
আর কত আগুনপথ বাকি?
২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উন্নাও-এর মেয়েটিকে নিয়ে এই লেখাটি বেরিয়েছিল ‘চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম’-এ৷ গতকাল কুলদীপ সিং সেঙ্গার জামিন পাওয়ার পর আবার শেয়ার করছি। “হুটার বাজিয়ে

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সেক্যুলারিজম মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা। একে অন্যের ধর্মকে শুধু সহন নয়, সম্মান করার মানসিকতা৷ এ হল ভারতীয় নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার যে প্রতিবেশী

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার মফস্বলের লাজুক ছেলেটি আশৈশব বয়েজ স্কুলে পড়েছে। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশায় সে স্বচ্ছন্দ ছিল না। সাম্প্রতিক কালে সে এক মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়েছে৷

নীতিশ কুমার যা করেছেন, তাকে আমার ‘মলেস্টেশন’ না হলেও ঔদ্ধত্য আর এনটাইটেলমেন্ট মনে হয়েছে। ডাক্তারদের শংসাপত্র দেওয়ার সময় তিনি একজন ডাক্তারি ছাত্রীর হাতে শংসাপত্র তুলে

“ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের দ্বিতীয় ঘণ্টাটি পড়েছে। একটি নয়, এবার বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আসবে এসআইআর-এর আওতায়। উদ্বেগে, আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে বেড়াচ্ছিলেন যে এসআইআর করতে দেবেন না, ঠিক তখনই, মানে আজ থেকে মাস দুই আগে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা জরুরি ডিউটির চিঠি পাচ্ছিলেন,

দুর্গাপুরের ছাত্রীটির সঙ্গে ঘটা ঘটনা ঘিরে যা কিছু আলাপ-আলোচনা, তা দেখে ভয়াবহ লাগছে। আলোচনা ঘুরে গেছে ধর্ষণ হয়েছে নাকি সহবাস, তার দিকে! যে শব্দটা উচ্চারণ

‘চাকরি নিশ্চিত করবই’ শুনতে নিশ্চয় চাকরিহারা-রা যাননি? গিয়েছিলেন শুনতে, ‘কীভাবে?’ পুরো শুনতে পারিনি, ক্লাস ছিল। যতটা শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাতে ‘কীভাবে’-র কোনো উত্তর নেই৷ আমি

কোনো মহৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গিয়ে কেউ মারা গেলে তাঁকে ‘শহিদ’ বলার চল। আমরা যারা পিতৃতন্ত্রের বিরোধিতা করি, ধর্ষণের বিরোধিতা করি, ভিক্টিম ব্লেমিং-এর বিরোধিতা করি,

নানা সংগঠন ও মঞ্চের তরফ থেকে স্বাস্থ্যভবনে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছিল, স্বাস্থ্য ভবনের অধীনে কর্মরত মেয়েটি অত্যাচারিত হয়ে মারা যাওয়ার পর স্বাস্থ্যভবনেরই অধীনে

অভয়ার ন্যায় বিচারের দাবিতে ১৪ অগাস্টের ঐতিহাসিক রাত থেকে আমরা মেয়ে, ট্রান্স ও ক্যুয়ার মানুষেরা পথে ছিলাম, আছি, থাকব। আমারা আমাদের দাবি আদায় করতে আগামী

২৩ ডিসেম্বর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে জামিন পেয়েছিল উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডের প্রধান অপরাধী তথা বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গার। বিচার-চলাকালীন নয়, পূর্ণাঙ্গ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাবজ্জীবন

২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে উন্নাও-এর মেয়েটিকে নিয়ে এই লেখাটি বেরিয়েছিল ‘চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম’-এ৷ গতকাল কুলদীপ সিং সেঙ্গার জামিন পাওয়ার পর আবার শেয়ার করছি। “হুটার বাজিয়ে

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ সেক্যুলারিজম মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা। একে অন্যের ধর্মকে শুধু সহন নয়, সম্মান করার মানসিকতা৷ এ হল ভারতীয় নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার যে প্রতিবেশী

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার মফস্বলের লাজুক ছেলেটি আশৈশব বয়েজ স্কুলে পড়েছে। মেয়েদের সঙ্গে মেলামেশায় সে স্বচ্ছন্দ ছিল না। সাম্প্রতিক কালে সে এক মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়েছে৷

নীতিশ কুমার যা করেছেন, তাকে আমার ‘মলেস্টেশন’ না হলেও ঔদ্ধত্য আর এনটাইটেলমেন্ট মনে হয়েছে। ডাক্তারদের শংসাপত্র দেওয়ার সময় তিনি একজন ডাক্তারি ছাত্রীর হাতে শংসাপত্র তুলে

“ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের দ্বিতীয় ঘণ্টাটি পড়েছে। একটি নয়, এবার বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আসবে এসআইআর-এর আওতায়। উদ্বেগে, আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গে বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে বেড়াচ্ছিলেন যে এসআইআর করতে দেবেন না, ঠিক তখনই, মানে আজ থেকে মাস দুই আগে, রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা জরুরি ডিউটির চিঠি পাচ্ছিলেন,

দুর্গাপুরের ছাত্রীটির সঙ্গে ঘটা ঘটনা ঘিরে যা কিছু আলাপ-আলোচনা, তা দেখে ভয়াবহ লাগছে। আলোচনা ঘুরে গেছে ধর্ষণ হয়েছে নাকি সহবাস, তার দিকে! যে শব্দটা উচ্চারণ

‘চাকরি নিশ্চিত করবই’ শুনতে নিশ্চয় চাকরিহারা-রা যাননি? গিয়েছিলেন শুনতে, ‘কীভাবে?’ পুরো শুনতে পারিনি, ক্লাস ছিল। যতটা শুনেছি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাতে ‘কীভাবে’-র কোনো উত্তর নেই৷ আমি

কোনো মহৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গিয়ে কেউ মারা গেলে তাঁকে ‘শহিদ’ বলার চল। আমরা যারা পিতৃতন্ত্রের বিরোধিতা করি, ধর্ষণের বিরোধিতা করি, ভিক্টিম ব্লেমিং-এর বিরোধিতা করি,

নানা সংগঠন ও মঞ্চের তরফ থেকে স্বাস্থ্যভবনে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছিল, স্বাস্থ্য ভবনের অধীনে কর্মরত মেয়েটি অত্যাচারিত হয়ে মারা যাওয়ার পর স্বাস্থ্যভবনেরই অধীনে

অভয়ার ন্যায় বিচারের দাবিতে ১৪ অগাস্টের ঐতিহাসিক রাত থেকে আমরা মেয়ে, ট্রান্স ও ক্যুয়ার মানুষেরা পথে ছিলাম, আছি, থাকব। আমারা আমাদের দাবি আদায় করতে আগামী







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে