প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৩.০৮.২৫
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমরা জানতে পারলাম নানা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করতে দুটি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতির বাড়িতে রেইড করেছে।
ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিল এখনো ডাক্তারদের স্বায়ত্বশাসনের শেষ স্থল। তার প্রেসিডেন্টের বাড়ি, নার্সিংহোম বারংবার দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় সংস্থা রেইড করছে এটা ডাক্তার সমাজের কাছে শুধুমাত্র লজ্জার বিষয় নয়–একদিকে যেমন প্রহসনের নির্বাচনে জেতা অনৈতিক মেডিক্যাল কাউন্সিলের সাম্প্রতিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে আমাদের তোলা অভিযোগ প্রমাণিত হচ্ছে, তেমনি ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলের সম্মান সারা দেশের কাছে ভূলুন্ঠিত হচ্ছে, আর সেই সঙ্গে রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসকের সম্মানও।
যদিও এটা ঠিক যে কাউন্সিল গঠিত হয়েছিল ব্যাপক ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের থেকে কোন নৈতিক অবস্থান আশা করা অতি অবান্তর, তা সত্ত্বেও আমরা মনে করি অবিলম্বে চেয়ারম্যান সমেত সমস্ত কাউন্সিলের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।
আমরা চাই মডার্ন মেডিসিনের নীতি নির্ধারক সংস্থার সর্বোচ্চ প্রশাসকের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের দ্রুত তদন্ত হোক। রাজ্য সরকারকেও মেডিক্যাল কাউন্সিলের অন্যায়, অনৈতিক কার্যকলাপ ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা চুপ করে বসে থাকতে পারে না।
চুরি করে জেতা এবং রাজনৈতিক দলের দ্বারা পরিচালিত কাউন্সিল। অভয়ার পরিণতির সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত কাউন্সিল মেম্বার, শো কজ ও নিলম্বিত চিকিৎসককে কাউন্সিলে রেখে দেওয়া ও প্রেসিডেন্টের বাড়ি ও নার্সিংহোম সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ ও তদন্তকারী সংস্থার ঘন ঘন অভিযান ও আরও নানাবিধ অভিযোগ যা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে যার জেরে কোর্টের নির্দেশে মানস চক্রবর্তীকে পদত্যাগ করতে হয়েছে এবং তাকেই আবার ঘুরপথে কাউন্সিলে ফেরত আনার মতো দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষের কাউন্সিলের সভাপতি থাকার নূন্যতম অধিকার নেই। তাই সমস্ত চিকিৎসকদের একসাথে মিলে কাউন্সিল সাফ করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো অজুহাতেই বা এইসমস্ত দুর্নীতির কারণ দেখিয়ে WBMC এর স্বাধিকারে কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করা না হয়। সেটা কিন্তু বাঙলার চিকিসক সমাজ কখনোই মেনে নেবে না।
মেডিকেল কাউন্সিলের দুর্নীতি ও অপরাধ ঢাকা দেবার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে এবং তার স্বাধিকার রক্ষার্থে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে, করছিলো ও করবে।










দুর্নীতিগ্রস্থ রাজ্য এমসিআই আধিকারিকদের পদত্যাগ ও শাস্তি চাই। অভয়ার খুনীদের মদতদাতাদের বিচার চাই।