
অন্নপূর্ণার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি
জুলাইয়ের শুরু থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ‘টাকা না পেয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বহরমপুর, উত্তরপাড়া, বোলপুর, রামপুরহাট, শান্তিপুর, বিষ্ণুপুর, দত্তপুকুর, ঘাটাল, মেখলিগঞ্জ, পুরশুড়া- বহু

জুলাইয়ের শুরু থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ‘টাকা না পেয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বহরমপুর, উত্তরপাড়া, বোলপুর, রামপুরহাট, শান্তিপুর, বিষ্ণুপুর, দত্তপুকুর, ঘাটাল, মেখলিগঞ্জ, পুরশুড়া- বহু

ইসকন আর তার এনজিও ‘অক্ষয় পাত্রের’ মিড ডে মিলের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে আগেও বহু রাজ্যে ঝামেলা হয়েছে। খানিক ইন্টারনেটে খোঁজ নিলেই দেখা যাবে, যেখানেই ইস্কনকে

আরশোলাদের আরশোলাত্বের দায় কি তাদের? ৭ জুন ২০২৬ ‘প্রতিদিন’-এর রবিবাসরীয় ক্রোড়পত্র ‘রোববার’-এর ‘ককরোচ’ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি লেখা। আন্দোলন ঘটে কেন? এ নিয়ে তত্ত্বের কচকচানি যত

বাইরে ছিলাম যখন, তখন বেশ কয়েকটি খবর চোখে পড়ল, যা ঠিক সুখকর ঠেকল না। এক, রাস্তা বন্ধ করে নামাজ আদায় করা যাবে না বা পুজো

সংসদে ‘ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সুরক্ষা (সংশোধনী) আইন’, ২০২৬’-এর যাত্রাটি, এখনকার বেশিরভাগ বিলের অ্যাক্টে পরিণত হওয়ার যাত্রার মতোই, ছিল পেশিসর্বস্ব ও সংক্ষিপ্ত। তর্ক বা আলোচনার অবকাশ দেওয়া

সিস মানুষেরা লক্ষ্য করে থাকবেন, হঠাৎ চারপাশে ট্রান্স মানুষেরা রেগে উঠেছেন। কোনো কিছুর প্রতিবাদ করছেন। অথচ বিষয়টি সিস মানুষদের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে বা তাঁরা আগ্রহও

আসলে রাজ্য সরকারের ডিফেন্সে আর.জি.কর কাণ্ডের কেসে বহু লইয়ারের মাঝে যে মানেকাও ছিলেন, তা আমি জানতাম না৷ জানলাম৷ মানেকাকে শ্রদ্ধা করতাম সেই দিন থেকে, যেদিন

২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উন্নাও-এর মেয়েটিকে নিয়ে এই লেখাটি বেরিয়েছিল ‘চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম’-এ৷ গতকাল কুলদীপ সিং সেঙ্গার জামিন পাওয়ার পর আবার শেয়ার করছি। “হুটার বাজিয়ে

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সেক্যুলারিজম মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা। একে অন্যের ধর্মকে শুধু সহন নয়, সম্মান করার মানসিকতা৷ এ হল ভারতীয় নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার যে প্রতিবেশী

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার মফস্বলের লাজুক ছেলেটি আশৈশব বয়েজ স্কুলে পড়েছে। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশায় সে স্বচ্ছন্দ ছিল না। সাম্প্রতিক কালে সে এক মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়েছে৷

নীতিশ কুমার যা করেছেন, তাকে আমার ‘মলেস্টেশন’ না হলেও ঔদ্ধত্য আর এনটাইটেলমেন্ট মনে হয়েছে। ডাক্তারদের শংসাপত্র দেওয়ার সময় তিনি একজন ডাক্তারি ছাত্রীর হাতে শংসাপত্র তুলে

জুলাইয়ের শুরু থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ‘টাকা না পেয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বহরমপুর, উত্তরপাড়া, বোলপুর, রামপুরহাট, শান্তিপুর, বিষ্ণুপুর, দত্তপুকুর, ঘাটাল, মেখলিগঞ্জ, পুরশুড়া- বহু

ইসকন আর তার এনজিও ‘অক্ষয় পাত্রের’ মিড ডে মিলের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে আগেও বহু রাজ্যে ঝামেলা হয়েছে। খানিক ইন্টারনেটে খোঁজ নিলেই দেখা যাবে, যেখানেই ইস্কনকে

আরশোলাদের আরশোলাত্বের দায় কি তাদের? ৭ জুন ২০২৬ ‘প্রতিদিন’-এর রবিবাসরীয় ক্রোড়পত্র ‘রোববার’-এর ‘ককরোচ’ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি লেখা। আন্দোলন ঘটে কেন? এ নিয়ে তত্ত্বের কচকচানি যত

বাইরে ছিলাম যখন, তখন বেশ কয়েকটি খবর চোখে পড়ল, যা ঠিক সুখকর ঠেকল না। এক, রাস্তা বন্ধ করে নামাজ আদায় করা যাবে না বা পুজো

সংসদে ‘ট্রান্সজেন্ডার অধিকার সুরক্ষা (সংশোধনী) আইন’, ২০২৬’-এর যাত্রাটি, এখনকার বেশিরভাগ বিলের অ্যাক্টে পরিণত হওয়ার যাত্রার মতোই, ছিল পেশিসর্বস্ব ও সংক্ষিপ্ত। তর্ক বা আলোচনার অবকাশ দেওয়া

সিস মানুষেরা লক্ষ্য করে থাকবেন, হঠাৎ চারপাশে ট্রান্স মানুষেরা রেগে উঠেছেন। কোনো কিছুর প্রতিবাদ করছেন। অথচ বিষয়টি সিস মানুষদের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে বা তাঁরা আগ্রহও

আসলে রাজ্য সরকারের ডিফেন্সে আর.জি.কর কাণ্ডের কেসে বহু লইয়ারের মাঝে যে মানেকাও ছিলেন, তা আমি জানতাম না৷ জানলাম৷ মানেকাকে শ্রদ্ধা করতাম সেই দিন থেকে, যেদিন

২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উন্নাও-এর মেয়েটিকে নিয়ে এই লেখাটি বেরিয়েছিল ‘চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম’-এ৷ গতকাল কুলদীপ সিং সেঙ্গার জামিন পাওয়ার পর আবার শেয়ার করছি। “হুটার বাজিয়ে

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সেক্যুলারিজম মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা। একে অন্যের ধর্মকে শুধু সহন নয়, সম্মান করার মানসিকতা৷ এ হল ভারতীয় নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার যে প্রতিবেশী

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার মফস্বলের লাজুক ছেলেটি আশৈশব বয়েজ স্কুলে পড়েছে। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশায় সে স্বচ্ছন্দ ছিল না। সাম্প্রতিক কালে সে এক মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়েছে৷

নীতিশ কুমার যা করেছেন, তাকে আমার ‘মলেস্টেশন’ না হলেও ঔদ্ধত্য আর এনটাইটেলমেন্ট মনে হয়েছে। ডাক্তারদের শংসাপত্র দেওয়ার সময় তিনি একজন ডাক্তারি ছাত্রীর হাতে শংসাপত্র তুলে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে