Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অনির্বাণ আপাতত প্রতিভা-টতিভার উর্ধ্বে চলে গেল

IMG-20240625-WA0155
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • June 27, 2024
  • 5:55 am
  • No Comments
সঙ্গের ছবিটা অনির্বাণের। মরে যাবার পরে নয়, কেননা গত সপ্তাহে ছবিটা ও-ই পাঠিয়েছিল। কিন্তু অনির্বাণ যে মরে গেছে, সেটাও তো অনস্বীকার্য।
অবিশ্বাস্য ও অনস্বীকার্য, দুইই।
অনির্বাণ আমার ভাই। স্নেহ ও প্রশ্রয়ের ভাই। সৃজনশীল ভাবনা আর প্রতিভাজনিত অস্থিরতার জন্য শ্রদ্ধারও বটে। ছিল, আর নেই।
নিয়মিত যোগাযোগ থাকত কি? একেবারেই না। আচমকা হোয়াটসঅ্যাপে লাগাতার কথাবার্তা – একটানা দুই-তিন-চার-পাঁচদিন। তারপর আবার দীর্ঘ বিরতি। বিরতি মাসখানেক বা মাসদুয়েকের। অতএব, যোগাযোগটা এপিসোডিক। আর দেখাসাক্ষাৎ কালেভদ্রে।
এই যে এপিসোডিক কথাবার্তা, সেসব কথার শুরুগুলোও কোনও বিশেষ প্রসঙ্গ টেনে নয়। যেমন গতসপ্তাহেই লিখল দুই প্রজন্মের ভাবনাচিন্তা ও রুচিবোধের ফারাক নিয়ে কিছু কথা। আচমকা। আমাকে পড়তে দিল। লেখাটার শেষ অংশ এরকম –
“বর্তমানে দাঁড়িয়ে যারা ভাবছে যে তারা কালোত্তীর্ণ কিছু ছাপ রেখে যাবে, একটা নির্দিষ্ট সুখী গন্ডির ভেতরে বসে তাদের সেই ভাবনা সাময়িক আরাম দিতে পারে। এর বেশী কিছু নয়।
নিজেকে জ্বালিয়ে আগুন রেখে যাবে আগামী বহু বছরের জন্য, এত জ্বালানি আমাদের কারোরই মনে হয় নেই।
শুধু নিজেদের যেখানে ফুরিয়ে যাওয়া, সেখানে অন্যের হাতে মশালটা ধরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাটা জরুরী।”
শেষে আমার উদ্দেশে –
“আগে প্রচুর impulsive ভাবনা থেকে প্রচুর কিছু লিখতাম। আজকাল সেসব আর আসে না। এটা লিখে মনে হল ভাল খারাপ জানার জন্য আপনাকে মেসেজে পাঠাই।”
মতামত জানালাম। সেই মতামত নিয়ে এই বিশেষ ক্ষেত্রে ও সহমত হলেও অনেকসময়ই আমার কথাগুলো ওর মনঃপূত হতো না। তর্ক জুড়ত। রেগেও যেত। ক্ষেত্রবিশেষে কটু কথাও বলত। আমিও চটে যেতাম, একবার তো ব্লক-ই করে দিলাম। তাতে কিছু যেত-আসত না, কেননা অনির্বাণ তো আমার ভাই, আদরের ভাই, তার ‘পরে রাগ করে থাকা যায় কি! সেটুকু ও-ও জানত, যদিও আমাকে কখনও কখনও ও স্যার বলে ডাকত আর কখনও বা বিষাণদা। এবং সবসময়ই আপনি।
আসলে অনির্বাণ অসম্ভব খোলা স্বভাবের মানুষ। মুখ মনে ফারাক নেই। অকপট। মতপ্রকাশের ব্যাপারেও তা-ই। জীবনে চলার পথে যে হিসেবগুলো জরুরি, তার একটাও অনির্বাণ মানত না। ওর মধ্যে একটা পাগলামি ছিল। যেটা ছাড়া বোধহয় হাজার প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ক্রিয়েটিভ থাকা যায় না। সবমিলিয়ে ওকে হয়ত অপছন্দও করত কেউ কেউ – কিন্তু ওই উজ্জ্বল চোখ আর একমুখ হাসি দেখে কেউই বেশিক্ষণ রেগে থাকতে পারত না, নিশ্চিত। তবে ক্ষমতাসীনদের ব্যাপার আলাদা। ডেঙ্গু প্রসঙ্গে সরকারি বয়ান যদি বিহার-ঝাড়খন্ডের মশা এসে ডেঙ্গুর ছড়াচ্ছে এই হয় – তখন অনির্বাণ চন্দবিন্দু-র গানের সুরে গেয়ে বসল “ও আমার ভিনদেশি মশা” – মেডিকেল কাউন্সিল নির্বাচনের সময় আমাদের প্রচার ও পাহারার সময় দিনে কিংবা রাতে গিটার হাতে গাইতে বসত – এসব অনাচার তো ক্ষমতাসীনদের পছন্দ হওয়ার কথা নয়, তাই না?
