
রাজ্যের বদলে বাঙালিকে শাসন করতে চাইছে শুভেন্দু সরকার
“হয় আমরা নয় ওরা” ,যে ভাষায় একজন মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিচ্ছেন যে মনে হচ্ছে না তিনি রাজ্যকে শাসন করতে এসেছেন।মনে হচ্ছে, তিনি বাঙালিকে শাসন করতে এসেছেন।গণতন্ত্রে

“হয় আমরা নয় ওরা” ,যে ভাষায় একজন মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিচ্ছেন যে মনে হচ্ছে না তিনি রাজ্যকে শাসন করতে এসেছেন।মনে হচ্ছে, তিনি বাঙালিকে শাসন করতে এসেছেন।গণতন্ত্রে

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলার মনীষী, সংস্কৃতি ও শিক্ষাঙ্গনের উপর লাগাতার গৈরিক হামলা ঘটেই চলেছে। বাঁকুড়ার ইন্দাসে সিজেপি-র সমর্থকের বাবাকে বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মারা,

এটা বাচ্চা ছেলেও জানে যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চটি কাদা ছুঁড়বেন না, আর এটা প্রকাশিত সত্য যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই

রাজ্যে নতুন সরকার গড়তে না গড়তেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে এক নতুন ভয়ঙ্কর গুণ্ডা দমন আইন এনেছে বিজেপি সরকার। আপাতত সেটি আদালতের বিচারাধীন। আইনটির

২০ জুলাই, ২০২৬ দিনভর দেশ সাক্ষী থাকল এক ঐতিহাসিক ক্রান্তিলগ্নের। দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশ নির্বিচারে লাঠি চালাচ্ছে, লুটিয়ে পড়ছে প্রতিবাদী যুবক, তবুও এগিয়ে চলেছে

একদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে – প্রচন্ড গরমে, খোলা আকাশের নিচে বসে আছে দেশের লক্ষ লক্ষ বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত ছাত্রছাত্রী। যাঁদের জীবন যৌবন

দু মাস যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর ” সকালে জমা বিকেলে খরচ” নীতি ঘোষণা, তারপরেই পুলিশের এনকাউন্টার! বুলডোজারের পর গুণ্ডা দমন নীতি,তারপরেই এনকাউন্টার,এ যেন বাংলায়

বারুইপুরে এগারো বছরের একটি বালিকার ধর্ষণ ও খুনের মতো অতি নিন্দনীয় ন্যাক্কারজনক কাণ্ডে ততোধিক নিন্দনীয় ন্যাক্কারজনক অবস্থান নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নির্যাতিতা বালিকার পরিবারের সব দাবি

তিনি মুখ্যমন্ত্রী। আনছেন রাজ্যে গুণ্ডা দমন আইন, চাইছেন বিনা বিচারে এক বছর জেল বন্দি রাখতে। এরপর যদি রাষ্ট্রসংঘের সনদের কথা তুলে বলা হয়, অপরাধী যে

একটার পর একটা প্রতিশ্রুতি, কিন্তু অর্থ নেই। এমন জুমলার বাজেট ইতিহাসে কোনো দিন দেখেনি বাংলা। দেখা যাক,এই সরকারের বাজেট কতটা প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবের ফারাক ঘটাচ্ছে।

কারুর দাম ৪০ কোটি, কারুর দাম ৫০ কোটি! আম জনতাকে বিজেপির অপশাসন মুক্তি দিয়ে যাঁরা সাম্প্রদায়িকতামুক্ত ভারত গড়ার আদর্শ দেখিয়ে নির্বাচনে জিতে এসেছিল, গণতন্ত্রের হাটে

২০ শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করতে বলে কার্যত শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের বিকৃত ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে তাইই নয়, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে বিভাজিত বঙ্গের ইতিহাসের কবর

“হয় আমরা নয় ওরা” ,যে ভাষায় একজন মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিচ্ছেন যে মনে হচ্ছে না তিনি রাজ্যকে শাসন করতে এসেছেন।মনে হচ্ছে, তিনি বাঙালিকে শাসন করতে এসেছেন।গণতন্ত্রে

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলার মনীষী, সংস্কৃতি ও শিক্ষাঙ্গনের উপর লাগাতার গৈরিক হামলা ঘটেই চলেছে। বাঁকুড়ার ইন্দাসে সিজেপি-র সমর্থকের বাবাকে বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মারা,

এটা বাচ্চা ছেলেও জানে যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চটি কাদা ছুঁড়বেন না, আর এটা প্রকাশিত সত্য যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই

রাজ্যে নতুন সরকার গড়তে না গড়তেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে এক নতুন ভয়ঙ্কর গুণ্ডা দমন আইন এনেছে বিজেপি সরকার। আপাতত সেটি আদালতের বিচারাধীন। আইনটির

২০ জুলাই, ২০২৬ দিনভর দেশ সাক্ষী থাকল এক ঐতিহাসিক ক্রান্তিলগ্নের। দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশ নির্বিচারে লাঠি চালাচ্ছে, লুটিয়ে পড়ছে প্রতিবাদী যুবক, তবুও এগিয়ে চলেছে

একদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে – প্রচন্ড গরমে, খোলা আকাশের নিচে বসে আছে দেশের লক্ষ লক্ষ বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত ছাত্রছাত্রী। যাঁদের জীবন যৌবন

দু মাস যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর ” সকালে জমা বিকেলে খরচ” নীতি ঘোষণা, তারপরেই পুলিশের এনকাউন্টার! বুলডোজারের পর গুণ্ডা দমন নীতি,তারপরেই এনকাউন্টার,এ যেন বাংলায়

বারুইপুরে এগারো বছরের একটি বালিকার ধর্ষণ ও খুনের মতো অতি নিন্দনীয় ন্যাক্কারজনক কাণ্ডে ততোধিক নিন্দনীয় ন্যাক্কারজনক অবস্থান নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নির্যাতিতা বালিকার পরিবারের সব দাবি

তিনি মুখ্যমন্ত্রী। আনছেন রাজ্যে গুণ্ডা দমন আইন, চাইছেন বিনা বিচারে এক বছর জেল বন্দি রাখতে। এরপর যদি রাষ্ট্রসংঘের সনদের কথা তুলে বলা হয়, অপরাধী যে

একটার পর একটা প্রতিশ্রুতি, কিন্তু অর্থ নেই। এমন জুমলার বাজেট ইতিহাসে কোনো দিন দেখেনি বাংলা। দেখা যাক,এই সরকারের বাজেট কতটা প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবের ফারাক ঘটাচ্ছে।

কারুর দাম ৪০ কোটি, কারুর দাম ৫০ কোটি! আম জনতাকে বিজেপির অপশাসন মুক্তি দিয়ে যাঁরা সাম্প্রদায়িকতামুক্ত ভারত গড়ার আদর্শ দেখিয়ে নির্বাচনে জিতে এসেছিল, গণতন্ত্রের হাটে

২০ শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করতে বলে কার্যত শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের বিকৃত ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে তাইই নয়, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে বিভাজিত বঙ্গের ইতিহাসের কবর







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে