২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২। মুখোমুখি দেখা হয়েছিল একটা শ্রুতিনাটকের রিহার্সালে। আমাদের একসঙ্গে ‘তাহার নামটি রঞ্জনা’ করার কথা ছিল ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে। তরুণ বয়স।অত্যন্ত প্রতিভাবান, প্রবল প্রাণশক্তির একটা মানুষ। গানে গানে, গীটারের তানে মাতিয়ে রেখেছিল একটা দিন। সেই শেষ। তারপর আর দেখা হয় নি।……
তারপর, আজ শুনতে পেলাম বজ্রপাতের শব্দ।
অনির্বাণরা মরে না। তার শিখা জ্বলতেই থাকে, জ্বলতেই থাকে….
অনির্বাণ
ভেবে দেখ, গান একটা নদী
যে নদীটায় নৌকা বেয়ে বয়ে যেতে যদি।
শব্দবিহীন চরাচরে কেউ কোত্থাও নেই,
আকাশ বাতাস একই সুরে গেয়ে ওঠে যেই-
সেই সে গানের মাটির সুরে জাগল অনির্বাণ
ভালোবাসায় সুরের মায়ায় জুড়ালো সব প্রাণ।
চলছিল গান, জাগছিল প্রাণ মনের মানুষ যত,
সকলকে সে আপন সুরে গাঁথল মালার মত।
কাটছিল দিন আঁধার-আলোয় প্রাণের কলরব
এক সকালের বজ্রপাতে লন্ডভন্ড সব।
গান ছুটে যায়, বাঁধ ভেঙে যায় সুরের মোহনায়
অনন্ত এক জীবন ডাকে, আয় রে ছুটে আয়।
কাল সকালে নতুন দেশে নতুন অনির্বাণ
ফের শোনাবে অনন্তকে নতুন বাঁধা গান।