কিন্তু সেসব কথা থাক। আপাতত কপটতাহীন অনির্বাণের প্রসঙ্গে ফিরি। এটুকু বলতে পারি, অন্তত ওর কাছে নিজের মতামত প্রকাশের সময় আমি নিজেও কপট থাকিনি। ডাক্তারদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ কাজের চেষ্টা করেন ঠিকই, কিন্তু সৃজনশীল কাজের জন্য যে সময়টুকু দেওয়া জরুরি, যে নিষ্ঠা অত্যাবশ্যক – যে সময় ও নিষ্ঠা কেরিয়ার ও পেশার জন্য বরাদ্দ সময়ে টান ফেলে, টান পড়ে উপার্জনের সম্ভাবনায়ও, যা রীতিমতো বাস্তব একটি টাকার অঙ্ক – cost – সেই cost-টুকু bear করতে অনেকেই রাজি থাকেন না। ফলত, ব্যাপারটা half-hearted শৌখিনতা হয়ে দাঁড়ায়, এবং final product-টাও খুব একটা পাতে দেওয়ার মতো হয় না। অনির্বাণকে মাঝেমধ্যে এসব বলতাম – কিছু কিছু সময় মেনে নিত, কখনও কখনও মনঃক্ষুণ্ণ হতো – তবু বলতাম, বলতে ছাড়তাম না – কেননা আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, ওর যা ক্ষমতা আছে, তার প্রতি সুবিচার করতে হলে ওকে গানের পেছনেই বেশি সময় দিতে হবে, চাকরির সময়টুকু বাদে বাকি পুরো সময়টাই গানের জন্য ব্যয় করতে হবে।
তো অনির্বাণ আপাতত প্রতিভা-টতিভার উর্ধ্বে চলে গেল। কিছু গান রয়ে গেল – যেহেতু আমি গানের ব্যাপার বিশেষ বুঝি না, তাই জানি না এই গানগুলোর একটিও দশ বা কুড়ি বছর বাদে কোনও শ্রোতার মনে রয়ে যাবে কিনা। আশা করি, কিছু গান অন্তত কিছু শ্রোতার মনে থেকে যাবে।
অনির্বাণকেও কে কে মনে রাখবে জানি না। ঋজু মেরুদণ্ড, বুদ্ধিদীপ্ত একজোড়া চোখ আর ঝিলিক দেওয়া দুষ্টু হাসি, গিটার হাতে যেখানে-সেখানে গাইতে বসে যাওয়া, কেউ গান শুনতে ভালোবাসলে ক্লান্তিহীন গেয়ে চলা – আমার ভাইটাকে আমি নিজেও মিস করব কিনা জানি না, কেননা ওর দেহের সঙ্গে সঙ্গে আমার হৃদয়ের একটা অংশও তো আজ পুড়ে গেল, যে অংশে ও ছিল – বাদ পড়া পা বা হাতের অনুপস্থিত অংশেও রোগী ব্যাথা অনুভব করে, যাকে বলে phantom limb pain, অনির্বাণের জন্য কষ্টটাও আজকের পর থেকে, হয়ত, তা-ই।
গতকাল সকাল আটটায় দেখলাম অনির্বাণের মেসেজ –
“কিছু না বললেও হবে, কিন্তু একটা কথা বিশ্বাস করবেন – আমি leftist.”
তার এক মিনিটের মাথায় – আরও এটাসেটা কথার পরে –
“বামপন্থা নিয়ে আমার মনে প্রচুর কনফিউশান। কিন্তু না ভেবেও থাকতে পারি না।”
তার পরপরই –
“আমার প্রজন্মের সবার এক অবস্থা, জানেন।”
অনির্বাণের মন্তব্যের দুমদাম প্রত্যুত্তর হয় না। হাতে একটু সময় নিয়ে উত্তর দিতে হয়। ঘণ্টাদুই বাদে ভেবেচিন্তে উত্তর দিলাম। উত্তরটা পছন্দও হলো ওর – সম্মতিবাচক ‘একদম সত্যি’ এলো বারোটা আটচল্লিশে।
সময়গুলো লিখে রাখছি। কেননা সময়টা থেমে যেতে চলেছে। দুপুর বারোটা আটচল্লিশ – মানে অনির্বাণের জীবনের তখন আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। কেননা, এর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই আমি জানতে পারব, অনির্বাণ মারা গেছে।
শু
নলাম, পাতলা পায়খানা, পরে রাতের দিকে বমি, বাড়িতেই স্যালাইন ইত্যাদি নিতে শুরু করেছিল, ভোররাতে নাকি বলেছিল, খুব গরম লাগছে, খাট থেকে নেমে মেঝেয় গিয়ে শুয়েছিল…
আমি ওকে যখন তত্ত্বকথা নিজের জীবনবোধ-সঞ্জাত ভাবনা জাতীয় গুরুগম্ভীর কথা শোনাচ্ছিলাম, তখন অনির্বাণের হাতে সময় ফুরিয়ে আসছিল।
অনির্বাণ যখন আমার কথা পড়ে সহমত হচ্ছিল, তখন ওর সময় ফুরিয়ে আসছিল খুব দ্রুত। আস্ত একটা দিনও, তখন, আর ওর হাতে নেই।
অথচ যেটা বলার ছিল – ছাড় তো, বেঁচে থাক, বেঁচে নে, বাকি সব পরের কথা – সেটুকুই বলে ওঠা হলো না।
গতকালই একটা গ্রুপে দেখলাম, একেবারে সক্কাল সক্কাল অনির্বাণ নিজের মতামত জানিয়ে লিখেছে, “আমি পুরোটা গুছিয়ে বলতে পারি না @⁨Dr Bishan Basu⁩ কে গুরু মানি। তিনি যদি কিছু বলেন।”
কী বলব, তুইই বলে দে, অনির্বাণ। আমার শুধুই রাগ হচ্ছে। খুব খুউব অক্ষম একটা রাগ।
তোকে নিয়ে আমার… তোর কথার উত্তরে আমার… তোর মতামত নিয়ে আমার… জাস্ট কিচ্ছু লেখার নেই… কিচ্ছু বলার নেই…
PrevPreviousমেক্সিকোর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট
Nextঅনির্বাণরা মরে না। তার শিখা জ্বলতেই থাকে, জ্বলতেই থাকে….Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

Rational Medicine: The Culture of Stewardship and the Role of the Physician

September 1, 2026 1 Comment

Published in British Journal of Hospital Medicine  on 18 August 2026 as editorial The significant rise in healthcare costs arising from precision medicine and artificial

সংসদীয় পথই এখানে নীতিহীন রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক

September 1, 2026 No Comments

(এক) জ্ঞান হওয়া থেকেই দেখছি পশ্চিমবঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টি আর কংগ্রেস দলের লড়াই। পঞ্চাশের দশক থেকেই। কংগ্রেসের কোনও মিটিং মিছিল ছোটবেলায় কখনও দেখেছি বলে মনে পড়েনা।

সেই টাকা দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার খোলনলচে বদলে দেওয়া যায়

September 1, 2026 1 Comment

স্বাস্থ্যমন্ত্রী যদি সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন সত্যিই করতে চান, এই ঢপের স্কিম সব বন্ধ করুন। স্বাস্থ্য সাথী মমতা ব্যানার্জির মস্তিষ্কপ্রসূত পয়সা মারার এক অভিনব পন্থা।

এসো! একটি গাছকে বাঁচাতে সবাই যুদ্ধ করি।

August 31, 2026 2 Comments

যুদ্ধ কথাটা শুনলেই মনের মধ্যে আশঙ্কার মেঘ ঘুরপাক খেতে থাকে। লড়াই, ঝগড়া, যুদ্ধ – এসব কথা এই সময়ের পৃথিবীতে খুব ক্লিশে হয়ে গেছে। তাই খবরটাকে

শিক্ষাব্রতী রামকমল সেন-এর ঔষধ সার সংগ্রহ এবং একটি সময়ের ইতিবৃত্ত

August 31, 2026 No Comments

রামকমল সেনের লেখা ঔষধ সার সংগ্রহ (১৮১৯, বঙ্গাব্দ ১২২৬) একটি ৯৫ পৃষ্ঠার পুস্তিকা। এতে মোট ৫৬ রকম ওষুধ এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়ার বিবরণ আছে। ১০৭ বছর

সাম্প্রতিক পোস্ট

Rational Medicine: The Culture of Stewardship and the Role of the Physician

Dr. Rahul Mukherjee September 1, 2026

সংসদীয় পথই এখানে নীতিহীন রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক

Dipak Piplai September 1, 2026

সেই টাকা দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার খোলনলচে বদলে দেওয়া যায়

Dr. Subhanshu Pal September 1, 2026

এসো! একটি গাছকে বাঁচাতে সবাই যুদ্ধ করি।

Somnath Mukhopadhyay August 31, 2026

শিক্ষাব্রতী রামকমল সেন-এর ঔষধ সার সংগ্রহ এবং একটি সময়ের ইতিবৃত্ত

Dr. Jayanta Bhattacharya August 31, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

672019
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]