সন্ধের পর উঠে গেল, বঙ্গজীবনে এর তুল্য দুঃসংবাদ, সাম্প্রতিককালে, খুব একটা আসেনি। রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের ভাষণ নিয়ে বেশী কিছু বলার থাকে না, তাই

সাম্প্রতিক পোস্ট

দিল্লীর যন্তর মন্তরে অল ইন্ডিয়া স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি সুভাষ লাম্বার বক্তব্য

Abhaya Mancha March 14, 2026

জেনে নেবেন

Aritra De March 14, 2026

“রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!”

West Bengal Junior Doctors Front March 14, 2026

দিল্লীর যন্তর মন্তরে হৃদয়স্পর্শী বক্তব্য অভয়া মঞ্চের অন্যতম কনভেনর মণীষা আদকের

Abhaya Mancha March 13, 2026

SIR Vanish!!

Dr. Bishan Basu March 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

613087
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]